five commonly used words with explanations in electrical installation and maintenance.
1. Circuit
A circuit is a complete, closed path through which electric current flows from a power source to a load and back. In electrical installation, the creation of a circuit involves connecting components like wiring, switches, and outlets so that electricity can power devices. A proper circuit is essential for any device to function.
2. Voltage (V)
Often described as "electrical pressure," voltage is the potential difference between two points in a circuit. It is the force that pushes electrons and drives the electric current. For example, household wiring typically operates at 120 or 240 volts in North America, while smaller devices like those using batteries operate at a lower voltage.
3. Current (A)
Current is the flow rate of electric charge through a conductor, such as a wire. It is measured in amperes (amps) and can be compared to the flow of water in a pipe. In electrical installation and maintenance, managing current is crucial to prevent overheating, which is often done with protective devices like circuit breakers or fuses.
4. Conductor
A conductor is a material that allows electricity to flow through it easily. In electrical work, conductors are most often copper or aluminum wires. The primary job of installation is to properly route these conductors through a building to deliver power. Conductors must be correctly sized for their intended load to prevent overheating and fire hazards.
5. Conduit
A conduit is a durable, protective tube, typically made of steel or plastic, that encloses electrical wiring. Electricians install conduit to protect wires from physical damage, moisture, and corrosion, and to hide them from view. It is particularly important in commercial and industrial settings, as well as in areas where wiring may be exposed to the elements.
আজ আমরা আলোচনা করবো ক্যাপাসিটর ও ইন্ডাক্টর নিয়ে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
ক্যাপাসিটর কি
ডাই−ইলেকট্রিক কি
ইলেকট্রোস্ট্যাটিক শক্তি বা এনার্জি কি
ক্যাপাসিট্যান্স কি
ক্যাপাসিট্যান্স নির্ণয়ের সূত্র
ক্যাপাসিট্যান্সের একক
বিভিন্ন প্রকার ক্যাপাসিটর
বিভিন্ন ধরনের ফিক্সড ক্যাপাসিটর
ক্যাপাসিটরের ব্যবহার
ইন্ডাক্টর কি
ইন্ডাক্ট্যান্স কি
বিভিন্ন প্রকার ইন্ডাক্টর
ইন্ডাক্টরের ব্যবহার
ক্যাপাসিটর (Capacitor)যখন কোনাে দুটি পরিবাহীর পাতকে সমান্তরালভাবে স্থাপন করা হয় এবং এটি অপরিবাহী (Insulator) পদার্থ দ্বারা পৃথক হয় তখন উক্ত প্লেট দুখানির মধ্যে চার্জ সঞ্চয় রাখার ক্ষমতা সৃষ্ট হয়, তখন এই ব্যবস্থাপনাকে ক্যাপাসিটর বল। ক্যাপাসিটরকে কনডেন্সারও বলে।
ডাই-ইলেকট্রিক ː ক্যাপাসিটরের প্লেট দুটিকে ইলেকট্রোড বা প্লেট এবং অপরিবাহী পদার্থকে ডাই-ইলেকট্রিক (Di - Electric) বলে। এই ডাই-ইলেকট্রিকের ওপর নির্ভর করেই ক্যাপাসিটর চার্জ সঞ্চিত করে।
ইলেকট্রোস্ট্যাটিক শক্তি ː কোনাে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় প্রথমে ইলেকট্রিক এনার্জিকে স্টোর করার জন্য এবং পরে প্রয়ােজনে সেই এনার্জিকে সরবরাহ করার জন্য। ক্যাপাসিটরে সঞ্চিত শক্তিকে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক শক্তি (Electrostatic Energy) বলে।
ক্যাপাসিটর ও ইন্ডাক্টর । Basic Electricity Bangla
ক্যাপাসিটেন্স (Capacitance)
ক্যাপাসিটর ইলেকট্রিসিটি সঞ্চয় করে রাখে (Store) অর্থাৎ ধরে রাখে। ক্যাপাসিটরের এই ইলেকট্রসিটি ধারণ করে রাখার ক্ষমতাকে বলা হয় তার ক্যাপাসিটেন্স বা ক্যাপাসিটি (Capacity)। সার্কিটে যুক্ত ক্যাপাসিটর প্রথমে ইলেকট্রিক এনার্জিকে ইলেকট্রিক ফিল্ডের আকারে সঞ্চয় করে এবং পরে প্রয়ােজনে এই এনার্জিকে সার্কিটে মুক্ত করে দেয় (release)।
সহজ ভাষায়, যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের জন্য কোনাে ক্যাপাসিটর চার্জ সঞ্চয় করে রাখে উক্ত ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যকে ক্যাপাসিটেন্স বলে।
ক্যাপাসিট্যান্স নির্ণয়ের সূত্রমনে করি, কোনাে পরিবাহীর ভােল্টেজ "V" পরিমাণ বৃদ্ধি করতে "Q" পরিমাণ চার্জের প্রয়ােজন হয়। অর্থাৎ চার্জ ও ভােল্টেজ পরস্পর সমানুপাতিক। ⸫ Q ∝ V বা, Q = CV.এখানে C একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। একে ক্যাপাসিট্যান্স বলা হয়। ⸫ ক্যাপাসিট্যান্স, C = Q/V.
