স্যাটেলাইট থেকে তোলা ইমেজ ভিডিও বা ছবি কোন কোন সাইট থেকে ফ্রি তে দেখা যায় এমন কিছু সাইটের তালিকা পাবেন আজকের পোস্টে।
Show & Tell

No title available
macklin celebrini has autism

❣ Chile in a Photography ❣
YOU ARE THE REASON
Keni
NASA

No title available

tannertan36
Noah Kahan
Today's Document
cherry valley forever
KIROKAZE

@theartofmadeline
🩵 avery cochrane 🩵
hello vonnie
art blog(derogatory)
No title available
One Nice Bug Per Day
No title available
seen from United States

seen from United States

seen from Türkiye
seen from Kazakhstan
seen from Thailand
seen from Ecuador
seen from Malaysia

seen from United Kingdom
seen from Colombia
seen from Bangladesh

seen from United States

seen from Germany
seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from Ireland

seen from France

seen from Türkiye

seen from Norway

seen from Ukraine
@bangladeshimam
স্যাটেলাইট থেকে তোলা ইমেজ ভিডিও বা ছবি কোন কোন সাইট থেকে ফ্রি তে দেখা যায় এমন কিছু সাইটের তালিকা পাবেন আজকের পোস্টে।
ভিদেও থেকে অডিও কেটে আলাদা করবেন কিভাবে? মোবাইল দিয়ে পিসি দিয়ে নাকি কিছু ইন্সটল ছাড়া অনলাইনেই করবেন? বিস্তারিত পড়ে ফেলুন এই পোস্ট। ডাউনলোড...
লোকেশন ম্যাপ দেখার সেরা কিছু মোবাইল অ্যাপস ও ওয়েবসাইটের লিঙ্ক। এই পোস্টে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোন এপ, কোন সাইট লোকেশন বের করার জন্য সহজ
ওয়াল স্টিকার ডিকাল প্রিন্ট ইত্যাদি লাগানোর আগে কি কি বিষয়ের দিকে নজর দিবেন? কেমন দেওয়ালে কেমন স্টিকার মানাবে ইত্যাদি জানতে ও আইডিয়া পেতে
ডাউনলোড করে নিন গুগল প্লে স্টোর ফ্রিতে। সাথে প্লে স্টোরে থাকা দরকারি আরো কিছু এপের লিস্ট। অ্যাপস সফটওয়্যার।
Play Store Apps Download Bangla Post
Islamic Quotes From Holy Quran.
#AlAqsa #Aqsa #Palestine #Masjid #Muslim #Islam #UnitedUmmah #Ummah
#৫মে #5May #MayTragedy #HefajoteIslam #Bangladesh
#কাফের #যুদ্ধ #মোকাবেলা #আক্রমন #প্রতিরোধ
#আল্লাহ্ #কোরআন #ইসলাম #সূরা_আত_তাওবা #ভরসা #আশা
#পাপ #গোনাহ #হারাম #জিনা #ইসলাম #মুসলিম #বাংলা #ছবি
#Dua #Islam #Muslim #IslamicQuote #Hadith #BanglaQuran #BanglaHadis
#LailatulKadar #Dua #Islam #Muslim
ইস্তিগফার কি ও কেন?
|ইস্তিগফার; কি ও কেন? পর্ব # ১| আবু মুসা আশ'আরী রাঃ বলেন, আমাদের জন্য দুইটা রক্ষাকবচ। এক, আমাদের মাঝে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম এর বিদ্যমান থাকা। আমরা সেটা চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেলেছি৷ দুই, ইস্তিগফার। এখন যদি এটাও আমরা হারিয়ে ফেলি। তাহলে তো ধ্বংস অনিবার্য! ইস্তিগফার অর্থ কী? মন ও মুখের মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করা। অতীত ভুল ও ত্রুটি-বিচ্যুতির ব্যাপারে অনুতপ্ত হওয়া। ইস্তিগফারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নিয়মকানুন নেই। সময়সীমা নেই। তবে সাহারির সময় (রাতের শেষ ষষ্ঠাংশ) ইস্তিগফার করা অতি উত্তম। আল্লাহ তা'আলা শেষরাতে ইস্তিগফারকারীদের প্রশংসা করে বলেনঃ ❒ "... যারা শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী।" [সূরা আলে ইমরানঃ১৭] ❒ এবং ইউসুফ আঃ এর ১১ ভাই স্বীয় অপরাধ স্বীকার করে যখন পিতা ইয়াকুব আঃ এর নিকট তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনার অনুরোধ জানালেন, তখন ইয়াকুব আঃ বললেন, ﺳَﻮْﻑَ ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﻟَﻜُﻢْ ﺭَﺑِّﻰٓ ۖ ﺇِﻧَّﻪُۥ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﻐَﻔُﻮﺭُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ "অচিরেই আমি তোমাদের জন্য আমার রবের নিকট ক্ষমা চাইব, নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু!" [সূরা ইউসূফঃ ৯৮] মুফাসসিরগণ বলেন, তিনি মূলত সাহারির অপেক্ষায় কালক্ষেপণ করছিলেন। ইস্তিগফার কেন করব? এবং তার হুকুম কী? এবং তার উপকারিতা ও ফজীলত কী? চলুন- কুর'আন-সুন্নাহ এবং সালাফদের চোখে খুজে নিই এর সঠিক উত্তর! কুর'আনের আলোকেঃ ১। ইস্তিগফারের জন্য আল্লাহ তা'আলা বান্দাকে আদেশ করেছেন। ﻭَﺍﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔُﻮﺭٌ ﺭَّﺣِﻴﻢٌ "তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা বাকারাঃ১৯৯] অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছেঃ ﻭَّﺃَﻥِ ﺍﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻭﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢْ ﺛُﻢَّ ﺗُﻮﺑُﻮٓﺍ ﺇِﻟَﻴْﻪِ "আর তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও। তারপর তার কাছে ফিরে যাও।" [সূরা হূদঃ৩] লক্ষণীয়ঃ ক, এখানে ইস্তিগফারের জন্য আদেশ করা হচ্ছে। আর ফিকহের পরিভাষায় সাধারণত (ক্বরীনা বিহীন তথা অন্য কোনো শর্তযুক্ত না হওয়া) যে কাজের আদেশ করা হয়ে থাকে, তা ফরজ। সে হিসেবে ইস্তিগফার করা, তাওবা করা আমাদের জন্য ফরজ। খ, শুধু মুখে ইস্তিগফার পড়লে হবে না। অন্তরেও ইস্তিগফার করতে হবে। পাপ থেকে ফিরে আসতে হবে। দ্বিতীয় আয়াতে খেয়াল করে দেখুন, ﺛُﻢَّ শব্দটি আছে। অর্থাৎ, আগে মুখে ইস্তিগফার করতে হবে। তারপর সে মন্দ কাজ থেকে ফিরেও আসতে হবে। অন্যথায় তোতাপাখির মত ইস্তিগফার পড়ে কোনো লাভ নেই। গ, প্রথম আয়াতটি অবতীর্ণ হয় হাজীদের ব্যাপারে। অর্থাৎ তারা যখন আরাফা থেকে ফিরে মুজদালিফায় যাচ্ছে, সেখানে গিয়েও যেন ইস্তিগফার পড়ে। অথচ, মাত্র তারা আরাফা থেকে তাওবা করে বের হলো। এবং তখনো তাদের গায়ে ইহরাম! পাপ কাজের নিকট যাওয়াও তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। তবু তাদের তাওবার আদেশ করা হচ্ছে। এমনকি সূরা নাসরের শেষ আয়াতে আল্লাহ তাঁর প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামকে ইস্তিগফারের আদেশ করেছেন। এর দ্বারা প্রতিয়মান হয়, বান্দা আমলনামায় পাপ থাক বা না থাক, ইস্তিগফার তাকে করতে হবে। কেননা, ইবাদাত করতে গিয়েও আমরা কখনো ত্রুটি করি। সেগুলোর ক্ষতিপূরণ এই ইস্তিগফার। এ জন্যে প্রিয়নবী প্রতি নামাজের পর তিনবার ইস্তিগফার পড়তেন। ২। ইস্তিগফার সকল নবীর সুন্নাহ। আদম আঃ পড়েছেন, ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻇَﻠَﻤْﻨَﺎٓ ﺃَﻧﻔُﺴَﻨَﺎ ﻭَﺇِﻥ ﻟَّﻢْ ﺗَﻐْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﺗَﺮْﺣَﻤْﻨَﺎ ﻟَﻨَﻜُﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺨٰﺴِﺮِﻳﻦَ "হে আমাদের রব, আমরা নিজদের উপর যুলম করেছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদেরকে দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব!" [ সূরা আ'রাফঃ২৩] নূহ আঃ পড়েছেন, ﻭَﺇِﻟَّﺎ ﺗَﻐْﻔِﺮْ ﻟِﻰ ﻭَﺗَﺮْﺣَﻤْﻨِﻰٓ ﺃَﻛُﻦ ﻣِّﻦَ ﺍﻟْﺨٰﺴِﺮِﻳﻦَ "আর যদি আপনি আমাকে মাফ না করেন এবং আমার প্রতি দয়া না করেন, তবে আমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব’।" [সূরা হূদঃ৪৭] মুসা আঃ পড়েছেন, ﺭَﺏِّ ﺇِﻧِّﻰ ﻇَﻠَﻤْﺖُ ﻧَﻔْﺴِﻰ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻰ ﻓَﻐَﻔَﺮَ ﻟَﻪُۥٓ ۚ ﺇِﻧَّﻪُۥ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﻐَﻔُﻮﺭُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ "হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’। অতঃপর তিনি তাকে ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" [সূরা কাসাসঃ ১৬] ইসা আঃ পড়েছেন, ﺇِﻥ ﺗُﻌَﺬِّﺑْﻬُﻢْ ﻓَﺈِﻧَّﻬُﻢْ ﻋِﺒَﺎﺩُﻙَ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻐْﻔِﺮْ ﻟَﻬُﻢْ ﻓَﺈِﻧَّﻚَ ﺃَﻧﺖَ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰُ ﺍﻟْﺤَﻜِﻴﻢُ "যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন তবে তারা আপনারই বান্দা, আর তাদেরকে যদি ক্ষমা করেন, তবে নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" [সূরা মায়িদাঃ ১১৮] এভাবে আরো অনেক নবীর কথাই কুর'আনে এসেছে। ছোট্ট পরিসরে সব উল্লেখ অসম্ভব। ৩। ইস্তিগফার করা মুত্তাকিনদের সিফাত। আল্লাহ তা'আলা বলেন, ﻭَﺳَﺎﺭِﻋُﻮٓﺍ ﺇِﻟٰﻰ ﻣَﻐْﻔِﺮَﺓٍ ﻣِّﻦ ﺭَّﺑِّﻜُﻢْ ﻭَﺟَﻨَّﺔٍ ﻋَﺮْﺿُﻬَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕُ ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽُ ﺃُﻋِﺪَّﺕْ ﻟِﻠْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ "তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও যমীনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।" [ সূরা আলে ইমরানঃ ১৩৩] ৪। ইস্তিগফারের কারণে কল্যাণ আসে। রহমাত ও বারাকাহ আসে৷ বৃষ্টি বর্ষিত হয়। বিপদ দূর হয়। ইরশাদ হচ্ছে, ﻓَﻘُﻠْﺖُ ﺍﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻭﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢْ ﺇِﻧَّﻪُۥ ﻛَﺎﻥَ ﻏَﻔَّﺎﺭًﺍ ﻳُﺮْﺳِﻞِ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎٓﺀَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢ ﻣِّﺪْﺭَﺍﺭًﺍ ﻭَﻳُﻤْﺪِﺩْﻛُﻢ ﺑِﺄَﻣْﻮٰﻝٍ ﻭَﺑَﻨِﻴﻦَ ﻭَﻳَﺠْﻌَﻞ ﻟَّﻜُﻢْ ﺟَﻨّٰﺖٍ ﻭَﻳَﺠْﻌَﻞ ﻟَّﻜُﻢْ ﺃَﻧْﻬٰﺮًﺍ "আর বলেছি, ‘তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল’। ‘তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, ‘আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ- বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা’।" [ সূরা নূহঃ১০-১২] লক্ষণীয়ঃ যদি কেউ ইস্তিগফার পড়ে, তাওবা করে, এবং পাপ কাজ ছেড়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তাহলে আল্লাহ তাকে নেক সন্তান নসীব করবেন। তার রিযিক বাড়িয়ে দিবেন৷ ইনকামে বারাকাহ দিবেন। আকাশ থেকে রহমতের বারি বর্ষণ করবেন। বিশুদ্ধ ফল ও ফসল খাওয়াবেন। আর শহর নগরও রাখবেন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। ইবনে কাছির রহিঃ বলেন, "এই আয়াত ক'টির কারণেই সালাতুল ইস্তিসকা (বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত) তে এই সূরা পাঠ করা মুস্তাহাব। তিনি তার কিতাবে লিখেছেন, একবার উমর রাঃ বৃষ্টি প্রার্থনার জন্য মিম্বারে উঠেন। এরপর তিনি ইস্তিগফারই করলেন। ইস্তিগফারের আয়াতগুলোই পড়লেন। আর কোনো কিছুই বৃদ্ধি করলেন না।" [ তাফসীরে ইবনে কাছিরঃ ৮/২৩৩] ৫। ইস্তিগফারকারীর উপর সদা রহমত বর্ষিত হয়। আল্লাহ তা'আলা বলেন, ﻟَﻮْﻟَﺎ ﺗَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻭﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﺮْﺣَﻤُﻮﻥَ " কেন তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না যেন তোমাদেরকে রহমত করা হয়’?" [সূরা নামলঃ ৪৬] ৬। সুখময় জীবন ও জীবিকা পাওয়া যায়। ইরশাদ হচ্ছে, ﻭَّﺃَﻥِ ﺍﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُﻭﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢْ ﺛُﻢَّ ﺗُﻮﺑُﻮٓﺍ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻳُﻤَﺘِّﻌْﻜُﻢ ﻣَّﺘٰﻌًﺎ ﺣَﺴَﻨًﺎ ﺇِﻟٰﻰٓ ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُّﺴَﻤًّﻰ ﻭَّﻳُﺆْﺕِ ﻛُﻞَّ ﺫِﻯ ﻓَﻀْﻞٍ ﻓَﻀْﻠَﻪُۥ ۖ "আর তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও। তারপর তার কাছে ফিরে যাও, (তাহলে) তিনি তোমাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উত্তম ভোগ- উপকরণ (সুখময় জীবন) দেবেন!" [সূরা হূদঃ৪] আল্লামা শানকিতি রহিঃ লিখেন, "এই আয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, চাহিদামাফিক উত্তম রিযিক, সুখী জীবন, দুনিয়ার নিরাপত্তা।" [ আযওয়াউল বায়ানঃ২/১৭০] ৭। ইস্তিগফারকারীর জন্য রয়েছে মহা পুরস্কার! কুর'আনে ইরশাদ হচ্ছে, ﻟِﻠَّﺬِﻳﻦَ ﺍﺗَّﻘَﻮْﺍ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻬِﻢْ ﺟَﻨّٰﺖٌ ﺗَﺠْﺮِﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤْﺘِﻬَﺎ ﺍﻟْﺄَﻧْﻬٰﺮُ ﺧٰﻠِﺪِﻳﻦَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻭَﺃَﺯْﻭٰﺝٌ ﻣُّﻄَﻬَّﺮَﺓٌ ﻭَﺭِﺿْﻮٰﻥٌ ﻣِّﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑَﺼِﻴﺮٌۢ ﺑِﺎﻟْﻌِﺒَﺎﺩِ ... ..... ﻭَﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻐْﻒِﺭِﻳﻦَ ﺑِﺎﻟْﺄَﺳْﺤَﺎﺭِ "যারা তাকওয়া অর্জন করে, তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের নিকট জান্নাত, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হয় নহরসমূহ। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর পবিত্র স্ত্রীগণ ও আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি’... এবং যারা শেষ রাতে ক্ষমাপ্রার্থনাকারী।" [সূরা আলে ইমরানঃ ১৫-১৭] অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে, ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺇِﺫَﺍ ﻓَﻌَﻠُﻮﺍ ﻓٰﺤِﺸَﺔً ﺃَﻭْ ﻇَﻠَﻤُﻮٓﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢْ ﺫَﻛَﺮُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻓَﺎﺳْﺘَﻐْﻔَﺮُﻭﺍ ﻟِﺬُﻧُﻮﺑِﻬِﻢْ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻟَﻢْ ﻳُﺼِﺮُّﻭﺍ ﻋَﻠٰﻰ ﻣَﺎ ﻓَﻌَﻠُﻮﺍ ﻭَﻫُﻢْ ﻳَﻌْﻠَﻤُﻮﻥ ﺃُﻭﻟٰٓﺌِﻚَ ﺟَﺰَﺍٓﺅُﻫُﻢ ﻣَّﻐْﻔِﺮَﺓٌ ﻣِّﻦ ﺭَّﺑِّﻬِﻢْ ﻭَﺟَﻨّٰﺖٌ ﺗَﺠْﺮِﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤْﺘِﻬَﺎ ﺍﻟْﺄَﻧْﻬٰﺮُ ﺧٰﻠِﺪِﻳﻦَ ﻓِﻴﻬَﺎ ۚ ﻭَﻧِﻌْﻢَ ﺃَﺟْﺮُ ﺍﻟْﻌٰﻤِﻠِﻴﻦَ "আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজদের প্রতি যুলম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে, অতঃপর তাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ ছাড়া কে আছে গুনাহ ক্ষমা করার ? তারা যা করেছে, জেনে শুনে তা তারা বারংবার করে না। এরাই তারা, যাদের প্রতিদান তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতসমূহ। যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর আমলকারীদের প্রতিদান কতই না উত্তম!" [ সূরা আলে ইমরানঃ ১৩৫-১৩৬] লক্ষণীয়ঃ ইস্তিগফার করতে হবে মুখে ও মনে। আমি হাতে তসবীহ নিয়ে "আস্তাগফিরুল্লাহ! আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়লাম। আর এদিকে গোনাহের কাজও চল। তাহকে এমন ইস্তিগফারের কোনো লাভ নেই। ইমাম কুরতবী বলেন, "এমন ইস্তিগফারের জন্য আরো ইস্তিগফারের প্রয়োজন! মুখে "ক্ষমা চাই ক্ষমা চাই", আর কর্মে কোনো পরিবর্তন নাই, তাহলে তো এটা ইস্তিগফার নিয়ে মস্কারা হয়ে গেল। তখন ছোট ইস্তিগফারের জন্য আরো বড় ইস্তিগফার দরকার!" [ তাফসীরুর রিযক ও যিহাবিল গম্মি ওল হাম্মি ওল হুযনি] বিঃদ্রঃ আমরা মুখে ইস্তিগফার চালু রাখি। আর মাঝেমধ্যে মুখের সাথে মনেরও মিলন ঘটাই। সারাদিনে এতবার ক্ষমা চাইলে, ইস্তিগফার পড়লে, একটি বারও কি দয়াময় প্রভু সাড়া দিবেন না? লিখেছেনঃ মাসুদ আলিমি |ইস্তিগফারঃ কি ও কেন? পর্ব-২| রাসূল ছিলেন নিষ্পাপ। তাঁর পূর্বাপর সব কিছুই মাফ। তবু তিনি দৈনিক ১০০ বার ইস্তিগফার পড়তেন! আর আমরা তো গোনাহগার। পাপী। আমরা কি দিনে অন্তত একটি বারও ইস্তিগফার করি? সুন্নাহর আলোকে ইস্তিগফারঃ ১। ﻋَﻦِ ﺍﻷَﻏَﺮِّ ﺍﻟْﻤُﺰَﻧِﻲِّ، - ﻭَﻛَﺎﻧَﺖْ ﻟَﻪُ ﺻُﺤْﺒَﺔٌ - ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗَﺎﻝَ " ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻴُﻐَﺎﻥُ ﻋَﻠَﻰ ﻗَﻠْﺒِﻲ ﻭَﺇِﻧِّﻲ ﻷَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻓِﻲ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡِ ﻣِﺎﺋَﺔَ ﻣَﺮَّﺓٍ " . সাহাবী আগার আল মুযানী রাঃ থেকে বর্ণিত, রসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আমার অন্তরে কখনো কখনো অলসতা দেখা দেয়, তাই আমি দৈনিক একশ’ বার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকি।" [সহিহ মুসলিমঃ ৬৭৫১] ইমাম নববী বলেন, "অলসতা বলতে এমন কোনো বিষয় সামনে চলে আসে, যা অন্তরকে অমনোযোগী করে দেয়।" ইমাম আল কাযী বলেন, কারো কারো মতে এখানে উদ্দেশ্য হলো গ্যাপ। বিচ্ছিন্নতা। তিনি সর্বদাই আল্লাহর স্মরণে ডুবে থাকতেন। কখনো যদি সেখানে ব্যাঘাত ঘটত, কিংবা কোনো কারণে মিস হয়ে যেত, তখন তিনি এটাকে ত্রুটি মনে করতেন। এখন প্রশ্ন হল কী কারণে রাসূলের এমনটা হত? যিকিরে অমনোযোগিতা চলে আসত? মুহাদ্দিসগণ বলেন, উম্মতের চিন্তা৷ তাদের কল্যাণকামিতা। গোপন- প্রকাশ্য শত্রুর অবাধ পদচারণা। এগুলো যদিও দোষ বা ত্রুটি নয়, কিন্তু তাঁর