“If I could do what I want
I’d become an electrician
I’d climb inside my ears
And I’d rearrange the wires in my brain”
Made the mistake of watching an episode of Black Mirror tonight and got bummed. But! I decided to role with it, put on some Julien Baker, and learned how to rewire/fix my flute lamp 💡
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ
১. ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ কি ?
২. রেজিস্ট্যান্স কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করে ?
৩. জুলের সূত্রটি লেখ।
৪. একটি আদর্শ সার্কিট বা বর্তনীর উপাদান গুলোর নাম লেখ।
৫. 1 ইউনিট বৈদ্যুতিক এনার্জি বলতে কী বুঝ ।
৬. পারমাণবিক সংখ্যা কাকে বলে ?
৭. আপেক্ষিক রোধ কাকে বলে ?
৮. 15 ওহমের তিনটি রোধ প্যারালালে সংযোগ করলে সমতুল্য রোধ কত?
৯. বৈদ্যুতিক সার্কিট কাকে বলে ?
১০. বৈদ্যুতিক পাওয়ার বলতে…
Our daily needs of electricity
There are many uses of electricity in our lives, for example:
Lighting: The lighting lamp, one of the first applications on electricity,
works by heating: the current passing through resistance generates heat
The invention of Thomas Edison’s incandescent light bulb in the 1870s led lighting to become one of the first available applications of electric…
আজ আমরা আলোচনা করবো ক্যাপাসিটর ও ইন্ডাক্টর নিয়ে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
ক্যাপাসিটর কি
ডাই−ইলেকট্রিক কি
ইলেকট্রোস্ট্যাটিক শক্তি বা এনার্জি কি
ক্যাপাসিট্যান্স কি
ক্যাপাসিট্যান্স নির্ণয়ের সূত্র
ক্যাপাসিট্যান্সের একক
বিভিন্ন প্রকার ক্যাপাসিটর
বিভিন্ন ধরনের ফিক্সড ক্যাপাসিটর
ক্যাপাসিটরের ব্যবহার
ইন্ডাক্টর কি
ইন্ডাক্ট্যান্স কি
বিভিন্ন প্রকার ইন্ডাক্টর
ইন্ডাক্টরের ব্যবহার
ক্যাপাসিটর (Capacitor)যখন কোনাে দুটি পরিবাহীর পাতকে সমান্তরালভাবে স্থাপন করা হয় এবং এটি অপরিবাহী (Insulator) পদার্থ দ্বারা পৃথক হয় তখন উক্ত প্লেট দুখানির মধ্যে চার্জ সঞ্চয় রাখার ক্ষমতা সৃষ্ট হয়, তখন এই ব্যবস্থাপনাকে ক্যাপাসিটর বল। ক্যাপাসিটরকে কনডেন্সারও বলে।
ডাই-ইলেকট্রিক ː ক্যাপাসিটরের প্লেট দুটিকে ইলেকট্রোড বা প্লেট এবং অপরিবাহী পদার্থকে ডাই-ইলেকট্রিক (Di - Electric) বলে। এই ডাই-ইলেকট্রিকের ওপর নির্ভর করেই ক্যাপাসিটর চার্জ সঞ্চিত করে।
ইলেকট্রোস্ট্যাটিক শক্তি ː কোনাে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় প্রথমে ইলেকট্রিক এনার্জিকে স্টোর করার জন্য এবং পরে প্রয়ােজনে সেই এনার্জিকে সরবরাহ করার জন্য। ক্যাপাসিটরে সঞ্চিত শক্তিকে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক শক্তি (Electrostatic Energy) বলে।
ক্যাপাসিটর ও ইন্ডাক্টর । Basic Electricity Bangla
ক্যাপাসিটেন্স (Capacitance)
ক্যাপাসিটর ইলেকট্রিসিটি সঞ্চয় করে রাখে (Store) অর্থাৎ ধরে রাখে। ক্যাপাসিটরের এই ইলেকট্রসিটি ধারণ করে রাখার ক্ষমতাকে বলা হয় তার ক্যাপাসিটেন্স বা ক্যাপাসিটি (Capacity)। সার্কিটে যুক্ত ক্যাপাসিটর প্রথমে ইলেকট্রিক এনার্জিকে ইলেকট্রিক ফিল্ডের আকারে সঞ্চয় করে এবং পরে প্রয়ােজনে এই এনার্জিকে সার্কিটে মুক্ত করে দেয় (release)।
সহজ ভাষায়, যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের জন্য কোনাে ক্যাপাসিটর চার্জ সঞ্চয় করে রাখে উক্ত ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যকে ক্যাপাসিটেন্স বলে।
ক্যাপাসিট্যান্স নির্ণয়ের সূত্রমনে করি, কোনাে পরিবাহীর ভােল্টেজ "V" পরিমাণ বৃদ্ধি করতে "Q" পরিমাণ চার্জের প্রয়ােজন হয়। অর্থাৎ চার্জ ও ভােল্টেজ পরস্পর সমানুপাতিক। ⸫ Q ∝ V বা, Q = CV.এখানে C একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। একে ক্যাপাসিট্যান্স বলা হয়। ⸫ ক্যাপাসিট্যান্স, C = Q/V.
