Tuesday / Wednesday, February 05 / 06, 2019 । মঙ্গলবার/ বুধবার , ২১শে / ২২শে মাঘ, ১৪২৫
You were the shadow to my light
Did you feel us?
Another star
You fade away
Afraid our aim is out of sight
Wanna see us
Alight
Where are you now?
Where are you now?
Where are you now?
Was it all in my fantasy?
Where are you now?
Were you only imaginary?
Where are you now?
Atlantis
Under the sea
Under the sea?
Where are you now?
Another dream
The monster's running wild inside of me
I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
I'm faded...
So lost, I'm faded
These shallow waters, never met
what I needed
I'm letting go
a deeper dive
Eternal silence of the sea,
I'm breathing
alive
Where are you now?
Where are you now?
Under the bright but faded lights
You've set my heart on fire
Where are you now?
Where are you now?
Where are you now?
Atlantis
Under the sea
Under the sea?
Where are you now?
Another dream
The monster's running wild inside of me
I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
I'm faded
So lost, I'm faded
সাড়ে আট মাস কেটে গেছে, আমি আবার একাকীত্বের জীবনে ফিরে গেছি। এমন এক-একটি ঘটনা ঘটছে আমার সাথে এক-একদিন, এমন কেউ পাশে নেই যাকে এসব বলা যায় । হয়তো খুব তুচ্ছ ঘটনা, অথবা হয়তো গুরুত্বপূর্ণ, যাই হোক না কেন, শোনার মতো কেউ নেই। বাড়ির কাউকে এই বললে তারা তুচ্ছ ঘটনা ভেবে উড়িয়ে দেয়, নাহলে ভাগ্যে জোটে তাচ্ছিল্য। আর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলে তো কথাই নেই, যারপরনাই চিন্তিত হয়ে পড়বে। আমি চাই না কোনওভাবে আমার জন্য আমার পরিবারের কেউ চিন্তিত হয়ে পড়ুক।
আর ছোটবেলা থেকে যেভাবে আমি অর্থকষ্টের মধ্যে মানুষ হয়েছি, প্রকৃত বন্ধু গড়ে ওঠে নি। হ্যাঁ, অবাক হবেন না, বর্তমান যুগে বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে অর্থ প্রয়োজন। না, দান করার জন্য নয়, কোথাও ঘুরতে গেলে, খেতে গেলে তখনকার দিনে যেটুকু ( ৩-৪ টাকা ) বাসভাড়া লাগতো, নিদেনপক্ষে তখনকার দিনে ১টা এগরোল খেতে যে ১০-১২ টাকা লাগতো, সেইটুকু খাওয়ার মতো পয়সাও আমি পেতাম না। মোবাইলহীন যুগে, স্মার্টফোন বিহীন যুগে দেখা করা , আড্ডা মারার চলটা টিকে ছিল ভালোভাবেই। সেখানে বন্ধুদের ২ টাকার চা খাওয়ানোরও পয়সা থাকতো না। ধনী আর গরীবের বন্ধুত্ব হয়না বাবুমশাই। আর আমার মতো গরীব কিন্তু মেধাবী ও উচ্চাকাঙ্খী মানুষের সমকক্ষ গরীব ছেলে বা মেয়ে, অন্তত কলকাতা শহরে খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল, তাও আবার মোবাইল বিহীন ফেসবুক বিহীন যুগে।
এসবক্ষেত্রে বাবা-মা প্রভাবশালী হলে সেক্ষেত্রেও পাড়ায় বেশ নাম-ডাক হয়, সম্মান পাওয়া যায়। পুরো মধ্য কলকাতার মধ্যে পড়াশোনায় সেরা ছিলাম বলে এক সময় অনেক প্রাইজ পেয়েছি ( ক্লাস ১০ ও ১২ পাস করার পর ) । কিন্তু যেহেতু পাড়া বা এলাকায় প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল না ( আজ্ঞে হ্যাঁ , এখানেও মানুষের শ্রেণী ও অর্থবৈষম্য গুরুত্বপূর্ণ ) , তাই কোনওদিনও নাম ডাক থাকলেও সামাজিকভাবে সেভাবে সবার সাথে মিলেমিশে চলার, মানুষজনকে বিপদে-আপদে পাশে পাওয়ার সুযোগ পাইনি ।
আমি শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমি চাই সবাই শান্তিতে থাকুক। চিন্তা যা করার, যন্ত্রণা যা হবার, হোক আমার উপর। আমি কাউকে এসবে আমার সঙ্গী চাই না। ভগবানের কৃপায় আমি এমনিতে খুব দৃঢ় চরিত্রের মানুষ। শত আঘাতেও চট করে ভেঙে পড়ি না। আমার সাথে এমন এমন অস্বাভাবিক ও অলৌকিক ঘটনা দিনের পর দিন ঘটে চলেছে, আমার এমনিতেই সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়ার কথা। ভগবান হয়তো আমাকে এমনভাবেই বানিয়েছেন, যাতে আমি সকল রকম আঘাত-কষ্ট সহ্য করেও বেঁচে চলতে পারি। নাহলে তো মাত্র দিনকয়েক আগে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ডাঃ আকাশের মতো অবস্থা হতো আমার ( বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন )।
রোজ সকালে স্নান করে ভগবানকে আমি ছোটবেলা থেকে এটাই বলে এসেছি - " হে ভগবান, আমাকে জীবনের সমস্ত পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার শক্তি দিন, সেই মানসিক দৃঢ়তা দিন। আমি যেন আমার মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি। "
হয়তো সব পারি নি , কিন্তু আমি জানি আমি পারি। আমি অনেক কঠিন কঠিন পরীক্ষা উতরেই এতদূর এসে পৌঁছেছি। বাবা-মার মুখ হয়তো সম্পূর্ণ উজ্জ্বল করতে পারি নি, আমার জন্য আমার বাবা-মাকে অনেক কষ্টও পেতে হয়েছে, কিন্তু আমি নিজে বরাবর চেষ্টা করে গেছি মা-বাবাকে সুখী করার, তাদের নাম উজ্জ্বল করার, আমাদের বংশপ্রদীপ তুলে ধরার। সবেতে সফল না হলেও, আমি বরাবর সত্যের পথে হেঁটেছি, হাঁটার চেষ্টা করে গেছি। অপরিসীম চাপের মুখেও মিথ্যার কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করেছি।
হ্যাঁ , এটাই আমি। একা, বড়ই একা। কিন্তু জীবনে হার না মানা মনোভাব নিয়ে এসেছি আমি। সত্যের পতাকা কখনো মাটিতে লুটাতে দিইনি। বাকিটা বিচার করার দায়িত্ব......
.
.
.
.
.
.
.
.
কী ভাবছেন, আপনাদের করতে বলবো? না, আমি বলছি না সেটা। আপনারা আমাকে বিচার করার যোগ্য সেইদিনই হবেন যেদিন আপনারা আমার জায়গায় থাকবেন, আমার জুতো পড়ে আমার জীবনটা বোঝার চেষ্টা করবেন। বাকি বিচার করবে সময়। ধন্যবাদ।
নিজের বড়াই করতে ভালোবাসি না। আমি উদ্ধ্বত প্রকৃতিরও নই। কিন্তু জীবনে কিছু কিছু সময় আসে যখন নিজের ব্যাপারে মুখ খুলতে হয়। আজ কিছুটা খুললাম।
আর, হাজার হোক, এটা আমার নিজের ব্লগ।
সবাই ভালো থাকবেন। শুভ রাত্রি, ও সুপ্রভাত।