If You want to be a better you, be the running water that cut through rocks... #rocks #water #running

#dc comics#batman#dc#tim drake#batfam#bruce wayne#dick grayson#batfamily#dc fanart



seen from Lithuania
seen from Germany

seen from Poland

seen from Malaysia

seen from Croatia
seen from Malaysia
seen from Brazil

seen from Brazil

seen from Croatia
seen from China
seen from Belgium

seen from Malaysia
seen from Germany
seen from Croatia
seen from China

seen from United States
seen from China
seen from Russia
seen from Türkiye
seen from China
If You want to be a better you, be the running water that cut through rocks... #rocks #water #running
3 Things To Keep Private
পোস্টারের আঠা শুকোতে না শুকোতেই ছবি উঠে যায়, তবুও নাকি লাভের ঘরে প্রাপ্তি
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/most-posters-of-bengali-film-go-out-of-the-hall-after-some-days-of-its-release/
পোস্টারের আঠা শুকোতে না শুকোতেই ছবি উঠে যায়, তবুও নাকি লাভের ঘরে প্রাপ্তি
কমলেন্দু সরকার
বাংলা ছবি এখন প্রতি সপ্তাহেই দু’তিনটে করে মুক্তি পাচ্ছে। “মুক্তি তো পাচ্ছে, চলছে কী!” এমনটাই বলেছিলেন এক নামী সিনেমা প্রযোজক এবং পরিবেশক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই প্রযোজক-পরিবেশক বলেন, “এখন ছবি করার খরচও বেড়েছে। সিঙ্গল স্ক্রিন সিনেমাহল কমেছে। এখন সব মাল্টিপ্লেক্স। সেখানে কতটা বাংলা ছবি চলে আমি জানি। বাংলা ছবির অবস্থা খুব-একটা সুবিধার নয়। কিছু ছবি অবশ্যই ভাল চলে। বক্স-অফিসও পায়। তা বলে সব ছবি নয়। এখন তো চার সপ্তাহ ছবি চললে বলা হয় টানা তিরিশ দিন! আগে দেখুন তো কেমন চলত।” সারা কলকাতা জূড়ে একটি বাংলা ছবির পোস্টার ছেয়ে গেছে। সেই পোস্টারে লেখা সাদার ওপর লাল কালিতে ‘২৫ দিন’। তারপর ছবির নাম। “২৫ দিন মানে তো তিন সপ্তাহ কেটে চার সপ্তাহ। আমাদের সময় তিন সপ্তাহ ছবি চললে মন খারাপ হত। আর এখন পার্টি হয়,” বললেন বাংলা ছবির সুপার হিট পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই প্রযোজক-পরিবেশক আর পরিচালক হরনাথের কথায় অনেকটাই মিল খুঁজে পাওয়া যায়। বাংলা ছবির ব্যবসা হোক বা না হোক, পরপর ছবি মুক্তি পেতেই থাকে। বেশিরভাগ বাংলা ছবির পোস্টারের আঠা শুকোনোর আগেই হল থেকে উঠে যায়। তাই অনেক দর্শকের দেখার ইচ্ছে থাকলেও দেখা হয়ে ওঠে না। তাহলে কিসের ভরসায় প্রযোজকেরা টাকা লগ্নি করছেন টলিউডে! “বোঝা মুশকিল। এখন তো বারাসত পেরোলেই না-জানে পরিচালকের নাম, না-জানে ছবির নাম। দু’একজন অভিনেতা-অভিনেত্রীর নাম ছাড়া অন্যদের চেনেই না দর্শক! তবে হ্যাঁ, সিরিয়ালের চেনা মুখ থাকলে ঠিক আছে। শুধু শহর দিয়ে ছবি চলে না। তাও শহরের অনেক দর্শকই বাংলা ছবির ধারেকাছেও যান না। দু’চারজন পরিচালক ছাড়া কারওর ছবি চলে কিনা সন্দেহ!” বললেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বুকি। সূত্রের খবরে জানা যায়, নতুন কিংবা প্রতিষ্ঠিত কিছু প্রযোজক টেলিভিশনের স্বত্বর ভরসায় ছবি প্রযোজনা করেন। সেক্ষেত্রে চ্যানেলরও শর্ত থাকে ছবি তৈরির আগেই প্রযোজক-চ্যানেলের চুক্তি করতে হবে। তাই ছবি বক্স-অফিস পেল কি পেল না, প্রসঙ্গটাই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। স্যাটেলাইট স্বত্ব নাকি বক্স-অফিস, কার ভরসায় দাঁড়িয়ে বাংলা ছবির ভবিষ্যৎ? এই প্রশ্নটাই এখন লাখ টাকার। বর্তমানে টলিউডে বছরে আশি-নব্বইটির মতো ছবি তৈরি হয়। কিন্তু সব ছবিই কী বিক্রি হয় চ্যানেলে। “মনে হয় না,” বললেন বাংলা ছবির ট্রেডে থাকা এক ব্যক্তি। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, মেরেকেটে গোটা চল্লিশেক ছবি বিক্রি হয় চ্যানেলে। আর এ-ক্ষেত্রে মাত্র দু’টি চ্যানেলই প্রধান ক্রেতা। তা হলে বাকি ছবিগুলো? এ-প্রশ্ন সকলেরই। শোনা যায়, কিছু ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি নাকি অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে বিক্রি হয়ে থাকে। কিন্তু কতটা! কেননা, এই প্ল্যাটফর্ম তো টলিউডে এখনও সেভাবে জনপ্রিয় হয়নি। তাহলে অন্য ছবিগুলোর ভবিষ্যৎ! যাক গে। জানা গেছে, গতবছরে হাতেগোনা ক’টি বাংলা ছবি বক্স-অফিস পেয়েছে। কিছু সিনেমা হল, স্যাটেলাইট, অনলাইন সবরকম মিলিয়ে সামান্য লাভ তুলেছে ঘরে। সেই সংখ্যাও খুব বেশি নয়। তবে সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা পৃথা চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘মুখার্জীদার বউ’ ভাল লাভ তুলেছে বক্স-অফিসে। প্রতিটি সিনেমা হলের সামনে নানান বয়সি মহিলা দর্শকদের দেখা গেছিল। মনে পড়িয়ে দিচ্ছিল পুরনো দিনের কথা। “আমাদের সময় ২৪-২৫টা হলে তিনটে করে ছবি চলত। ছবি চলত টানা ২৪-২৫ সপ্তাহ। ‘শত্রু’-র পর ‘লাঠি’ তারপর ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’, ‘প্রতিবাদ’, সাথি’ চলেছিল। এখন কোথায় এই ছবি! আগেই বলেছি তিন-চার সপ্তাহ ছবির পার্টি হয়!” বললেন পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী। কোনও কোনও প্রযোজক বলেন, আমরা কিছু কিছু ছবির পিছনে লং টার্ম ইনভেস্টমেন্ট করি। এ-প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই প্রযোজক বলেছেন, “লং টার্ম ইনভেস্টমেন্টে লাভ হয় ঠিকই তবে সেটা অন্যদিক দিয়ে দেখলে লাভ সেভাবে বোঝা যায় না। তার কারণ যত দিন যায় লগ্নিকৃত অর্থের ইন্টারেস্টও যোগ হবে, তাই না।” টলিউডের এক সমীক্ষায় জানা গেছে, খুব কম ছবিই বক্স-অফিসে লাভ তুলতে পেরেছে। স্যাটেলাইট, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আর বক্স-অফিসের ঝনাৎকারই লাভের বৈতরণী পার করতে পারবে বাংলা ছবির।
টলিপাড়ায় স্টুডিয়োর আড্ডা, পর্ব-৬
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/special-news-about-tollygunge-studio/
টলিপাড়ায় স্টুডিয়োর আড্ডা, পর্ব-৬
কমলেন্দু সরকার
প্রসেনজিতের সঙ্গে এ-আড্ডা কাম কাজটা ছিল ইন্দ্রপুরী স্টুডিয়োর বাঁদিকের ফ্লোরের বাইরে বসে। উপলক্ষ ‘আনন্দলোক’ পত্রিকার জন্য সাক্ষাৎকার। আসলে আড্ডার মেজাজে সাক্ষাৎকার সবসময়ই একটু অন্যরকম হয়। সেদিনও হয়েছিল। অনেকদিন আগের কথা এসব। টালিগঞ্জে বাংলা ছবিতে একটা সময় মুম্বাইয়ের হিন্দি ছবির নায়িকাদের নিয়ে কাজের খুব হিড়িক ছিল। বেশিরভাগ ছবিতেও ছিলেন প্রসেনজিৎ নায়ক। সেই সুজিত গুহর ‘অমরসঙ্গী’ (১৯৮৭) থেকে শুরু। সুপারডুপার হিট এই ছবিতে ছিলেন বিজয়েতা পণ্ডিত। বিজয়েতা পণ্ডিত ছিলেন তখন হিন্দি ছবির হিট নায়িকা। কুমার গৌরবের সঙ্গে ‘লাভ স্টোরি’ ছিল বক্স-অফিসে ব্লকবাস্টার হিট ছবি। হিন্দি ছবির নায়িকাদের নির্বাচন করলেই ডাক পড়ত প্রসেনজিতের। প্রসেনজিৎ মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলল, “সব ছবিতেই নয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাকে নিয়েছেন পরিচালকেরা। যেসব নায়িকারা এসেছিলেন তাঁদের সকলের সঙ্গেই অভিনয় করে যে ভাল লেগেছে তা নয়। সোনম, নীলম, রাজেশ্বরী, দীপিকা এরা ঠিক আছে। খুব ভাল নয়। জুহি বাংলা ছবি যখন করতে এসেছে তখন ওর ‘কয়ামত সে কয়ামত তক’ হয়ে গেছে। তবে স্টারসুলভ কোনও ব্যাপার ছিল না। তবে ওকে বলে বা শিখিয়ে দিলে ভাল করত। একদিন আমাদের বাড়িতে গিয়ে খেয়েও ছিল।”
জুহির সঙ্গে যখন মুম্বাইয়ে দেখা হয়েছিল তখন আমাকে বলেছিলেন, ‘প্রসেনজিতের মা খুব আদর করে খাইয়েছিলেন সর্ষেবাটা ইলিশ। অপূর্ব ছিল সে রান্না। চেটেপুটে খেয়েছিলাম।’ খুব এনজয় করেছিল সেদিন। “হ্যাঁ, চেটেপুটে খেয়েছিল সেদিন জুহি। ফারহার সঙ্গে অভিনয় করে ভাল লেগেছিল। খুব মজা করত। শুটিংয়ের ফাঁকে সকলের নকল করে দেখাত। খুব হই-হুল্লোড় করত। আবার শুটিং ফ্লোরে যখন ঢুকত তখন একেবারে অন্যরকম। মনে হত দুটো ভিন্ন মেয়ে,”প্রসেনজিৎ বলল। তুমি তো রানি আর ঐশ্বর্য, হিন্দি ছবির দুই সেরা নায়িকার সঙ্গে কাজ করেছ। “আমি যখন রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘বিয়ের ফুল’ তখন তো রানি হয়নি। ওর বাবা (রাম মুখোপাধ্যায়) বললেন, ‘বুম্বা, তুই ওকে একটু দেখি তো।’ রানি নিঃসন্দেহে ভাল অভিনেত্রী। ঐশ্বর্যর সঙ্গে অভিনয় করে আলাদা কিছু অনুভূতি হয়নি। স্টার হিসেবে অনেক বড়। কোনওরকম ট্যানট্রামস ছিল না। ‘চোখের বালি’র আউটডোর ছিল বেনারসে। সেইসময় শীতকাল। প্রচণ্ড ঠান্ডা। ওই ঠান্ডায় শুধু শাড়ি পরে শট দেওয়া মুখের কথা নয়! ঐশ্বর্য স্বচ্ছন্দে শট দিয়ে চলে গেলেন। ওর সঙ্গে অভিনয় করে ভাল লেগেছে। হিন্দি ছবির বহু নায়িকার সঙ্গে কাজ করলাম। ওদের একটা ব্যাপার খুব ভাল লেগেছে। কাজের জায়গায় ওরা খুব সিরিয়াস।” (চলবে)
কী জানেন তো, মাঝে মাঝে অনেক সাফল্যের পর না একটু ল্যাংটো হয়ে শুরু করতে হয়। রোজই তো আপনি ব্র্যান্ডেড ঘড়ি, ব্র্যান্ডেড জামা, ব্র্যান্ডেড জিন্স, ব্র্যান্ডেড জুতো পরে বেরোন বাড়ি থেকে। কিন্তু যদি টিঁকে থাকতে হয় তাহলে মাঝে মাঝে দামি জিনিস ফেলে, বাড়ির হাফ-প্যান্ট আর টি-শার্ট পরে বেরিয়ে পড়ুন। নিজেকে আবার করে খুঁজে পাবেন।
Actor Prasenjit in an interview to ABP