seen from Mexico
seen from United States

seen from China
seen from United States
seen from United Kingdom
seen from Malaysia
seen from Malaysia
seen from Belgium
seen from Singapore
seen from United Kingdom
seen from United States
seen from Canada

seen from Malaysia
seen from China

seen from Singapore

seen from Malaysia

seen from Singapore

seen from Singapore

seen from United States
seen from Italy
Shape of My Heart- Sting
“The Power Game”
@brassneck7
ZZ Top - Thunderbird [Official Music Video]
Uhhh
3 seconds ago??? SEVEN POINT SEVEN BILLION VIEWS???? Forget about the title what kind of fever dream is this?!??!?
4 years ago today, Prince Royce released the official music video for "Deja Vu" with Shakira.
ঈমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা🕌 “ঈমান মদিনার দিকে ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তের দিকে ফিরে আসে 🕌💐🌷🌹🌸🌺💚 https://www.youtube.com/watch?v=f_lTimJL5l4 https://www.youtube.com/watch?v=70-lkoskbF0 https://www.youtube.com/watch?v=IEDRk4PTGDM ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা শ্রেষ্ঠতম মহামানবএকসময় পবিত্র জনপদ মদিনা মুনাওয়ারা ‘ইয়াসরিব’ নামে পরিচিত ছিল। মরুপ্রান্তরের একটি সাধারণ নগরী হিসেবেই এর পরিচয় সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু যখন আল্লাহতায়ালা একে রহমাতুল্লিল আলামিন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হিজরতের ঠিকানা হিসেবে মনোনীত করলেন, তখনই ইয়াসরিবের ভাগ্য বদলে গেল। এর নাম হয়ে উঠল ‘মদিনাতুর রসুল’ বা রসুলুল্লাহ (সা.)-এর নগরী। সেই থেকে এটি কেবল একটি শহর নয়; বরং প্রেম, রহমত, ইমান ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির এক চিরসবুজ বাগান। মদিনা মুনাওয়ারা আসমান ও জমিনের এক অনুপম রত্ন। এর বাতাসে মিশে আছে দরূদ ও সালামের সুর, এর ধূলিকণায় লুকিয়ে আছে নবীপ্রেমের সুবাস। পৃথিবীর অগণিত মুমিনের হৃদয় প্রতিদিন এই শহরের দিকে আকুল হয়ে ছুটে যায়। কারণ এটি সেই ভূমি, যেখানে ঘুমিয়ে আছেন মানবজাতির শ্রেষ্ঠতম মহামানব, প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
রসুলুল্লাহ (সা.) মদিনাকে কেবল একটি নগরী হিসেবে দেখেননি; বরং একে তিনি ‘হারাম’ তথা বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ও সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। হাদিস শরিফে এসেছে হজরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেছেন ‘নিশ্চয়ই হজরত ইবরাহিম (আ.) মক্কাকে হারাম ও সম্মানিত ঘোষণা করেছেন, আর আমি মদিনার দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী অঞ্চলকে হারাম ঘোষণা করলাম। সেখানে কোনো গাছ কাটা যাবে না এবং কোনো শিকার তাড়া করা যাবে না (সহিহ মুসলিম-১৩৭৪)।’
এই ঘোষণা প্রমাণ করে মদিনা কেবল একটি ভূখণ্ড নয়; বরং এটি নববী সম্মান ও আসমানি পবিত্রতার প্রতীক। মদিনার জীবন সব সময় আরাম-আয়েশে পূর্ণ হবে, এমন নয়। সেখানে জীবিকার সংকট, কষ্ট কিংবা দারিদ্র্য আসতেই পারে। কিন্তু সেই কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণকারীদের জন্য রয়েছে এক অপূর্ব সুসংবাদ।