তাহলে বলা যায়, কোনো ক্যাপাসিটরের সঞ্চিত চার্জ এবং এর প্লেটদ্বয়ের মধ্যে বিভব পার্থক্য তথা ভােল্টেজের অনুপাতকে ক্যাপাসিটেন্স বলে।
ক্যাপাসিটেন্স-এর এককক্যাপাসিটেন্স পরিমাপের একক হচ্ছে ফ্যারাড (farad) (বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের নামানুসারে)।
ফ্যারাড: কোনাে ক্যাপাসিটরের দুই প্লেটের মধ্যে এক ভোল্ট পটেনশিয়াল ডিফারেন্স সৃষ্টি করলে যদি এক কুলম্ব চার্জের সৃষ্টি হয়, তাহলে ক্যাপাসিটরের ক্যাপাসিটেন্সকে এক ফ্যারাড বলে।
1 farad = 1 coulomb/Volt.
ব্যবহারিক কাজে ফ্যারাড খুব বড় ইউনিট, তাই ব্যবহারের সুবিধার জন্য এর ভগ্নাংশ করা হয়।ক্যাপাসিটেন্সের বাণিজ্যিক একক হলো মাইক্রোফ্যারাড (microFarad)।1 ফ্যারাড (F) = 10⁶ মাইক্রোফ্যারাড (µF)
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা আলোচনা করবো তার ও ক্যাবল নিয়ে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
তার কি
ক্যাবল কি
তার ও ক্যাবলের মধ্যে পার্থক্য
P.V.C ক্যাবল ও তার ব্যবহার
V.I.R ক্যাবল ও তার ব্যবহার
T.R.S বা C.T.S ক্যাবল ও তার ব্যবহার
ফ্লেক্সিবল কর্ড/ফ্লেক্সিবল ক্যাবল ও তার ব্যবহার
ওয়ারগেজ কি
ওয়ারগেজের সাহায্যে ক্যাবল পরিমাপ
তারের কারেন্ট বহন ক্ষমতা কি
তার (Wires)
সাধারণত ইনসুলেশনবিহীন পরিবাহী (Bare conductor) বা নগ্ন পরিবাহীকে ওয়্যার বা তার বলে। তার সলিড বা খেই বিশিষ্ট (Strandead) হতে পারে। একাধিক পরিবাহীকে একটির উপর আর একটি পেঁচিয়ে যে তার তৈরি করা হয় তাকে Strandead Wire বলে। তারের প্রতিটি পরিবাহীকে খেই বলে।অনেক সময় ইনসুলেশনবিহীন বা হালকা ইনসুলেশনযুক্ত পরিবাহীকেও তার বলে। তার নিম্ন ভােল্টেজ (250 / 440 V)-এ ব্যবহৃত হয়।
ক্যাবল (Cables)
সাধারণত ইনসুলেশনযুক্ত খেই বিশিষ্ট (strandead) পরিবাহীকে ক্যাবল (Cables) বলে। ক্যাবল মাঝারি এবং উচ্চ ভােল্টেজের (400 V– 11000 V) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
তার ও ক্যাবলের মধ্যে পার্থক্য
তার
১ । ইনসুলেশনবিহীন পরিবাহীকে তার বলে।২ । তার সলিড বা খেইবিশিষ্ট হয় ।৩ । ইনসুলেশন রক্ষাকারী ধাতব আবরণ থাকে না।৪ । নিম্ন ভোল্টেজ (220 - 440 V)-এ ব্যবহৃত হয় ।৫ । ওভার হেড লাইনে ব্যবহৃত হয় । ৬ । মূল্য কম ।
ক্যাবল
১ । ইনসুলেশনযুক্ত পরিবাহীকে তার বলে।২ । ক্যাবল সর্বদা খেইবিশিষ্ট হয় ।৩ । ইনসুলেশন রক্ষাকারী ধাতব আবরণ থাকে ।৪ । উচ্চ ভোল্টেজ (440 - 11000 V)-এ ব্যবহৃত হয় ।৫ । সাধারণত আন্ডার গ্রাউন্ড লাইনে ব্যবহৃত হয় । তবে ওভারহেড লাইনেও এর ব্যবহার দেখা যায় ।৬ । মূল্য বেশি ।
তার ও ক্যাবল । Basic Electricity Bangla
ওয়্যারিং এর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্যাবল
পি.ভি.সি. (P. V. C.) ক্যাবল
