🔑কাস্টমার অ্যাকুইজিশনের তৃতীয় ধাপঃ Influencer স্পন্সরশিপ
কাস্টমার অ্যাকুইজিশন খরচ কমিয়ে নিয়ে এসে ইফেক্টিভভাবে আইডিয়াল কাস্টমারদের এঙ্গেজ করার জন্য Influencer স্পন্সরশিপ প্রোগ্রাম বর্তমান সময়ে ব্যপক জনপ্রিয়।
তাহসান-মিথিলার ব্র্যান্ড এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন অথবা সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্ট ক্রিয়েটর দিয়ে প্রোডাক্টের রিভিউ এবং আনবক্সিং এগুলো এখন বাংলাদেশে বহুল পরিমাণে চর্চা হচ্ছে।
এর মূল সুবিধাটি হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া Influencer দের অডিয়েন্স বেজ অনেক বড় থাকে এবং নিস মার্কেটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া Influencer অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে যেখানে ঐ Influencer এর মাধ্যম দিয়ে কোন একটি প্রোডাক্ট প্রমোট করলে সহজেই একটা বড় পরিমাণ অডিয়েন্স গ্রুপের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়।
যদিও পেইড মার্কেটিং দ্বারা কাজটি করা সম্ভব কিন্তু সেটি বেশ ব্যয়বহুল। এক্ষেত্রে Influencer স্পন্সরশিপ অধিক কার্যকরী।
আমরা দেখি, বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানিগুলো ইউটিউব বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া Influencer দের সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকে এবং তাদের দ্বারা মোবাইল ফোনের আনবক্সিং ও রিভিউ করিয়ে থাকে। তাহলে ভাবুন এটি কত বড় একটি কার্যকরি ফরমুলা ! ঠিক একই জিনিসটাকে সঠিকভাবে আপনার ব্যাবসায় কাজে লাগাতে হবে।👍
⤴১ম ধাপ বিষয়ক পোষ্টটি পড়ুন এখানেঃ https://tinyurl.com/accuistep1 ⤴২য় ধাপ বিষয়ক পোষ্টটি পড়ুন এখানেঃ https://tinyurl.com/accuistep2
⤴কাস্টমার অ্যাকুইজিশন এর মেইন পোষ্টটি পড়ুন এখানেঃ https://tinyurl.com/mainpostBWD