হজরত ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ‘যে ব্যক্তি মদিনা মুনাওয়ারার বিপদ ও দুঃখকষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণ করবে, কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সাক্ষ্য দেব অথবা তার জন্য শাফায়াত করব (সহিহ মুসলিম-১৩৭৭)।’
কী অপূর্ব সৌভাগ্য! যে শহরের কষ্টও নবীজি (সা.)-এর শাফায়াতের কারণ হয়ে যায়, সেই শহরের মর্যাদা কত মহান হতে পারে! মদিনার বাসিন্দাদের সম্মান করা মূলত রসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতিই সম্মান প্রদর্শন। পক্ষান্তরে তাদের প্রতি বিদ্বেষ বা অনিষ্টের চিন্তা করাও ভয়াবহ অপরাধ।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ‘যে ব্যক্তি এই শহরের (মদিনার) অধিবাসীদের কোনো অনিষ্ট করার ইচ্ছা করবে, আল্লাহতায়ালা তাকে এমনভাবে গলিয়ে দেবেন, যেভাবে লবণ পানিতে গলে যায় (সহিহ মুসলিম-১৩৮৬)।’
এ হাদিসে মদিনার অধিবাসীদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ হেফাজত ও ভালোবাসা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কারণ তারা সেই নগরীর মানুষ, যে নগরীকে আল্লাহর হাবিব নিজের আবাসস্থল বানিয়েছেন। যখন পৃথিবীজুড়ে ফেতনা-ফ্যাসাদ ছড়িয়ে পড়বে, মানুষ দীনের পথ থেকে বিচ্যুত হতে থাকবে, তখন প্রকৃত ইমান আশ্রয়ের জন্য আবার মদিনার দিকেই ফিরে আসবে।
নবী করিম (সা.) অত্যন্ত চমৎকার উপমায় এ সত্যটি তুলে ধরেছেন ‘নিশ্চয়ই ইমান মদিনার দিকে এভাবে গুটিয়ে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তের দিকে ফিরে যায় (সুনানে ইবনে মাজাহ-৩১১১)।’
অর্থাৎ মদিনা হবে ইমানের নিরাপদ দুর্গ, ফেতনার যুগে আশ্রয়ের শেষ ঠিকানা। মদিনার পবিত্র ভূমিতে মৃত্যুবরণ করা এবং জান্নাতুল বাকির সৌভাগ্য অর্জন করা প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের গভীরতম আকাঙ্ক্ষা। কারণ সেখানে মৃত্যু মানে নবীজি (সা.)-এর সান্নিধ্যের আশীর্বাদ লাভ।
রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি মদিনায় মৃত্যুবরণ করার সামর্থ্য রাখে, সে যেন সেখানেই মৃত্যুবরণ করে। কেননা যে ব্যক্তি মদিনায় মৃত্যুবরণ করবে, আমি কিয়ামতের দিন তার জন্য সাক্ষ্য দেব (সুনানে ইবনে মাজাহ-৩১১২)।’
এই কারণেই সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মদিনায় মৃত্যু কামনা করতেন। আমিরুল মুমিনিন হজরত উমর ফারুক (রা.) প্রায়ই এই হৃদয়স্পর্শী দোয়াটি করতেন ‘হে আল্লাহ! আমাকে আপনার পথে শাহাদাত নসিব করুন এবং আপনার রসুল (সা.)-এর শহরে আমার মৃত্যু দান করুন।’
আল্লাহতায়ালা তাঁর সেই দোয়া কবুল করেছিলেন। তিনি শাহাদাতের মর্যাদাও পেয়েছেন এবং তাঁর মৃত্যু হয়েছে নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর মদিনাতেই। পরিশেষে বলা যায়, মদিনার প্রতি ভালোবাসা নিছক আবেগ নয়; এটি ইমানের দাবি। যে হৃদয়ে মদিনার মহব্বত নেই, সে হৃদয় নবীপ্রেমের পূর্ণ স্বাদ কখনোই উপলব্ধি করতে পারে না।
আল্লাহতায়ালা আমাদের অন্তরে মদিনার অগাধ মহব্বত দান করুন, মদিনার আদব ও সম্মান রক্ষার তাওফিক দিন এবং জীবনের শেষ মুহূর্তে সেই পবিত্র ভূমিতে মৃত্যুবরণের সৌভাগ্য নসিব করুন। আমিন। শ্রয়স্থল। মদিনাকে ঈমানের 'দারুল ঈমান' বা নিরাপদ দুর্গ বলা হয়:শ্রয়স্থল। বিভিন্ন কারণে মদিনাকে ঈমানের 'দারুল ঈমান' বা নিরাপদ দুর্গ বলা হয়: ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধুত্ব ও বিরোধের মূল মানদন্ড হলো ইমান, ন্যায়বিচার, তাকওয়া এবং মানবিকতা✨️🎀🧿♥️🎀💗᪲᪲᪲ https://www.youtube.com/watch?v=1WTrqtzeyzA ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধুত্ব ও বিরোধের মানদন্ড
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে চলতে গেলে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং কখনো কখনো মতবিরোধ- এসবই মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে ইসলাম শুধু আবেগ বা স্বার্থের ভিত্তিতে মানুষের সম্পর্ক নির্ধারণকে সমর্থন করে না। অনুমোদন দেয় না শুধু বিরোধের স্বার্থে ঝগড়াবিবাদ ও বাড়াবাড়িকে। বরং ইমান, নৈতিকতা ও আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সম্পর্কের মূল মানদন্ড হিসেবে নির্ধারণ করেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত বন্ধুত্ব সেই বন্ধুত্ব, যা মানুষের ইমানকে শক্তিশালী করে এবং তাকে সৎ পথে পরিচালিত করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা মানুষের বন্ধুত্ব ও বিরোধের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। ঘোষণা করেছেন, ‘মুমিনগণ পরস্পরের বন্ধু ও সহায়ক; তারা সৎকাজের আদেশ দেয় এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখে (সুরা তাওবা : ৭১)।’ ইসলামে বন্ধুত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মানদন্ড হলো তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘সেদিন (কিয়ামতের দিন) বন্ধুরা পরস্পরের শত্রু হয়ে যাবে, তবে মুত্তাকিরা (আল্লাহভীরু লোকেরা) ব্যতীত (সুরা যুখরুফ : ৬৭)।’
রসুলুল্লাহ (সা.) বন্ধুত্বের প্রভাব সম্পর্কে অত্যন্ত সুন্দর একটি দৃষ্টান্ত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভালো সঙ্গী এবং খারাপ সঙ্গীর উদাহরণ হলো সুগন্ধি বিক্রেতা ও কামারের মতো। সুগন্ধি বিক্রেতার কাছে গেলে হয়তো তুমি সুগন্ধি পাবে বা অন্তত সুগন্ধ অনুভব করবে; আর কামারের কাছে গেলে হয়তো আগুনের স্ফুলিঙ্গে তোমার কাপড় পুড়ে যাবে অথবা দুর্গন্ধে কষ্ট পাবে (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)।’
অন্যদিকে ইসলামে বিরোধ বা শত্রুতার ক্ষেত্রেও একটি ন্যায়সংগত ও ভারসাম্যপূর্ণ মানদন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসলাম অকারণে কারও প্রতি ঘৃণা বা শত্রুতা পোষণ করতে নিষেধ করে। কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি তোমাদের বিদ্বেষ যেন তোমাদের ন্যায়বিচার থেকে বিরত না রাখে; তোমরা ন্যায়বিচার কর, এটিই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী (সুরা মায়েদা : ৮)।’
তাই অকারণে বিরোধিতা করা অন্যায় ও অনৈতিক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়। এ ধরনের বিরোধিতার বেশ কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে। প্রথমত এটি সমাজে বিভেদ, শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে। দ্বিতীয়ত সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে অহংকার ও স্বার্থপরতা বৃদ্ধি করে। তৃতীয়ত পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট করে এবং সমাজে শান্তি ও ঐক্য দুর্বল করে। সুতরাং ইসলামের শিক্ষা হলো-বিরোধিতা যদি হয়, তা হবে সত্য ও ন্যায়ের জন্য; কিন্তু অহেতুক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে বিরোধিতা করা ইসলামি নৈতিকতার পরিপন্থি। এজন্য কোনো মুসলমান সব ক্ষেত্রে কারও বিরোধী হতে পারে না। বিরোধের ক্ষেত্রে বিরোধ হবে, আর সহযোগিতার ক্ষেত্রে হবে সহযোগী।
ইসলাম শত্রুতাকে স্থায়ী করে রাখতেও উৎসাহ দেয় না। বরং ক্ষমা, সহনশীলতা ও সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রতি জোর দেয়। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলমানের জন্য বৈধ নয় যে সে তার ভাইয়ের সঙ্গে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রাখবে (সহিহ বুখারি)।’
তাই সাময়িক মতবিরোধ হতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী করা ইসলামের আদর্শ নয়। ইসলামের ইতিহাসে আমরা দেখি, সাহাবায়ে কেরামদের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে, কিন্তু তাঁদের হৃদয়ে ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁরা মতের পার্থক্যকে ব্যক্তিগত শত্রুতায় রূপ দেননি। এই শিক্ষাই আজকের মুসলিম সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রসুলুল্লাহ (সা.) ঘোষণা করেন, ‘মানুষ যার সঙ্গে ভালোবাসা রাখে, কিয়ামতের দিন সে তার সঙ্গেই থাকবে (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)।’ তাই মানুষের উচিত নেককার ও সৎ মানুষের প্রতি ভালোবাসা রাখা এবং খারাপ লোকদের সঙ্গ থেকে দূরে থাকা।
অপর এক হাদিসে এমন সাত ধরনের সৌভাগ্যবান মানুষের কথা বলা হয়েছে যারা কিয়ামতের কঠিন দিনে আল্লাহর বিশেষ রহমত ও নিরাপত্তা লাভ করবে। তাদের একজন হলো, ‘এমন দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালোবাসে-তারা আল্লাহর জন্যই মিলিত হয় এবং আল্লাহর জন্যই পৃথক হয় (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)।’
বর্তমান যুগে আমরা প্রায়ই দেখি বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে স্বার্থ, অর্থ, ক্ষমতা বা সাময়িক আনন্দের ওপর ভিত্তি করে। আবার সামান্য মতপার্থক্যেই মানুষ চরম শত্রুতায় জড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে এই প্রবণতা আরও তীব্র হয়েছে। অথচ ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়-বন্ধুত্ব হবে নৈতিকতার ওপর এবং বিরোধ হবে ন্যায় ও সত্যের ভিত্তিতে।
সুতরাং ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধুত্ব ও বিরোধের মূল মানদন্ড হলো ইমান, ন্যায়বিচার, তাকওয়া এবং মানবিকতা। যে বন্ধুত্ব মানুষকে আল্লাহর পথে এগিয়ে দেয়, সেটিই প্রকৃত বন্ধুত্ব; আর যে বিরোধ মানুষকে অন্যায় ও অবিচারের দিকে ঠেলে দেয়, তা ইসলাম সমর্থন করে না। প্রত্যেক মুসলমানের উচিত মানবিক সম্পর্কের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সর্বাগ্রে রাখা। তবেই সমাজে সত্যিকারার্থে শান্তি, ন্যায় ও সৌহার্দ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। দ্রষ্টব্য: এই নির্দেশের অর্থ হলো অবিশ্বাসীদের সাথে ঈমানী বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপন না করা, তবে মানুষের সাথে ন্যায়বিচার ও মানবিক আচরণ করা ইসলামের শিক্ষা। ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধুত্ব ও বিরোধের মূল মানদন্ড হলো ইমান, ন্যায়বিচার, তাকওয়া এবং মানবিকতা✨️🎀🧿♥️🎀💗᪲᪲᪲
Am i bad for watching US Presidents play on youtube? Its obviously AI but entertaining. (They) play phasmopjobia, demonologist, nintendo wii games, golf with your friends. Lots of stuff. Also escape the backrooms.