P.V.C এর পূর্ণরুপ Polyvinyl chloride. এটা এক ধরনের প্লাস্টিক কম্পাউন্ড। পি. ভি. সি. ক্যাবলকে বর্তমানে বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং এর কাজে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা সিঙ্গেল কোর (Single core), টুইন কোর (Two-in Core), থ্রি কোর (Three Core) কিংবা ফোর কোরের (Four Core) হতে পারে। সিঙ্গেল কোর পি.ভি.সি. ক্যাবল 250/440 ভোল্ট গ্রেডেরই হয়। কিন্তু বর্তমানে টুইন কোর পি.ভি.সি. ক্যাবল শুধু 250/440 ভােল্ট গ্রেডের তৈরি হয়ে থাকে।........আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা আলোচনা করবো বৈদ্যুতিক বর্তনী বা ইলেকট্রিক সার্কিট সম্পর্কে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
ইলেকট্রিক সার্কিট বা বৈদ্যুতিক বর্তনী কি
ইলেকট্রিক সার্কিটের উপাদানসমূহ
বৈদ্যুতিক সোর্স কি
বৈদ্যুতিক লোড কি
পরিবাহী কি
নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র কি
রক্ষণ যন্ত্র কি
ইলেকট্রিক সার্কিটের প্রকারভেদ
সিরিজ সার্কিট কি
প্যারালাল সার্কিট কি
মিশ্র সার্কিট কি
ইলেকট্রিক সার্কিট বা বৈদ্যুতিক বর্তনী
বৈদ্যুতিক বর্তনী হলাে একটি আবদ্ধ পথ, যে পথের মধ্য দিয়ে উৎস বা সাের্স হতে কারেন্ট বের হয়ে বিভিন্ন রোধ অতিক্রম করে পুনরায় সাের্সে ফিরে আসে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, কারেন্ট প্রবাহের অবিচ্ছিন্ন পথকে বৈদ্যুতিক বর্তনী (Electric circuit) বলে। অথবা, যে পথ দিয়ে ইলেকট্রিক কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে তাকে ইলেকট্রিক সার্কিট বলে।
ইলেকট্রিক সার্কিটের উপাদান
একটি আদর্শ ইলেকট্রিক সার্কিটের নিম্নলিখিত অংশ রয়েছে। যথা-
(১) বৈদ্যুতিক সাের্স (Electric Source) ː ব্যাটারী, জেনারেটর ।(২) বৈদ্যুতিক লােড (Electric Load) ː বাতি, ফ্যান, মটর ।(৩) পরিবাহী (Conductor) ː তামা, অ্যালুমিনিয়াম ।(৪) নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (Controlling Device) ː সুইচ, ভােল্টেজ রেগুলেটর ।(৫) রক্ষণ যন্ত্র (Protective Device) ː ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার।........আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
1826 খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বিজ্ঞানী জর্জ সাইমন ওহম (G.S Ohm) বিভব পার্থক্য, কারেন্ট এবং রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে একটি সম্পর্ক সূচক সূত্র আবিষ্কার করেন, যা ওহমের সূত্র নামে পরিচিত। সূত্রটি আবিষ্কারের পর ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ একদম নতুন ধারা সৃষ্টি হয়। একে ইলেকট্রিক্যাল এ আদিসূত্র বলা হয়। আজ আমরা ওহমের সূত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্রের বৈশিষ্ট্য
ওমের সূত্রের ব্যবহার
ওহমের সূত্রের সীমাবদ্ধতা
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন পরিবাহীর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। অর্থাৎ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য বা ভােল্টেজ বৃদ্ধি পেলে কারেন্ট বৃদ্ধি পাবে এবং ভােল্টেজ বা বিভব পার্থক্য হ্রাস পেলে কারেন্ট হ্রাস পাবে। কারেন্টের এ বৃদ্ধি বা হ্রাস বিভব পার্থক্যের সাথে সমানুপাতিক হারে বা সরলরৈখিকভাবে ঘটে। পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V এবং প্রবাহিত কারেন্ট I হলে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ওহমের সূত্রানুসারে I ∝ V .
