It's my 5 year anniversary on Tumblr 🥳
★
Cosmic Funnies
The Bowery Presents

shark vs the universe
No title available
Cosimo Galluzzi

Andulka

ellievsbear

❣ Chile in a Photography ❣
Color Me Curious
untitled

No title available
Not today Justin
🩵 avery cochrane 🩵
hello vonnie
Aqua Utopia|海の底で記憶を紡ぐ
No title available
YOU ARE THE REASON

oozey mess

Discoholic 🪩
seen from Brazil
seen from Brazil
seen from Russia
seen from United States

seen from United States
seen from United Kingdom
seen from Brazil
seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from United States

seen from Malaysia

seen from Canada

seen from Germany

seen from United States
seen from Brazil

seen from United Kingdom

seen from United Kingdom
seen from Argentina
seen from Poland
@begum-zia
It's my 5 year anniversary on Tumblr 🥳
অপ্রকাশিত ইতিহাসঃ
২৯ এপ্রিল ১৯৯১ঃ বাংলাদেশের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব। অন্যদিকে নতুন সরকারের কোষাগার শূন্য। গুদাম শূন্য। কর্ণফুলী সেতুর একাংশ ভেঙে ভেসে চলে গিয়েছে নৌবাহিনীর প্যাট্রোলের আঘাতে। চট্টগ্রাম এয়ারবেজের যুদ্ধবিমানগুলো উলটে পালটে ছড়িয়ে ছিটয়ে আছে।
সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেগম জিয়ার মনে হল ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সহযোদ্ধা শেখ হাসিনার কথা। লাখ জনতার সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দল হবে একে অন্যের ফিল ইন দ্যা গ্যাপ।
শেখ হাসিনা হোলিকাপ্টার দাবী করলেন দূর্গত অঞ্চলে যেতে। তাই সঙ্গে সঙ্গেই বেগম জিয়া সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রীকে দুর্গত এলাকায় নিতে হেলিকপ্টার বরাদ্দ দিতে বললেন। এই নির্দেশের মাধ্যমে নবীন প্রধানমন্ত্রী।অজান্তে রুলস অফ বিজনেস ভঙ্গ করে বসলেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী স্পিকার আর রাষ্ট্রপতির বাইরে কারো জন্য হেলিকপ্টার দেওয়ার নিয়ম নেই।
ঘোঁট বাঁধিয়ে বসলেন ফিরোজ নূন। তিনি নিয়মের একবিন্দু এদিক ওদিক করবেন না। একান্ত করতে হলে খালেদা ম্যাডাম যেন লিখিত অর্ডার দেন তাঁকে। শেষ পর্যন্ত স্পিকার সাহেবকেও ঐ কপ্টারে পাঠিয়ে রুলস অফ প্রায়রিটি ঠিক রাখা হল।
এই ভ্রমণে স্পিকার, ক্যাপ্টেন হাফিজ এবং তোফায়েল আহমদ ছিলেন শেখ হাসিনার সঙ্গে। শেখ হাসিনা হয়তো জানতেও পারলেন না কী হুলুস্থুল যাত্রার আগে হচ্ছিল।
মজার বিষয় এরপর জনসভায় তিনি বললেনঃ
'এই সরকার কুফা সরকার; তাই এরা ক্ষমতাই আসার সাথে সাথে ঘূর্ণিঝড়ে লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে।
আজকের দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি এমন একটি উদাহরণ সৃষ্টি করবেন? তাঁর কাছে এমন এটিচিউড তাঁর দলীয় কর্মীরাও কি ভাবতে পারেন? কল্পনা করা যায়?
