কাস্টমার অ্যাকুইজিশনের দ্বিতীয় ধাপঃ পেইড মার্কেটিং
প্রতিটি বিজনেসের জন্য তার আদর্শ কাস্টমার খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয় এবং এর পিছনে প্রতিটি ব্রান্ডগুলো সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে থাকে। বিভিন্ন সময়ে কাস্টমার অ্যাকুইজিশনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে কিন্তু মূল বক্তব্য সেই একটিই টার্গেট অডিয়েন্স খুঁজে পাওয়া।আমরা গত পর্বে দেখেছি যে কাস্টমার অ্যাকুইজিশনে প্রথম ধাপ কখনোই প্রফিটেবল হয় না। অর্থাৎ বিজনেসের প্রাথমিক দিকে কাস্টমার অ্যাকুইজিশনের জন্য আপনাকে বেশি পরিমাণে খরচ করতে হয় এবং ধীরে ধীরে এই অ্যাকুইজিশন খরচ কমতে থাকে। এভাবে একটি পর্যায়ে গিয়ে আপনার বিজনেসে অ্যাকুইজিশনের খরচ এবং আপনার প্রফিট মার্জিন সমান হয়। এরপরে আস্তে আস্তে সে কাস্টমারের বিপরীতে মার্কেটিং খরচ কমতে থাকে এবং প্রফিট ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে।কাস্টমার অ্যাকুইজিশনের জন্য পেইড মার্কেটিং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সেরা ইফেক্টিভ প্রসেস।
বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ নিয়মিতভাবে টার্গেট কাষ্টমার গ্রুপকে এঙ্গেজ রাখতে এর চেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় আর নেই। খুঁজে বের করুন আপনার কাস্টমার অনলাইনে কোথায় থাকে সময় কাটায়, কি কি মাধ্যম ব্যাবহার করে এবং মাধ্যমগুলোয় তারা কোন চ্যানেল গুলো ব্যবহার করে এবং সেই সব জায়গাগুলোতে পেইড মার্কেটিং পরিচালনা করুন।যেমন ধরুন, আপনার কাস্টমার ফেসবুক ব্যবহার করে সেক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে মার্কেটিং করতে পারেন।
যদি আপনার কাস্টমার গুগোল ইকোসিস্টেমের মধ্যে থাকে তবে আপনি গুগলে এড দিতে পারেন এবং ওয়েব ট্রাফিকের জন্য এই দুটিই বর্তমান সময়ে অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম।
১ম ধাপ বিষয়ক পোষ্টটি পড়ুন এখানেঃ
https://tinyurl.com/accuistep1
কাস্টমার অ্যাকুইজিশন এর মেইন পোষ্টটি পড়ুন এখানেঃ https://tinyurl.com/mainpostBWD