It's my 6 year anniversary on Tumblr 🥳
TVSTRANGERTHINGS

titsay

Kiana Khansmith
Stranger Things

JVL
Xuebing Du
2025 on Tumblr: Trends That Defined the Year

JBB: An Artblog!

★

No title available
sheepfilms
almost home
Game of Thrones Daily

No title available
Three Goblin Art

@theartofmadeline
cherry valley forever
Lint Roller? I Barely Know Her
macklin celebrini has autism

No title available

seen from Colombia
seen from Colombia

seen from Malaysia
seen from United States

seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from United States

seen from South Korea
seen from Indonesia
seen from Austria
seen from Saudi Arabia
seen from United States

seen from Japan
seen from Germany
@moulinathsharma
It's my 6 year anniversary on Tumblr 🥳
মিডিওকার। Mediocre
Monday, July 08, 2024 | সোমবার, ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩১
আমরা যারা দেখতে খুব একটা আকর্ষণীয় হই না, মেধা থাকে মিডিওকোর লেভেলের এবং আর্থিক সক্ষমতা থাকে টানাপোড়েনের মধ্যে, আমাদের মধ্যে না কিছু বিষয় খুব কমন থাকে!!
আমরা দেখতে এত সাধারণ হই যে, কেউ কখনো দ্বিতীয়বার ঘুরেও তাকায় না। আমরা রাস্তার ধারে নাকেমুখে তরমুজ মাখিয়ে খেলেও যেমন কারো চোখে পড়ি না, তেমনি কোন প্রোগ্রামের গেটে সেজেগুজে গাড়ি থেকে নামলেও কেউ পাত্তা দেয় না।
আমরা কখনো কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় টপ করি না। স্কুল কলেজে টপের দুই ধাপ নীচে থেকে থেকে পরিবার পরিজনের এক্সপেকটেশন বাড়াই শুধু। এরপর প্রতিযোগিতার আসল সমুদ্রে নামার পরে এক্সপেকটেশনের চাপে টুপ করে ডুবে হারিয়ে যাই। কিংবা মরে গিয়ে পেট উপরে জাগিয়ে ভেসে উঠি, বিষ ঢালা পুকুরের বোয়াল মাছের মত।
আমাদের আর্থিক সক্ষমতার গল্পগুলো হয় খুবই পীড়াদায়ক। ছোটবেলায় যখন আমাদের ২০ টাকার প্যাটিস খাওয়ার শখ হয়, তখন আমাদের কাছে থাকে ১৬ টাকা। মাঝবয়সে যখন আমাদের ২০ হাজার টাকার ফ্ল্যাটে থাকতে ইচ্ছে করে, তখন আমাদের কাছে থাকে ১৬ হাজার টাকা। শেষ বয়সে যখন ২০ লাখ টাকার গাড়িতে চড়তে ইচ্ছে করে, আমাদের ব্যাঙ্কে থাকে ১৬ লাখ।
এরকম দুই বা চারের ছোট্ট ফাঁকগুলো গলে বেরিয়ে যায় আমাদের সব স্বপ্ন, সাধ, আহ্লাদগুলো!!
আমরা কখনো গান গাইতে পারি না, কবিতা আবৃত্তি পারি না, ছবি আঁকতে পারি না, বিতর্ক পারি না, গল্পের জমজমাট আসরের মধ্যমণি হতে পারি না। এরপর একদিন আমরা হুট করে আবিষ্কার করে বসি, উপরওয়ালা আমাদেরকে কোন ধরণের বাড়তি গুণ দিয়ে পৃথিবীতে পাঠান নি।
তিনি আমাদেরকে পাঠিয়েছেন শুধু অন্যের গিফটেড কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে হাততালি দিয়ে যাওয়ার জন্য, হাততালি পাওয়ার জন্য নয়!!
আমরা ভীড় তৈরী করি, কিন্তু কখনো ভীড়ের কারণ হতে পারি না। আমরা অন্যকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি, কিন্তু নিজে কখনো কারো স্বপ্নের কারণ হতে পারি না। আমরা সবাইকে অ্যাপ্রিশিয়েট করে চলি, কিন্তু নিজেরা কখনো অ্যাপ্রিসিয়েশন পাই না।
ভীড় থেকে নিজেকে আলাদা করার চেষ্টা আমরা যারা করি, আমরা সবসময় হেরে যাই। দুটো হাততালি পাওয়ার আশায় আমরা হয়ে উঠি পিপল প্লিজার। ব্যতিক্রম কিছু হতে চেয়ে আমরা সবসময়ই হয়ে উঠি কাছের মানুষের উপহাসের পাত্র।
যাকে মুগ্ধ করতে চাই, তার চোখে দেখি করুণা। যার কাছে প্রায়োরিটি চাই, তার কাছে পাই অবহেলা। যাদের পায়ে দুনিয়াটা এনে দিতে চাই, তারা বলে, ইউ আর নট এনাফ!!
আমাদের কপালে দিনশেষে কিছু থাকলে সেটা শুধু মারই থাকে, পিঠ চাপড়ানোর মত কিছু থাকে না।
আমরাও মাঝে মাঝে টপ করতে চাই, অন্যের চোখে মুগ্ধতা দেখতে চাই, আরেকজনের পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু হতে চাই, কারো উপন্যাসের প্রোটাগনিস্ট হতে চাই। উঠতে চাই চূড়ায়, সর্বোচ্চ শিখরে!!
অথচ দিনশেষে আমরা একবুক তীব্র কষ্ট নিয়ে উপলব্ধি করি, নিঃসীম শূন্যতার এই মহাজগতে আমাদের অস্তিত্ব শূন্যের চেয়েও ক্ষুদ্রতর।
July 08, 2024, Monday | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩১, সোমবার
আমি ভাবলাম। অনেক ভাবলাম। ভেবে কিছু সিদ্ধান্তে এসেছি।
বলার আগে কিছু কথা বলতে চাই। এতদিন আমি শুধু receiving end-এ থেকে সব শুনে এসেছি। আজ কিছু বলি।
আমি ছোটবেলা থেকে আমার নিন্দে শুনে অভ্যস্ত। নিজের মতপ্রকাশ না করতে পারার এক খুব বাজে সমস্যা আমার মধ্যে রয়েছে। ছোটবেলা থেকে বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের ভাব সম্প্রসারণ বিভাগে আমি লবডন্কা ছিলাম। পারতাম না। আত্মীয়পরিজন, বন্ধুবান্ধব সবার কাছ থেকে মশকরা, টিটকারি খেয়ে এসছি নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে না পেরে, বা বলা ভালো প্রকাশ করতে দেওয়ার সুযোগ না দিয়ে।
কোনও কাজ হয়তো আমি ভালোর জন্যেই করছি, কিন্তু সেটা বোঝাতে পারছি না - এই সমস্যার ফলস্বরূপ আমি বকাঝকা খেতে, নিন্দে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এতটাই অভ্যস্ত, যে, মা বা দিদি অন্যদের কাছে আমার নামে নিন্দে করলেও সেটা আমি মজা হিসাবেই নি।
আমি সন্তান হিসাবে ব্যর্থ। জেনেশুনে বা অজান্তে, অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা দিয়েছি আমার পরিবারকে। এভাবেই চলছে, চলবে - এই মনোভাব নিয়ে দিনযাপন করে চলেছি।
আমাকে নিজের ব্যক্তিত্বের প্রথম, এবং শেষ বিকাশে সহায়তা করেছিল শর্মিষ্ঠা। আমাকে জেনেছিল। সব শুনতো মন দিয়ে। আমাকে বলার সুযোগ দিতো। মনের ভাব নির্দ্বিধায় প্রকাশ করতে পারতাম তার কাছে। সে আমাকে ভরসা দিতো। অভয় দিতো।
আমাকে একদম ভেঙেপরা অবস্থায় সে পেয়েছিল। আমার তখন কিছুই ছিল না। ভীষণ মানসিক আঘাত পাওয়া এক মানুষ - এক ব্যর্থ মানুষ, এক ব্যর্থ চাকুরিজীবি, এক ব্যর্থ প্রেমিক, এক ব্যর্থ সন্তান - সে সব জেনেশুনে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। ধীরে ধীরে সে আমাকে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করেছিল। আমাকে সে কথা দিয়েছিল, জীবনে কোনওদিন কোনও কথা নিয়ে সে খোঁটা দেবে না। দেয় নি (অন্তত আমার সাথে যোগাযোগ থাকা অবস্থায় কোনওদিন নয়)। আমি কোনওদিন তাকে কোনও কথা বলতে সংকোচ বোধ করতাম না। সে আমার স্ত্রীর থেকে বেশি বন্ধু ছিল। একটা স্বাভাবিক সম্পর্ক - হাসি, কান্না, রাগ, ঝগড়া সবই থাকতো। কিন্তু কখনো ছেড়ে যাবার কথা ভাবিনি বা তাকে বলতেও শুনি নি।
সে আমাকে শিখিয়েছিল, আমি মানুষ হিসাবে অতটাও ব্যর্থ নই।
সে বলেছিল, প্রেমিক হিসাবে আমি ব্যর্থ নই।
যদিও সে আমাকে পরে যতটা গড়েছিল তার হাজারগুণ বেশি আঘাত দিয়ে ভেঙে দেয়।
স্বামী হিসাবে তো বটেই, প্রেমিক হিসাবেও ব্যর্থ ছিলাম সেই তকমা সাঁটিয়ে দিয়ে যায়।
তারপর অনেক ওঠানামা, ভাঙাগড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়ে তোমাকে পেয়েছিলাম।
তোমার সাথে আলাপ আজ ১ বছর ৩ মাসের থেকে কিছু বেশি।
এই সময়ের মধ্যে ৯ মাসের উপর তুমি আমি বিবাহের সম্পর্কে আবদ্ধ।
সময়টা কম নয়। এই সম্পূর্ণ সময়কালে একটি সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের থেকে আসতে আসতে বন্ধুত্বের সম্পর্কের দিকে এগোতে থাকে।
