আল্লাহকে খুশি করার জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো ইবাদতে একনিষ্ঠতা (ইখলাস), তাওবাহ করা, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং শুকরিয়া আদায় করা।
https://www.youtube.com/watch?v=UCnvjjHMf_0
https://www.youtube.com/watch?v=GUxWOz-EcUM
https://www.youtube.com/watch?v=Qa6nV1KWIFA
আল ওয়ালিই অর্থ
সহায়ক, সাহায্যকারী, বন্ধু।
আল্লাহ তায়ালা আল ওয়ালিই, সহায়ক, বন্ধু, সাহায্যকারী,
তিনিই সমস্ত সৃষ্টির সকল বিষয় পরিচালনাকারী।
আল্লাহ তায়ালা উপকারকারী অভিভাবক,
সবকিছুর মালিক; মাওলা ও একক সমর্থক।
ইয়া আল ওয়ালিই! তুমি ছাড়া বন্ধু কেহ নাই,
ইহ পরকালে তোমার কাছে ক্ষমা ও নাজাত চাই।
আল্লাহকে খুশি করা খুবই সহজ
আল্লাহ কিসে খুশি হন
আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি খুশি হন বান্দার আন্তরিক তওবা, সিজদা, ফরজ ইবাদত (নামাজ, রোজা) পালন, নফল ইবাদত, মানুষের উপকার করা, এবং বিপদে ধৈর্য ধারণে এছাড়াও তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অবলম্বন, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং সৎকর্মশীলতায় তিনি সন্তুষ্ট হন।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রধান উপায়সমূহ হলো:
আন্তরিক তওবা: গুনাহের পর লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি অসীম খুশি হন।
সিজদা ও সালাত: নামাজের মাধ্যমে, বিশেষ করে সিজদায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয়।
মানুষের উপকার ও সদকা: ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া, ঋণগ্রস্তের সহায়তা করা এবং অন্যকে আনন্দ দেওয়া আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
সবসময় জিকির ও নফল ইবাদত: ফরজ নামাজের পর নফল ইবাদত ও অনবরত আল্লাহর স্মরণে থাকা।
ধৈর্য ও তাকওয়া: বিপদে ধৈর্য ধারণ করা এবং মুত্তাকী (আল্লাহভীরু) হওয়া।
পবিত্রতা: দৈহিক ও আত্মিক (হিংসা-বিদ্বেষমুক্ত) পবিত্রতা অর্জন।
সংক্ষেপে, যে কাজগুলোর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর আদেশ পালন করে এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকে, তাতেই আল্লাহ খুশি হন।
আল্লাহকে খুশি করার উপায়
আল্লাহকে খুশি করার মূল উপায় হলো একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদত করা, ফরজ বিধান (যেমন- নামাজ, রোজা) সঠিক সময়ে আদায় করা, এবং বেশি বেশি তাওবা-ইস্তিগফার করা । এছাড়া, নফল ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, এবং গোপন দান-সদকার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়। অন্তরে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস রেখে সব কাজ শুধুমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য করাই হলো প্রকৃত মুমিনের কাজ।
আল্লাহকে খুশি করার প্রধান আমলসমূহ:
ফরজ বিধানের প্রতি গুরুত্ব: সঠিক সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হলো আল্লাহকে খুশি করার সবচেয়ে উত্তম উপায়।
তাওবা ও ইস্তিগফার: সবসময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া, কারণ তিনি তওবাকারীকে ভালোবাসেন।
বেশি বেশি জিকির: 'সুবহানাল্লাহ', 'আলহামদুলিল্লাহ', 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', 'আল্লাহু আকবার' এবং সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি-র মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা।
নফল ইবাদত: তাহাজ্জুদ, সালাতুল হাজত এবং অন্যান্য নফল রোজা ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যায়।
গোপন দান ও সদকা: অভাবী মানুষকে সাহায্য করা এবং গোপনে দান করা।
মানুষের উপকার করা: সৃষ্টির সেবার মাধ্যমে স্রষ্টাকে খুশি করা। কারো ক্ষতি না করা এবং মানুষের জন্য কল্যাণ কামনা করা।
কুরআন তিলাওয়াত: অর্থ বুঝে মনোযোগের সাথে কুরআন পাঠ করা।
সুন্নতের অনুসরণ: নবী করীম (সা.)-এর সুন্নতের যথাযথ পালন করা।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রবৃত্তি ত্যাগ করা এবং সব কাজে একমাত্র আল্লাহর রেজামন্দি খোঁজার মানসিকতাই মুমিনকে তাঁর সবচেয়ে কাছে নিয়ে যায়।
আল্লাহকে খুশি করার উপায়
আল্লাহকে খুশি করার জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো ইবাদতে একনিষ্ঠতা (ইখলাস), তাওবাহ করা, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা এবং শুকরিয়া আদায় করা।
আল্লাহ খুশি হন:যে কাজগুলোর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর আদেশ পালন করে এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকে, তাতেই❤️🍆👉💦












