「お前の物は僕の物!」 #cat #猫 #ねこ #保護猫 #onway #comfortlowchair https://www.instagram.com/p/CT-9932PlqG/?utm_medium=tumblr
seen from Russia
seen from Netherlands

seen from Canada

seen from United States
seen from Netherlands

seen from Türkiye
seen from India

seen from United States

seen from Algeria
seen from Germany
seen from Yemen
seen from France
seen from Hong Kong SAR China
seen from Canada

seen from United States
seen from Singapore

seen from Türkiye
seen from United States

seen from Japan
seen from United States
「お前の物は僕の物!」 #cat #猫 #ねこ #保護猫 #onway #comfortlowchair https://www.instagram.com/p/CT-9932PlqG/?utm_medium=tumblr
Dusk through twilight.. #sunlit #sunset #goodevening #friday #lake #seemycity #photowalk #photography #ig_captures #igdaily #travel #luxe #onway #home #shahpuralake #instalike #instagramers
「お父さん!座るの!」 → 「お父さん?座らないなら!」 → 「お父さん!やっぱり座るの!」 #cat #猫 #ねこ #保護猫 #onway https://www.instagram.com/p/CHB2JhbpRKr/?igshid=osp9c66732t4
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল: ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ 🧳✈️⛱️ https://www.youtube.com/watch?v=fla8p2RZ7uY https://www.youtube.com/watch?v=yRAyqXQ8dNY https://www.youtube.com/watch?v=p07h6p6JZgE ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ কর্মস্থল ত্যাগপ্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ঈদে গ্রামে ফিরতে হলে অবশ্যই বাসা কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুবই জরুরি। যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন। দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপদ ও শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দোয়াটি হলো- ‘বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ তখন তাকে বলা হয় : তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।’ (আবু দাউদ) সাধারণত বাস, ট্রেন, লঞ্চের মাধ্যমে আমরা গ্রামে যাই। আমরা যানবাহনে উঠতে খুব তাড়াহুড়া করি। বৃদ্ধ কিংবা মহিলাদের খেয়াল না করেই ধাক্কাধাক্কি করে প্রথমে ওঠার চেষ্টা করি। অনেক সময়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলার সময়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। যার ফলে তাড়াহুড়ার কারণে নিজে বা পাশে থাকা ব্যক্তি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এজন্য থেমে থাকাবস্থায় যানবাহনে উঠাতে হবে। যানবাহনে ওঠার সময়ে প্রথমে বিসমিল্লাহ পড়ে পা রেখে বসার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা উত্তম। অতঃপর আরোহণের দোয়া পাঠ করে তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিনবার আল্লাহু আকবর বলে সর্বশেষ নিচের দেওয়া দোয়াটি পড়া যেতে পারে। ‘সুবহানাকা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাছিরান ফাগফিরলি ইন্নাহু লাইয়াগফিরনিজ্জুনুবা ইল্লা আনত।’ (তিরমিজি) রসুল (সা.) যখন বাহনে (উট, ঘোড়া ইত্যাদি) চড়তেন, তখন নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করতেন- যানবাহনে ওঠার সময়ে যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারিতে বসার পর পাঠ করতেন। ‘সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন নতুবা আমরা তো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদের প্রভুর কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। (সুরা যুখরুফ-১৩-১৪) তবে মুসলিম শরিফের বর্ণনায় পাওয়া যায় নিচের দোয়াটিও যানবাহনে ওঠার পর পাঠ করা যেতে পারে। দেয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি সাফরিনা হা-জাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়া মিনাল আমালি মা তার দা আল্লাহুম্মা হাউয়িন আলাইনা সাফারনা হাযা, ওয়াতওই আন্না বুদাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্-সাহিবু ফিস্-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল। তবে নদীপথে যাওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা উত্তম। যা নূহ (আ.)-কে নির্দেশ করা হলো যে বেইমানদের বাদ দিয়ে ইমানদার নিয়ে নৌকার তুলে নিন। হজরত নূহ (আ.) উক্ত দোয়া পাঠ করেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান। (সুরা হুদ-৪) ঈদে বাড়ি যেতে প্রায় সময়ে মাঝ রাস্তায় বিরতি দিয়ে থাকে। আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। (মুসলিম : ২৭০৮) ঈদে বাড়ি যাওয়ার সফরটা আমরা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতে পারি। যানবাহনে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থেকে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির, অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে বাড়ি যাওয়ার যাত্রার সময়কে আমলে অতিবাহিত করি। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য ও ভালো আচরণ করি। যাত্রাপথে বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করি। তিনজন একসঙ্গে বের হলো একজনকে নেতা নিযুক্ত করি। সফরে মুসাফির থাকাবস্থায় দোয়া করলেও কিন্তু কবুল হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি) ঈদে বাড়ি পৌঁছানোমাত্রই সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করাসহ রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। শুকরিয়া হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করাটা খুব উত্তম একটি কাজ। কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম) ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)🧳✈️⛱️