আমাদের ব্যাপারটা উল্টো হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে, ততই তুমি আমার অচেনা হয়ে যাচ্ছো। সেই মানুষটাকে আমি আর দেখতে পাচ্ছি না যে প্রথম প্রথম অনেক আশা ভরসা দিয়েছিল, অনেক কথা দিয়েছিল। আজ কথায় কথায় শুনি "ডিভোর্স দিয়ে দাও" কথাটা। বিয়ের পর গত ৯ মাসে কথাটা প্রায় ১৮-২০ বার শুনতে হয়েছে আমাকে। কেন? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ভিত হলো বিশ্বাস, ভরসা ও বোঝাপড়া। আমাদের মধ্যে কোনোটাই নেই।
তুমি আমাকে কোনোপ্রকারেই বিশ্বাস করো না। তোমার প্রতিটা পদক্ষেপ সেটা বুঝিয়ে দেয়। ভরসা? ওটার কথা যত কম বলা যায় ততই ভালো, যদিও আমি অনেকটা হলেও ভরসা করি। আর রইলো বোঝাপড়া! ওটাও প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে। খুব শীঘ্রই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আসতে চলেছে। এখনও যদি আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরিই না হয়, তাহলে আমাদের সন্তান জন্মের পর কি দেখবে? দুই ঝগরুটে বাবা-মা কে?
বিশ্বাস আর ভরসা, এবং সম্পর্ক - এগুলো থেকে সঙ্গীর প্রতি শ্রদ্ধা তৈরি হয়। আমার সম্পর্কে তোমার সেটা বিন্দুমাত্র নেই। অপমান উপহাস করতে সর্বদা মুখিয়ে থাকো।
নাহলে আজ আমাদের বাড়ি থেকে যাওয়ার ২ ঘন্টার মধ্যে এতো কিছু এভাবে উদ্ধত মেজাজে বলতে পারতে না। এতে তোমার অসংবেদনশীলতাই শুধু প্রকাশ পায় না, সাথে প্রকাশ পায় অহংকারও।
আমি আমার মায়ের কথাবার্তার দোষ আছে মানছি। কিন্তু মা প্রায় ৭০ ছুঁইছুঁই এক বৃদ্ধা। একা। মা সবকিছু গুছিয়ে করতে বা বলতে পারে না এই বয়সে এসে।
কিন্তু তুমি? তুমি মায়ের দিকে যেভাবে কুৎসিত অপবাদ দিচ্ছো এতে শুধু তোমার পরিপক্কতার অভাবই প্রকাশ পায় না, তোমার সঠিক শিক্ষার অভাবও প্রকাশ পায়। তোমার ঝগরুটে স্বভাবও দেখতে পাওয়া যায় এর মধ্যে দিয়ে।
আমার দোষ শেষে আরেকবার বলি।
আমি সন্তান হিসাবে ব্যর্থ, ব্যার্থ প্রেমিক হিসাবে। আজ ব্যার্থ হলাম স্বামী হিসাবে। আমি মানুষ চিনতে ভুল করেছিলাম। সঠিক মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসাবে নির্বাচন করার ভুল উপর্যুপরি দ্বিতীয়বার টের পাচ্ছি।
আজ মনে হয় বারবার যে এক সঙ্গী পাওয়ার ব্যাকুলতায় বড় ভুল করেছি। আমি শুধু একজন ক্ষণিকের যৌনসঙ্গী পেয়েছিলাম। এখন সেটুকুও নেই। বস্তুত কিছুই পাইনি এই বিয়ে থেকে। এখন আমাদের সম্পর্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের অনাগত সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে তোমার চাওয়া পূরণ করার জন্য।
এমত অবস্থায় আমার মনে হয় আমাদের কিছুদিনের বিরতি নেওয়া প্রয়োজন। আত্মবিশ্লেষণ প্রয়োজন আমার - ভুলত্রুটি আর সমাধান বের করবার জন্য। আমি হয়তো কিছুদিন মায়ের থেকেও দূরে থাকবো। একাকী। যাতে নিজে কি চাই একটু বোঝার সুযোগ পাই।
আশা করি সেই সময়টুকু আমি পাবো।
তবে হ্যাঁ, তোমার যাবতীয় ব্যায়ভারের দ্বায়িত্ব পালন করে যাবো সেই সময়েও - তাতে বিরতি নেব না।
Sunday, June 16, 2024 । রবিবার, ০১ আষাঢ়, ১৪৩১
কিছু কিছু মানুষ এতটাই স্বার্থপর হয় যে তারা তাদের মা বাবা স্বামী-স্ত্রী ভাই-বোনের বাইরেও কেউ যে থাকে, তা মনে করে না। তাদের জগৎটা নিতান্তই ছোট্ট। তারা শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, ভাশুর-দেওর, ননদ-জা কাউকেই দেখতে পায় না, বা পেলেও না দেখার ভান করে। আত্মীয়-পরিজনদের তো দেখতেই পারে না। তাদের ব্যাপারে পরনিন্দা-পরচর্চা করেই তাদের জীবন কেটে যায়।
ভালো বক্তা অনেকেই হয়। কিন্তু ভালো শ্রোতা সবাই হতে পারে না। এর জন্য দরকার অনেক ধৈর্য ও শোনার আগ্রহের। কেউ কিছু বলার মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ার শিক্ষা বা ঔদ্ধত্য কোনো শিক্ষাই আমি উত্তরাধিকার সূত্রে পাই নি।
আমার জীবনে বন্ধুর খুবই অভাব। প্রকৃত বন্ধু বলে আজীবন কাউকে কখনই পাই নি। পেয়েছিলাম যাদের, তারা সবাই হয় ক্ষণিকের অতিথি, অথবা সুসময়ের বন্ধু। দুঃসময় আমি সম্পূর্ণই একাকী কাটিয়েছি। ভেবেছিলাম বিয়ে করে যাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাবো, সে আমার বন্ধু হবে। তাকে আমি আমার সমস্ত কথা বলতে পারবো। পারিনি। কারণ, পাই নি। সমবয়সী স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এবং অনেকদিনের মেলামেশার ফলে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়ে ওঠে। এটা আমার নিজের দেখা। এবং, বিশ্বাসও। অসমবয়সীদের মধ্যে যেমন একটা জেনারেশন গ্যাপ থাকে, সেরকম একটা মানসিক পার্থক্যও থাকে। যেটা হাজার চেষ্টাতেও পূরণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
আগেও অনেক নিজেকে বুঝিয়েছি, সবশেষে আবার বলছি, মৌন হতে শেখো মৌলীনাথ। মনে রাখবে, বোবার শত্রু নেই।
খারাপ কথা বোলো না, খারাপ কথা শুনো না। যা তোমাকে মানুষিক অবসাদে ফেলে, যা তোমাকে কষ্ট দেয়, যা দেখে তোমার রাগ হয়, সেসব দেখা থেকে দূরে থাকো। যাকে ভালোবাসো, সে তোমার ব্যাপারে খারাপ ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করছে? এড়িয়ে চলো। ফেসবুকে খারাপ কথা লিখছে? এড়িয়ে চলো। খারাপ পোস্ট করছে? এড়িয়ে চলো। হোআটসঅ্যাপে খারাপ স্ট্যাটাস দিচ্ছে? দেখো না। সব জায়গায় আনফলো করে দাও। চোখে পড়বে না তোমার। এড়িয়ে চলো। Just ignore. এটাই সুখে থাকার মন্ত্র। এটাই মানসিক শান্তির চাবিকাঠি।
Sunday, May 05, 2024 । রবিবার, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩১
বেশ কিছুদিন ধরেই মনে মনে ভেবে রেখেছি, ও ওদের বাড়ি গেলেও ওর যাবতীয় খরচ কিন্তু আমিই করবো। তাইই উচিত। সেগুলো আমার কর্তব্য। আজ সে আমার জন্যেই গর্ভবতী। আজ সে আমার জন্যেই অসুস্থ। আমাদের আসন্ন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সে আজ কতটা ত্যাগ স্বীকার করে চলেছে ২ মাসের উপর, আমি দেখছি। আমি জানি।
এখন সে আমাদের বাড়িতে। তার যাবতীয় সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের খেয়াল রাখা আমার দায়িত্ব। আমার কর্তব্য। কিছুদিন পর সে তাদের বাড়ি যাবে। কিন্তু গেলেও আমার দায়িত্ব বিন্দুমাত্র কমে যায় না। আমার তো মন পড়ে থাকবে সেখানেই। আমি সুযোগ পেলেই সেখানে যেতে উদগ্রীব হয়ে থাকবো। যখনই তাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যেতে হবে, যখনই সে অসুস্থ হবে, তার সাথে সাথে আমি যেন থাকতে পারি, আমি সেই প্রার্থনাই করে চলেছি।
সে কিছুদিন পর চলে যাবে। তার মা ওকে নিয়ে যেতে আসবেন। কিন্তু সেটা আমাকে সে জানায়ও নি। আমি তার হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস দেখে বুঝতে পারলাম তারিখটা।
আমার ভালো লাগে নি জানতে পেরে। সে আমাকে জানায় নি। আমি তাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। আর সে আমাকে বললো না পর্যন্ত। একজন মা তার গর্ভবতী মেয়েকে তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে বাড়ি নিয়ে আসছেন - এই দৃশ্যটা মনে মনে ভাবলে নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছে। আমি কি আমার কর্তব্যচ্যুত হয়ে পড়বো না এই পরিস্থিতিতে? এটা একজন স্বামীর দায়িত্ব। আমি সেটা কি পালন করতে পারবো না?
দেখা যাক।
যায় হোক, কিছুদিন আগে সে আমাকে মনে করালো যে ও ওদের বাড়ি গেলে ওকে ওরা আবার সেই জল কিনে খাওয়াবেন। শুনে আমার খারাপ লাগে। বাড়ির জল হাওয়া পরিবেশ - এইগুলোই তো একজন মানুষ চায়। এইগুলোই তো একজন মানুষের বাড়ির প্রতি টান তৈরি করে। সেখানে বাকিরা যা খাবেন ও সেটা খেতে পারবে না, এবং উল্টোটা (vice-versa)।
আমি তো আগেই ঠিক করেছিলাম, ওর সব খরচ আমি দেবো। মাঝে মাঝেই ভাবছি, এই গরম। এখানে এসিতে থাকার অভ্যেস। ওখানে গুমোট গরমে এই শরীরে তো আরও গরম লাগবে। ও পারবে? নাকি একটা এসির ব্যবস্থা করে দেবো? আবার ভাবি, যদি ওরা খারাপ মনে করেন? ওকে বলতেও পারি না। বললেই ঝগড়া শুরু হয়ে যাবে। যেমন হলো আজ।
জলের কথাও আমি ভেবেছিলাম। ফিল্টারের ব্যবস্থা করে দেব কিনা ভাবছিলাম এক সপ্তাহ ধরে। আজ পেপার দেখতে গিয়ে ফিল্টারের বিজ্ঞাপন দেখলাম। ভাবলাম বলি যে কিছু ব্যবস্থা করা যায় কিনা। ওকে বললাম যে ওদের বলো একটা ফিল্টার কিনতে। সে ফোন নিয়ে ব্যস্ত ছিল। ৩ বার বললাম। শুনলোই না। বা শুনলেও এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দিলো। ভেবেছিলাম যদি বলে যে ওরা রাজি হবে না, তখন আমি বলবো যে আমি যদি কিছু ব্যবস্থা করতে পারি আমার ভালো লাগবে। সেসব বলার সুযোগই পেলাম না।
একটু ভাবুন। একজন মানুষের দিনে কমপক্ষে ৩ লিটার জল খাওয়া উচিত। একটা ৫ লিটার বিসলেরির জারের দাম ৬৫ টাকা। ৩লিটার দিনে হলে মাসে ৯০ লিটার। ১৮টা জার। মাসে ১১৭০ টাকা। ধরে নিলাম ও ৯ মাস থাকবে। ১০৫৩০ টাকা লাগবে একজনের জলের জন্য। এটা সবচেয়ে কম হিসাব দিলাম। আরও কত জল লাগবে। জল কিছু নষ্ট হবে। আমাদের সন্তানের জল লাগবে অনেক। ওরা এই খরচাটা করলে ওদের কষ্ট হবে না? ওরাও তো বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন না। শুধু ওদের মেয়েই ব্যতিক্রম।
বাড়ির একটা মানুষ এই জল খাবে। আর বাকিরা অন্য। এই বৈষম্যটা আমার ভালো লাগে না। ওর বাবা পেটের গন্ডগোলে ভুগছেন। জলের জন্য কত কিছু হয়। পেটের গন্ডগোল। ওর বাবারও কি ভালো জল খাওয়া উচিত না? আর বাকিরা? বাকিরা কি ভালো জল খাওয়া থেকে বঞ্চিত থেকে যাবেন?
ওকে বললাম। শুনলো না বিন্দুমাত্র। রাগ হলো। বোতলের জল কেনার এই টাকাটা আমিই দিতাম। ও না চাইলেও। রাগের কথা ও ঠিক শুনবে। ভালো কথা যদি নাও শোনে। তাই বলেছিলাম তোমার জন্য বোতল বোতল জলের টাকা আমি দিতে পারবো না। এটা ঠিক গায়ে লাগলো। অনেক কথা শুনলাম। শিক্ষা দীক্ষা নিয়ে খোটা বরাবর দিয়ে আসছে। আজও সেটা দিয়েই শুরু করলো। এই অবধি ওকে ক' টাকা দিয়েছি, কি কিনে দিয়েছি এসব প্রশ্ন তো বললোই। (মেয়েদের মন, শুনেছি ও পড়েছি, স্বামীর কাছ থেকে গয়না, বাড়ি ও গাড়ি উপহার পেয়েও এসব প্রশ্ন করেই থাকে অনেকে, আর ও তো তার আগের স্বামীর থেকে বাড়ি পেয়েছিল। তাহলে সেই তুলনায় আমি কীই বা দিতে পেরেছি। আমি কোন চুনোপুঁটি!) থামলো 'বেঁচে আছি কেন, গলায় দড়ি দিয়ে মরে যাওয়া উচিত' এসব দিয়ে।
'আমাদের বাচ্চা' কথাটা কোনোদিন বলে নি আজ অবধি। যখনই কিছু বলে, বলে 'আমার বাচ্চা'। আজও বললো। এই বাচ্চা সে রাখবে না। আমার সাথে থাকবে না। ইত্যাদি।
ওর সুখ স্বাচ্ছন্দ্য দেখা আমার কর্তব্য। আমার দ্বায়িত্ব। এসব দেখতে গিয়ে একটু রাগ করে বলে ফেলেছিলাম। ভগবান ক্ষমা করবেন ।
DAY 10105 - Post 12
Saturday / Sunday, March 23 / 24, 2019 । শনিবার / রবিবার, ৮ই / ৯ই চৈত্র, ১৪২৫
I have Made it through another day. Don't even feel the pain, it's fading. I've been cleaning out my brain. I quit you like cocaine, life’s changing.
No you're never gonna see me cry, I already got a brand new life. Don't you know I'm moving on? Everyday I'm stronger I don't even know you're gone.
But I start to panic when the sun goes down I stay this jacked until the lights go out... I don't want to go back home Don't want to be alone right now...
I am Only lonely for you at night Only lonely for you and the sun doesn't shine; And I try to forget why... Why you're not here by my side? Only lonely for you at night.