বেগম জিয়া সেদিন আইন ভাঙ্গতে বসে ছিলেন। অথচ অন্যজনের সেই আইনের অন্যায় প্রয়োগে জীবন মরনের সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছেন বেগম জিয়া।
#wasimiftekhar
বন্যার্তদের সাথে বেগম জিয়া
ভারতকে যা দিয়েছি সারা জীবন মনে রাখবে VS বেগম জিয়ার Win Win কূটনীতি।
#বিকল্পদেখান যারা দুচান সেসব বোতাতোতাদের জন্য উৎসর্গ পোষ্ট।
#wasimiftekhar
১৬ মে ১৯৭৪ঃ ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের ভেতর অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা সন্ধি হয়। করিডোরের মাধ্যমে ছিটমহলে প্রবেশের চুক্তি।
চুক্তি অনুযায়ী ইন্ডিয়া বাংলাদেশে অবস্থিত ইন্ডিয়ার ছিটমহলে ও বাংলাদেশ ইন্ডিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যাতায়াতের সুযোগ পাবে।
চুক্তির পরপর নভেম্বরে ইন্ডিয়া তাদের প্রাপ্য সারে এগারো বর্গ কিলোমিটারের দক্ষিণ বেরুবাড়ী এবং ৬.৮ বঃকিলোমিটারের ৪ টি ছিটমহল সহ ১৮.১৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দখল বুঝে নেয়।
প্রতিউত্তরে ইন্ডিয়ান সরকার বাংলাদেশের প্রাপ্য দহগ্রাম - আঙ্গরপোতা যাবার জন্য করিডোর হস্তান্তর করা থেকে বিরত থাকে। সাংবিধানিক ও আইনগত বাধ্যবাধকতার অজুহাতে চুক্তির বরখেলাপ করা হয়।
৭ই অক্টোবর ১৯৮২ঃ দীর্ঘ ৮ বছর পর দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা যাবার জন্য তিনবিঘা করিডোর লীজ প্রদানের জন্য ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা লীজ শর্তাবলী নিয়ে চুক্তি করে।
কিন্তু ওয়েষ্ট বেঙ্গলের ফরোয়ার্ড ব্লক নেতা নির্মল বোসকে দিয়ে তারা কলকাতা হাইকোর্টে লীজ চুক্তির বিরুদ্ধে মামলা করে চুক্তিটি আবার ডিপ ফ্রীজে পাঠিয়ে দেয়।
৩ জুন ১৯৯০ঃ এ ইন্ডিয়ান সুপ্রিমকোর্ট এক ধরনের নো অবজেকশান জাড়ি করে। ফলে আইনি দোহাই দিয়ে চুক্তি বরখেলাপের পথ রুদ্ধ হয়।
২০ মার্চ ১৯৯১ঃ এ নির্বাচিত হয়ে কাজ শুরু করে বেগম জিয়ার বিএনপি সরকার। ইন্ডিয়ার কাছে পাওনা ছিটমহল উদ্ধারকে প্রায়রিটি লিষ্টে রাখে।
২৬ মার্চ ১৯৯২ঃ ইন্ডিয়ার সাথে চূড়ান্ত বোঝাপড়া শেষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের দিন নতুন চুক্তিতে উপনীত হয় দুদেশ। ১৯৭৪ সালের ব্যর্থ চুক্তির ১৮ বছর পর অবরুদ্ধ জীবন থেকে মুক্ত হয় ঐ এলাকার মানুষ।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কাঙ্ক্ষিত ও প্রতিক্ষিত তিনবিঘা করিডোর উদ্বোধন করে বীরদর্পে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা প্রবেশ করেন।
১৯৯২ এর এ চুক্তির ফলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ১ ঘণ্টা পরপর ১ ঘণ্টা সময়ের জন্য দহগ্রাম আঙগরপোতার লোকজন তিনবিঘা করিডোর পার হয়ে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডে যাতায়াতের সুযোগ পান।
আক্ষরিক অর্থে স্বাধীনতার ২১ বছর পর ১৯৯২ ২৬শে মার্চ দহগ্রাম আঙগরপোতা হাতে পাওয়া স্বাধীনতা পূর্ণতা পাবার প্রতীকী এক রুপ। প্রকৃত এক স্বাধীনতা দিবস।
