এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসার নিয়ম (সহজ পদ্ভতি)
এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসা করার জন্য প্রথমে আপনাকে বাংলাদেশ মার্কেট সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে হবে, এবং আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন পণ্য নিয়ে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসা শুরু করবেন। এবং ব্যবসা করার জন্য পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে।
এক্সপোর্ট ইমপোর্ট এর ব্যবসা শুরু করার আগে প্রথমে আপনাকে খোঁজ নিতে হবে আপনার নিকটস্থ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসা করে সফল ব্যবসায়ীকে। এবং তার কাছ থেকে সম্পূর্ণ প্রসেস সম্পর্কে জানতে হবে, এই ব্যবসায়ী কেমন লাভ হবে এবং কিভাবে এই ব্যবসা চালাতে পারেন।
সাধারণত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসা হলো বাংলাদেশের মার্কেট থেকে পাইকারি রেটে কোম্পানির কাছ থেকে পণ্যগুলো ক্রয় করে বিদেশে বিক্রি করা এবং বিদেশ থেকে পাইকারি রেটে কোম্পানির কাছ থেকে প্রোডাক্ট ক্রয় করে বাংলাদেশে বিক্রি করা।
অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এই এক্সপোর্ট ইমপোর্ট এর ব্যবসা করে থাকে। যারা এই ধরনের ব্যবসা করে তাদের সাথে আপনার ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এছাড়াও আলিবাবা ও এমাজন এর মত বড় মার্কেটপ্লেসগুলোতে সেলার হিসেবে এক্সপোর্ট এর ব্যবসা করতে পারেন।
আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসা করার জন্য প্রথমে আপনাকে যেই দেশে ব্যবসা করতে চান সেখানে বড় কোন কোম্পানির সাথে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে। মনে করেন আপনি আমেরিকায় ব্যবসা করতে চাচ্ছেন সেক্ষেত্রে আমেরিকার কোন কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
সাধারণত নতুন যারা আমদানি ও রপ্তানি বা ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এর ব্যবসা করতে চায়, তাদের ক্ষেত্রে সব থেকে বড় বাধা যোগাযোগ। নতুন এই ব্যবসায় এসে যোগাযোগ স্থাপন করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। তাই আপনারা প্রথমে কোন ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট কোম্পানির পার্টনার হয়ে কাজ করতে পারেন।
এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসার নিয়ম এবং এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট ব্যবসার লাইসেন্স করার পদ্ধতি সম্পর্কে এই লেখাটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।













