#hibiscus #stray #red #satipeeth #kalyaneswari_temple #kalyaneswari #motog825gshot #photographer #flowerseller #jobaphool #photo (at Kalyaneshwari Temple) https://www.instagram.com/p/Chr0KbKPhHu/?igshid=NGJjMDIxMWI=

seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from Lebanon

seen from United States
seen from Canada

seen from United States
seen from United States
seen from Malaysia
seen from United States
seen from United States
seen from Canada
seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from United States

seen from United States

seen from Germany
seen from United States
#hibiscus #stray #red #satipeeth #kalyaneswari_temple #kalyaneswari #motog825gshot #photographer #flowerseller #jobaphool #photo (at Kalyaneshwari Temple) https://www.instagram.com/p/Chr0KbKPhHu/?igshid=NGJjMDIxMWI=
৫১ পীঠের এক পীঠ নলাটেশ্বরী
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/satipeeth-nalateswari/
৫১ পীঠের এক পীঠ নলাটেশ্বরী
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাঢ় অঞ্চলের কিছু মানুষের বিশ্বাস সুদর্শন চক্রে কর্তিত হয়ে এখানে সতীর ললাট পড়েছিল। সেই থেকে দেবী হলেন মা ললাটেশ্বরী। তবে বেশিরভাগ মানুষের বিশ্বাস সতীর ললাট নয়, পড়েছিল কণ্ঠনালি বা নলা। যা থেকে হয়েছে মা নলাটেশ্বরী। আর জায়গাটির নাম হল নলহাটি। বীরভূমের সাঁইথিয়া থেকে বাসে বা ট্রেনে পৌঁছনো যায় নলহাটি। কিংবা হাওড়া থেকে কমবেশি সওয়া দু’শো কিমি ট্রেনযাত্রা করে নলহাটি স্টেশনে নামা। স্টেশনের পশ্চিমদিকে পাহাড়ের কোলে মা নলাটেশ্বরীর মন্দির। মায়ের পবিত্র অঙ্গটি রয়েছে মন্দিরেই মায়ের বিগ্রহে। মা নলাটেশ্বরীর পীঠ ঘিরে রয়েছে নানান কিংবদন্তি। সে প্রায় পাঁচ-সাড়ে পাঁচশো বছর আগের কথা। মাতৃসাধক স্মরনাথ শর্মা স্বপ্নে জানতে পারেন, বিষ্ণুচক্রে খণ্ডিত হয়ে সতীঅঙ্গ এখানে শিলারূপে বিরাজমান। দেবী তাঁকে স্বপ্নে জানান, “এখানে তুই আমার নিত্যপুজোর ব্যবস্থা কর সত্বর। তোর মঙ্গল হবে।” ক’টি কথা বলে দেবী অন্তর্হিত হলেন। সাধক স্মরনাথ শর্মা দেবীকে পেয়ে তাঁর নিত্যপুজোর ব্যবস্থা করে ভক্তকুলকে জানাতে লাগলেন দেবীমাহাত্ম্য। আবার কেউ কেউ বলেন, কাশীর ব্রাহ্মণকুমার ব্রহ্মচারী কামদেব দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে এখানে এসে এই পীঠ খুঁজে বার করেন। যাইহোক, সেকালে জায়গাটি ছিল গভীর জঙ্গলে ভরা। সেই জঙ্গলের গহনে ছিল তান্ত্রিকদের বাস। চলত তাঁদের তন্ত্রসাধনা। জানা যায়, বহু সাধক মায়ের পবিত্রভূমে সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। শোনা যায়, বর্গি সর্দার ভাস্কর পণ্ডিত নাকি মা নলাটেশ্বরীর মন্দিরে পুজো দিতে আসতেন। তবে বর্তমানে সেই জঙ্গল আর নেই। মানুষই সেসব সাফ করে বাসযোগ্য করে তুলেছে। পরবর্তী সময়ে মন্দিরের সংস্কার করেন নাটোরের রানি ভবানী। সেইসময় মন্দিরের ব্যয়ভারও নাকি নিয়েছিলেন নাটোরের রানিই। দেবীর ভৈরব যোগেশ। তাঁর মন্দিরের ভিত খোঁড়ার সময় পাওয়া যায় নারায়ণের পদচিহ্ন শিলা। মনে করা হয়, এ হল মায়েরই ইচ্ছা। ভৈরবের পুজোর আগে পুজো পান নারায়ণ। সেইকারণে নলাটেশ্বরী হয়ে উঠেছে বৈষ্ণব এবং শাক্তের মিলনক্ষেত্র। ফি-বছর দুই সম্প্রদায়ের বহু ভক্তমানুষ এখানে আসেন পুজো দিতে। মায়ের প্রতি নিত্য নিবেদন করা হয় অন্নভোগ। প্রণামীর বিনিময়ে অন্নভোগ সংগ্রহ করতে পারেন ভক্তেরা। মা খুব জাগ্রত। ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন। বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়া মন্দির বন্ধ হয় রাত আটটায়।
ছবি সৌজন্য: শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়
আরও পড়ুন:আশার আলো করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠছেন বহু রোগী