যে ঘটনা উল্লেখ না করা রীতিমত অন্যায় হতে পারে তা হলো ২৬শে মার্চ ১৯৯২ দহগ্রাম-আঙগরপোতার মানুষের কাছে স্বাধীনতার দিন হলেও অনেক ইন্ডিয়ানদের কাছে ছিল সর্বনাশা দিন। চুক্তি বাতিল করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে ইন্ডিয়ার বিদ্রোহী জনতা রাস্তায় নেমে আসেন। পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে মারা যান ক্ষিতীন অধিকারী ও জিতেন রায় বর্মন।
এ দু'জন আমাদের চোখে মহান নাও হতে পারেন। তবে কোন না কোন ভাবে তো তাঁদের মৃত্যুও শহীদি মৃত্যু বটে।।
#corridor
#wasimiftekhar
অকার্যকর সান্ধ্য আইন
বেগম জিয়া ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তাগাদা অনুভব করলেন। কিন্তু এও বুঝলেন শক্তির ভারসাম্যে একক ভাবে দাঁড়ানো আপাতত অসম্ভব। সামনে দুটি বিকল্প তখন।
১) ১৫ দলীয় জোটে যুক্তি।
২) নিজেই বিকল্প শক্তি কেন্দ্র হওয়া।
১৫ দলের ১১ দফায় ৭২ সংবিধান পুনরুজ্জীবন ছিল। ফলে এই জোটে যাওয়া সম্ভব নয়। নেত্রী বিকল্প পথে হাঁটলেন। ১৫ দলের বাইরের দল নিয়ে সমান্তরাল ৭ দলীয় জোট গঠন করেন। ফলে বিরোধী দল হিসাবে BNP'র আবয়ব মানুষের কাছে স্পষ্টতর হল।
বেগম জিয়া তখন পর্যন্ত রাজনীতিতে কিছুটা পিছিয়েই ছিলেন। কিন্তু ৭ দলীয় জোট গঠন, ৫ দফা প্রণয়ন ও সমঝোতার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলন করতে চাওয়ার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। ফলে দৃশ্যতঃ যে সামান্য পিছিয়ে ছিলেন তা প্রবলভাবে পার হলেন নেত্রী।
এই প্রেক্ষিতে এরশাদ সংলাপ প্রস্তাব করেন। কিন্তু বেগম জিয়ার দল সমঝোতা থোড়াই কেয়ার করে সান্ধ্য কালিন বিক্ষোভ কর্মসূচী বৃদ্ধি করেন। ফলে আরেকদফা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।
২৮ নভেম্বর ৮৩ তে বিক্ষোভ রাজনীতি বন্ধে সন্ধ্যা থেকে সান্ধ্য আইন জাড়ি হয়। বেগম জিয়া তখন তাঁর প্রতিরোধ পলিসি পালটে ফেলেন। সান্ধ্য আইন কার্যকর শুরু হওয়া সময়ের আগ পর্যন্ত টানা জনসভা, পথসভা করার মাধ্যমে সান্ধ্য আইনকে স্বৈরাচার এরশাদের হরিষে বিষাদে পরিণত করেন।
এই কৌশলী প্রতিবাদে জিয়ার উত্তরসুরী নেত্রী বেগম জিয়ার কারিশমা দেখে আবার আশাবাদী হয়ে ওঠে দেশের মানুষ। Morning Shows The Day.
ছোট্ট কোয়েলা কোলে বেগম জিয়া। অষ্ট্রেলিয়াতে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের ডিনারে।
আমরা অনেকে হয়তো জানি না; বেগম জিয়া পশুপাখি ও প্রাণপ্রকৃতি অত্যান্ত ভালবাসেন। অতিথি পাখির প্রাণবৈচিত্র রক্ষা ও হত্যা বন্ধে তিনি যুগোপযোগী আইন করেন। পরিবেশ রক্ষার্থে পলি, টু-ষ্ট্রোক ইঞ্জিন নিষিদ্ধ করেন। কাঠ কয়লা চালিত ও মাটি নির্ভর সনাতন ভাটা ক্রমান্বয়ে বন্ধ করার নিয়ম করেন। ২০০৬ সালে United Nations Development Programme - UNDP কে সাথে নিয়ে আধুনিক ও প্রাণপ্রকৃতি সহায়ক আধুনিক ইট তৈরির কারখানা চালু করেন।
বেগম জিয়াঃ
বেগম জিয়াকে আপনি সমালোচনা করতে পারবেন, বিকৃত ব্যাঙ্গ করতে পারবেন, হাসাহাসি করতে পারবেন; কিন্তু আমি নিশ্চিত উনাকে অন্তর থেকে ঘৃণা করতে পারবেন না৷
.
আপনি বেগম জিয়াকে ভালোবাসতে পারবেন, উনার পক্ষে তর্ক করতে পারবেন, স্লোগানে গলা ফাটাতে পারবেন। কিন্তু আপনি উনার ব্যক্তিজীবন নিয়া খুব বেশী থ্যালো আবেগী গল্প দিতে পারবেন না।
.
এর কারণ তিনি কখনোই ইতিহাসে ভিলেন/নায়ক কোনোটাই হতে চান নাই৷ সাবলীল চিন্তা ও ব্যক্তিত্বের বাহিরে মেকি কিছু দেখাতে চাননি, বলেন নি, করেনও নাই। মিডিয়া ষ্টান্টবাজি করেন নি। রান্না ঘরের ছবি, নাতিদের আদরের ছবি দেখান নি। স্বামী হত্যার বিচার নিয়া রাজনীতি করেন নি। মিডিয়ার সামনে কেঁদেকুটে বলেন নি "আমি স্বামীহারা বিধবা, আমাকে ভোট দাও"। ৭১ যুদ্ধকালীন সময়ে ছেলেদের নিয়া কিভাবে দিন অতিবাহিত করেছেন সেগুলো বলেন নি। ব্যক্তিজীবন যতটা সম্ভব আড়ালে রাখার চেস্টা করেছেন।
.
যেজন্যে দেখবেন, আপনি উনার যা সমালোচনা করেন তার কোনোটা ব্যক্তি খালেদা জিয়ার না। আপনি সমালোচনা করেন বিএনপি নেত্রী বা সরকার প্রধান খালেদা জিয়ার।
.
দেশের রাজনীতিতে বেগম জিয়া একমাত্র রাজনীতিবিদ, যিনি নিজ দূরদর্শীতায় স্রোতের বিপরীতে হেঁটেছেন। যেমন ইন্ডিয়ান রাস্ট্রপতি প্রণব মূখার্জীর সাথে উনার স্বাক্ষাত বাতিল করাকে রাজনৈতিক বা শিষ্ঠাচার কোনোভাবেই আপনি মিলাতে পারবেন না। আমাদের কাছে ব্যাপারটা অযৌক্তিক মনেও হতে পারে, বেগম জিয়ার ভুল মনে হতে পারে। এবার একটু ভিন্নভাবে ভাবেন; আমাদের সাধারণ মস্তিষ্ক যা বুঝে বেগম জিয়া তা না বুঝার বা তার বিপরীতে গিয়ে এতবড় সিদ্ধান্ত নেয়ার কি হেতু থাকতে পারে? এর মানে স্পষ্ট, উনি রাজনৈতিক ষ্টান্টবাজি করেন না। জ্ঞানে যা উচিৎ মনে হয় তাই করেন।
.
সেজন্যে উনাকে মচকানো যায়না, কেনা যায়না। এরশাদ পারেনি, ফখরুদ্দীন পারেনি। শেখ হাসিনাও মচকাতে পারেনি। নিজেকে বিক্রি করার রাজনীতি বেগম জিয়া পারলে, আত্মসম্মানের বিকিয়ে দিতে পারলে তিনি রাজনীতিকে "খেলা" ভাবতে পারতেন। কিন্তু দূর্ভাগ্য খালেদা জিয়ার তিনি রাজনীতি খেলেন না। বরং তিনি রাজনীতি করেন।
.