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র । Basic Electricity Bangla
মনে করি, AB পরিবাহীর A ও B প্রান্তের বিভব যথাক্রমে VA এবং VB। যদি VA , VB অপেক্ষা বড় হয় তাহলে,A ও B বিন্দুর বিভব পার্থক্য VAB = VA - VB .
যদি পরিবাহীর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট I হয় এবং VA > VB হয়, তাহলে কারেন্ট A থেকে B এর দিকে প্রবাহিত হবে ।
তাহলে ওহমের সূত্রানুসারে,.......আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা রোধের সূত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
রোধ কি
পরিবাহীর রোধ কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করে
রোধের সূত্র
আপেক্ষিক রোধ বা রেজিস্টিভিটি কি
বিভিন্ন পদ্ধতিতে আপেক্ষিক রোধের একক নির্ণয়
কয়েকটি পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধের মান
কয়েকটি অপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধের মান
কন্ডাক্ট্যান্স কি
কন্ডাক্টিভিটি বা আপেক্ষিক কন্ডাক্ট্যান্স কি
রোধ ː যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিবাহীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। পরিবাহীর রােধ বা রেজিস্ট্যান্স নিম্নলিখিত বিষয়গুলাের ওপর নির্ভর করে,(১) পরিবাহীর দৈর্ঘ্য(২) পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল(৩) পরিবাহীর উপাদান(৪) তাপমাত্রা।
রোধের সূত্র । Basic Electricity Bangla
১। পরিবাহীর দৈর্ঘ্য ː নির্দিষ্ট প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট পরিবাহীর রােধ এর দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বেশি হলে পরিবাহীর রােধ বেশি হয় এবং দৈর্ঘ্য কম হলে রােধ কম হয়। R ∝ L.
২। পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল ː নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের এবং তাপমাত্রার কোনাে পরিবাহীর রােধ এর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ওপর নির্ভরশীল। পরিবাহী মােটা হলে রােধ কম হয় এবং পরিবাহী চিকন হলে রােধ বেশি হয়। R ∝ A.
৩। উপাদান ː দৈর্ঘ্য, তাপমাত্রা এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল স্থির থাকলে পরিবাহীর রােধ এর উপদানের ওপর নির্ভরশীল। যেমন- একই দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রুপা ইত্যাদির রােধ ভিন্ন হয়। অর্থাৎ কোনাে পরিবাহীর রােধ উক্ত পরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রােধ বা রেজিস্টিভিটির উপর নির্ভরশীল। কোনাে পরিবাহীর রােধ উহার আপেক্ষিক রােধের সহিত সমানুপাতিক। R ∝ P .
