Chandi Mandir, Chandigarh: A Sacred Haven atop the Shivalik Hills | #travel #shortsvideo Chandi Mandir, located in Chandigarh, is a revered

seen from Spain
seen from United States

seen from Japan

seen from United Kingdom

seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from Iraq
seen from United States

seen from United Kingdom

seen from Türkiye
seen from Israel

seen from United Kingdom

seen from Finland

seen from Australia

seen from United Kingdom
seen from Türkiye
seen from India
seen from Sweden
Chandi Mandir, Chandigarh: A Sacred Haven atop the Shivalik Hills | #travel #shortsvideo Chandi Mandir, located in Chandigarh, is a revered
জয় মঙ্গলবার আজও সাড়ম্বরে পালিত হয় জৈষ্ঠ্যমাসের প্রতি মঙ্গলবারে
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/the-vrat-katha-of-ma-mangal-chandi/
জয় মঙ্গলবার আজও সাড়ম্বরে পালিত হয় জৈষ্ঠ্যমাসের প্রতি মঙ্গলবারে
সব্যসাচী সরকার
“হারালে পায়, মলে জিওয়, খাঁড়ায় কাটে না আগুনে পুড়ে না, জলে ডোবে না, সতীন মেরে ঘর হয়, রাজা মলে রাজা পায়।” মা মঙ্গলচণ্ডীর আরাধনায় বাঙালি রমণীদের এই বিশ্বাস আজও অটুট। সারা বছর ধরেই মঙ্গলচণ্ডীর ব্রত পালন হয় তবে ষোলোটি করে কাঁঠাল পাতা, সুপারি, আম, ধান-খোঁটা, আতপতণ্ডুল, দূর্বা এবং ফলফলাদি সহযোগে জৈষ্ঠ্যমাসের প্রতি মঙ্গলবারে বিশেষ আড়ম্বরে এই ব্রত পালন করা হয়। এই ব্রত নিয়ে দু’টি কাহিনি জানতে পারা যায়। প্রথমেই বলা প্রয়োজন বাংলায় বুকে দেবী চণ্ডীর মন্দির স্থাপন এবং দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য বিস্তারে বণিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। ‘বাঙালি ব্যবসা করতে জানে না’ বলে এখন যেমন বক্রোক্তি শুনতে হয়, অতীত কিন্তু তার সাক্ষ্য দেয় না। বিশেষ করে নৌবাণিজ্যে বাঙালির সাফল্য আন্তর্জাতিক মানের। অন্যান্য পেশার মানুষদের তুলনায় বণিক সম্প্রদায় অর্থনৈতিকভাবে অনেকবেশি স্বাবলম্বী হওয়ায় দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারেও তাঁরা অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। বাংলার বেশিরভাগ চণ্ডীমন্দির প্রতিষ্ঠার কাহিনিতে কোনও না কোন বণিকের নাম জড়িত। যেমন চন্দননগরের চণ্ডীমন্দির বা হাওড়ার ব্যাতাইতলার ব্যাতাইচণ্ডীর মন্দিরের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে চাঁদ সদাগরের (শৈব হওয়া সত্ত্বেও যিনি মা মনসার পূজা করতে বাধ্য হন) নাম জড়িত। এই প্রসঙ্গে বাংলার বুকে বয়ে চলা শাক্ত ভাবধারার প্রভাবও অনস্বীকার্য বলা যায় আর তাই দেবী চণ্ডীর ব্রতকথা মানেই উঠে আসে ধনপতি সওদাগর, লক্ষপতি সওদাগর, শ্রীমন্ত সওদাগর প্রমুখ কালজয়ী বণিকের নাম। মা মঙ্গলচণ্ডীর ব্রতকথাগুলির মধ্যে কালকেতু এবং খুল্লনার কাহিনি বিশেষ জনপ্রিয়। একদা উজানি নামক নগরে বিক্রমকেশরী নামে এক রাজা ছিলেন। সেই নগরে বণিক ধনপতি এবং তার স্ত্রী খুল্লনা থাকতেন। একবার খুল্লনার ছাগল হারিয়ে গেলে তা খুঁজতে গিয়ে খুল্লনা দেখতে পায় কয়েকজন মহিলা একটি ব্রত পালন করছে। কৌতূহলবশত সে জানতে পারে যে তাঁরা মঙ্গলচণ্ডী ব্রত পালন করছে। ব্রতের কাহিনি জানতে চাইলে সে তাঁদের কাছ থেকে শোনে যে, কলিঙ্গ দেশে সহস্রাক্ষ নামে এক রাজা ছিলেন। সেই দেশে কালকেতু নামে এক ব্যাধ ছিল। একদা একটি হরিণের পিছনে ধাওয়া করলে হরিণটি মা চণ্ডীর শরণাপন্ন হয়। মা চণ্ডী তখন সুবর্ণ গাভীর রূপ ধরে ধাবমান কালকেতুর সামনে উপস্থিত হন। কালকেতু হরিণ ছেড়ে গাভী নিয়েই ঘরে আসে। কালকেতুর ঘরে এসে দেবী চণ্ডী স্বরূপে আবির্ভূতা হন এবং প্রচুর ধনসম্পদ দিয়ে তাঁকে ব্যাধবৃত্তি ত্যাগের নির্দেশ দেন। কালকেতুর অকস্মাৎ ধনপ্রাপ্তির