তিনি যদি খেলতেন তবে নিশ্চিত থাকেন হাজার মানুষ হত্যা করে, সকলের মত প্রকাশের অধিকার কেড়ে নিয়ে, বিরোধীদের নির্মমভাবে পিষ্ট করে বেগম জিয়া আজও বাংলাদেশের একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েই থাকতেন। কিন্তু কদাকার খেলা প্রকৃতি রাজনীতিবিদ ঘৃণা ভরে ছুঁড়ে ফেললেন। এরচে জেলে, সাবজেলে পঁচে মরার নিয়তিরে উনি ভালবাসা আর অহংকার করে বেছে নিয়েছেন।
Monjur Rahman ধ্রুব মহাকালের লেখা।
শাহ্ আজিজুর রহমানের ক্ষমা প্রার্থনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ্ আজীজুর রহমান, মৃত্যুর পূর্বে অনুনয় বিনয় করে ম্যাডামকে একটা চিঠি পাঠালেন।
এখন রাজনীতিতে ফিরে আসার পরিস্থিতি আমার নাই। তবুও আমারে বিএনপি'র প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেয়া হোক। যেন মৃত্যুর সময় বিএনপি'র হয়ে মারা যেতে পারি।
জিয়ার মৃত্যুর পর দল ভাঙ্গনের মূল কারিগর শাহ আজিজের প্রতি স্বাভাবিক ভাবে ক্ষুব্ধ ছিল বিএনপি ও বেগম জিয়া। ক্ষোভ থাকা স্বত্ত্বেও বেগম জিয়া শাহ আজিজের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেন। বিএনপি'র প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেন। ফলে শাহ আজিজ তার ইচ্ছা অনুযায়ী জাতীয়তাবাদী দলের প্রাথমিক সদস্য হিসেবে মারা যান।।
অথচ ছাত্রদলে একটা জেনারেসানের এত গুলো ছেলে যারা জীবন যৌবনের ডেডিকেশান ও ত্যাগ দিয়েছে এ দলকে; তাদের বহিস্কারাদেশ এখনো তুলে নেয়া হল না।।
ছবির চারজন-ই আজ মৃত। মৃত হলেও তাঁদের জীবন যৌবন তাঁরা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী শক্তিকে মহিরুহ করতে। (কিছু ভ্রান্তি নিয়ে প্লিজ কাদা ছুঁড়বেন না)
তাঁরা দলের দ্বিতীয় প্রজন্মকেও তৈরি করে গেছেন। অথচ আজ সেই দ্বিতীয় প্রজন্ম রীতিমত ধুঁকছে দলের হাল ধরে রাখতে। এই ধুঁকতে থাকা শক্তিশালী অথচ নির্জীব প্রজন্ম; এই নির্জীবতার দায় কি কিছুটা তাঁদেরও নয়?
এই নেতারা রাষ্ট্রের রিজিম চেঞ্জ করেছেন। গণতন্ত্র ও অর্থনীতিরে বুনিয়াদ ভিত্তি দিয়েছেন। কিন্তু নিজ হাতে তৈরি দ্বিতীয় প্রজন্মের হাতে যথাযথ ভাবে ম্যরাথনের ব্যাটন হ্যান্ড ওভার করতে পারেন নি। করেন নি।।
৯১ পূর্ব BNP vs আজকের BNP
১৯৯১ঃ দ্বিতীয় শীর্ষ স্বৈরশাসক এরশাদের পতন হয়। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে নবযাত্রার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনের মাত্র এক যুগ আগে যাত্রা শুরু করে নবীন রাজনৈতিক মতাদর্শ BNP। বিএনপি'র উদ্যমের কাছে ৯১ নির্বাচনে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় প্রবীণ ও ঐতিহ্যবাহী দল #আওয়ামীলীগ।
প্রশ্ন হল কেন, কি সেই কারন? আজ কেন পারছি না আমরা? চলতি প্রেক্ষাপটে কিভাবে সেই সময়কে ধারণ করবে দল? এই শতাব্দীর পিচার প্লান্টকে মুকাবিলা করতে গত শতাব্দীর অভিজ্ঞতাকে কেন কাজে লাগাতে পারছি না আমরা? ভুল কোথায়? গণতন্ত্র-পন্থী শক্তিকে কোন ভুলের খেসারত দিতে হচ্ছে?