৪। পরিবাহীর তাপমাত্রা ː পরিবাহীর রােধ তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল। পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এর রােধ বৃদ্ধি পায় এবং তাপমাত্রা হ্রাস পেলে এর রােধ কমে যায়। উপরােক্ত বিষয়গুলাে ছাড়াও পরিবাহীর রােধ আলাের প্রভাব, চুম্বকের প্রভাব, চাপের প্রভাব এবং পরিবাহীর বিশুদ্ধতার ওপর নির্ভর করে।…………………আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ এই মানব সভ্যতার চরম উন্নতির যুগে বিদ্যুতের অবদান সর্বাধিক। তাই আজ আধুনিক যুগকে বিদ্যুতের যুগও বলা হয়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ব্যবহার অপরিহার্য। তারই প্রেক্ষাপটে আজ আমরা আলোচনা করবো বিদ্যুৎ নিয়ে। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
বিদ্যুৎ কি
বিদ্যুৎ এর প্রকারভেদ
চল বিদ্যুৎ এর প্রকারভেদ
বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট প্রভাব বা ইফেক্ট
বিদ্যুৎ এমন এক অদৃশ্য বল বা শক্তি যা আলো, তাপ, শব্দ, গতি উৎপন্ন করে এবং অসংখ্য বাস্তব কাজ সমাধা করে।বিদ্যুৎ মূলত দুই প্রকার। যথা―১। স্থির বিদ্যুৎ,২। চল বিদ্যুৎ ৷
বিদ্যুৎ কি । Basic Electricity Bangla
(১) স্থির বিদ্যুৎ ː বৈদ্যুতিক চার্জ যখন উৎপত্তিস্থলেই আবদ্ধ থাকে, চলাচল করতে পারে না তাকে স্থির বিদ্যুৎ বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই স্থির বিদ্যুৎ ঘর্ষণের ফলে উৎপত্তি হয়। যেমন — একটি কাচদণ্ডকে রেশমি কাপড় দ্বারা ঘষলে কাচদণ্ড হতে ইলেকট্রন রেশমি কাপড়ে চলে যায় – ফলে কাচদণ্ড পজেটিভ চার্জ এবং রেশমি কাপড় নেগেটিভ চার্জ প্রাপ্ত হয়। আবার একটি ইবোনাইট দণ্ডকে এক খণ্ড ফ্লানেল কাপড় বা বিড়ালের চামড়া দ্বারা ঘর্ষণ করলে ইবোনাইট দণ্ড নেগেটিভ চার্জ এবং ফ্লানেল কাপড় পজেটিভ চার্জ প্রাপ্ত হয়। উপরোক্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে এক বস্তু হতে ইলেকট্রন অন্য বস্তুতে স্থানান্তরিত হয় ফলে বস্তুগুলো চার্জ প্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ প্রতিটি বস্তুতে স্থির বিদ্যুতের উৎপত্তি হয়েছে।
(২) চল বিদ্যুৎ ː যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন স্থানে স্থির না থেকে আলাে, চাপ, তাপ বা আবেশের কারণে পদার্থের মধ্য দিয়ে ধাবিত হয়, তাকে চল বিদ্যুৎ বলে। যদিও বিদ্যুৎ দুই প্রকার, বিদ্যুৎ বলতে চল বিদ্যুৎকেই বুঝায়।
চল বিদ্যুৎ দুই প্রকার। যথা―
(১) এ.সি. কারেন্ট (Alternating Current বা A.C.),
(২) ডি.সি. কারেন্ট (Direct Current বা D.C.)।
১। এ.সি. কারেন্ট ː পরিবর্তী প্রবাহ সময়ের সাথে যে কারেন্টের মান ও দিক উভয়েরই পরিবর্তন ঘটে, তাকে এ.সি. বা অল্টারনেটিং কারেন্ট বলে।
২। ডি.সি. কারেন্ট ː একমুখী প্রবাহ সময়ের সাথে যে কারেন্টের মান ও দিক কোনোটিই পরিবর্তিত হয় না, তাকে ডি.সি. বা ডাইরেক্ট কারেন্ট বলে।
বিদ্যুৎ কি । Basic Electricity Bangla
বিদ্যুৎ প্রবাহে সৃষ্ট প্রভাব
বৈদ্যুতিক কারেন্ট প্রবাহের ফলে নিম্নলিখিত ফলাফল বা ইফেক্ট-এর সৃষ্টি হয় ː
(১) তাপীয় প্রভাব (Heating Effect)
(২) চৌম্বকীয় প্রভাব (Magnetic Effect)
(৩) রাসায়নিক প্রভাব (Chemical Effect)
(৪) শারীরবৃত্তীয় প্রভাব (Physiological Effect)
(১) তাপীয় প্রভাব (Heating Effect)কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে পরিবাহী উত্তপ্ত হয়ে ওঠে— একেই বিদ্যুতের তাপীয় প্রভাব বা তাপীয় ফল বলে । এই অবস্থায় বিদ্যুৎশক্তি তাপশক্তিতে রুপান্তরিত হয় । বিদ্যুৎ প্রবাহের তাপীয় ফলের কয়েকটি প্রয়োগ হচ্ছে বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, বৈদ্যুতিক হিটার, বৈদ্যুতিক কেটলী ইত্যাদি।