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল: ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ 🧳✈️⛱️ https://www.youtube.com/watch?v=fla8p2RZ7uY https://www.youtube.com/watch?v=yRAyqXQ8dNY https://www.youtube.com/watch?v=p07h6p6JZgE ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ কর্মস্থল ত্যাগপ্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ঈদে গ্রামে ফিরতে হলে অবশ্যই বাসা কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুবই জরুরি। যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন। দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপদ ও শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দোয়াটি হলো- ‘বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ তখন তাকে বলা হয় : তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।’ (আবু দাউদ) সাধারণত বাস, ট্রেন, লঞ্চের মাধ্যমে আমরা গ্রামে যাই। আমরা যানবাহনে উঠতে খুব তাড়াহুড়া করি। বৃদ্ধ কিংবা মহিলাদের খেয়াল না করেই ধাক্কাধাক্কি করে প্রথমে ওঠার চেষ্টা করি। অনেক সময়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলার সময়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। যার ফলে তাড়াহুড়ার কারণে নিজে বা পাশে থাকা ব্যক্তি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এজন্য থেমে থাকাবস্থায় যানবাহনে উঠাতে হবে। যানবাহনে ওঠার সময়ে প্রথমে বিসমিল্লাহ পড়ে পা রেখে বসার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা উত্তম। অতঃপর আরোহণের দোয়া পাঠ করে তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিনবার আল্লাহু আকবর বলে সর্বশেষ নিচের দেওয়া দোয়াটি পড়া যেতে পারে। ‘সুবহানাকা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাছিরান ফাগফিরলি ইন্নাহু লাইয়াগফিরনিজ্জুনুবা ইল্লা আনত।’ (তিরমিজি) রসুল (সা.) যখন বাহনে (উট, ঘোড়া ইত্যাদি) চড়তেন, তখন নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করতেন- যানবাহনে ওঠার সময়ে যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারিতে বসার পর পাঠ করতেন। ‘সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন নতুবা আমরা তো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদের প্রভুর কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। (সুরা যুখরুফ-১৩-১৪) তবে মুসলিম শরিফের বর্ণনায় পাওয়া যায় নিচের দোয়াটিও যানবাহনে ওঠার পর পাঠ করা যেতে পারে। দেয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি সাফরিনা হা-জাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়া মিনাল আমালি মা তার দা আল্লাহুম্মা হাউয়িন আলাইনা সাফারনা হাযা, ওয়াতওই আন্না বুদাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্-সাহিবু ফিস্-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল। তবে নদীপথে যাওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা উত্তম। যা নূহ (আ.)-কে নির্দেশ করা হলো যে বেইমানদের বাদ দিয়ে ইমানদার নিয়ে নৌকার তুলে নিন। হজরত নূহ (আ.) উক্ত দোয়া পাঠ করেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান। (সুরা হুদ-৪) ঈদে বাড়ি যেতে প্রায় সময়ে মাঝ রাস্তায় বিরতি দিয়ে থাকে। আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। (মুসলিম : ২৭০৮) ঈদে বাড়ি যাওয়ার সফরটা আমরা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতে পারি। যানবাহনে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থেকে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির, অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে বাড়ি যাওয়ার যাত্রার সময়কে আমলে অতিবাহিত করি। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য ও ভালো আচরণ করি। যাত্রাপথে বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করি। তিনজন একসঙ্গে বের হলো একজনকে নেতা নিযুক্ত করি। সফরে মুসাফির থাকাবস্থায় দোয়া করলেও কিন্তু কবুল হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি) ঈদে বাড়ি পৌঁছানোমাত্রই সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করাসহ রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। শুকরিয়া হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করাটা খুব উত্তম একটি কাজ। কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম) ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)🧳✈️⛱️