তাহলে বলা যায়, কোনো ক্যাপাসিটরের সঞ্চিত চার্জ এবং এর প্লেটদ্বয়ের মধ্যে বিভব পার্থক্য তথা ভােল্টেজের অনুপাতকে ক্যাপাসিটেন্স বলে।
ক্যাপাসিটেন্স-এর এককক্যাপাসিটেন্স পরিমাপের একক হচ্ছে ফ্যারাড (farad) (বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের নামানুসারে)।
ফ্যারাড: কোনাে ক্যাপাসিটরের দুই প্লেটের মধ্যে এক ভোল্ট পটেনশিয়াল ডিফারেন্স সৃষ্টি করলে যদি এক কুলম্ব চার্জের সৃষ্টি হয়, তাহলে ক্যাপাসিটরের ক্যাপাসিটেন্সকে এক ফ্যারাড বলে।
1 farad = 1 coulomb/Volt.
ব্যবহারিক কাজে ফ্যারাড খুব বড় ইউনিট, তাই ব্যবহারের সুবিধার জন্য এর ভগ্নাংশ করা হয়।ক্যাপাসিটেন্সের বাণিজ্যিক একক হলো মাইক্রোফ্যারাড (microFarad)।1 ফ্যারাড (F) = 10⁶ মাইক্রোফ্যারাড (µF)
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা আলোচনা করবো তার ও ক্যাবল নিয়ে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
তার কি
ক্যাবল কি
তার ও ক্যাবলের মধ্যে পার্থক্য
P.V.C ক্যাবল ও তার ব্যবহার
V.I.R ক্যাবল ও তার ব্যবহার
T.R.S বা C.T.S ক্যাবল ও তার ব্যবহার
ফ্লেক্সিবল কর্ড/ফ্লেক্সিবল ক্যাবল ও তার ব্যবহার
ওয়ারগেজ কি
ওয়ারগেজের সাহায্যে ক্যাবল পরিমাপ
তারের কারেন্ট বহন ক্ষমতা কি
তার (Wires)
সাধারণত ইনসুলেশনবিহীন পরিবাহী (Bare conductor) বা নগ্ন পরিবাহীকে ওয়্যার বা তার বলে। তার সলিড বা খেই বিশিষ্ট (Strandead) হতে পারে। একাধিক পরিবাহীকে একটির উপর আর একটি পেঁচিয়ে যে তার তৈরি করা হয় তাকে Strandead Wire বলে। তারের প্রতিটি পরিবাহীকে খেই বলে।অনেক সময় ইনসুলেশনবিহীন বা হালকা ইনসুলেশনযুক্ত পরিবাহীকেও তার বলে। তার নিম্ন ভােল্টেজ (250 / 440 V)-এ ব্যবহৃত হয়।
ক্যাবল (Cables)
সাধারণত ইনসুলেশনযুক্ত খেই বিশিষ্ট (strandead) পরিবাহীকে ক্যাবল (Cables) বলে। ক্যাবল মাঝারি এবং উচ্চ ভােল্টেজের (400 V– 11000 V) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
তার ও ক্যাবলের মধ্যে পার্থক্য
তার
১ । ইনসুলেশনবিহীন পরিবাহীকে তার বলে।২ । তার সলিড বা খেইবিশিষ্ট হয় ।৩ । ইনসুলেশন রক্ষাকারী ধাতব আবরণ থাকে না।৪ । নিম্ন ভোল্টেজ (220 - 440 V)-এ ব্যবহৃত হয় ।৫ । ওভার হেড লাইনে ব্যবহৃত হয় । ৬ । মূল্য কম ।
ক্যাবল
১ । ইনসুলেশনযুক্ত পরিবাহীকে তার বলে।২ । ক্যাবল সর্বদা খেইবিশিষ্ট হয় ।৩ । ইনসুলেশন রক্ষাকারী ধাতব আবরণ থাকে ।৪ । উচ্চ ভোল্টেজ (440 - 11000 V)-এ ব্যবহৃত হয় ।৫ । সাধারণত আন্ডার গ্রাউন্ড লাইনে ব্যবহৃত হয় । তবে ওভারহেড লাইনেও এর ব্যবহার দেখা যায় ।৬ । মূল্য বেশি ।
তার ও ক্যাবল । Basic Electricity Bangla
ওয়্যারিং এর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্যাবল
পি.ভি.সি. (P. V. C.) ক্যাবল