বাস্তবতায় অন্তর্চক্ষু দিয়ে সমাধান দেখিয়ে দেন প্লিজ।
৯০ এর মাইনফিল্ডে বেগম জিয়া
বেগম জিয়া ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের তাগাদা অনুভব করলেন। কিন্তু এও বুঝলেন শক্তির ভারসাম্যে একক ভাবে দাঁড়ানো আপাতত অসম্ভব। দলের সামনে দুটি বিকল্প তখন।
১) ১৫ দলীয় জোটে যুক্তি।
২) নিজেই বিকল্প শক্তি কেন্দ্র হওয়া।
১৫ দলের ১১ দফার ভেতর ৭২ সংবিধান পুনরুজ্জীবন ছিল। ফলে এই জোটে যাওয়া ইডিওলজিগত ভাবে অসম্ভব। নেত্রী বিকল্প পথে হাঁটলেন। ১৫ দলের বাইরের অন্যান্য দল নিয়ে সমান্তরাল ৭ দলীয় জোট গঠন করেন। ফলে বিরোধী দল হিসাবে BNP'র আবয়ব মানুষের কাছে স্পষ্টতর হল। বেগম জিয়া তখন পর্যন্ত রাজনীতিতে কিছুটা পিছিয়েই ছিলেন। কিন্তু ৭ দলীয় জোট গঠন, ৫ দফা প্রনয়ণ ও ১৫ দলের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলন করতে চাওয়ার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
ফলে দৃশ্যতঃ যে সামান্যটুকু পিছিয়ে ছিলেন তা প্রবলভাবে পার হলেন নেত্রী।
এই প্রেক্ষিতে এরশাদ সংলাপ প্রস্তাব করেন। কিন্তু বেগম জিয়ার দল সমঝোতা থোড়াই কেয়ার করে সান্ধ্য কালিন বিক্ষোভ কর্মসূচী বৃদ্ধি করেন। ফলে আরেকদফা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।
২৮ নভেম্বর ৮৩ তে বিক্ষোভ রাজনীতি বন্ধে সন্ধ্যা থেকে সান্ধ্য আইন জাড়ি হয়। বেগম জিয়া তখন তাঁর প্রতিরোধ পলিসি পালটে ফেলেন। সান্ধ্য আইন কার্যকর শুরু হওয়া সময়ের আগ পর্যন্ত টানা জনসভা, পথসভা করার মাধ্যমে সান্ধ্য আইনকে স্বৈরাচার এরশাদের হরিষে বিষাদে পরিণত করেন।
এই কৌশলী প্রতিবাদে জিয়ার উত্তরসুরী নেত্রী বেগম জিয়ার কারিশমা দেখে আবার আশাবাদী হয়ে ওঠে দেশের মানুষ। Morning Shows The Day.
Indo-Bd Relation
মুক্তিযোদ্ধা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন নেত্রী বেগম জিয়াকে ইন্ডিয়ান অথোরিটি অনেকটা প্রকাশ্য শত্রু মনে করে। শত্রুভাবাপন্ন ভাবার পেছনে যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারণ নেই, তা কিন্তু নয়। ইন্ডিয়ানদের আগ্রাসনবাদী নীতি থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার্থে যে সব সরল ও জটিল পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ তাঁরা সেসব নির্দ্বিধায় নিয়েছিলেন। কারণ তাঁরা ছিলেন বাস্তবিক অর্থেই জাতীয়তাবাদী।
অথচ দেখুন ভারত রাষ্ট্রটি জিয়া ও বেগম জিয়াকে তাদের ভারত সফরে সম্মান জানাতে কোনদিন কমতি করেনি। এমন কি বেগম জিয়া যখন বিরোধী দলে তখনও ইন্ডিয়ানরা সম্মান প্রদর্শণে কুণ্ঠিত ছিলনা। সেই ইন্দিরা জী'র সময় হতে রেড্ডি, নরসীমা রাও বা মনমোহন সিং পর্যন্ত।
চরম প্রতিপক্ষ হবার স্বত্তেও তাঁরাও বাংলাদেশে ঐ সময়ে সর্বচ্চ্য সম্মানই অর্জন করেছেন। এটাকে বলে শিষ্টাচার, এটাই কার্টেসি, ফরেন পলিসি'র নর্মস।
এই যে প্রাপ্য সম্মান অর্জন; তা সম্ভব ছিল, উভয় পক্ষ'র জনসমর্থন ও কৌশলগত শক্তির সঠিক বিন্যাসের ফলাফল।