অনেকদিন কিছু লেখা হয়ে ওঠে নি। সময় পাই নি তাও ঠিক নয়, আসলে লেখা নিয়ে বসা হয়ে উঠছিলো না। দিন আজকাল গতানুগতিক হয়ে গেছে। ঘটনাবলী এগোচ্ছে সময়ের সাথে সাথেই। আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
সারা দেশ এখন সরগরম। ভোটের গরম হাওয়া চারদিকে। উপেক্ষা করে চলার উপায় নেই একজন ভোটার হিসাবে।
গরমটা কিন্তু এমনিতেও অনেক বাড়ার পূর্বাভাস আছে এই বছর। সুতরাং সবাই সাবধানে থাকবেন।
DAY 10058 - Post 11
Tuesday / Wednesday, February 05 / 06, 2019 । মঙ্গলবার/ বুধবার , ২১শে / ২২শে মাঘ, ১৪২৫
You were the shadow to my light Did you feel us? Another star You fade away Afraid our aim is out of sight Wanna see us Alight
Where are you now? Where are you now? Where are you now? Was it all in my fantasy? Where are you now? Were you only imaginary?
Where are you now? Atlantis Under the sea Under the sea? Where are you now? Another dream The monster's running wild inside of me I'm faded I'm faded So lost, I'm faded I'm faded... So lost, I'm faded
These shallow waters, never met what I needed I'm letting go a deeper dive Eternal silence of the sea, I'm breathing alive
Where are you now? Where are you now? Under the bright but faded lights You've set my heart on fire Where are you now? Where are you now?
Where are you now? Atlantis Under the sea Under the sea? Where are you now? Another dream The monster's running wild inside of me I'm faded I'm faded So lost, I'm faded I'm faded So lost, I'm faded
সাড়ে আট মাস কেটে গেছে, আমি আবার একাকীত্বের জীবনে ফিরে গেছি। এমন এক-একটি ঘটনা ঘটছে আমার সাথে এক-একদিন, এমন কেউ পাশে নেই যাকে এসব বলা যায় । হয়তো খুব তুচ্ছ ঘটনা, অথবা হয়তো গুরুত্বপূর্ণ, যাই হোক না কেন, শোনার মতো কেউ নেই। বাড়ির কাউকে এই বললে তারা তুচ্ছ ঘটনা ভেবে উড়িয়ে দেয়, নাহলে ভাগ্যে জোটে তাচ্ছিল্য। আর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলে তো কথাই নেই, যারপরনাই চিন্তিত হয়ে পড়বে। আমি চাই না কোনওভাবে আমার জন্য আমার পরিবারের কেউ চিন্তিত হয়ে পড়ুক।
আর ছোটবেলা থেকে যেভাবে আমি অর্থকষ্টের মধ্যে মানুষ হয়েছি, প্রকৃত বন্ধু গড়ে ওঠে নি। হ্যাঁ, অবাক হবেন না, বর্তমান যুগে বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে গেলে অর্থ প্রয়োজন। না, দান করার জন্য নয়, কোথাও ঘুরতে গেলে, খেতে গেলে তখনকার দিনে যেটুকু ( ৩-৪ টাকা ) বাসভাড়া লাগতো, নিদেনপক্ষে তখনকার দিনে ১টা এগরোল খেতে যে ১০-১২ টাকা লাগতো, সেইটুকু খাওয়ার মতো পয়সাও আমি পেতাম না। মোবাইলহীন যুগে, স্মার্টফোন বিহীন যুগে দেখা করা , আড্ডা মারার চলটা টিকে ছিল ভালোভাবেই। সেখানে বন্ধুদের ২ টাকার চা খাওয়ানোরও পয়সা থাকতো না। ধনী আর গরীবের বন্ধুত্ব হয়না বাবুমশাই। আর আমার মতো গরীব কিন্তু মেধাবী ও উচ্চাকাঙ্খী মানুষের সমকক্ষ গরীব ছেলে বা মেয়ে, অন্তত কলকাতা শহরে খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল, তাও আবার মোবাইল বিহীন ফেসবুক বিহীন যুগে।
এসবক্ষেত্রে বাবা-মা প্রভাবশালী হলে সেক্ষেত্রেও পাড়ায় বেশ নাম-ডাক হয়, সম্মান পাওয়া যায়। পুরো মধ্য কলকাতার মধ্যে পড়াশোনায় সেরা ছিলাম বলে এক সময় অনেক প্রাইজ পেয়েছি ( ক্লাস ১০ ও ১২ পাস করার পর ) । কিন্তু যেহেতু পাড়া বা এলাকায় প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল না ( আজ্ঞে হ্যাঁ , এখানেও মানুষের শ্রেণী ও অর্থবৈষম্য গুরুত্বপূর্ণ ) , তাই কোনওদিনও নাম ডাক থাকলেও সামাজিকভাবে সেভাবে সবার সাথে মিলেমিশে চলার, মানুষজনকে বিপদে-আপদে পাশে পাওয়ার সুযোগ পাইনি ।
আমি শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমি চাই সবাই শান্তিতে থাকুক। চিন্তা যা করার, যন্ত্রণা যা হবার, হোক আমার উপর। আমি কাউকে এসবে আমার সঙ্গী চাই না। ভগবানের কৃপায় আমি এমনিতে খুব দৃঢ় চরিত্রের মানুষ। শত আঘাতেও চট করে ভেঙে পড়ি না। আমার সাথে এমন এমন অস্বাভাবিক ও অলৌকিক ঘটনা দিনের পর দিন ঘটে চলেছে, আমার এমনিতেই সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়ার কথা। ভগবান হয়তো আমাকে এমনভাবেই বানিয়েছেন, যাতে আমি সকল রকম আঘাত-কষ্ট সহ্য করেও বেঁচে চলতে পারি। নাহলে তো মাত্র দিনকয়েক আগে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ডাঃ আকাশের মতো অবস্থা হতো আমার ( বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন )।
রোজ সকালে স্নান করে ভগবানকে আমি ছোটবেলা থেকে এটাই বলে এসেছি - " হে ভগবান, আমাকে জীবনের সমস্ত পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার শক্তি দিন, সেই মানসিক দৃঢ়তা দিন। আমি যেন আমার মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি। "
হয়তো সব পারি নি , কিন্তু আমি জানি আমি পারি। আমি অনেক কঠিন কঠিন পরীক্ষা উতরেই এতদূর এসে পৌঁছেছি। বাবা-মার মুখ হয়তো সম্পূর্ণ উজ্জ্বল করতে পারি নি, আমার জন্য আমার বাবা-মাকে অনেক কষ্টও পেতে হয়েছে, কিন্তু আমি নিজে বরাবর চেষ্টা করে গেছি মা-বাবাকে সুখী করার, তাদের নাম উজ্জ্বল করার, আমাদের বংশপ্রদীপ তুলে ধরার। সবেতে সফল না হলেও, আমি বরাবর সত্যের পথে হেঁটেছি, হাঁটার চেষ্টা করে গেছি। অপরিসীম চাপের মুখেও মিথ্যার কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করেছি।
হ্যাঁ , এটাই আমি। একা, বড়ই একা। কিন্তু জীবনে হার না মানা মনোভাব নিয়ে এসেছি আমি। সত্যের পতাকা কখনো মাটিতে লুটাতে দিইনি। বাকিটা বিচার করার দায়িত্ব...... . . . . . . . .
কী ভাবছেন, আপনাদের করতে বলবো? না, আমি বলছি না সেটা। আপনারা আমাকে বিচার করার যোগ্য সেইদিনই হবেন যেদিন আপনারা আমার জায়গায় থাকবেন, আমার জুতো পড়ে আমার জীবনটা বোঝার চেষ্টা করবেন। বাকি বিচার করবে সময়। ধন্যবাদ।
নিজের বড়াই করতে ভালোবাসি না। আমি উদ্ধ্বত প্রকৃতিরও নই। কিন্তু জীবনে কিছু কিছু সময় আসে যখন নিজের ব্যাপারে মুখ খুলতে হয়। আজ কিছুটা খুললাম।
আর, হাজার হোক, এটা আমার নিজের ব্লগ।
সবাই ভালো থাকবেন। শুভ রাত্রি, ও সুপ্রভাত।
DAY 10055 - Post 10
Saturday / Sunday, February 02 / Sunday 03, 2019 । বৃহস্পতিবার / শুক্রবার , ১৬ই / ১৭ই মাঘ, ১৪২৫
ছেলেরাও ভালোবাসে !