(২) চৌম্বকীয় প্রভাব (Magnetic Effect)কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে ঐ পরিবাহীর চারদিকে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বা চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়- এটিই বিদ্যুতের চৌম্বকীয় প্রভাব। এই অবস্থায় বিদ্যুৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বৈদ্যুতিক মটর, ট্রান্সফরমার, বৈদ্যুতিক ঘণ্টা ইত্যাদি বিদ্যুতের ম্যাগনেটিক ইফেক্টের উদাহরণ।.........……আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla
আজ আমরা পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী এবং অপরিবাহী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আলোচনা শেষে আমরা জানতে পারবো,
সহজ ভাষায় পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী কি
মুক্ত ইলেকট্রন কি
বদ্ধ ইলেকট্রন কি
ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কি
ইলেকট্রন তত্ত্ব অনুযায়ী পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহীকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়
ইলেকট্রন তত্ত্ব অনুযায়ী পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহীর ব্যাখ্যা
কারেন্ট প্রবাহের অভিমুখ
সহজ ভাষায় পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী
পরিবাহী ː যে সকল পদার্থের মধ্যে দিয়ে অতি সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে, খুব কম পরিমাণ বাধার সম্মুখীন হয়, সেগুলোকে পরিবাহী বা কন্ডাক্টর বলে। যেমন: রুপা, তামা ইত্যাদি।
অপরিবাহী ː যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে না, প্রচণ্ড বাধার সম্মুখীন হয়, তাদেরকে অপরিবাহী বা ইনসুলেটর বা অন্তরক বলে। যেমন- রাবার, কাঁচ ইত্যাদি।
অর্ধপরিবাহী ː যে সমস্ত পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি, সে সমস্ত পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বলা হয়। যেমন: সিলিকন, কার্বন ইত্যাদি।
বিদ্যুৎ কি । Basic Electricity Bangla
ইলেকট্রন তত্ত্ব অনুসারে পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী
মুক্ত ইলেকট্রন ː পরমাণুতে যে ইলেকট্রনগুলাে নিউক্লিয়াসের সাথে খুবই হালকাভাবে সংযুক্ত থাকে, সে ইলেকট্রনগুলােকে মুক্ত ইলেকট্রন বলে। অথবা, পরমাণুর যে সমস্ত ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে অত্যন্ত আলগা বন্ধনে আবদ্ধ থাকে, তাদেরকে মুক্ত ইলেকট্রন বলে। এ হালকাভাবে সংযুক্ত ইলেকট্রনগুলাে ধাতব পদার্থে অধিক হয় এবং লক্ষ্যহীনভাবে এলােমেলাে ঘুরাফেরা করতে থাকে। যার জন্য মুক্ত ইলেকট্রনের সৃষ্টি করে। যে সকল পদার্থে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা বেশি, সে সকল পদার্থই ভাল পরিবাহি বলে বিবেচিত। যেমন- তামার এক ঘন সেন্টিমিটার একটি টুকরােতে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় (Room temperature) প্রায় 8.5 x 10²² সংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে।
ব্যাখ্যা ː ইলেকট্রন প্রবাহই যদি বৈদ্যুতিক কারেন্ট হয়, তবে যে সকল পদার্থে মুক্ত ইলেক্ট্রনের সংখ্যা বেশি, সে সকল পদার্থই পরিবাহী বা কন্ডাকটর। কারণ যখন সামান্য কারণে [যেমনঃ আলাে, চাপ, তাপ, আবেশ] ইলেকট্রনগুলাে উত্তেজিত হয়, তখন মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তাদের নিজস্ব কক্ষপথ ছেড়ে পার্শ্বের পরমাণুর কক্ষপথে স্থান গ্রহণ করে। ফলে অসংখ্য ইলেকট্রনের স্রোত বইতে থাকে এবং এ স্রোতই কারেন্ট। ঐ পদার্থটিকে পরিবাহী বা কনডাকটর বলে।
