অমুসলিমরা জান্নাত পাবে না।
মানুষ যখন ঈশ্বরে বিশ্বাস করে, এবং সৎ কাজ করে, তখন সে নিজেকে পরিপূর্ণ করে তোলে। বিশ্বাসী নিজেকে লাভ, সাফল্য এবং কল্যাণের দিকে নিয়ে যান। কিন্তু বিশ্বাসী হিসেবে তার দায়িত্ব শেষ হয়নি। তিনি অন্যদেরও ডাকবেন একটি সমৃদ্ধ, সফল জীবনের দিকে। মুসলমানদের উত্থান হয়েছে বিশ্ব মানবতার কল্যাণের জন্য। তার দায়িত্ব হলো নিজের সাথে অন্যকেও সত্যের দিকে ডাকা।
https://www.youtube.com/watch?v=VXJivskQC2s&t=244s
সময়ের মূল্য ও গুরুত্ব মানব জীবনে
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সূরা আসরে সময়ের শপথ করে প্রথমে ইমানের কথা বলেছেন। যখন মানুষ আল্লাহর প্রতি ইমান স্থাপন করল, তারপর সৎকর্ম করল, তখন সে নিজেকে পরিপূর্ণ করে নিল। নিজেকে লাভ, সফলতা ও কল্যাণের দিকে পরিচালিত করল। কিন্তু ইমানদার হিসাবে তার দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল না। অন্যকে সে তার যাপিত কল্যাণকর, সফল জীবনের প্রতি আহবান করবে। নিজেকে ঠিক করার পর মুসলিমের দায়িত্ব হবে অন্যকে সত্য ও কল্যাণের পথে আহবান করা ও ধৈর্য ধরা।
https://www.youtube.com/watch?v=Q7TPZPvUm-k
সূরা আসর এর ওপর আমল করলে জান্নাত নিশ্চিত।
সূরা আসর এ আল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু শিক্ষা ও চমৎকার হেদায়েত রেখেছেন। মাত্র তিন আয়াত বিশিষ্ট ছোট্ট এ সূরাটি ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির স্পষ্ট সনদ। ‘আল্লাহ যদি কুরআনে অন্য কোনো সূরা নাযিল না করে শুধু সূরা আল আসর নাযিল করতেন তাহলে এটা মানুষের হেদায়াতের জন্য যথেষ্ট হত।'(মিফতাহুস সাআদাহ : ইমাম শাফেয়ি) যদি কেউ এ সূরায় গভীরভাবে দৃষ্টি দেয় তাহলে সে তাতে একটি উন্নত, সুন্দর, শান্তিময়, পরিপূর্ণ এবং সবার জন্য কল্যাণকর সমাজের চিত্র দেখবে। (আদওয়াউল বায়ান : ৯/৫০৭)
https://www.youtube.com/watch?v=zIwcdBonTpE&t=55s













