কবরে কয়টা প্রশ্ন করা হবে ?
কবরে প্রত্যেক মানুষকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে: তোমার রব কে? তোমার দীন (ধর্ম) কী? এবং তোমার নবী কে?
তোমার রব কে?
তোমার দীন কী?
তোমার নবী কে?
মুমিন কাফির নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের মৃত্যুর পর তাকে জিজ্ঞেস করা মুনকার ও নাকীর ফেরেশতাদ্বয়ের উল্লিখিত তিনটি প্রশ্ন সম্পর্কে আমরা কমবেশি সকলেই অবগত আছি। কিন্তু যখন মুমিন ব্যক্তি এসকল প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক দিয়ে ফেলেন, তখন তারা বিস্ময়ের সাথে তাকে জিজ্ঞেস করেন, “তুমি তা কীভাবে জানলে?”
জবাবে মুমিন ব্যক্তি বলেন, “আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি।” [সুনান আবূ দাঊদ, হাদীস নং ৪৭৫৩]
মুমিন ব্যক্তির এ জবাবে প্রতীয়মান যে, পড়ার গুরুত্ব কত বেশি। কুরআন মাজীদের নাযীলকৃত প্রথম শব্দ ও আদেশ হচ্ছে “পড়ো”।
কবরে প্রশ্নোত্তর
কবরে প্রশ্নোত্তর
কবরে মূলত তিনটি প্রশ্ন করা হবে, যার উত্তর হবে: "আমার রব হলেন আল্লাহ," "আমার দ্বীন হলো ইসলাম," এবং "আমার নবী হলেন মুহাম্মাদ (সাঃ)"। এই প্রশ্নগুলো মুনকার ও নাকির নামের ফেরেশতারা করবেন এবং এই পরীক্ষাটিকে কবরের পরীক্ষা বা 'ফিতনা' বলা হয়।
কবরের তিনটি প্রশ্ন ও তার উত্তর
প্রথম প্রশ্ন:
"তোমার রব কে?" (মান রাব্বুকা?)
উত্তর: "রাব্বি আল্লাহ" বা "আমার রব হলেন আল্লাহ"।
দ্বিতীয় প্রশ্ন:
"তোমার দ্বীন কী?" (মা দ্বীনুকা?)
উত্তর: "দ্বীনি আল-ইসলাম" বা "আমার দ্বীন হলো ইসলাম"।
তৃতীয় প্রশ্ন:
"তোমার নবী কে?" (মা নাবিয়্যুকা?)
উত্তর: "হুয়া রাসূলুল্লাহ" বা "তিনি আল্লাহর রাসূল (মুহাম্মদ সাঃ)"।
অতিরিক্ত তথ্য
কবরের এই পরীক্ষা শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের জন্য প্রযোজ্য।
এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারলে কবরবাসীর জন্য কবরের আজাব থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হয় এবং তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর না দিতে পারলে, কবরবাসীর জন্য কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে
কবরে তিনটি প্রধান প্রশ্ন করা হবে: "তোমার রব কে?" (উত্তর হবে: আল্লাহ), "তোমার দ্বীন কী?" (উত্তর হবে: ইসলাম), এবং "তোমার নবী কে?" (উত্তর হবে: মুহাম্মদ সাঃ)। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর একজন খাঁটি মুসলিম সঠিকভাবে দিতে পারবে, যা কবরে তার জীবন কেমন হবে তার ওপর প্রভাব ফেলবে।
কবরের প্রশ্ন ও উত্তর
প্রথম প্রশ্ন:
«মান রাব্বুকা?» (তোমার রব কে?)
উত্তর: «রাব্বী আল্লাহ» (আমার রব আল্লাহ)
দ্বিতীয় প্রশ্ন:
«মা দ্বীনুকা?» (তোমার দ্বীন বা ধর্ম কী?)
উত্তর: «দ্বীনি আল-ইসলাম» (আমার দ্বীন হলো ইসলাম)
তৃতীয় প্রশ্ন:
«মান নাবিয়্যুকা?» (তোমার নবী কে?)
উত্তর: «হুয়া রাসুলুল্লাহ» (তিনি আল্লাহর রাসূল)
কবরের প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ফেরেশতাদের প্রশ্ন:
মুনকার ও নাকির নামক ফেরেশতারা এই প্রশ্নগুলো করবেন।
সঠিক উত্তর:
একজন খাঁটি মুসলিম বান্দা সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবে, কারণ সে দুনিয়াতে এই বিশ্বাসগুলো নিয়েই জীবনযাপন করেছে।
অন্যান্য প্রশ্ন:
কিছু বর্ণনায় আরও কিছু প্রশ্নের কথা উল্লেখ আছে, যেমন জীবন কিভাবে অতিবাহিত করেছেন, যৌবন কোথায় ব্যয় করেছেন ইত্যাদি।
ফলাফল:
সঠিক উত্তর দিতে পারলে কবরে জান্নাতের বিছানা বিছিয়ে দেওয়া হবে এবং আরামদায়ক জীবনযাপন শুরু হবে
কবরে কয়টা প্রশ্ন করা হবে ?
কবরে প্রত্যেক মানুষকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে: তোমার রব কে? তোমার দীন (ধর্ম) কী? এবং তোমার নবী কে?
কবরে প্রশ্নোত্তর
কবরে প্রশ্ন ও উত্তর
তোমার রব কে?
তোমার দ্বীন বা ধর্ম কী?
তোমার নবী কে?















