Keep as memory 15th July 2021 #1stdost #sinovac #covic19 #pkpfasa3 #vacsin https://www.instagram.com/p/CRVg1t3ramUGHylcxpizu0wj3oQmqGIXXhb3ro0/?utm_medium=tumblr
seen from South Africa

seen from Brazil

seen from Mexico
seen from China

seen from Brazil

seen from United Kingdom
seen from Saudi Arabia
seen from Brazil
seen from China

seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from Brazil
seen from United States
seen from United States
seen from United States

seen from Brazil
seen from United States
seen from United States

seen from United States
Keep as memory 15th July 2021 #1stdost #sinovac #covic19 #pkpfasa3 #vacsin https://www.instagram.com/p/CRVg1t3ramUGHylcxpizu0wj3oQmqGIXXhb3ro0/?utm_medium=tumblr
আপনি জানেন কি? শিশুর প্রথম টিকা কোনটি? ‘মায়ের দুধে শিশুর হাসি, মা তোমাকে ভালবাসী’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হয়েছে। একসময় নবজাতক শিশুর প্রথম খাবার হিসাবে অনেক মা-বাবা শিশুকে মধু খেতে দেন। তাদের ধারণা প্রথমে মধু পান করালে শিশুটি বড় হয়ে মিষ্টভাষী হবে। আর মেয়ে শিশু হলে নাকি তেতুলের পানি দেওয়া হত্। তবে যে উদ্দেশ্যে মধু খাওয়ানো হয় সে উদ্দেশ্য কতটুকু সফল হয় তা বিবেচনার বিষয় বৈকি ! তাইতো মধু বিক্রেতার ছেলেকেও কটু বাক্য ব্যবহার করতে দেখা যায়। ডাক্তারদের মতে প্রথম খাদ্য হিসেবে মধু দিলে শিশুর হজমে সমস্যা হতে পারে। তাই মধু নয় দুধ দেয়া উচিৎ। শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর মায়ের বুকে যে দুধ আসে সেটি হচ্ছে শাল দুধ। গ্রামের মহিলারা অজ্ঞতা বশত এ দুধ ফেলে দেন। তারা মনে করেন এ ঘন দুধ খাওয়ালে শিশুর অমঙ্গল হবে। ডাক্তারি ভাষায় একে বলে “কেলোস্ট্রাম”। এতে প্রচুর শ্বেত রক্ত কণিকা থাকায় তা রোগের সংক্রামণকে প্রতিহত করে। এ দুধ পান করা শিশুরা পেট ও বুকের সমস্যায় কম ভোগে। তাই একে শিশুর প্রথম টিকা বলা যায়। বর্তমানে শিক্ষিত মায়েরা শালদুধ খাওয়ানোর ব্যপারে খুবই সচেতন। তাই তারা যত্ন সহকারে এই দুধ শিশুদের খাওয়ান। আমরা বাঁচার জন্য খাই। অর্থাৎ খাদ্য ছাড়া বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। সৃষ্টি জগতে মানব শিশু বেশী অসহায়। মুরগীর বাচ্চা ডিম থেকে ফুটেই খাবারের সন্ধান করে। মায়ের সাথে সাথে খেতে শিখে। গাভীর বাচ্চা জন্ম নিয়েই মায়ের দুধ খেয়ে তিড়িং-বিড়িং করে নাচে। মানব শিশু প্রথম কয়েকমাস খুবই অসহায় থাকে। এজন্য মা-বাবকে শিশুর খাবারের ব্যপারে সচেতন থাকতে হয়। বিশেষ করে মায়ের সাথে শিশুর সম্পর্ক নিবিড়। এ সময় মায়ের খাবারের ব্যপারেও খেয়াল রাখতে হবে। দেহের ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের ক্ষয় হওয়ার কারণে মাকে অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি খেতে হবে। তার সাথে প্রতিদিন আধা লিটার দুধও খেতে হবে। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর আগে এক গ্লাস পানি খেলে সুবিধে হবে। এ সময় মাকে অতিরিক্ত ঝাল খাওয়ালে চলবে না। ঘুমের (সেডেটিভ) এবং কোষ্ঠশোধনকারী ঔষুধ পোগিটিভ খাওয়া ভাল নয়। এই ঔষুধ বুকের দুধে ক্ষরিত হয়ে শিশুর ক্ষতি সাধন করে। এছাড়া মা যদি অত্যাধিক মসলা জাতীয় খাবার খান, পেঁপে, পেয়াজ, কপি ইত্যাদি খান তাহলে বাচ্চাদের পায়খানা নরম হবে। মা যদি পুষ্টিমানযুক্ত খাবার খায় তাহলে শিশু পর্য়াপ্ত পরিমানে দুধ পাবে। এজন্য প্রসবের ঠিক পর পরই হালকা তরল জাতীয় খাবার দরকার। দুধ, শরবত, বিস্কুট, মিষ্টি এসব দেয়া যেতে পারে। এছাড়া অন্যান্য স্বাভাবিক খাবার ভাত, ডাল, শাক-সবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ফল খাওয়ানো যাবে। এ সময় ফল-ফলাদির মধ্যে আম, কলা, আতা, পেপে, আপেল খেতে পারবে। জেনে বা না জেনে মায়ের দুধ না খাইয়ে আমরা অনেকেই গরু, মহিষ, ছাগল কিংবা ডিবির দুধ শিশুকে খাইয়ে থাকি। নিচের সারনির দিকে তাকালে বোঝা যাবে আসলে গুনগত উপাদানে কোনটি সেরা। (প্রতি ১০০ গ্রাম হিসাবে) সূত্র: ইন্টারনেট বি:দ্র: প্রতিটি লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজ-এ লাইক দিন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। যেকোন বিষয়ে জানতে চাইলে এবং আপনার কোন লেখা প্রকাশ করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ বিডি লাইফ এ যেয়ে ম্যাসেজ করতে পারেন।