কেন কিছু মানুষ সবসময় নেতিবাচক চিন্তা করে? — মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
আমাদের অনেকের মধ্যেই দেখা যায়, কিছু মানুষ সবসময় খারাপ দিকটাই বেশি ভাবেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন বা ছোট বিষয়েও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করেন। এটি শুধু “অভ্যাস” নয়, এর পেছনে মানসিক ও জৈবিক বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। নেতিবাচক চিন্তার সাধারণ কারণগুলো ১. দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ (Stress) অতিরিক্ত চাপ মস্তিষ্ককে সবসময় “ঝুঁকি খোঁজার মোডে” রাখে, ফলে নেতিবাচক চিন্তা বাড়ে। ২. উদ্বেগজনিত সমস্যা (Anxiety) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা ও অজানা ভয় নেতিবাচক চিন্তাকে শক্তিশালী করে। ৩. বিষণ্নতা (Depression) বিষণ্নতায় মানুষ নিজের, ভবিষ্যৎ ও পৃথিবী সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। ৪. ঘুমের ঘাটতি ও অনিয়মিত জীবনযাপন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে যায়। ৫. অভিজ্ঞতা ও পরিবেশ শৈশবের ট্রমা, বারবার ব্যর্থতা বা নেতিবাচক পরিবেশ থেকেও এই অভ্যাস তৈরি হতে পারে।
কীভাবে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়? ✔️ প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুম ও জাগ্রত থাকার অভ্যাস করুন ✔️ নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন (হাঁটা, যোগব্যায়াম) ✔️ ক্যাফেইন ও অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমান ✔️ ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে সময় কাটান ✔️ নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখার অভ্যাস করুন (journaling) ✔️ প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি? দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকলে ঘুম ও ক্ষুধায় বড় পরিবর্তন হলে দৈনন্দিন কাজে আগ্রহ হারিয়ে গেলে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা ভয় কাজ করলে
পরামর্শ প্রদানকারী
ডাঃ মোঃ মামুন আল মুজাহিদ এমবিবিএস, এমডি (সাইকিয়াট্রি),বিএমইউ, ঢাকা সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (মনোরোগ) টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়া।
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৩০৭-৮৩৩৭৮৮
মানসিক স্বাস্থ্যও শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে সচেতন হলে অধিকাংশ মানসিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং চিকিৎসাযোগ্য।