ছেলেটি আপনাকে ছেড়ে বারো ঘন্টা কাজে মগ্ন, আপনাকে সময়ই দিতে পারে না, তার মানে এটা নয় যে সে আপনাকে ভালোই বাসে না।
শিব পার্বতীকে ছেড়ে বারো মাস ধ্যানে মগ্ন থাকতেন, কিন্তু শিব পার্বতীর থেকে শ্রেষ্ঠ প্রেমের উদাহরণ ত্রিলোকে আর একটিও আছে কি?
সময় দিতে না পারাটা ছেলেদের জাতের দোষ, স্বভাবের নয়। আপনাকে ছেড়ে তার কাজের ব্যস্ততাটাই দেখলেন, অথচ কাজের মধ্যে থেকেও আপনাকে মিস করে তার কাজে ভুল হয়ে যাওয়াটা সে আপনাকেও বলেনা, আর আপনিও বোঝেন না।
ছেলেরাও ভালোবাসে, তফাৎ এটাই তারা বুঝতে দেয় না, বুঝে নিতে হয়।
DAY 10053 - Post 9
Thursday / Friday, January 31 / February 01, 2019 । বৃহস্পতিবার / শুক্রবার , ১৬ই / ১৭ই মাঘ, ১৪২৫
বিচ্ছেদের অবসাদ দূর করতে
কষ্টটা মাত্র কয়েকদিনের। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে প্রয়োজন সাহস ও ধৈর্যশক্তি।
যদি নিজেকে শক্ত রাখতে পারেন তাহলে সময়টা আরও কমে আসবে। সম্পর্কবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট জানিয়েছে ‘ব্রেকআপ’ বা বিচ্ছেদের অবসাদ থেকে বেরিয়ে আসার কিছু পন্থা।
গান শোনা: মন খারাপ? গান শুনুন। কারণ জীবনের সকল পরিস্থিতির জন্যই রয়েছে উপযুক্ত গান। তবে প্রাক্তন সঙ্গীর কথা মনে করিয়ে দিতে পারে এমন গান থেকে সাবধান। মন প্রফুল্ল করে এমন গান শুনতে হবে।
ভারতের মিউজিক থেরাপি বিশেষজ্ঞ রঞ্জিত মিশ্র বলেন, “মানসিক অবস্থার উপর সংগীতের রয়েছে জাদুকরী প্রভাব। তাই যে গানগুলো শুনলে নিজের অজান্তেই আপনার পা নেচে উঠে সেগুলো আপনার মন ভালো রাখতে সাহায্য করবে। গান শোনার সময় আমাদের হাত, পা বা মাথা নাচানোর মানে হল - চিন্তার সাগরে হারিয়ে যাইনি বরং গানের সুর উপভোগ করছি।”
একা বেড়িয়ে আসা: গল্প করা মানুষের অভ্যাস। আর বিষয় যদি হয় ব্রেকআপ তাহলে তো আর কথাই নেই। এ ধরনের মানুষ এড়ানোর সবচাইতে ভালো উপায় হল একা কোথাও বেড়াতে যাওয়া। রোমান্স বাদ তো কি হয়েছে, রোমাঞ্চের স্বাদ নিন। বেড়াতে গিয়ে নতুন মুখের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে, আপনার সম্পর্কে যাদের মধ্যে থাকবে ইতিবাচক ধারণা। অতীত নিয়ে উপদেশ শোনার সম্ভাবনাও থাকবে না।
সোশাল মিডিয়া দূরে রাখা: স্মার্টফোনের কল্যাণে কাজটা কঠিন হতে পারে। তবে বিচ্ছেদের কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকলে প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে তোলা ছবি দেখা এবং তার দৈনন্দিন খবরগুলো জানার অত্যাচার থেকে মুক্তি মিলবে।
অনুসরণকারী হওয়া যাবে না: প্রাক্তন সঙ্গীর একটি হাসিখুশি ছবিই আপনাকে বিষাদগ্রস্ত করতে যথেষ্ট। তাই কোনো অবস্থাতেই প্রাক্তন সঙ্গীর দৈনন্দিন কার্যাবলী জানার উদ্দেশ্যে তাকে অনুসরণ করা যাবে না। প্রাক্তন সঙ্গী কী করছে তার চাইতে নিজেকে নিয়ে চিন্তা করা বেশি জরুরি। অনুসরণ কখনও স্বাস্থ্যকর নয়, এমনকি বিচ্ছেদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরও।
রোমান্টিক সিনেমা না দেখা: সিনেমা হয়ত বিচ্ছেদের কষ্ট থেকে সাময়িক মুক্তি দিতে পারে, তবে তা কোনো সমাধান নয়। সিনেমা দেখে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বা অনুমান করাও উচিৎ নয়। সকল হাসিখুশি দম্পতির প্রেমজীবন ঝামেলা মুক্ত নাও হতে পারে। বরং রোমাঞ্চকর, প্রামাণ্যচিত্র, এমনকি ভয়ের সিনেমাও দেখা যেতে পারে। এগুলো আপনার মনকে ব্যস্ত রেখে মন খারাপ করার চিন্তগুলো দূরে রাখবে।
শখ পূরণ: সম্পর্কবিষয়ক পরামর্শদাতা রেমা শুক্ল বলেন, “বিচ্ছেদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বেশ কষ্টসাধ্য, আর একমাত্র সময়ই পারে এই ক্ষত পূরণ করতে। তবে আমাদের উচিত মন ভালো রাখে এমন কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং কষ্টগুলো ভুলে থাকার চেষ্টা করা। বাগান করা, বই পড়া, ছবি আঁকা, গান বাজনা করা যেটাই আপনার ভালো লাগে সেই কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।”
বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা না করা: ক্লিনিকাল মনোবিজ্ঞানী সুজাতা প্রভু বলেন, “বিচ্ছেদ পরবর্তী সময়ে সময় কাটানোর উপযুক্ত সঙ্গী হতে পারে বন্ধুমহল। তবে বন্ধুমহলে আলোচনার বিষয় যদি আপনার বিচ্ছেদ হয়, তাহলে ঘটতে পারে হিতে বিপরীত। তাই এসময় আপনার প্রেমজীবন সম্পর্কে অতি উৎসাহী বন্ধুদের কাছ থেকে একটু দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।”
বিচ্ছেদের পরে স্বাভাবিক জীবন
একটা সম্পর্ক যত তিক্তই হোক, শেষ হওয়ার পরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা বেশ কষ্টসাধ্য।
বিবাহ বিচ্ছেদ জীবনে একটা অমূল পরিবর্তন আনে। সঙ্গে লেগে থাকে মানসিক শূন্যতা এবং সামাজিক চাপও। এরকম পরিস্থিতিতে জীবনকে চালিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া একটা কঠিন কাজই বটে।
স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার কঠিন কাজটা কীভাবে করা যায় এই বিষয়েই পরামর্শ ।
নিজের সমস্যা সমাধান করতে শেখা: সাধারণত পরিবারে পুরুষেরা বাইরের কাজ করে থাকে আর মহিলার ঘরের। এর উল্টোটাও স্বাভাবিক নিয়মেই হতে পারে। তবে মোদ্দা কথা হল সংসারের কাজগুলো ভাগাভাগি করা থাকে। ফলে একজন এক ধরনের কাজেই পারদর্শী হতে পারেন। বিচ্ছেদের পরে প্রত্যেকেই একজন স্বতন্ত্র মানুষ, যাদের নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়। সমস্যাগুলো নিজে থেকে সমাধান করতে শিখলে আর খারাপলাগাগুলো সেভাবে কষ্ট দিতে পারবে না।
পৃথিবীকে জানা: সম্পর্কে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় হয়ত নানান কারণে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যায়নি। তবে একাকী অবস্থায় নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেওয়া যায়। তাই যতটা সম্ভব বাইরে বেড়িয়ে আসার চেষ্টা করুন। সেই বেড়ানো একাও হতে পারে আবার পছন্দ মতো বন্ধুদের নিয়েও হতে পারে। নতুন বন্ধু নতুন অভিজ্ঞতা জীবনে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সময় এবং অর্থের অপচয় না হয়। একা থাকতে হলে এই দুই জিনিস বাঁচিয়ে রাখাও বুদ্ধিমানের কাজ।
নিজের অর্থ পরিকল্পনা করা: বিবাহ বিচ্ছেদের ধকল শেষ করার পরে প্রথম যেটা নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে তা হচ্ছে আর্থিক বিষয়। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এটা খুবই জরুরি। কেননা সামাজিক পরিস্থিতি নারীদের অযথা অনেক সমস্যার সম্মুখীন করে। যেটা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে হলে শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি থাকা আবশ্যক। বিবাহিত অবস্থায় হয়ত দুইজনের একটি সাধারণ খরচের হিসেব ছিল। বিচ্ছেদের পরে সেই খরচ শুধুই একার। এই খাতগুলো চিহ্নিত করে খরচের একটা সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে। প্রয়োজনে কোনো পেশাদার ব্যক্তির পরামর্শ নিতে পারেন। এতে কিছুটা খরচ হলেও অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
DAY 10049 - Post 8
Sunday / Monday, January 27 / 28, 2019 । রবিবার / সোমবার , ১৩ই / ১৪ই মাঘ, ১৪২৫
Divorce is one of the most destructive, emotionally traumatic experiences a human being can go through, no matter if you're the instigator or the recipient. It's hard, and it hurts, and it takes a long time to feel normal again. Going through a divorce is a lot like getting hit by a Mack truck on a deserted highway in the middle of winter – it’s cold, lonely, and it hurts like hell. It is one of the most financially traumatic things you can go through. Money spent on getting mad or getting even is money wasted. If you spend your divorce fighting so intensely that you create a hatred of biblical proportions with your former spouse, your divorce process will be a lot like surviving the plagues – you may get through it, but the scars will be with you forever.