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল: ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ 🧳✈️⛱️ https://www.youtube.com/watch?v=fla8p2RZ7uY https://www.youtube.com/watch?v=yRAyqXQ8dNY https://www.youtube.com/watch?v=p07h6p6JZgE ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ কর্মস্থল ত্যাগপ্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ঈদে গ্রামে ফিরতে হলে অবশ্যই বাসা কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুবই জরুরি। যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন। দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপদ ও শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দোয়াটি হলো- ‘বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ তখন তাকে বলা হয় : তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।’ (আবু দাউদ) সাধারণত বাস, ট্রেন, লঞ্চের মাধ্যমে আমরা গ্রামে যাই। আমরা যানবাহনে উঠতে খুব তাড়াহুড়া করি। বৃদ্ধ কিংবা মহিলাদের খেয়াল না করেই ধাক্কাধাক্কি করে প্রথমে ওঠার চেষ্টা করি। অনেক সময়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলার সময়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। যার ফলে তাড়াহুড়ার কারণে নিজে বা পাশে থাকা ব্যক্তি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এজন্য থেমে থাকাবস্থায় যানবাহনে উঠাতে হবে। যানবাহনে ওঠার সময়ে প্রথমে বিসমিল্লাহ পড়ে পা রেখে বসার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা উত্তম। অতঃপর আরোহণের দোয়া পাঠ করে তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিনবার আল্লাহু আকবর বলে সর্বশেষ নিচের দেওয়া দোয়াটি পড়া যেতে পারে। ‘সুবহানাকা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাছিরান ফাগফিরলি ইন্নাহু লাইয়াগফিরনিজ্জুনুবা ইল্লা আনত।’ (তিরমিজি) রসুল (সা.) যখন বাহনে (উট, ঘোড়া ইত্যাদি) চড়তেন, তখন নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করতেন- যানবাহনে ওঠার সময়ে যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারিতে বসার পর পাঠ করতেন। ‘সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন নতুবা আমরা তো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদের প্রভুর কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। (সুরা যুখরুফ-১৩-১৪) তবে মুসলিম শরিফের বর্ণনায় পাওয়া যায় নিচের দোয়াটিও যানবাহনে ওঠার পর পাঠ করা যেতে পারে। দেয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি সাফরিনা হা-জাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়া মিনাল আমালি মা তার দা আল্লাহুম্মা হাউয়িন আলাইনা সাফারনা হাযা, ওয়াতওই আন্না বুদাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্-সাহিবু ফিস্-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল। তবে নদীপথে যাওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা উত্তম। যা নূহ (আ.)-কে নির্দেশ করা হলো যে বেইমানদের বাদ দিয়ে ইমানদার নিয়ে নৌকার তুলে নিন। হজরত নূহ (আ.) উক্ত দোয়া পাঠ করেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান। (সুরা হুদ-৪) ঈদে বাড়ি যেতে প্রায় সময়ে মাঝ রাস্তায় বিরতি দিয়ে থাকে। আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। (মুসলিম : ২৭০৮) ঈদে বাড়ি যাওয়ার সফরটা আমরা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতে পারি। যানবাহনে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থেকে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির, অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে বাড়ি যাওয়ার যাত্রার সময়কে আমলে অতিবাহিত করি। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য ও ভালো আচরণ করি। যাত্রাপথে বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করি। তিনজন একসঙ্গে বের হলো একজনকে নেতা নিযুক্ত করি। সফরে মুসাফির থাকাবস্থায় দোয়া করলেও কিন্তু কবুল হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি) ঈদে বাড়ি পৌঁছানোমাত্রই সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করাসহ রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। শুকরিয়া হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করাটা খুব উত্তম একটি কাজ। কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম) ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)🧳✈️⛱️
