মায়ের দয়া , তাই রক্ষা পেতে শীতলাদেবীকে আরাধনা হিন্দু ও মুসলমান রমণীদের
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/hindu-and-muslim-women-worship-shitala-devi-for-mercy-of-disease/
মায়ের দয়া , তাই রক্ষা পেতে শীতলাদেবীকে আরাধনা হিন্দু ও মুসলমান রমণীদের
মোহন গঙ্গোপাধ্যায়
বসন্ত এসে গেছে। রাঙা হয়েছে শিমুল-পলাশ ।এই ঋতু বৈচিত্র্যের মাঝখানে উঁকি দিয়েছে আর এক বসন্ত। গ্ৰামগঞ্জের খেটেখাওয়া মানুষের কাছে এটা কেবলই মায়ের দয়া। এখনও মা শীতলাদেবীকেই ভরসা। মায়ের দেওয়া রোগ মা-ই ভাল করবেন। এই বিশ্বাস গ্রামের মানুষের কাছে আজও চলে আসছে। তাই দেবীকে তুষ্ট করতে মন্দিরে মন্দিরে শুরু হয়েছে আরাধনা।
প্রসঙ্গত হুগলি, হাওড়া, বাঁকুড়া ইত্যাদি জেলাগুলোতে এইসময় দেখা দেয় বসন্ত রোগ। রক্ষা পেতে শীতলাদেবীকে তুষ্ট করতে মন্দিরে ছোটেন সবাই। কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নন, মন্দিরে ছুটে যান মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষেরাও। এখন অধিকাংশ গ্ৰামে ঘটা করে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার শীতলা মায়ের পুজো হচ্ছে। একটাই উদ্দেশ্য শীতলাদেবীকে তুষ্ট করা, শান্ত করা। দেবী শান্ত হলে গ্ৰামও ঠান্ডা হবে। তাই ফাল্গুনের গোড়া থেকেই প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে দেবীর আরাধনা।
এদিকে আরামবাগ, খানাকুল, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ক্ষীরপাই, গড়বেতা, উদয়নারায়ণপুর ইত্যাদি এলাকায় দেখা দিয়েছে বসন্ত রোগ। বেশিরভাগই জলবসন্ত। আবার কেউ কেউ বলছেন হাম মিলমিলে। এসব নাকি মায়ের দয়া। ডাক্তারে যত না ভরসা তার চেয়ে বেশি ভরসা মা শীতলাদেবীকে।
উল্লেখ্য, চার মাস ধরে গ্ৰামে গ্ৰামে শনিবার ও মঙ্গলবার ঢাক-ঢোল পিটিয়ে চলবে দেবীর আরাধনা। সেইসঙ্গে তারস্বরে ডিজে বক্স বাজিয়ে উৎসব। বসন্ত রোগীরা অতিষ্ঠ হবেন। এতে যায়আসে না কর্তৃপক্ষের। এভাবেই চলে আসছে আচার-প্রথা। এইসময় শীতলাপুজোর দিন মন্দিরে মন্দিরে হিন্দু বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে গ্ৰামের মুসলিম পরিবারের মহিলারাও আসেন। সকলের একটাই প্রার্থনা মায়ের দয়া যেন জীবনে অভিশাপ হয়ে না দাঁড়ায়।
আরও খবর পড়ুন : দোলের সেসব দিন ফিকে হয়ে গেল