কথা জানতে রাজা তাঁকে কারাগারে আটক করেন। কিন্তু দেবী চণ্ডীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে দ্বিগুণ ধন দিয়ে তাঁকে মুক্তি দেন। মেয়েদের কাছ থেকে এই কাহিনি শুনে খুল্লনা ভক্তিভরে মঙ্গলচণ্ডী ব্রত পালন শুরু করেন। একদা খুল্লনার স্বামী ধনপতি বাণিজ্যে যাওয়ার সময় খুল্লনাকে ব্রত পালনে ব্যস্ত দেখে পূজার ঘট ভেঙে দেন এবং বাণিজ্যের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু পথেই দেবী চণ্ডীর কোপে ঝড়ে ধনপতির নৌকাসহ সঙ্গীসাথী সবাই জলে ডুবে যান এবং একা ধনপতি শাল্যবান রাজার রাজ্যে এসে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি দেখেন পদ্মপাতার উপর বসে এক রমণী হাতি গিলছেন। ধনপতি সে কথা রাজাকে বলতে, রাজা তা স্বচক্ষে দেখতে যান কিন্তু কিছুই দেখতে পান না। মিথ্যেবাদী প্রমাণিত হওয়ায় ধনপতিকে কারাবন্দি হতে হয়। এদিকে ধনপতি বাণিজ্যে যাওয়ার কিছুদিন পরেই খুল্লনার একটি ছেলে হয়। খুল্লনা তাঁর নাম রাখেন শ্রীমন্ত। ছেলেটি বড় হয়ে উঠলে তাঁর পিতৃপরিচয় নিয়ে সংশয় দেখা দিলে, খুল্লনা জানান যে, সে ধনপতি সদাগরের ছেলে। পিতৃপরিচয় জানতে পেরে শ্রীমন্তও পিতার পথ অনুসরণ করে বাণিজ্যে যান এবং শাল্যবান রাজার দেশে গিয়ে ওঠেন। সেখানে সেও এক রমণীকে পদ্মপত্রে হাতি গিলে খেতে দেখেন। কিন্তু বাবার মতোই তিনিও সেকথা প্রমাণ করতে পারেন না এবং রাজনির্দেশে হত্যা করার জন্য তাঁকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। বিপদকালে শ্রীমন্তের মায়ের কথা মনে পড়ে। তিনি কায়মনোবাক্যে খুল্লনার আরাধ্যা দেবী চণ্ডীকে স্মরণ করেন। চৌত্রিশ অক্ষর স্তরে দেবী তুষ্ট হয়ে ব্রাহ্মণীরূপে আবির্ভূতা হয়ে শ্রীমন্তকে রক্ষা করেন। দেবীর কৃপায় ধনপতি সদাগরও কারাগার থেকে থেকে মুক্তি পান। অতঃপর পিতা-পুত্রের মিলন এবং শ্রীমন্তের সঙ্গে রাজা শাল্যবানের মেয়ের বিয়ে এবং অর্ধেক রাজত্ব লাভ। এরপর দেবী সকলকে দর্শন দেন।সমুদ্রতীরে এসে সকলে দেখেন, পদ্মপত্রে পার্বতীর কোলে স্বয়ং পার্বতীনন্দন আর তাইতেই হস্তি ভেবে সকলের ভ্রম। দেবীর কৃপায় ধনপতির ডুবে যাওয়া নৌকাও জলের ওপর উঠে আসে এবং ধনপতি, শ্রীমন্ত এবং তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী প্রচুর ধনসম্পদ নিয়ে উজানি নগরে ফিরে আসেন। অন্য কাহিনীটিতেও ধনপতি সওদাগরের উল্লেখ পাওয়া যায় যেখানে সাত কন্যার পরে দেবী চণ্ডীর কৃপায় তাঁদের একটি পুত্র হয়। ধনপতি পুত্রের নাম রাখেন জয়দেব। অন্যদিকে লক্ষপতি সদাগরের সাত পুত্রের পর দেবী চণ্ডীর কৃপায় একটি কন্যা হলে, লক্ষপতি কন্যার নাম রাখেন জয়াবতী। কালক্রমে জয়দেব এবং জয়াবতী বড় হয়ে ওঠে। জয়দেবের পায়রা জয়াবতীর উঠোনে উড়ে আসলে জয়দেব জানতে পারেন যে, জয়াবতী মঙ্গলচণ্ডীর ব্রত পালনে ব্যস্ত। এই ব্রত পালনে কি ফল লাভ জানতে চাইলে জয়াবতী বলেন, “হারালে পায়, মলে জিওয়, খাঁড়ায় কাটে না আগুনে পুড়ে না, জলে ডোবে না, সতীন মেরে ঘর হয়, রাজা মলে রাজা পায়।” এরপর জয়দেবের সঙ্গে জয়াবতীর বিয়ে হয়। মা মঙ্গলচণ্ডীর মহিমা পরীক্ষা করার জন্য জয়দেব জয়াবতীর অলংকার পুঁটলি বেঁধে সাগরের জলে ফেলে দেন কিন্তু একটি বোয়াল মাছ তা গিলে ফেলে। মায়ের কৃপায় সেই মাছ ধরা পড়ে এবং জয়াবতী তাঁর অলংকার ফিরে পান। কিন্তু এতেও জয়দেব থামেন না। এরপর জয়দেব এবং জয়াবতীর একটি পুত্র সন্তান হলে, জয়দেব শিশুটিকে পুকুরে ফেলে, মত্ত হাতির পায়ের নীচে রেখে, ছুটন্ত ঘোড়ার সামনে রেখে, এমনকী অস্ত্র দিয়ে টুকরো টুকরো করে মঙ্গলচণ্ডীর মহিমা পরীক্ষা করতে থাকেন কিন্তু প্রতিবারই মায়ের কৃপায় জীবিত থাকে জয়াবতীর সন্তান। অবশেষে একটি রাজ্যে রাজা মারা গেলে, এক বিশেষ শ্বেতহস্তির দ্বারা নির্বাচনের মাধ্যমে জয়দেবকেই সেই দেশের রাজা নির্বাচিত করা হয় আর এইভাবেই মিলে যায় জয়াবতীর বচন, মঙ্গলচণ্ডীর ব্রতপালনের ফল লাভ নিয়ে একদা সে যা বলেছিল নিজের হবু স্বামীকে। কৃতজ্ঞতা: সঞ্জীব লোচন পান্ডা