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল: ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ 🧳✈️⛱️ https://www.youtube.com/watch?v=fla8p2RZ7uY https://www.youtube.com/watch?v=yRAyqXQ8dNY https://www.youtube.com/watch?v=p07h6p6JZgE ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ কর্মস্থল ত্যাগপ্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ঈদে গ্রামে ফিরতে হলে অবশ্যই বাসা কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুবই জরুরি। যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন। দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপদ ও শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দোয়াটি হলো- ‘বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ তখন তাকে বলা হয় : তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।’ (আবু দাউদ) সাধারণত বাস, ট্রেন, লঞ্চের মাধ্যমে আমরা গ্রামে যাই। আমরা যানবাহনে উঠতে খুব তাড়াহুড়া করি। বৃদ্ধ কিংবা মহিলাদের খেয়াল না করেই ধাক্কাধাক্কি করে প্রথমে ওঠার চেষ্টা করি। অনেক সময়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলার সময়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। যার ফলে তাড়াহুড়ার কারণে নিজে বা পাশে থাকা ব্যক্তি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এজন্য থেমে থাকাবস্থায় যানবাহনে উঠাতে হবে। যানবাহনে ওঠার সময়ে প্রথমে বিসমিল্লাহ পড়ে পা রেখে বসার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা উত্তম। অতঃপর আরোহণের দোয়া পাঠ করে তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিনবার আল্লাহু আকবর বলে সর্বশেষ নিচের দেওয়া দোয়াটি পড়া যেতে পারে। ‘সুবহানাকা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাছিরান ফাগফিরলি ইন্নাহু লাইয়াগফিরনিজ্জুনুবা ইল্লা আনত।’ (তিরমিজি) রসুল (সা.) যখন বাহনে (উট, ঘোড়া ইত্যাদি) চড়তেন, তখন নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করতেন- যানবাহনে ওঠার সময়ে যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারিতে বসার পর পাঠ করতেন। ‘সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন নতুবা আমরা তো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদের প্রভুর কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। (সুরা যুখরুফ-১৩-১৪) তবে মুসলিম শরিফের বর্ণনায় পাওয়া যায় নিচের দোয়াটিও যানবাহনে ওঠার পর পাঠ করা যেতে পারে। দেয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি সাফরিনা হা-জাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়া মিনাল আমালি মা তার দা আল্লাহুম্মা হাউয়িন আলাইনা সাফারনা হাযা, ওয়াতওই আন্না বুদাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্-সাহিবু ফিস্-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল। তবে নদীপথে যাওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা উত্তম। যা নূহ (আ.)-কে নির্দেশ করা হলো যে বেইমানদের বাদ দিয়ে ইমানদার নিয়ে নৌকার তুলে নিন। হজরত নূহ (আ.) উক্ত দোয়া পাঠ করেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান। (সুরা হুদ-৪) ঈদে বাড়ি যেতে প্রায় সময়ে মাঝ রাস্তায় বিরতি দিয়ে থাকে। আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। (মুসলিম : ২৭০৮) ঈদে বাড়ি যাওয়ার সফরটা আমরা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতে পারি। যানবাহনে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থেকে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির, অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে বাড়ি যাওয়ার যাত্রার সময়কে আমলে অতিবাহিত করি। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য ও ভালো আচরণ করি। যাত্রাপথে বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করি। তিনজন একসঙ্গে বের হলো একজনকে নেতা নিযুক্ত করি। সফরে মুসাফির থাকাবস্থায় দোয়া করলেও কিন্তু কবুল হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি) ঈদে বাড়ি পৌঁছানোমাত্রই সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করাসহ রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। শুকরিয়া হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করাটা খুব উত্তম একটি কাজ। কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম) ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)🧳✈️⛱️