বদ্ধ ইলেকট্রন ː পরমাণুর যে সমস্ত ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ থাকে, তাদেরকে বদ্ধ ইলেকট্রন বলে।
ভ্যালেন্স ইলেকট্রন ː পরমাণুর সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনসমূহকে ভ্যালেন্স ইলেকট্রন বলে। একটি পরমাণুর সবচেয়ে বহিঃস্থ সেলে সর্বোচ্চ আটটি (8 টি) ইলেকট্রন থাকতে পারে। কোনাে পদার্থ ধাতু কিংবা অধাতু, তা ভ্যালেন্স ইলেকট্রন দ্বারা নির্ণয় করা যায়। এ ইলেকট্রনসমূহ পদার্থের বৈদ্যুতিক ধর্মও নির্ধারণ করে।
পরিবাহী ː ইলেকট্রন তত্ত্ব অনুযায়ী, যে সকল পদার্থের পরমাণুর সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনের সংখ্যা 4 এর কম হয়, ঐ সকল পদার্থসমূহকে পরিবাহী বলে। যেমন: কপার, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।
অপরিবাহী ː ইলেকট্রন তত্ত্ব অনুযায়ী, যে সকল পদার্থের পরমাণুর সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনের সংখ্যা 4 থেকে 8 এর মধ্যে হয়, ঐ সকল পদার্থসমূহকে অপরিবাহী বলে। যেমন: ক্লোরিন, নিয়ন ইত্যাদি।
অর্ধপরিবাহী ː ইলেকট্রন তত্ত্ব অনুযায়ী, যে সকল পদার্থের পরমাণুর সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রনের সংখ্যা 4 হয়, ঐ সকল পদার্থসমূহকে পরিবাহী বলে। যেমন: কপার, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।
অর্ধপরিবাহী দুই ধরনের। যথা―
১। বিশুদ্ধ বা নির্ভেজাল সেমি কন্ডাক্টর: জার্মেনিয়াম, সিলিকন।
পরিবাহী, অপরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহির ইলেকট্রন তত্ত্বের ব্যাখ্যা
পরিবাহী ː পরিবাহী পদার্থের পরমাণুতে ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সংখ্যা খুব কম (4 এর নিচে) থাকার কারণে এদের উপর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বল খুব কম হয়। ফলে ইলেকট্রনগুলাে খুব সহজেই এক পরমাণু হতে অন্য পরমাণুতে স্থানান্তরিত হতে পারে। আবার যেহেতু ইলেকট্রন প্রবাহের হারকেই কারেন্ট বলে, সুতরাং পরিবাহী পদার্থের মধ্যে দিয়ে খুব সহজেই কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে। যেমন- তামা, রূপা, সােনা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি এই শ্রেণিতে অন্তর্গত।
অপরিবাহী ː অপরিবাহী পদার্থের পরমাণুতে ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সংখ্যা বেশি (4 এর উপরে) থাকার কারণে এদের উপর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বল খুব বেশি হয়। ফলে ইলেকট্রনগুলো এক পরমাণু হতে অন্য পরমাণুতে স্থানান্তরিত হতে প্রচন্ড বাধার সম্মুখীন হয়। কাজেই অপরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে সাধারণ তাপমাত্রায় কোন কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে না। যেমন কাঁচ, রাবার, শুকনাে কাঠ, প্লাস্টিক, মাইকা ও ইত্যাদি এই শ্রেণির অন্তর্গত।
অর্ধ-পরিবাহী ː এ জাতীয় পদার্থের পরমাণুতে ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সংখ্যা পরিবাহী ও অপরিবাহী দু'এর মাঝামাঝি অর্থাৎ 4 হয়। ফলে ইলেকট্রন গুলাে এক পরমাণু হতে অন্য পরমাণুতে স্থানান্তর হতে আংশিকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। একারণে এদেরকে অর্ধ-পরিবাহী (Semi-Conductor) বলে। যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, কার্বন ইত্যাদি এই শ্রেণিতে পড়ে।.............আরও পড়ুন
Know all about Electrics. We collect and spread Electrical Knowledge. Electricbd is Powered By Arafat. Basic Electricity Bangla