সুন্নাহ অনুসরণকারীরাই ‘আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত’👉✅✔️ https://www.youtube.com/watch?v=qE39ZfQQ3Lo https://www.youtube.com/watch?v=5tOvV5JFeTE https://www.youtube.com/watch?v=b-YFI5rYoOI সুন্নাহ অনুসরণকারীরাই ‘আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত’👉✅✔️ রাসুলুল্লাহ (সা.) এর স্বাভাবিক জীবনধারা হলো সুন্নাহ, যা মূলত কোরআনেরই ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। সাহাবিরা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সুন্নাহ পালন করতেন। ফলে তারা সুন্নাহ অনুসরণের মাপকাঠিতে পরিণত হয়েছেন। তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট এবং আল্লাহও তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। সুন্নাহ ও সাহাবিদের জামাতকে অনুসরণকারীরাই পরকালে জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত দল ‘আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত’। ‘আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত’ হলো মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ ও মূল ধারা। সহজ কথায়, যারা প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ (আদর্শ, কথা ও কাজ) এবং সাহাবিদের (জামা‘আত বা ঐক্যবদ্ধ সমাজ) পথ অনুসরণ করেন, তারাই হলেন এই দলের অন্তর্ভুক্ত।এই মূল দলটি তিনটি প্রধান ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত:আহলুস সুন্নাহ (সুন্নাহর অনুসারী): কুরআন ও সহিহ হাদিসের নির্দেশিত পথে দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করা।ওয়াল জামা‘আত (ঐক্যবদ্ধ সমাজ): সাহাবি, তাবেয়ি ও সালাফে সালেহিন (পূর্বসূরি নেককার আলেমগণ) যে বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন, তা মেনে চলা এবং মুসলিম উম্মাহর মূল ঐক্য বজায় রাখা।এদের মূল বিশ্বাস বা আকিদা নিচে দেওয়া হলো:১. তাওহীদ: আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয়, তাঁর কোনো শরিক নেই।২. রিসালাত: মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর শেষ ও চূড়ান্ত রাসূল।৩. নিয়তি বা তাকদির: ভালো-মন্দ সবকিছুই আল্লাহর হুকুমে ও জ্ঞানে নির্ধারিত।৪. সুন্নাহর অনুসরণ: নামাজ, রোজা, হজ্বসহ সব ইবাদতে বিদ‘আত বা ধর্মের নামে নতুন কোনো নিয়ম (যা সাহাবিদের যুগে ছিল না) বর্জন করা। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত’ (সুন্নাহ ও সাহাবিদের ঐক্যবদ্ধ পথের অনুসারী) হতে হলে পবিত্র কোরআন, নবী (সা.)-এর সুন্নাহ (হাদিস ও আদর্শ) এবং সাহাবিদের অনুসৃত পথ কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এটি মূলত সঠিক আকিদা (বিশ্বাস), ইবাদত এবং ঐক্যবদ্ধ মুসলিম সমাজের মূলনীতি অনুসরণের মাধ্যমে অর্জিত হয়।১. কোরআন ও সুন্নাহর আঁকড়ে ধরা:যেকোনো ধর্মীয় বিষয়ে পবিত্র কোরআন এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সহিহ সুন্নাহকে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। কোরআন বুঝতে রাসুল (সা.)-এর নিজস্ব ব্যাখ্যা এবং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।২. সাহাবিদের পথ অনুসরণ:নবী (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের (সা.) দেখানো আদর্শকে সত্যের মাপকাঠি মানতে হবে। সাহাবিদের সর্বসম্মত রায় বা ইজমা-কে ধর্মের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।৩. উম্মাহ বা জামাতের সাথে থাকা:দলবদ্ধভাবে বা বিচ্ছিন্ন না হয়ে, মুসলিম উম্মাহর মূল ধারার অনুসারী হওয়া। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, বিচ্ছিন্ন দল থেকে বেঁচে থেকে বৃহত্তর জামাত বা ঐক্যের সাথে সম্পৃক্ত থাকা।৪. আকিদা ও ইবাদতে ভারসাম্য:আল্লাহর গুণাবলি ও অন্যান্য আকিদাগত বিষয়ে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি (অতিরিক্ত ব্যাখ্যা) বা ছাড়াছাড়ি (অস্বীকার) না করা। ইবাদত হতে হবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী।৫. দ্বীনের ব্যাপারে নবউদ্ভাবন (বিদআত) বর্জন:ধর্মের নামে রাসুল (সা.) ও সাহাবিদের যুগে ছিল না—এমন কোনো নতুন নিয়ম বা প্রথা (বিদআত) ইবাদত মনে করে পালন করা থেকে বিরত থাকা।৬. আলেমদের অনুসরণ:দ্বীন বোঝার জন্য কোরআন ও সুন্নাহয় অভিজ্ঞ হক্কানি (সত্যনিষ্ঠ) আলেমদের অনুসরণ করতে হবে এবং ফিকহশাস্ত্রের মূলনীতি মান্য করতে হবে। সহীহ সুন্নাহ অনুসরণ👉✅✔️ সুন্নাহ অনুসরণকারীরাই ‘আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত’👉✅✔️