মাকাম ও মর্তবা যেহেতু অনেক উঁচুতে, তাই এগুলোকেও তিনি ত্রুটি হিসেবে দেখতেন।" অনেকের মতে, হাদীসে উল্লেখিত ﺍﻟﻐﻴﻦ শব্দ দ্বারা উদ্দেশ্য ﺳﻜﻴﻨﺔ তথা প্রশান্তি। আর তাঁর ইস্তিগফার করার দ্বারা উদ্দেশ্য হল আল্লাহ তা'আলার প্রতি অধিক দাসত্ব ও নমনীয়তা প্রকাশ করা। [শরহুন নববী 'আলাল মুসলিমঃ ১৭/২৩] পাঠক! এবার আমাদের অবস্থা চিন্তা করুন। ২। আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ইরশাদ করেন, "আল্লাহ্র শপথ! আমি প্রতিদিন আল্লাহ্র কাছে সত্তরবারেরও অধিক ইস্তিগফার ও তাওবাহ করে থাকি।" [সহিহ বুখারীঃ৬৩০৭] ৩। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "নিশ্চয় আমি দৈনিক শতবার আল্লাহর নিকট ইস্তিগফার পড়ি। তাওবা করি।" [ মুসনাদে আহমাদ ৭৭৩৪,৮২৮৮, ইবনে মাজাহ ৩৮১৫] এক জায়গায় ৭০ বার। আতেক জায়গায় ১০০ বার। ব্যাখ্যা কী? আসলে সংখ্যা মূল বিবেচ্য নয়। বিবেচ্য বিষয় হল অধিক পরিমাণ। ৪। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যাক্তি সদাসর্বদা ইস্তিগফার করবে, আল্লহ তাকে প্রতিটা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির এবং প্রতিটা সংকট থেকে উদ্ধারের পথ বের করে দিবেন। আর তাকে তার ধারণাতীত উৎস থেকে রিযিক দান করবেন।" [আবূ দাউদ ১৫১৮, ইবনে মাজাহঃ ৩৮১৯] ৫। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, , " সুসংবাদ ও আনন্দ ঐ ব্যক্তির জন্য, যে ব্যাক্তি তার আমলনামায় অধিক পরিমাণ ইস্তিগফার যোগ করতে পেরেছে!" [ইবনে মাজাহঃ ৩৮১৮] ৬। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের কেউ তার হারানো বস্তু ফিরে পেলে যতটা আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো ইস্তিগফার ও তাওবায় আল্লাহ তা’আলা তার চে' বেশি আনন্দিত হন।" [ ইবনু মাজাহঃ ৪২৪৭, তিরমিজিঃ ৩৫৩৮] এমন আরো অনেক হাদীস রয়েছে। সবিস্তর এখানে উল্লেখ অপ্রয়োজন ও অসম্ভব। আসলে যিনি মানবেন, তার জন্য এ কয়টিই যথেষ্ট। আর যার মানার ইচ্ছে নেই, তার জন্য অনেকও অনেক কম! সালাফদের আলোকে ইস্তিগফারঃ ১। কাতাদা রহিঃ বলেন, "কুর'আন তোমাদের দুইটি বিষয়ে পথ দেখায়। এক, অসুখ। দুই, ঔষধ। অসুখ হল পাপ। আর ঔষধ হল ইস্তিগফার৷" ২। ইমাম হাসান বসরী রহিঃ বলেন, "তোমরা তোমাদের ঘরে, দস্তরখানে, পথে, বাজারে ও বৈঠকখানাসহ সর্বত্র অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার কর। কারণ, তোমাদের তো জানা নাই আল্লাহর ক্ষমা কোথায় বর্ষিত হয়।" ৩। আবু মিনহাল রহিঃ বলেন, "কোনো মানুষই তার কবরে 'অধিক ইস্তিগফার' এর চে' উত্তম প্রতিবেশী আর খোজে পাবে না।" [ইহইয়ায় উলূমিদ্দীনঃ ১/৩১৩] ইস্তিগফার মানে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। সেটা যে কোনো ক্ষমা প্রার্থনার দু'আ বা ভাষায় হতে পারে। বাকি একাধিক হাদীসে "সকল ইস্তিগফারের সর্দার" শিরোনামে একটি দু'আ পাওয়া যায়, যার ফজিলও অনেক। নিচে আরবীসহ তুলে ধরা হল। প্রিয়নবী ইরশাদ করেন, ﺃَﻻَ ﺃَﺩُﻟُّﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺳَﻴِّﺪِ ﺍﻻِﺳْﺘِﻐْﻔَﺎﺭِ ( ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﺇِﻟَﻴْﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻰَّ ﻭَﺃَﻋْﺘَﺮِﻑُ ﺑِﺬُﻧُﻮﺑِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﺫُﻧُﻮﺑِﻲ ﺇِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧْﺖَ ) ﻻَ ﻳَﻘُﻮﻟُﻬَﺎ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﺣِﻴﻦَ ﻳُﻤْﺴِﻲ ﻓَﻴَﺄْﺗِﻲ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻗَﺪَﺭٌ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳُﺼْﺒِﺢَ ﺇِﻻَّ ﻭَﺟَﺒَﺖْ ﻟَﻪُ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔُ ﻭَﻻَ ﻳَﻘُﻮﻟُﻬَﺎ ﺣِﻴﻦَ ﻳُﺼْﺒِﺢُ ﻓَﻴَﺄْﺗِﻲ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻗَﺪَﺭٌ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳُﻤْﺴِﻲَ ﺇِﻻَّ ﻭَﺟَﺒَﺖْ ﻟَﻪُ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔُ "আমি কি সায়্যিদুল ইস্তিগফার সম্পর্লে বলে দিব না? আর তা হল (অনুনাদ): "হে আল্লাহ! তুমিই আমার প্রভু! তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ্ নেই। আমাকে তুমিই সৃষ্টি করেছ এবং আমি তোমার দাস। যথাসাধ্য তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারে আমি দৃঢ় থাকব। আমি আমার কার্যকলাপের খারাপ পরিণতি হতে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। আমার প্রতি তোমার নি‘আমাতের কথা স্বীকার করি। আমি আরও স্বীকার করি আমার গুনাহে্র কথা। কাজেই আমার গুনাহগুলো তুমি ক্ষমা কর। কেননা তুমি ছাড়া গুনাহ্সমূহ ক্ষমা করার আর কেউ নেই।” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ সন্ধ্যাবেলায় এ দু'আ পড়লে, তারপর ভোর হওয়ার পূর্বেই তার মৃত্যু হলে তার জন্য জান্নাত নিশ্চিত হয়ে যায়। একইভাবে তোমাদের কেউ ভোরবেলায় পড়লে, তারপর সন্ধ্যার পূর্বেই তার মৃত্যু হলে তার জন্যও জান্নাত নিশ্চিত হয়ে যায়। [সহীহ বুখারিঃ ১৭৪৭, তিরমিজিঃ ৩৩৯৩, আবু দাউদঃ ১৩০৯] বিঃদ্রঃ বন্ধনীর মাঝের আরবীটাই দু'আ। এটা মুখস্থ করে নেয়া উচিত। লিখেছেনঃ মাসুদ আলিমি |ইস্তিগফার; কি ও কেন? পর্ব-৩| ইস্তিগফারের উপকারিতা... ১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত। ২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন। ৩। দীন পালন সহজ হয়। এবং কর্মজীবন হয় সুখের। ৪। আল্লাহ ও বান্দার মাঝে যে দীরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়। ৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়৷ ৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয়৷ ৭। দীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়। ৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয়। ৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। ১০। দুশ্চিন্তা, পেরেশানি দূর হয়। ১১। বেকারত্ব দূর হয়। ১২। আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জিত হয়। তার তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন। ১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে৷ ১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে। ১৫। কিয়ামতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে। ১৬। মন্দ কজ থেকে বেচে থাকা যায়। ১৭। আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন। [ নাযরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ ২/৩০২] লিখেছেনঃ মাসুদ আলিমি