P.V.C এর পূর্ণরুপ Polyvinyl chloride. এটা এক ধরনের প্লাস্টিক কম্পাউন্ড। পি. ভি. সি. ক্যাবলকে বর্তমানে বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এর কাজে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা সিঙ্গেল কোর (Single core), টুইন কোর (Two-in Core), থ্রি কোর (Three Core) কিংবা ফোর কোরের (Four Core) হতে পারে। সিঙ্গেল কোর পি.ভি.সি. ক্যাবল 250/440 ভোল্ট গ্রেডেরই হয়। কিন্তু বর্তমানে টুইন কোর পি.ভি.সি. ক্যাবল শুধু 250/440 ভােল্ট গ্রেডের তৈরি হয়ে থাকে।........আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা আলোচনা করবো বৈদ্যুতিক বর্তনী বা ইলেকট্রিক সার্কিট সম্পর্কে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
ইলেকট্রিক সার্কিট বা বৈদ্যুতিক বর্তনী কি
ইলেকট্রিক সার্কিটের উপাদানসমূহ
বৈদ্যুতিক সোর্স কি
বৈদ্যুতিক লোড কি
পরিবাহী কি
নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র কি
রক্ষণ যন্ত্র কি
ইলেকট্রিক সার্কিটের প্রকারভেদ
সিরিজ সার্কিট কি
প্যারালাল সার্কিট কি
মিশ্র সার্কিট কি
ইলেকট্রিক সার্কিট বা বৈদ্যুতিক বর্তনী
বৈদ্যুতিক বর্তনী হলাে একটি আবদ্ধ পথ, যে পথের মধ্য দিয়ে উৎস বা সাের্স হতে কারেন্ট বের হয়ে বিভিন্ন রোধ অতিক্রম করে পুনরায় সাের্সে ফিরে আসে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, কারেন্ট প্রবাহের অবিচ্ছিন্ন পথকে বৈদ্যুতিক বর্তনী (Electric circuit) বলে। অথবা, যে পথ দিয়ে ইলেকট্রিক কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে তাকে ইলেকট্রিক সার্কিট বলে।
ইলেকট্রিক সার্কিটের উপাদান
একটি আদর্শ ইলেকট্রিক সার্কিটের নিম্নলিখিত অংশ রয়েছে। যথা-
(১) বৈদ্যুতিক সাের্স (Electric Source) ː ব্যাটারী, জেনারেটর ।(২) বৈদ্যুতিক লােড (Electric Load) ː বাতি, ফ্যান, মটর ।(৩) পরিবাহী (Conductor) ː তামা, অ্যালুমিনিয়াম ।(৪) নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (Controlling Device) ː সুইচ, ভােল্টেজ রেগুলেটর ।(৫) রক্ষণ যন্ত্র (Protective Device) ː ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার।........আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
1826 খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বিজ্ঞানী জর্জ সাইমন ওহম (G.S Ohm) বিভব পার্থক্য, কারেন্ট এবং রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে একটি সম্পর্ক সূচক সূত্র আবিষ্কার করেন, যা ওহমের সূত্র নামে পরিচিত। সূত্রটি আবিষ্কারের পর ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ একদম নতুন ধারা সৃষ্টি হয়। একে ইলেকট্রিক্যাল এ আদিসূত্র বলা হয়। আজ আমরা ওহমের সূত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্রের বৈশিষ্ট্য
ওমের সূত্রের ব্যবহার
ওহমের সূত্রের সীমাবদ্ধতা
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন পরিবাহীর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। অর্থাৎ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বা ভােল্টেজ বৃদ্ধি পেলে কারেন্ট বৃদ্ধি পাবে এবং ভােল্টেজ বা বিভব পার্থক্য হ্রাস পেলে কারেন্ট হ্রাস পাবে। কারেন্টের এ বৃদ্ধি বা হ্রাস বিভব পার্থক্যের সাথে সমানুপাতিক হারে বা সরলরৈখিকভাবে ঘটে। পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V এবং প্রবাহিত কারেন্ট I হলে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ওহমের সূত্রানুসারে I ∝ V .
