বিশেষ সংবাদদাতা : কংগ্রেসের প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শশী থারুরের প্রয়াত স্ত্রী সানন্দা পুষ্করের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর তাঁর মৃতদেহের ময়না তদন্ত রিপোর্টে ১৫টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। দিল্লির বিশেষ আদালতের জজ অজয়কুমার কুহারের এজলাসে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির সময় বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি অতুল শ্রীবাস্তব এই তথ্য জানিয়ে বলেন, ময়না তদন্তে মৃতার শরীরে বিষ মিলেছে। স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সানন্দাকে মারধর করা হত। থারুরের জীবনে মেহের তারার নামে এক মহিলা সাংবাদিকের আগমন ঘটে। এই সম্পর্কের জেরে শশী ও সানন্দার মধ্যে তিক্ততা বেড়ে যায়। সানন্দা হতাশ ও বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
শশী থারুরের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের জন্য সওয়াল করতে গিয়ে তিনি জানান, সানন্দার বন্ধু সাংবাদিক নলিনী সিং থারুরের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর সম্পর্কের অবনতির কথা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি জানান, সানন্দা তাঁকে থারুরের অবৈধ সম্পর্কের কথা জানাতে গিয়ে কেঁদে ভাসিয়েছিল। তিনি এর বদলা নেবেন বলে জানিয়েছিলেন। সানন্দা এরপর বাড়ি না গিয়ে লীলা হোটেলেই থেকে যান। সেখানে স্বামীর সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তি হয়।
শ্রীবাস্তব মেহেরকে লেখা থারুরের ইমেলের উল্লেখ করে আদালতে জানান, সেখানে ‘প্রিয়তমা’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে। তিনি একাধিক মেলের কথা জানালে থারুরের আইনজীবী বিকাশ পাওয়া জানান এরকম মেলের তথ্য তাঁদের জানা নেই। পরের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩১ অগাস্ট।