
seen from Singapore
seen from United Kingdom
seen from Canada
seen from Yemen
seen from United States
seen from China
seen from India
seen from Türkiye
seen from China
seen from Iraq

seen from United States
seen from Bangladesh

seen from Netherlands
seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from Yemen
seen from United States
seen from United States
seen from China
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা ঈমানের পূর্বশর্ত
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
"সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটির অর্থ হল, "আমি সমস্ত তাগুতকে অস্বীকার করি"। এখানে "তাগুত" শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হল "সীমালঙ্ঘনকারী" বা "মিথ্যা উপাস্য"। এটি সেই সমস্ত সত্তা বা বস্তুকে বোঝায় যাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত পূজা করা হয় বা যাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা হয়। সুতরাং, "সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটি দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাস এবং তাঁর ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা বর্জন করার অঙ্গীকার করা হয়।
আরও সহজে বললে, এর অর্থ হল:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করা হবে না।
আল্লাহর অবাধ্য হওয়া বা তাঁর নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।
আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।
আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কারো আইন বা বিধান মেনে নেয়া যাবে না।
ইসলামে, তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা (তাওহিদ) একটি অপরিহার্য শর্ত।
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
"তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" মানে হল, আল্লাহ ছাড়া অন্য যেকোনো সত্তা, বস্তু, বা ব্যবস্থার পূজা, আনুগত্য, বা অনুসরণ করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা "কুফুর-বিল-তাগুত" (তাগুতকে অস্বীকার করা) নামে পরিচিত। এটি ঈমান আনার প্রথম ধাপ এবং আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
"তাগুত" শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
আল্লাহর পরিবর্তে যাঁর পূজা করা হয়.
শয়তান.
অত্যাচারী শাসক বা নেতা.
আল্লাহর অবাধ্যতায় যা কিছু অনুসরণ করা হয়.
জাল ধর্ম, মিথ্যা মতবাদ.
"কুফর-বিল-তাগুত" এর অর্থ হল, তাগুতকে অস্বীকার করা, প্রত্যাখ্যান করা এবং তার প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
এর অর্থ এই নয় যে, তাগুতের অস্তিত্ব অস্বীকার করা, বরং এর পূজা, আনুগত্য, এবং অনুসরণকে অস্বীকার করা।
ইসলামে, "কুফুর-বিল-তাগুত" এর পর "ঈমান বিল্লাহ" (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস) আসে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন: "অতএব, যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে যা কখনো ভাঙবে না। আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন।" [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
সুতরাং, "তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঈমান আনার আগে তাগুত প্রত্যাখ্যান করতে হয়
ইসলামে "তাগুত" বা শয়তান এবং অন্যান্য মিথ্যা উপাস্যকে প্রত্যাখ্যান করার পরেই ঈমান আনা যায়। এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি। কেউ যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই তাগুতকে বর্জন করতে হবে।
"তাগুত" শব্দটি দ্বারা সাধারণত শয়তান, মিথ্যা উপাস্য, বা যে কোনো বাতিল শক্তিকে বোঝায়, যা আল্লাহর পরিবর্তে পূজা করা হয় বা যার আনুগত্য করা হয়। ইসলামে, আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য, প্রথমে এই সমস্ত তাগুতকে বর্জন করা বা প্রত্যাখ্যান করা অপরিহার্য।
কুরআনে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত হাতল ধরল, যা কখনো ভাঙবে না।" এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত।
অতএব, ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ছাড়া প্রকৃত ঈমান অর্জন করা সম্ভব নয়।
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
ইসলামে, তাগুতের ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর একত্ববাদে (তাওহীদ) বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
এখানে কিছু বিষয় যা তাগুতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
মূর্তি ও প্রতিমা:
যেগুলোকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে পূজা করা হয়।
শাসক বা নেতারা:
যারা আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের আইন চাপিয়ে দেয়।
মিথ্যা উপাস্য:
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের উপাসনা করতে উৎসাহিত করে।
অনৈতিক ধারণা ও বিশ্বাস:
যা মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
জাদুকর ও ভণ্ড সাধু:
যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
মোটকথা, তাগুত হলো আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত এবং এটি বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
মোটকথা, তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।
ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
Rejection of Taghut
Rejecting the Taghut is a prerequisite for faith.
Rejecting the Taghut is necessary before believing.
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা ঈমানের পূর্বশর্ত
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
"সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটির অর্থ হল, "আমি সমস্ত তাগুতকে অস্বীকার করি"। এখানে "তাগুত" শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হল "সীমালঙ্ঘনকারী" বা "মিথ্যা উপাস্য"। এটি সেই সমস্ত সত্তা বা বস্তুকে বোঝায় যাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত পূজা করা হয় বা যাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা হয়। সুতরাং, "সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটি দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাস এবং তাঁর ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা বর্জন করার অঙ্গীকার করা হয়।
আরও সহজে বললে, এর অর্থ হল:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করা হবে না।
আল্লাহর অবাধ্য হওয়া বা তাঁর নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।
আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।
আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কারো আইন বা বিধান মেনে নেয়া যাবে না।
ইসলামে, তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা (তাওহিদ) একটি অপরিহার্য শর্ত।
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
"তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" মানে হল, আল্লাহ ছাড়া অন্য যেকোনো সত্তা, বস্তু, বা ব্যবস্থার পূজা, আনুগত্য, বা অনুসরণ করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা "কুফুর-বিল-তাগুত" (তাগুতকে অস্বীকার করা) নামে পরিচিত। এটি ঈমান আনার প্রথম ধাপ এবং আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
"তাগুত" শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
আল্লাহর পরিবর্তে যাঁর পূজা করা হয়.
শয়তান.
অত্যাচারী শাসক বা নেতা.
আল্লাহর অবাধ্যতায় যা কিছু অনুসরণ করা হয়.
জাল ধর্ম, মিথ্যা মতবাদ.
"কুফর-বিল-তাগুত" এর অর্থ হল, তাগুতকে অস্বীকার করা, প্রত্যাখ্যান করা এবং তার প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
এর অর্থ এই নয় যে, তাগুতের অস্তিত্ব অস্বীকার করা, বরং এর পূজা, আনুগত্য, এবং অনুসরণকে অস্বীকার করা।
ইসলামে, "কুফুর-বিল-তাগুত" এর পর "ঈমান বিল্লাহ" (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস) আসে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন: "অতএব, যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে যা কখনো ভাঙবে না। আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন।" [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
সুতরাং, "তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঈমান আনার আগে তাগুত প্রত্যাখ্যান করতে হয়
ইসলামে "তাগুত" বা শয়তান এবং অন্যান্য মিথ্যা উপাস্যকে প্রত্যাখ্যান করার পরেই ঈমান আনা যায়। এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি। কেউ যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই তাগুতকে বর্জন করতে হবে।
"তাগুত" শব্দটি দ্বারা সাধারণত শয়তান, মিথ্যা উপাস্য, বা যে কোনো বাতিল শক্তিকে বোঝায়, যা আল্লাহর পরিবর্তে পূজা করা হয় বা যার আনুগত্য করা হয়। ইসলামে, আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য, প্রথমে এই সমস্ত তাগুতকে বর্জন করা বা প্রত্যাখ্যান করা অপরিহার্য।
কুরআনে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত হাতল ধরল, যা কখনো ভাঙবে না।" এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত।
অতএব, ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ছাড়া প্রকৃত ঈমান অর্জন করা সম্ভব নয়।
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
ইসলামে, তাগুতের ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর একত্ববাদে (তাওহীদ) বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
এখানে কিছু বিষয় যা তাগুতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
মূর্তি ও প্রতিমা:
যেগুলোকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে পূজা করা হয়।
শাসক বা নেতারা:
যারা আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের আইন চাপিয়ে দেয়।
মিথ্যা উপাস্য:
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের উপাসনা করতে উৎসাহিত করে।
অনৈতিক ধারণা ও বিশ্বাস:
যা মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
জাদুকর ও ভণ্ড সাধু:
যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
মোটকথা, তাগুত হলো আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত এবং এটি বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
মোটকথা, তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।
ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
Rejection of Taghut
Rejecting the Taghut is a prerequisite for faith.
Rejecting the Taghut is necessary before believing.
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা ঈমানের পূর্বশর্ত
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
"সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটির অর্থ হল, "আমি সমস্ত তাগুতকে অস্বীকার করি"। এখানে "তাগুত" শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হল "সীমালঙ্ঘনকারী" বা "মিথ্যা উপাস্য"। এটি সেই সমস্ত সত্তা বা বস্তুকে বোঝায় যাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত পূজা করা হয় বা যাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা হয়। সুতরাং, "সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটি দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাস এবং তাঁর ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা বর্জন করার অঙ্গীকার করা হয়।
আরও সহজে বললে, এর অর্থ হল:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করা হবে না।
আল্লাহর অবাধ্য হওয়া বা তাঁর নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।
আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।
আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কারো আইন বা বিধান মেনে নেয়া যাবে না।
ইসলামে, তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা (তাওহিদ) একটি অপরিহার্য শর্ত।
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
"তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" মানে হল, আল্লাহ ছাড়া অন্য যেকোনো সত্তা, বস্তু, বা ব্যবস্থার পূজা, আনুগত্য, বা অনুসরণ করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা "কুফুর-বিল-তাগুত" (তাগুতকে অস্বীকার করা) নামে পরিচিত। এটি ঈমান আনার প্রথম ধাপ এবং আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
"তাগুত" শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
আল্লাহর পরিবর্তে যাঁর পূজা করা হয়.
শয়তান.
অত্যাচারী শাসক বা নেতা.
আল্লাহর অবাধ্যতায় যা কিছু অনুসরণ করা হয়.
জাল ধর্ম, মিথ্যা মতবাদ.
"কুফর-বিল-তাগুত" এর অর্থ হল, তাগুতকে অস্বীকার করা, প্রত্যাখ্যান করা এবং তার প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
এর অর্থ এই নয় যে, তাগুতের অস্তিত্ব অস্বীকার করা, বরং এর পূজা, আনুগত্য, এবং অনুসরণকে অস্বীকার করা।
ইসলামে, "কুফুর-বিল-তাগুত" এর পর "ঈমান বিল্লাহ" (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস) আসে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন: "অতএব, যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে যা কখনো ভাঙবে না। আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন।" [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
সুতরাং, "তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঈমান আনার আগে তাগুত প্রত্যাখ্যান করতে হয়
ইসলামে "তাগুত" বা শয়তান এবং অন্যান্য মিথ্যা উপাস্যকে প্রত্যাখ্যান করার পরেই ঈমান আনা যায়। এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি। কেউ যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই তাগুতকে বর্জন করতে হবে।
"তাগুত" শব্দটি দ্বারা সাধারণত শয়তান, মিথ্যা উপাস্য, বা যে কোনো বাতিল শক্তিকে বোঝায়, যা আল্লাহর পরিবর্তে পূজা করা হয় বা যার আনুগত্য করা হয়। ইসলামে, আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য, প্রথমে এই সমস্ত তাগুতকে বর্জন করা বা প্রত্যাখ্যান করা অপরিহার্য।
কুরআনে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত হাতল ধরল, যা কখনো ভাঙবে না।" এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত।
অতএব, ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ছাড়া প্রকৃত ঈমান অর্জন করা সম্ভব নয়।
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
ইসলামে, তাগুতের ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর একত্ববাদে (তাওহীদ) বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
এখানে কিছু বিষয় যা তাগুতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
মূর্তি ও প্রতিমা:
যেগুলোকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে পূজা করা হয়।
শাসক বা নেতারা:
যারা আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের আইন চাপিয়ে দেয়।
মিথ্যা উপাস্য:
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের উপাসনা করতে উৎসাহিত করে।
অনৈতিক ধারণা ও বিশ্বাস:
যা মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
জাদুকর ও ভণ্ড সাধু:
যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
মোটকথা, তাগুত হলো আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত এবং এটি বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
মোটকথা, তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।
ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
Rejection of Taghut
Rejecting the Taghut is a prerequisite for faith.
Rejecting the Taghut is necessary before believing.
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা ঈমানের পূর্বশর্ত
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
"সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটির অর্থ হল, "আমি সমস্ত তাগুতকে অস্বীকার করি"। এখানে "তাগুত" শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হল "সীমালঙ্ঘনকারী" বা "মিথ্যা উপাস্য"। এটি সেই সমস্ত সত্তা বা বস্তুকে বোঝায় যাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত পূজা করা হয় বা যাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা হয়। সুতরাং, "সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটি দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাস এবং তাঁর ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা বর্জন করার অঙ্গীকার করা হয়।
আরও সহজে বললে, এর অর্থ হল:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করা হবে না।
আল্লাহর অবাধ্য হওয়া বা তাঁর নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।
আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।
আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কারো আইন বা বিধান মেনে নেয়া যাবে না।
ইসলামে, তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা (তাওহিদ) একটি অপরিহার্য শর্ত।
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
"তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" মানে হল, আল্লাহ ছাড়া অন্য যেকোনো সত্তা, বস্তু, বা ব্যবস্থার পূজা, আনুগত্য, বা অনুসরণ করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা "কুফুর-বিল-তাগুত" (তাগুতকে অস্বীকার করা) নামে পরিচিত। এটি ঈমান আনার প্রথম ধাপ এবং আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
"তাগুত" শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
আল্লাহর পরিবর্তে যাঁর পূজা করা হয়.
শয়তান.
অত্যাচারী শাসক বা নেতা.
আল্লাহর অবাধ্যতায় যা কিছু অনুসরণ করা হয়.
জাল ধর্ম, মিথ্যা মতবাদ.
"কুফর-বিল-তাগুত" এর অর্থ হল, তাগুতকে অস্বীকার করা, প্রত্যাখ্যান করা এবং তার প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
এর অর্থ এই নয় যে, তাগুতের অস্তিত্ব অস্বীকার করা, বরং এর পূজা, আনুগত্য, এবং অনুসরণকে অস্বীকার করা।
ইসলামে, "কুফুর-বিল-তাগুত" এর পর "ঈমান বিল্লাহ" (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস) আসে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন: "অতএব, যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে যা কখনো ভাঙবে না। আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন।" [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
সুতরাং, "তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঈমান আনার আগে তাগুত প্রত্যাখ্যান করতে হয়
ইসলামে "তাগুত" বা শয়তান এবং অন্যান্য মিথ্যা উপাস্যকে প্রত্যাখ্যান করার পরেই ঈমান আনা যায়। এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি। কেউ যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই তাগুতকে বর্জন করতে হবে।
"তাগুত" শব্দটি দ্বারা সাধারণত শয়তান, মিথ্যা উপাস্য, বা যে কোনো বাতিল শক্তিকে বোঝায়, যা আল্লাহর পরিবর্তে পূজা করা হয় বা যার আনুগত্য করা হয়। ইসলামে, আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য, প্রথমে এই সমস্ত তাগুতকে বর্জন করা বা প্রত্যাখ্যান করা অপরিহার্য।
কুরআনে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত হাতল ধরল, যা কখনো ভাঙবে না।" এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত।
অতএব, ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ছাড়া প্রকৃত ঈমান অর্জন করা সম্ভব নয়।
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
ইসলামে, তাগুতের ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর একত্ববাদে (তাওহীদ) বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
এখানে কিছু বিষয় যা তাগুতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
মূর্তি ও প্রতিমা:
যেগুলোকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে পূজা করা হয়।
শাসক বা নেতারা:
যারা আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের আইন চাপিয়ে দেয়।
মিথ্যা উপাস্য:
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের উপাসনা করতে উৎসাহিত করে।
অনৈতিক ধারণা ও বিশ্বাস:
যা মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
জাদুকর ও ভণ্ড সাধু:
যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
মোটকথা, তাগুত হলো আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত এবং এটি বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
মোটকথা, তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।
ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
Rejection of Taghut
Rejecting the Taghut is a prerequisite for faith.
Rejecting the Taghut is necessary before believing.
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা ঈমানের পূর্বশর্ত
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
"সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটির অর্থ হল, "আমি সমস্ত তাগুতকে অস্বীকার করি"। এখানে "তাগুত" শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হল "সীমালঙ্ঘনকারী" বা "মিথ্যা উপাস্য"। এটি সেই সমস্ত সত্তা বা বস্তুকে বোঝায় যাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত পূজা করা হয় বা যাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা হয়। সুতরাং, "সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটি দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাস এবং তাঁর ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা বর্জন করার অঙ্গীকার করা হয়।
আরও সহজে বললে, এর অর্থ হল:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করা হবে না।
আল্লাহর অবাধ্য হওয়া বা তাঁর নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।
আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।
আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কারো আইন বা বিধান মেনে নেয়া যাবে না।
ইসলামে, তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা (তাওহিদ) একটি অপরিহার্য শর্ত।
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
"তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" মানে হল, আল্লাহ ছাড়া অন্য যেকোনো সত্তা, বস্তু, বা ব্যবস্থার পূজা, আনুগত্য, বা অনুসরণ করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা "কুফুর-বিল-তাগুত" (তাগুতকে অস্বীকার করা) নামে পরিচিত। এটি ঈমান আনার প্রথম ধাপ এবং আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
"তাগুত" শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
আল্লাহর পরিবর্তে যাঁর পূজা করা হয়.
শয়তান.
অত্যাচারী শাসক বা নেতা.
আল্লাহর অবাধ্যতায় যা কিছু অনুসরণ করা হয়.
জাল ধর্ম, মিথ্যা মতবাদ.
"কুফর-বিল-তাগুত" এর অর্থ হল, তাগুতকে অস্বীকার করা, প্রত্যাখ্যান করা এবং তার প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
এর অর্থ এই নয় যে, তাগুতের অস্তিত্ব অস্বীকার করা, বরং এর পূজা, আনুগত্য, এবং অনুসরণকে অস্বীকার করা।
ইসলামে, "কুফুর-বিল-তাগুত" এর পর "ঈমান বিল্লাহ" (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস) আসে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন: "অতএব, যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে যা কখনো ভাঙবে না। আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন।" [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
সুতরাং, "তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঈমান আনার আগে তাগুত প্রত্যাখ্যান করতে হয়
ইসলামে "তাগুত" বা শয়তান এবং অন্যান্য মিথ্যা উপাস্যকে প্রত্যাখ্যান করার পরেই ঈমান আনা যায়। এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি। কেউ যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই তাগুতকে বর্জন করতে হবে।
"তাগুত" শব্দটি দ্বারা সাধারণত শয়তান, মিথ্যা উপাস্য, বা যে কোনো বাতিল শক্তিকে বোঝায়, যা আল্লাহর পরিবর্তে পূজা করা হয় বা যার আনুগত্য করা হয়। ইসলামে, আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য, প্রথমে এই সমস্ত তাগুতকে বর্জন করা বা প্রত্যাখ্যান করা অপরিহার্য।
কুরআনে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত হাতল ধরল, যা কখনো ভাঙবে না।" এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত।
অতএব, ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ছাড়া প্রকৃত ঈমান অর্জন করা সম্ভব নয়।
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
ইসলামে, তাগুতের ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর একত্ববাদে (তাওহীদ) বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
এখানে কিছু বিষয় যা তাগুতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
মূর্তি ও প্রতিমা:
যেগুলোকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে পূজা করা হয়।
শাসক বা নেতারা:
যারা আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের আইন চাপিয়ে দেয়।
মিথ্যা উপাস্য:
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের উপাসনা করতে উৎসাহিত করে।
অনৈতিক ধারণা ও বিশ্বাস:
যা মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
জাদুকর ও ভণ্ড সাধু:
যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
মোটকথা, তাগুত হলো আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত এবং এটি বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
মোটকথা, তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।
ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
Rejection of Taghut
Rejecting the Taghut is a prerequisite for faith.
Rejecting the Taghut is necessary before believing.
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা ঈমানের পূর্বশর্ত
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
"সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটির অর্থ হল, "আমি সমস্ত তাগুতকে অস্বীকার করি"। এখানে "তাগুত" শব্দটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হল "সীমালঙ্ঘনকারী" বা "মিথ্যা উপাস্য"। এটি সেই সমস্ত সত্তা বা বস্তুকে বোঝায় যাদেরকে আল্লাহ ব্যতীত পূজা করা হয় বা যাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করা হয়। সুতরাং, "সকল তাগুত অস্বীকার করি" এই কথাটি দ্বারা মূলত আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ বিশ্বাস এবং তাঁর ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা বর্জন করার অঙ্গীকার করা হয়।
আরও সহজে বললে, এর অর্থ হল:
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করা হবে না।
আল্লাহর অবাধ্য হওয়া বা তাঁর নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।
আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা যাবে না।
আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য কারো আইন বা বিধান মেনে নেয়া যাবে না।
ইসলামে, তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা (তাওহিদ) একটি অপরিহার্য শর্ত।
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
"তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" মানে হল, আল্লাহ ছাড়া অন্য যেকোনো সত্তা, বস্তু, বা ব্যবস্থার পূজা, আনুগত্য, বা অনুসরণ করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা "কুফুর-বিল-তাগুত" (তাগুতকে অস্বীকার করা) নামে পরিচিত। এটি ঈমান আনার প্রথম ধাপ এবং আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
"তাগুত" শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
আল্লাহর পরিবর্তে যাঁর পূজা করা হয়.
শয়তান.
অত্যাচারী শাসক বা নেতা.
আল্লাহর অবাধ্যতায় যা কিছু অনুসরণ করা হয়.
জাল ধর্ম, মিথ্যা মতবাদ.
"কুফর-বিল-তাগুত" এর অর্থ হল, তাগুতকে অস্বীকার করা, প্রত্যাখ্যান করা এবং তার প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
এর অর্থ এই নয় যে, তাগুতের অস্তিত্ব অস্বীকার করা, বরং এর পূজা, আনুগত্য, এবং অনুসরণকে অস্বীকার করা।
ইসলামে, "কুফুর-বিল-তাগুত" এর পর "ঈমান বিল্লাহ" (আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস) আসে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন: "অতএব, যে তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করে যা কখনো ভাঙবে না। আর আল্লাহ সবকিছু শোনেন ও জানেন।" [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫৬]
সুতরাং, "তাগুতকে প্রত্যাখ্যান" একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ঈমান আনার আগে তাগুত প্রত্যাখ্যান করতে হয়
ইসলামে "তাগুত" বা শয়তান এবং অন্যান্য মিথ্যা উপাস্যকে প্রত্যাখ্যান করার পরেই ঈমান আনা যায়। এটি ইসলামের একটি মৌলিক নীতি। কেউ যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই তাগুতকে বর্জন করতে হবে।
"তাগুত" শব্দটি দ্বারা সাধারণত শয়তান, মিথ্যা উপাস্য, বা যে কোনো বাতিল শক্তিকে বোঝায়, যা আল্লাহর পরিবর্তে পূজা করা হয় বা যার আনুগত্য করা হয়। ইসলামে, আল্লাহর প্রতি বিশুদ্ধ বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য, প্রথমে এই সমস্ত তাগুতকে বর্জন করা বা প্রত্যাখ্যান করা অপরিহার্য।
কুরআনে বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত হাতল ধরল, যা কখনো ভাঙবে না।" এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত।
অতএব, ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ছাড়া প্রকৃত ঈমান অর্জন করা সম্ভব নয়।
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
ইসলামে, তাগুতের ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মুসলিমের জন্য তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর একত্ববাদে (তাওহীদ) বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
এখানে কিছু বিষয় যা তাগুতের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
মূর্তি ও প্রতিমা:
যেগুলোকে আল্লাহর সমকক্ষ মনে করে পূজা করা হয়।
শাসক বা নেতারা:
যারা আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের আইন চাপিয়ে দেয়।
মিথ্যা উপাস্য:
যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের উপাসনা করতে উৎসাহিত করে।
অনৈতিক ধারণা ও বিশ্বাস:
যা মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
জাদুকর ও ভণ্ড সাধু:
যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
মোটকথা, তাগুত হলো আল্লাহর একত্ববাদের বিপরীত এবং এটি বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক।
মোটকথা, তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা মানে হল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।
ঈমান আনার আগে তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা আবশ্যক
ঈমানের জন্য তাগুতকে প্রত্যাখ্যান করা পূর্বশর্ত
অস্বীকার করি সকল তাগুত
তাগুতকে প্রত্যাখ্যান
তাগুত প্রত্যাখ্যান অর্থ হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল কিছুর পূজা আনুগত্য অনুসরণ থেকে নিজকে মুক্ত করা ❌
Rejection of Taghut
Rejecting the Taghut is a prerequisite for faith.
Rejecting the Taghut is necessary before believing.
তাগুত কি জিনিস.? তাগুত কাকে বলে?
Bangla Waz, Short Bangla Waz New || Sheikh Motiur Rahman Madani || islamic Culture Center, Dammam,http://www.youtube.com/user/habib83bd/vide
তাগুত কি জিনিস কাকে বলে
তাগুত ( আরবি : طاغوت , ṭāġūt; pl. ṭawāġīt ( طواغيت ); ব্যাপকভাবে: "পরিমাপের বাইরে যাওয়া") হল ইসলামী পরিভাষা যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর উপাসনাকে নির্দেশ করে।
তাগুতের পরিচয় ও প্রকারভেদ
আমি তো প্রত্যেক জাতির মধ্যে এ মর্মে রাসুল পাঠিয়েছি যে তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো ও ‘তাগুত’ বর্জন করো। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছুসংখ্যক মানুষকে আল্লাহ সৎ পথে পরিচালিত করেন এবং কিছুসংখ্যকের জন্য বিপথগামিতা অবধারিত হয়ে যায়। সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো এবং দেখো, মিথ্যা আরোপকারীদের কী পরিণতি হয়েছিল। [সুরা : নাহল, আয়াত : ৩৬
তাফসির : আলোচ্য আয়াতে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ মানুষের হেদায়েতের জন্য প্রত্যেক জাতির কাছেই প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন।
তাঁদের প্রতি বিশেষভাবে দুটি নির্দেশনা ছিল—এক. মহান আল্লাহর ইবাদত করা। দুই. ‘তাগুত’ বর্জন। পবিত্র কোরআনে মোট আট স্থানে ‘তাগুত’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। একজন মানুষ মুসলমান হওয়ার প্রথম ধাপ হলো ঈমান আনা।
কিন্তু ঈমান আনার আগে তার জন্য জরুরি হলো ‘তাগুত’ বর্জন করা। এদিকে ইঙ্গিত করে প্রথমে ‘তাগুত’ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে, পরে ঈমান আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বীকার করে ও আল্লাহর ওপর ঈমান আনে, অবশ্যই সে দৃঢ়তর রজ্জু আঁকড়ে ধরে, যা কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়...।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৬)
‘তাগুত’ শব্দের মূল অর্থ হলো সীমা লঙ্ঘন।
পরিভাষায়, মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য যা কিছু প্রভু ও উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করে, তা-ই ‘তাগুত’। প্রতিটি যুগ, জায়গা ও সমাজে ‘তাগুত’ বিভিন্ন রূপ ধারণ করে আসে। আসে নতুন রং, ভাষা ও পদ্ধতিতে। ‘তাগুতে’র মূল কাজ হলো, মানুষকে ঈমানের পথ থেকে কুফরের দিকে নিয়ে যাওয়া। ইরশাদ হয়েছে, “যারা কুফরি করে, তাদের অভিভাবক হচ্ছে ‘তাগুত’।
এরা তাদের আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়...।” (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৫৭)
মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব (রহ.) তাঁর ‘মাজমুআহ আততাওহিদ’, পৃষ্ঠা ১৪ ও ১৫-তে লিখেছেন,
‘তাগুত’ প্রধানত পাঁচ প্রকার। এক. শয়তান। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে বনি আদম, আমি কি তোমাদের নির্দেশ দিইনি যে তোমরা শয়তানের দাসত্ব কোরো না...?’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৬০)
দুই. আল্লাহর বিধান পরিহারকারী অত্যাচারী শাসক। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ করোনি, যারা দাবি করে যে তারা ঈমান এনেছে ওই বিষয়ে, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তার প্রতি। অথচ তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, যদিও তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা (তাগুত) প্রত্যাখ্যান করার জন্য...।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬০)
তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর নাজিলকৃত বিধান অনুসারে ফয়সালা করে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘...আল্লাহ যা নাজিল করেছেন, সে অনুযায়ী যারা ফয়সালা করে না তারাই কাফির।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৪৪)
চার. যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য ইলমে গায়েব বা অদৃশ্যের সর্বব্যাপ্ত জ্ঞান সাব্যস্ত করে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অদৃশ্যের চাবিগুলো তাঁর কাছেই রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না। জলে ও স্থলে যা কিছু আছে, তা তিনিই অবগত...।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৯)
পাঁচ. আল্লাহর পরিবর্তে যার উপাসনা করা হয় এবং সে ওই উপাসনায় সন্তুষ্ট থাকে। ইরশাদ হয়েছে, “তাদের মধ্যে যে বলে, ‘তিনি (আল্লাহ) ছাড়া আমিই ইলাহ (উপাস্য)’, তাকে আমি প্রতিফল দেব জাহান্নাম...।” (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৯)
তাগুতের পরিচয় ও প্রকারভেদ
The Ientity and Types of Taghut