অস্বীকার করার উপায় নেই ইন্ডিয়ান সরকার আমাদের যত অপ্রিয় হোক; তারা কিন্তু নির্বাচিত ও বলিষ্ঠ। নির্বাচিত সরকারকে জবাবদিহি মূলক হতেই হয়। জবাবদিহি মূলক সরকার বা রাষ্ট্র আসলে নতজানু প্রতিপক্ষকে স্বার্থের চূড়ান্ত প্রয়োজন ব্যতীত গননায় ধরে না। তাই পৃথিবীতে দেশে দেশে করদ রাজ্য'র কর্তাদের গুরু রাজ্য সফর সব সময় সম্মানজনক নাও হতে পারে। করদ রাজ্য'র ভবিতব্য হচ্ছে Being Loyal to Master. প্রভুর বিশ্বস্ততা ধরে রাখা, যে কোন পরিস্থিতিতে।।
আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আসুন দেখি জিয়া, বেগম জিয়া'র BNP সরকার কতটা সচেতন ছিল পরিবেশ ইস্যুতে।
পরিবেশ ও BNP
পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি হয় ১৯৭৭ সালে। তখন জিয়াউর রহমান ক্ষমতায়।
প্রথমতঃ প্রেসিডেন্ট জিয়ার সূচিত প্রকল্প খাল খনন আন্দোলন, অভয়ারণ্যে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র, রাবার বাগান, কাজু বাদাম, বৃক্ষ রোপণ, সড়কের পাশে গাছ রোপণ ও নিম-চারা উৎপাদন, এই প্রকল্প গুলো গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন। যা আদতে পরিবেশের জন্য সবুজ সংকেত বয়ে আনে।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ খালেদা জিয়ার বিশেষ উৎসাহে পাশ করা হয়।
BNP ইপিজেড প্রথা চালু করে নির্দিষ্ট এলাকায় উৎপাদন চালিয়েছিল। এবং WTP স্থাপন বাধ্যতামূলক করেছিল। ফলে সার্বিক ভাবে পরিবেশ দূষণ কমেছিল।
বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা হয়।
বৃক্ষ রোপনে প্রতিযোগিতা'র জন্য স্বর্নপদক প্রদান, বৃক্ষ ও মৎস মেলা নিয়মিত আয়োজনের উদ্যোগ নেয় বেগম খালেদা জিয়ার BNP সরকার।
উপকূল, চরাঞ্চল ও পতিত জমিতে ঔষধি ও অর্থকরী বৃক্ষ রোপনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয় খালেদা জিয়ার সরকার।
উপকূলীয় এলাকা রক্ষার্থে ২৬ জেলায় ১ কোটি নারিকেল চারা রোপণ করা হয়।
ওষধি গাছের গুরুত্ব অনুধাবন করে ঔষধি বৃক্ষ রোপনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধিতে 'বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেডিসিন এন্ড এ্যরোমেটিক প্যান্ট প্রকল্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত পাশ করা হয়।
কােস্টাল অ্যান্ড ওয়েটল্যল্ডে বায়ো ডাইভারসিটি ম্যনেজমেন্ট অ্যাট কক্সবাজার অ্যান্ড হাকালুকি হাওর শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন ও হাকালুকি হাওরের জীবন বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।
পরিবেশ দূষণ জনিত সকল অপরাধের দ্রুত বিচারার্থে পরিবেশ আদালত আইন ২০০০ -এর আওতায় প্রথমবারের মাতা ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১টি করে পরিবেশ আদালত এবং ঢাকায় একটি পরিবেশ আপীল আদালত গঠন করা হয়।
ঢাকার দৈনিক পাঁচ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনের লক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়।
হাসপাতাল ও ক্লিনিকের ক্লিনিকাল বর্জ্য ও গৃহস্থালি বর্জ্য পৃথক়্করণ ও ব্যাবস্থাপনা করা হয়।
শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি-মালা ২০০৪ খসড়া প্রণয়ন করে। এটি অনুমোদন হলে সামগ্রিক শব্দ দূষণ, মাইক ও উচ্চমাত্রার হর্ণের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
পেট্রল, ডিজেল ও গ্যাস চালিত পরিবহনে ক্যাটাইলাটিক কনভার্টার বা পার্টিকুলেট ফিল্টার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়।
২০০৩ সালে পরিবেশ দূষণকারী টু ষ্ট্রোক বেবি ট্যাক্সি উঠিয়ে নেয়া হয়।
(ফলে) ঢাকা শহরের বাতাসে বিষাক্ত শীসার পরিমাণ ৯৫% কমে আসে। এর জন্য ১৯৯৭ সালের পরিবেশ আইন সংশোধন করতে হয়।
২০ বছরের পুরাতন বাস,মিনিবাস, ২৫ বছরের পুরানো লরি, ট্রাক, কার চলাচল নিষিদ্ধ করা হয় ২০০২ সালের পয়লা তারিখ থেকে।
২০০২ সালের এপ্রিল থেকে শহরের বায়ুর গুণগত মান নির্ধারনে ২৪ ঘন্টার ‘বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র’ চালু করা হয়।
পলিথিন ব্যাগ বা HDPE ব্যাগের ব্যবহার ও উৎপাদন নিষিদ্ধ ও কার্যকর করা হয় BNP আমলে।
৯৫% মানুষের ব্যাবহার্য্য পানির, আর্সেনিক দূষনকে প্রথম ১০০ দিনের প্রায়রিটি লিস্টে আনেন বেগম জিয়া। আর্সেনিক সচেতনতার জন্য সারা দেশে আর্সেনিকযুক্ত টিউবওয়েল সনাক্ত-করণ প্রকল্প BNPর হাতে চালু হয়।
দেশে কাঠ জ্বালানী ব্যবহার হওয়া ইট ভাটা বন্ধ ও ভাটার চিমনির জন্য নূন্যতম উচ্চতা নির্ধারণ করে BNP সরকার।
পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যংগ্রোভ বনের ওপর বিশেষ ভাবে নির্ভর-শীল বাওয়ালী, মৌয়ালী, মৎসজীবি সহ নির্ভর-শীল শ্রমজীবী মানুষের জন্য ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থা করা হয়।
দেশের জলাভূমি ও প্রান বৈচিত্র্য রক্ষার্থে টাংগুয়া হাওর ও জলাশয় সংরক্ষণ ও উন্নয়নে বিপুল অর্থের যোগান দেয় BNP সরকার।
দেশের উত্তর পশ্চিম বরেন্দ্র এলাকার মরু-করণ রোধ করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য আনতে ব্যাপক বনায়ন ও নার্সারি সম্প্রসারণ, সেচ সুবিধা, খাস ও মজা পুকুর পুনঃ খনন, মৎস চাষ, সেচ যন্ত্র উন্নয়ন ও পাইপের মাধ্যমে পানীয় জল নেট ওয়ার্ক সম্প্রসারনের ব্যবস্থা করা হয়।
তীব্র দুষণকারী কারখানার বর্জ্য নদনদী তে সরাসরি না ফেলে বর্জ্য শোধনাগারে শোধন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। এবং এ ক্ষেত্রে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হয়।
খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন BNP সরকার মাগুরছড়া দূর্ঘটনায় আর্থিক ও পরিবেশগত ঝুঁকির গুরুত্ব উপলব্ধি করে মার্কিন কোম্পানি ইউনোকলের কাছ থেকে ৬০৯ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষে আইনত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
-------
এর বাইরেও হয়ত আরো কাজ আছে। আমার জানা গুলো তুলে ধরলাম আমি। পয়েন্ট মিস হলে যুক্ত করে দিন কমেন্টে।
#wasimiftekhar
#
বেগম জিয়ার সঠিক অবস্থান জানিয়ে নিরাপদে ফিরিয়ে দেবার দাবিতে ৪ মে বিকালে গুলিস্থান চত্বরে সমবেত হয় জাতীয়তাবাদী কর্মী সমর্থকরা।