ইবনে হাব্বাক আল-তিলিমসানীর আবিষ্কার করা আল-কারাউন মসজিদের ঘড়ি ।
ঘড়িটির সময় ও সংরক্ষণের জন্য একজন কর্মকর্তা নিযুক্ত ছিলেন যিনি ঘড়িটি রক্ষণাবেক্ষণ করতেন এবং আজানের জন্য মুয়াজ্জিনকে সঠিক সময় অবহিত করতেন।
বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় আলকারউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের মিনারে অবস্থিত পানি প্রবাহের প্রযুক্তিতে চালিত একটি ঘড়ি বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি পুরাতন ঐতিহাসিক নিদর্শন। ১২৮৬/৮৭ ইবনে হাব্বাক আল-তিলিমসানী এটি তৈরি করেন।
ইবনে হাব্বাক আল-তিলিমসানীর আবিষ্কার করা আল-কারাউন মসজিদের ঘড়ি ।
বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় আলকারউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের মিনারে অবস্থিত পানি প্রবাহের প্রযুক্তিতে চালিত একটি ঘড়ি বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি পুরাতন ঐতিহাসিক নিদর্শন। ১২৮৬/৮৭ ইবনে হাব্বাক আল-তিলিমসানী এটি তৈরি করেন।
১৩৪৬/১৩৪৮ সালে আরেক মুসলিম বিজ্ঞানী আবু আবদুল্লাহ আল-আরবি ঘড়িটি পুরুদ্ধার করে astrolabic rete এ প্রতিস্থাপন করেন যাতে তারকাদের গতিপথ অনুসরন করা যায় । ঘড়ির পিছনে driving mechanism টি কোনও সূত্র ছাড়াই হারিয়ে গেছে এবং ঘড়ির সামনের অংশে কী পরিবর্তন হয়েছে তা পরিষ্কার নয় কিন্তু সৌভাগ্রক্রমে জ্যোতির্বিদ্যার অংশটি আজও টিকে আছে।
মরক্কোর ফেজে অবস্থিত আল-কারউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে ঘড়িটি এখনো্ সংরক্ষিত আছে।#IGSRC
*Sources & Studies in the History of Arabic-Islamic Science History of Technology, Series – 4 – Arabic Water-Clocks by Donald R Hill, University of Aleppo, 1981, Page 123
