Remember, there are NO perfect relationship. It’s how you accept the imperfections that make it perfect. Maybe you aren't somebody who wants or expects to have the perfect relationship. However, whether we're aware of it or not, we all have expectations of what marriage, our partner, or our lives will turn out like. And when those expectations (sometimes they're unconscious) aren't met, we can understandably become dissatisfied. If this dissatisfaction isn’t addressed it will grow and lead to resentment and other strong feelings that will ultimately causing a couple to drift apart. Being willing to change is how to stop a divorce. And one of the most important things we can change is our expectations. Unrealistic or unmet expectations are at the root of the majority of marital problems. The failure of expectations to be realized causes disappointment and unhappiness. Many people live with this disappointment allowing it to eat away at them and hurt their relationship.
How to Stop Divorce
At the core of how to prevent or stop a divorce is change. Refusing to change or not changing is the cause of all divorces. This is true for both partners in the relationship. If things are going the wrong direction it is usually a combination of behaviors from both that are the cause. Taking stock of your relationship early on and making changes as they’re needed will go a long way toward keeping your relationship strong. You can stop a divorce with 3 little words. No, not “I love you,” (those are important too though). The three words that can stop a divorce are "I will change." You may not know how, and that's okay because there are people out there like me that can teach you. You just need to be willing to change yourself more than you want to change your partner. It's possible that your partner needs to make changes as well, but the only behavior you can really affect is your own. You have to be willing to make the needed changes within yourself and expect that your partner will do the same, or seek the needed help. If you want to stop a divorce, try working on changing yourself, and start with the words, "I will change." We all can list things our partner has told us that they wish we would do differently and that's a great place to start. Even if you cannot stop the divorce, being willing to change is something that will definitely benefit you in the future.
Life after divorce
Adjusting to life after a divorce can take anywhere from a few weeks to many years. During that time, you may experience a range of emotions. You may also be more susceptible to certain conditions, including post-traumatic stress disorder, depression, and various physical conditions. The depression that occurs due to traumatic life events such as divorce is different from clinical depression. It’s called adjustment disorder or situational depression. Both clinical depression and situational depression manifest in similar ways. In some people, depression following divorce can occur with other behaviors, such as:
ignoring responsibilities
avoiding family and friends
performing poorly at work due to a lack of focus
fighting
Most people associate sadness with depression. Sadness is only one of several symptoms of depression. Other symptoms that are common in both clinical and situational depression include:
a loss of appetite
a loss of interest in activities you previously enjoyed and hobbies
trouble sleeping or insomnia
irritability
fatigue
crying spells
difficulty concentrating
feelings of hopelessness and pessimism, as well as a lost sense of worthiness
suicidal thoughts and even attempts
The risk of a couple divorcing is two times higher if one partner has a form of mental distress, such as clinical depression. If both partners share a similar level of mental distress, they’re less likely to divorce, It’s possible that they’re less likely to divorce because they understand each other better and can relate to each other’s health challenges. A relationship between two people who both experience mental distress is more at risk for divorce than a relationship between two people who don’t experience mental distress. This has prompted researchers to conclude that pre-existing mental distress can lead to divorce.
Tips for managing post-divorce depression
Seek help Seek help if you’re feeling depressed. Talk to your doctor, but also consider talking to friends and family members, or joining a support group. Divorce affects more than just the partners. It also affects any children of the people divorcing, the larger family network, and family friends. Having a support network as you go through this process is important. You’ll have many feelings, and processing them can take a lot of energy. This can leave you feeling more tired than usual. Here are some tips for getting on a path to recovery:
Write in a journal. Even if you have a support network, it’s good practice to write down your thoughts. You don’t need to hold back. If you need closure of some kind, consider writing a letter to your ex-spouse as another way to purge your feelings. You don’t have to send the letter to them.
Exercise daily. Exercise even when you don’t feel like it. Research shows that between 20 to 40 minutes of brisk walking three times per week helps to ease the symptoms of depression.
Eat healthy. You may be drawn to comfort foods or alcohol more than usual. Keep healthy foods around. Rather than having unhealthy foods or alcohol, treat yourself to wholesome snacks, such as dark chocolate.
Pamper yourself. Pamper yourself by taking a long, uninterrupted bath or watching a feel-good movie. If you have children, arrange for an hour or two of babysitting so that you can have the time to do this.
Accept help. You may have less energy during this period of adjustment. If people offer to help you with preparing meals, watching your children, or household chores, say yes. You can return the favor later.
Socialize. Being around people may be the last thing you want to do, but it can help you cope with any emotions you’re having. Spend time with people who can provide a listening ear but who are also willing to help change your state of mind when necessary.
Sleep. Depression increases the risk of insomnia and insomnia, in turn, increases your risk for depression. If you have trouble falling asleep, adopt a night routine that will help calm your body and mind, such as having a cup of chamomile tea, taking a bath or shower, or reading a book. Avoid using electronic screens because they can prevent you from settling to sleep.
Takeaway You’ll have many feelings and thoughts to process after a divorce. You can get through it and find a new normal without your spouse. Setting small goals every day helps. Not giving up is the most important thing. On the days when nothing seems to work, remind yourself that you’re worth it. Make that your starting point for the days to come.
DAY 10046 - Post 7
Thursday / Friday, January 24 / 25, 2019 । বৃহস্পতিবার / শুক্রবার , ১০ই / ১১ই মাঘ, ১৪২৫
If I ever tell you about my past, it’s not because I want you to feel sorry for me, but, so you can understand who I am, and why I am here today.
আমি প্রাক্তন চলচিত্রটি আগে দেখি নি। এটির হিন্দি সংস্করণ "জলেবি (Jalebi)" কয়েক মাস আগে বেরিয়েছিল। দুটি চলচ্চিত্র একসাথে দেখলাম কিছুদিন আগে। দেখে প্রথমতঃ ১টা জিনিস উপলব্ধি করলাম - সিনেমাদুটি আমার না দেখলেও চলতো - কারণ আমি এই মতাদর্শেই বিশ্বাস করি।
সঙ্গে খুব আপসোস হলো। ইশহহহ্হঃ ! যদি আমার বউ এই সিনেমাদুটি দেখতো ! ওর জন্য অনেক কিছু শিক্ষণীয় ছিল সিনেমাদুটি থেকে। আমার দুর্ভাগ্য - সে হয়তো কোনওদিনই দেখেও শিখবে না। এখন ও যেটা করছে সেটা আর কিছুই না - যৌবনের গরম রক্তের সাথে সামাজিক আদর্শচ্যুত বাবা-মা-ভাইকে পাশে পেলে যা হয় আর কী।
একটা বয়সের পর সবাই উপলব্ধি করে স্বামীর জীবনে স্ত্রী আর স্ত্রীর জীবনে স্বামীই আসল। কষ্টের হলেও বাস্তব সত্যি এটাই যে, বাবা-মাও চিরদিন থাকবেন না। সেই উপলব্ধি করার মতো পরিণত-মনষ্ক মানুষ ও এখনও হয়ে উঠতে পারে নি। আসলে ওর মানসিকতাটাই বাচ্চাদের মতো। নাহলে কী করে এরকম পাঁচ বছর ছোট ছেলের সাথে এরকম ভাবে মিশে যেতে পারে !
যাই হোক, প্রাক্তন বলুন বা জলেবি - দুটো সিনেমা কিন্তু একে অন্যের পরিপূরক। আপনি যদি একটা দেখে থাকেন আর অপরটি না দেখে থাকেন তাহলে বুঝবেন আপনার দেখা এবং অনুভব করা ( এবং জ্ঞানার্জনে উৎসাহী মানুষদের জ্ঞান আহরণ করা ) কিন্তু অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। অনেক কিছু দৃশ্য এবং পরিস্থিতির অবতারণা করা হয়েছে দুটি চলচ্চিত্রে হয়তো একটিতে আছে কিন্তু অপরটিতে নেই ; এবং যা কিন্তু একটি অপরটির পরিপূরক।
এবার আমার কথায় আসি। দুটি সিনেমাতেই একটি ব্যাপারে একইরকম কথা বলা হয়েছে - ছেলেটি যখন দ্বিতীয় বিয়ে করে তখন সে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে আগের কোনো ঘটনাই বলে নি, এবং দ্বিতীয় স্ত্রীও আগের ঘটনা জানতে চায় নি। এ ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। আমি বরাবর চেয়েছি , যার সাথে আমি ঘর করবো , সে আমাকে সম্পূর্ণরূপে চিনুক, আর আমিও তাকে সম্পূর্ণরূপে চিনি। আমার মতে, তাতে কী হয় জানেন, মানুষটা কেমন সেটা তো জানা হয়ই, তার সাথে তার চাওয়া পাওয়া, অপূর্ণ আকাঙ্খাগুলোও জানা হয়ে যায়। আমি তো শুধু একজন 'স্ত্রী' নামক প্রাণীর সাথে সংসার করবো না। মানুষটার সাথে করবো। তাকে আমি চিনবো না? না চিনলে তার চাহিদা না জেনে কী করে তাকে ভবিষ্যতে খুশি রাখবো? কোথায় তার কষ্ট, সেগুলো না জেনে কি করে তাকে অবলম্বন (support) দেব? তাই ওই বিধিটা (rule) আমি ঠিক মানতে পারলাম না। কেউ যদি আমাকে বোঝাতে পারেন, আমি খুশি হবো।
আমি আমার বউকে বিয়ের আগে আমার পুরো জীবনকাহিনী আগাপাশতলা (আগাগোড়া) জানিয়েছিলাম। কাউকে না বলতে পারা প্রতিটা কথা আমি জানিয়েছিলাম ওকে। বলেছিলাম আমার জীবনকাহিনী সব শুনে, একমাত্র তার পরেই সিদ্ধান্ত নিও যে এসব শুনেও আমাকে বিয়ে করতে পারবে কিনা সব মেনে নিয়ে। ও বলেছিলো, হ্যাঁ, ও রাজী। ও পারবে। ও আমাকে কথা দিয়েছিলো ও ভবিষ্যতে এসব নিয়ে আর কোনোদিন কোনো কথা তুলবে না, প্রশ্ন করবে না, খোঁটা দেবে না। সেদিন বিশ্বাস করেছিলাম ওকে। বুঝি নি, সত্যি বলার প্রতিদান ও আমাকে আজ এইভাবে দেবে।
এটা একটা বড় কারণ যার জন্য আমি ভবিষ্যতে আর কোনোদিন বিয়ে করতে পারবো না। লোকে যাই বলুক, বলুক আমাকে হেরো, কিন্তু আমি এরপর এসব নিয়ে আর কাউকে বিয়ে করতে পারবো না। এর আরও অনেক কারণ আছে। পরে কোনোদিন আবার আলোচনা করবো এ নিয়ে। কেমন ?
আজকের মতো শুভরাত্রি। ভালো থাকবেন।
DAY 10045 - Post 6
Wednesday / Thursday, January 23 / 24, 2019 । বুধবার / বৃহস্পতিবার , ৯ই / ১০ই মাঘ, ১৪২৫
১৮২২ সালে তৎকালীন হ্যামিল্টন সাহেব গঙ্গায় ২৭২ প্রজাতির মাছের সন্ধান পেয়েছিলেন। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় গঙ্গায় কেবলমাত্র ৮৭টি প্রজাতির মাছের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ২০টি নদীতে ২৪১টি প্রজাতির মাছ সম্পর্কে বিপন্নপ্রায় তকমা দেওয়া হয়েছে - প্রজাতিগুলি লুপ্ত হওয়ার পথে । *
আজ মাছের বাস্তুতন্ত্র বিপর্যস্ত। যত্রতত্র নদীবাঁধ হওয়ায় নদীখাত স্রোতহীন। মাছ পূর্ণবয়স্ক হওয়ার আগেই আমরা ধরে ফেলছি। ফলে মাছের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরী হচ্ছে না। জমিতে যে পরিমাণে যথেচ্ছ রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নদীতে মিশে নদীর জলকে ভয়ংকরভাবে দূষিত করছে।
জনসংখ্যা বাড়ছে , কিন্তু সেই অনুপাতে মাছের যোগান খুব কম। চাহিদা ও যোগানের স্বাভাবিক নিয়মেই আজ মাছ খুবই মহার্ঘ। স্কুলের মিড্-ডে মিল-এ মাছ খাওয়ানো এখন আকাশকুসুম কল্পনা।
বাঙালীর মাছ ছাড়া চলে না। কিন্তু, সুখে যে মৎস্য খাইবো, সেই সব মৎস্য এখন কোথায় ?
* তথ্যসূত্র - এইসময় পত্রিকা
DAY 10044 - Post 5 - Part 2
Tuesday / Wednesday, January 22 / 23, 2019 । মঙ্গলবার / বুধবার, ৮ই / ৯ই মাঘ, ১৪২৫
বর্তমান সময়ের জেটগতির ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে কিছু চিন্তাভাবনা করছিলাম আজ অফিস ফেরত পথে। আমি আজকাল যা কিছু চিন্তাভাবনা মনে আসে মাথায় আসে তা পরে বা চট করেই ভুলে যাই। তাই আজকাল সেই চিন্তাভাবনাগুলো সাময়িকভাবে রেকর্ড করে রাখি। পরে শুনি। শুনে আবার মনে যা আসে লিখি। আজ আর লেখার সময় পেলাম না। কাল লিখবো। আপাতত রেকর্ডিংটা পোস্ট করে রাখলাম।
শুভ রাত্রি, ও সুপ্রভাত।
DAY 11043 - Post 4
Monday / Tuesday, January 21 / 22, 2019 । সোমবার / মঙ্গলবার, ৭ই / ৮ই মাঘ, ১৪২৫
“ Killed the demons of my mind Ever since you came around We're a river, running wild How could I have been so blind?
I just live a fast life Forget about the past time I'm numb out to escape my feels And friendships only pass by Show up, gone, like strobe lights But with you I feel something real
And I'd walk a million miles just to see your smile Till the day I die Oh, I need you by my side, we get high on life Till the day we die High on life till the day we die! ” ^*
“ শুনে দেখো গান আমার, হয়তো ভালো লেগে যেতে পারে একটু সময় দিতে হয় বদলে যেতে পারে তোমার কান.... ” ^**
একটু সময় দরকার ছিল, জানেন। আর সামান্য একটু সময়। নিদেনপক্ষে আর নাহয় আরও একটা মাস সময়ই পেতাম। তাহলেও দেখতে পেতো ও, আমাদের জীবনটা কত সুন্দর করে সাজাচ্ছিলাম আমি ওর জন্য। জানেন, একটু সময় দিতে হয়, একে অপরকে কাছ থেকে চিনে, নিজেদের অভ্যেস, চাহিদা বদলে, সংসার জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে। সেইটুকু সময়ই পেলাম না।
রাগ হয়, আপসোস করি। মনে হয় আমি এর জন্যই এতো বছর ধরে তিল তিল করে গড়ে তুলছিলাম আমার সংসারটাকে, ওকে ঘিরে, ওর স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়িত করতে। এই কি সেই মানুষটা?! যার জন্য এতো ভালোবাসা জমিয়ে রেখেছিলাম আমার বুকের অন্দরে?