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল: ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ 🧳✈️⛱️ https://www.youtube.com/watch?v=fla8p2RZ7uY https://www.youtube.com/watch?v=yRAyqXQ8dNY https://www.youtube.com/watch?v=p07h6p6JZgE ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ কর্মস্থল ত্যাগপ্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার জন্য কর্মস্থল ত্যাগ করেন। ঈদে গ্রামে ফিরতে হলে অবশ্যই বাসা কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা খুবই জরুরি। যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন। দোয়াটি পাঠ করলে সব বিপদ থেকে নিরাপদ ও শয়তানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। দোয়াটি হলো- ‘বিসমিল্লাহ, তাওাক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ অর্থাৎ তখন তাকে বলা হয় : তুমি হিদায়াতপ্রাপ্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত হলে।’ (আবু দাউদ) সাধারণত বাস, ট্রেন, লঞ্চের মাধ্যমে আমরা গ্রামে যাই। আমরা যানবাহনে উঠতে খুব তাড়াহুড়া করি। বৃদ্ধ কিংবা মহিলাদের খেয়াল না করেই ধাক্কাধাক্কি করে প্রথমে ওঠার চেষ্টা করি। অনেক সময়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলার সময়ে লাফ দিয়ে উঠে পড়ি। যার ফলে তাড়াহুড়ার কারণে নিজে বা পাশে থাকা ব্যক্তি পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। এজন্য থেমে থাকাবস্থায় যানবাহনে উঠাতে হবে। যানবাহনে ওঠার সময়ে প্রথমে বিসমিল্লাহ পড়ে পা রেখে বসার পর আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা উত্তম। অতঃপর আরোহণের দোয়া পাঠ করে তিনবার আলহামদুলিল্লাহ ও তিনবার আল্লাহু আকবর বলে সর্বশেষ নিচের দেওয়া দোয়াটি পড়া যেতে পারে। ‘সুবহানাকা ইন্নি জলামতু নাফসি জুলমান কাছিরান ফাগফিরলি ইন্নাহু লাইয়াগফিরনিজ্জুনুবা ইল্লা আনত।’ (তিরমিজি) রসুল (সা.) যখন বাহনে (উট, ঘোড়া ইত্যাদি) চড়তেন, তখন নিম্নলিখিত দোয়া পাঠ করতেন- যানবাহনে ওঠার সময়ে যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় যা রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারিতে বসার পর পাঠ করতেন। ‘সুবহানাল্লাহু সাখখারালানা হা জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্করিনীন ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্কালিবুন। অর্থ : মহান পবিত্র তিনি যিনি আমাদের জন্য এটাকে অধীন নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন নতুবা আমরা তো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদের প্রভুর কাছে অবশ্যই ফিরে যেতে হবে। (সুরা যুখরুফ-১৩-১৪) তবে মুসলিম শরিফের বর্ণনায় পাওয়া যায় নিচের দোয়াটিও যানবাহনে ওঠার পর পাঠ করা যেতে পারে। দেয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফি সাফরিনা হা-জাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়া মিনাল আমালি মা তার দা আল্লাহুম্মা হাউয়িন আলাইনা সাফারনা হাযা, ওয়াতওই আন্না বুদাহু, আল্লাহুম্মা আনতাস্-সাহিবু ফিস্-সাফার, ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি ওয়াল মাল। আল্লাহুম্মা ইন্না নাউজুবিকা মিন ওয়া-ছা-ইস সাফারি ওয়া-কাআবাতিল মানজারি, ওয়া সুইল মুনকালাবি ফিল আহলি ওয়াল মাল। তবে নদীপথে যাওয়ার সময়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করা উত্তম। যা নূহ (আ.)-কে নির্দেশ করা হলো যে বেইমানদের বাদ দিয়ে ইমানদার নিয়ে নৌকার তুলে নিন। হজরত নূহ (আ.) উক্ত দোয়া পাঠ করেন, ‘বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়ামুসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম অর্থ : আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি আমার পানলনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন মেহেরবান। (সুরা হুদ-৪) ঈদে বাড়ি যেতে প্রায় সময়ে মাঝ রাস্তায় বিরতি দিয়ে থাকে। আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক অর্থ : আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা চাচ্ছি। (মুসলিম : ২৭০৮) ঈদে বাড়ি যাওয়ার সফরটা আমরা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতে পারি। যানবাহনে অপ্রয়োজনীয় কথা ও হাসিতামাশা থেকে বিরত থেকে কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ, জিকির, অতিরিক্ত দরুদ শরিফ পাঠ করে বাড়ি যাওয়ার যাত্রার সময়কে আমলে অতিবাহিত করি। পার্শ্ববর্তী যাত্রীদের সাহায্য ও ভালো আচরণ করি। যাত্রাপথে বিপদে পড়লে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করি। তিনজন একসঙ্গে বের হলো একজনকে নেতা নিযুক্ত করি। সফরে মুসাফির থাকাবস্থায় দোয়া করলেও কিন্তু কবুল হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি) ঈদে বাড়ি পৌঁছানোমাত্রই সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করাসহ রসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ শরিফ পাঠ করা প্রয়োজন। মহান আল্লাহ বিপদমুক্ত করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য বাড়িতে আসার তাওফিক দিয়েছেন। শুকরিয়া হিসেবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করাটা খুব উত্তম একটি কাজ। কা’ব ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত ‘রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম) ঈদে বাড়ি ফেরার পথে আমল 🧳✈️⛱️ রসুল (সা.) যখন সফর থেকে বাড়ি ফিরতেন তখন সর্বপ্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)🧳✈️⛱️