দ্বিতীয় শীর্ষ স্বৈরাচার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদে শাশুড়ী মাতা যখন মৃত্যু বরণ করেন; এরশাদ তখন জেল খাটছেন। মানবিক কারণে তারে প্যরোল দেয়া হয়। এরশাদ ছুটে গেলেন বাড়ি। সাথে সাথে এরশাদের চ্যালা চামুণ্ডা ছোটবড় নেতারাও চলে এলো। এরশাদ তীব্র মাতৃশোকে যখন কাতর তখনি পেছন থেকে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে লাশের পানে ছুটে এলেন৷ এক নেতা। মূহুর্তে নিজ বিশাল ব্যাসার্ধ'র শরীর নিয়ে মাটিতে আছড়ে পরলেন। রীতিমত গড়াগড়ি দিয়ে উচ্চস্বরে কান্না জুড়ে দিলেন।
নিজের সাবেক মন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেমের এই আহাজারি দেখে থতমত খেয়ে গেলেন খোঁদ এরশাদ। সম্ভবত কিছুটা ভড়কে-ও গেলেন। সদ্য মাতৃহারা এরশাদ নিজের দুঃখ ভুলে শাহ মোয়াজ্জেমকে শান্তনা দিতে শুরু করলেন। শাহ্ সাহেব-কে শান্তনা দিয়ে শান্ত করতে গিয়ে শেষ হয়ে গেল তার প্যরোল টাইম লাইন।
এরশাদের মন্ত্রী-রা আজো সুযোগ বুঝে আহাজারি করেন, হা-হুতাশ করেন, তৈল মর্দন করেন। শুধু কেবলা-কাবা বদলে গিয়েছে।
তবুও আজো এরশাদের জাতীয় পার্টি দেশের ৩য় বা চতুর্থ শক্তি। ইদানিংকালে যেসব রাজনৈতিক দল লোকাল কাবা থেকে প্রডাকশন হচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎ কি! ঘুড্ডির ল্যাঞ্জা'র মত লম্বা হতে থাকবে এদের রজনীগন্ধা হাতে মশাল মিছিল। তবুও নূন্যতম CPB হতে পারবে না ওরা।
#minefield
#wasimiftekhar
