আজ অনেক পুরোনোদিনের কথা ভাবছিলাম। ভাবছিলাম একেবারে প্রথমদিকের সম্পর্ক শুরুর কথা। সে কী অদম্য চুম্বকীয় আকর্ষণ ছিল যেন দুজনের মধ্যে। ও বলতো, ও আমার প্রাক্তনের সাথে দেখা যদি করতে পারে কোনওদিন, প্রাক্তনকে ধন্যবাদ জানাবে, আমার মতো একজন মানুষকে ওর জীবনে আসতে দেওয়ার জন্য।
আর আজ ? ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাসে সেই মানুষটাই আমার প্রাক্তন হতে চলেছে। না, আমার ইচ্ছেয় নয়। তার চাহিদা। কষ্ট হয় খুব, বুকের ভিতর বুক কুড়ে কুড়ে খায় সোনাপোকা। এক একবার মনে হয়, নিজের সমস্ত অবশিষ্ট শক্তি দিয়ে, প্রাণপণে তাকে একটিবার চিৎকার করে ডেকে বলি, " ফিরে এসো পুতু , ফিরে এসো। "
কিন্তু, না। চিৎকার করে তাকে ডাকা যাবে না। সে বলে, সে চিৎকার সহ্য করতে পারে না। আর এখন চিৎকার করে ডাকলে লোকে হয় আমাকে পাগল সাব্যস্ত করবে, নতুবা আইনি জটে আটকে দেবে। কী দরকার, সে নিজেই যদি না চায় ! আলাপের পর, বিয়ের আগে বারবার আমি তাকে কথা দিয়েছিলাম, আমি যেমনই থাকি না কেন, তাকে আমি সারাজীবন খুশি রাখবো। চেষ্টা করেছিলাম। বিশ্বাস করুন, চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখি নি। তাও সে আজ আমাকে ছেড়ে আলাদা হয়ে গেছে। আর এখন চায় সারাজীবনের মতো আলাদা হয়ে যেতে।
আমি আজ ভাবলাম, তাকে ভালো রাখার শপথ আমি নিয়েছিলাম। সে তার কথা রেখেছে কিনা, সেটা ভগবান বিচার করবেন নাহয়। আমি সর্বদা চাইবো, সে ভালো থাকুক। যেখানেই থাকুক যেমনভাবে থাকতে চায় থাকুক, কিন্তু ভালো থাকুক। নাইবা পেলাম তাকে এই জীবনের বাকি সময়টা। যেটুকু সময় একসাথে কাটিয়েছি, সেইটুকু স্মৃতি সারাজীবনের সঙ্গী করে, বাকি জীবনটা নাহয় তার মঙ্গল কামনা করেই কাটিয়ে দেবো।
ভালো থাকুক, আমার ঝরাপাতা।
ভালো থাকবেন সবাই। শুভ রাত্রি, সুপ্রভাত।
^* Martin Garrix feat. Bonn - High On Life
^** Ghure Takao (ঘুরে তাকাও) | Shah Jahan Regency
DAY 11042 - Post 3
Sunday/Monday, January 20/21, 2019 । রবিবার/সোমবার, ৬ই/৭ই মাঘ, ১৪২৫
"একলা ঘরে মন, আরও একলা হয় যখন তোর উষ্ণ ছোঁয়াতে, আমার জ্বর ভীষণ। "
"এই একলা ঘর আমার দেশ, আমার একলা থাকার অভ্যেস। "
এভাবেই আমার কাটে দিন, কাটে রাত।
আজ সকাল থেকে ১৩ ঘন্টা ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। দিনের কোলাহল, ব্যস্ততা, মায়ের ডাকাডাকি আমার অসহ্য লাগে। দিনে ঘুমাই, রাতে জাগি ছুটির দিনগুলোয়। একা থাকার একটা উপায় আমি খুঁজে নিয়েছি এভাবেই। নিজের উপর রাগ হোক, বউয়ের উপর রাগ হোক, অভিমান হোক, ভালোবাসা হোক, আমি এই একাকী রাতেই সেটা উপভোগ করতে চেষ্টা করি। এভাবেই কাটুক দিন, কাটুক রাত।
কী ভালোই হতো যদি অনেক মেয়েদের মতো বাড়িতে বসে কাটাতে পারতাম অফিস না করে, তাই না? ছেলেদেরও ইচ্ছে করে একটু freely বাঁচতে। আর আমি তো উড়নচন্ডী পাগল হয়েই গেছি এখন। বাউন্ডুলে, ব্রহ্মচারী সন্ন্যাসী হয়ে যাবার বাসনা নিয়েই বাকি জীবনটা কাটাতে চাই। এসব কেউ বুঝবে না, কেউ শুনবে না। কষ্টটা আমার একার, আমাকে একাই বয়ে বেড়াতে হবে।
প্রেম করে বিয়ে করার পর একটা ডিভোর্সি ছেলে আর একটা ডিভোর্সি মেয়ের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায় হয়ে যায় জানেন ? একটা মেয়ের যখন ডিভোর্স হয়, সারা পরিবার, প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব তার support-এ দাঁড়িয়ে যায়, যদি আগে থেকে তার image ভালো হয়ে থাকে অন্যদের চোখে। আর একটা ছেলের ক্ষেত্রে? সবাই ছেলেটিকে দোষ দিতে থাকে কেন এই বিয়েটা করলো। এটাই নিয়তি, ভাগ্যের পরিহাস। কিছু করার নেই। আমাদের সমাজব্যবস্থা এরকমই। যেহেতু কথায় বলে ছেলেদের কাঁদতে নেই, ছেলেরা strong হয় সবসময়, এই সমাজব্যবস্থায় ছেলেদের emotion-এর কোনো দাম নেই। লোকে হাসে যখন প্রেমে ব্যর্থ, ডিভোর্সি একটা ছেলে কাঁদতে যায়, মনের কথা বলতে যায়। উল্টোদিকে একটা মেয়ের চোখের একফোঁটা জল হাজার হাজার মানুষের মন গলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
কিছু করার নেই। এটাই বাস্তব। এটাই জীবন। এভাবেই এগিয়ে চলতে হবে। কারও ব্যঙ্গ করার দিকে নজর না দিয়ে, নিজের কথা ভেবে। এটাই জীবন।
শুভ রাত্রি, এবং সুপ্রভাত।
DAY 11041 - Post 2
Saturday / Sunday, January 19/20, 2019 । শনিবার / রবিবার , ৫ই/৬ই মাঘ, ১৪২৫
আমার রাতের নির্জনতার একাকীত্বটুকু খুব নিজের মনে হয়। খুব শান্তি লাগে। কেউ ডাকার নেই। কেউ কিছু বলার নেই। আমি আর আমার প্রিয় একাকীত্ব।
নির্ভাবনায় আমি মনোযোগসহকারে কাজ করতে পারি। ভাবতে পারি, লিখতে পারি। কানে হেডফোন নিয়ে গান শুনলেও অসুবিধা নেই। কেউ ডাকাডাকি করবে না। চারদিক নিস্তব্ধ, শুনশান। মাঝে মাঝে খুব গভীর নিশুতি রাতে একা একা ছাদের চেয়ারে গিয়ে বসি। কালো আকাশের মধ্যে তারাগুলির উঁকিঝুঁকি দেখার চেষ্টা করি। রাস্তাঘাট ফাঁকা। দূরে দূরপাল্লার ট্রেনের হর্ন শোনা যায় যেতে যেতে।
বউয়ের অভিমানী কথাবার্তা, ভালোবাসার দিনগুলো খুব মনে পড়ে। পুরোনো ডিজিট্যাল অ্যালবামগুলি উল্টে পাল্টে বউয়ের ফটো দেখি বারবার করে। তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করি। ফোনের স্ক্রিনে, ল্যাপটপের স্ক্রিনে বউকে একটু হামি দি। খুব প্রিয় এই নির্জনতার একাকীত্ব।
জানেন, আমি রোজ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে বউকে দেখি। সেজন্যই হয়তো এখন লম্বা ঘুম আমার খুব প্রিয়। মা সকালে যখন ডাকাডাকি করে, বুঝতে পারি, আমার স্বপ্নের বউ একটু দূরে সরে গিয়ে অভিমান করে দাঁড়িয়ে থাকে। মা কে বলি ঘুমের মধ্যে, মা আর ১৫টা মিনিট পরে উঠছি। বউয়ের মুখে আবার হাসি ফিরে আসে। আবার স্বপ্নের দেশে বউয়ের হাত ধরে ফিরে যাই।
স্বপ্নে আমার বউ আমাকে উঠতে বলে না। বলে - “আর একটু থেকে যাও না আমার সাথে ? তোমার পুতুর সাথে?” আমিও থেকে যাই। আজীবন থাকতেই তো ইচ্ছে করে। আমি জানি বাস্তবে আমার পুতুকে আমি আর কোনওদিন ফিরে পাবো না। বউকে অনুরোধ করেছিলাম বেশ কয়েকবার - "আমার পুতুকে প্লিজ আমার কাছে ফিরিয়ে দাও গো আবার।" যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম , জানেন। আদর যত্নের অভাব রাখি নি কোনওদিন । কত কষ্ট করে ওকে ঘুরতে নিয়ে গেছিলাম, পুতুকে ফিরে পাবার আশায়। পুরস্কার হিসাবে পেলাম বিশ্বাসঘাতকতা।