আরও পড়ুন:বাংলা সাহিত্যের রত্ন
Maa Chandi is the total energy of the universe. By doing Chandi Homam once a year one can become free from evil eyes and get supremacy power to fulfill all desire.
Maa Chandi is the total energy of universe. By doing Chandi Homa once a year one can become a free from evil eyes and get supremacy power to fulfill all desire.
Chandi Homam - Bid Goodbye to the Evil
- Chandi homam bestows a person with power and supremacy to achieve success in all endeavors to a wider extent. - Chandi is considered as the powerful goddess among the Mahavidhyas and conducting homam on her will help to witness major changes in life. - It is possible to overcome fear problems from evil forces and enemies with this homam by meeting exact requirements. - In addition, one can be able to free from evil eyes and curses to gain better prospects. - Another advantage is that it provides methods for getting relief from health issues in an effective manner.
Chandi Homam is mainly conducted for clearing all the obstacles on the path to success.
Chandi homam helps you overcome struggles and hardships
Goddess Chandi
Goddess Chandi:
Chandi is form of durga who is also called as chandika or Chamunda. She is the ferocious form of durga because of her anger. Chandi represent the whole power. She is the symbol of power. She appears with many hands and lion as a vehicle. The goddess killed many demons for their evil activities. Maa chandi protects her devotees from the threads and danger.
The name chamunda came to the goddess because once there were two demons chanda and munda who got boon from the brama to become stronger. After getting that boon the demons became so greedy. They aimed to conquer the three lands of god kailayam, indralokam, bramalokam. So finally all the devas need help of the goddess parvathi to destroy the demons. The goddess parvathi took the form of chandi and killed the two greedy demons.
Chandi Homam
Chandi homam is the popular hindu ritual. It gives many benefits to the devotees. Chandi homam is espically performed during the auspicious festival navratri. The ultimate prayers to the goddess helps to eradicate all the obstacles in your life and paves a way to success, let a fear free life, recover from the malefic effects of planets in a horoscope, reduce karmic issues and doshas to reach high level in life, eradicate negative forces from your life.
Benefits of Chandi Homam
Chandi Homam will witness major changes in life
One can get rid off all type of fear in life
Also one can able to free from evil eyes and curses
Provides a relief from health issues in an effective manner.
Temples of chandi in india:
One of the famous chandi temple is in haridwar in the state of utterpradesh. It is a very ancient temple constructed during king period. There are also many other chandi temples located in other parts of india.
http://www.vedicfolks.com/health/karma-remedies/homams/chandi-homam.html
Chamunda Sthuthi - Vedicfolks
Chamunda Sthuthi