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র । Basic Electricity Bangla
মনে করি, AB পরিবাহীর A ও B প্রান্তের বিভব যথাক্রমে VA এবং VB। যদি VA , VB অপেক্ষা বড় হয় তাহলে,A ও B বিন্দুর বিভব পার্থক্য VAB = VA - VB .
যদি পরিবাহীর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট I হয় এবং VA > VB হয়, তাহলে কারেন্ট A থেকে B এর দিকে প্রবাহিত হবে ।
তাহলে ওহমের সূত্রানুসারে,.......আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা রোধের সূত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
রোধ কি
পরিবাহীর রোধ কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করে
রোধের সূত্র
আপেক্ষিক রোধ বা রেজিস্টিভিটি কি
বিভিন্ন পদ্ধতিতে আপেক্ষিক রোধের একক নির্ণয়
কয়েকটি পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধের মান
কয়েকটি অপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধের মান
কন্ডাক্ট্যান্স কি
কন্ডাক্টিভিটি বা আপেক্ষিক কন্ডাক্ট্যান্স কি
রোধ ː যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিবাহীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। পরিবাহীর রােধ বা রেজিস্ট্যান্স নিম্নলিখিত বিষয়গুলাের ওপর নির্ভর করে,(১) পরিবাহীর দৈর্ঘ্য(২) পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল(৩) পরিবাহীর উপাদান(৪) তাপমাত্রা।
রোধের সূত্র । Basic Electricity Bangla
১। পরিবাহীর দৈর্ঘ্য ː নির্দিষ্ট প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট পরিবাহীর রােধ এর দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বেশি হলে পরিবাহীর রােধ বেশি হয় এবং দৈর্ঘ্য কম হলে রােধ কম হয়। R ∝ L.
২। পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল ː নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের এবং তাপমাত্রার কোনাে পরিবাহীর রােধ এর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ওপর নির্ভরশীল। পরিবাহী মােটা হলে রােধ কম হয় এবং পরিবাহী চিকন হলে রােধ বেশি হয়। R ∝ A.
৩। উপাদান ː দৈর্ঘ্য, তাপমাত্রা এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল স্থির থাকলে পরিবাহীর রােধ এর উপদানের ওপর নির্ভরশীল। যেমন- একই দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রুপা ইত্যাদির রােধ ভিন্ন হয়। অর্থাৎ কোনাে পরিবাহীর রােধ উক্ত পরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রােধ বা রেজিস্টিভিটির উপর নির্ভরশীল। কোনাে পরিবাহীর রােধ উহার আপেক্ষিক রােধের সহিত সমানুপাতিক। R ∝ P .
৪। পরিবাহীর তাপমাত্রা ː পরিবাহীর রােধ তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল। পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এর রােধ বৃদ্ধি পায় এবং তাপমাত্রা হ্রাস পেলে এর রােধ কমে যায়। উপরােক্ত বিষয়গুলাে ছাড়াও পরিবাহীর রােধ আলাের প্রভাব, চুম্বকের প্রভাব, চাপের প্রভাব এবং পরিবাহীর বিশুদ্ধতার ওপর নির্ভর করে।…………………আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla