I am Shreya. Hope you are doing well. In this video I went to Sorbomangala mandir. You will get the rest of the nescesarry details in the video. If anyone i...

seen from Vietnam
seen from Italy

seen from United States

seen from Netherlands

seen from Japan
seen from Australia
seen from United Kingdom
seen from Malaysia
seen from Singapore

seen from United States

seen from China

seen from Japan
seen from Canada
seen from China
seen from China

seen from United Kingdom

seen from Malaysia

seen from France
seen from United States
seen from China
I am Shreya. Hope you are doing well. In this video I went to Sorbomangala mandir. You will get the rest of the nescesarry details in the video. If anyone i...
তন্ত্রচূড়ামণিতে ৫১ পীঠের ৪৯ তম লাভপুরের ফুল্লরা, সতীর ঠোঁট পড়েছিল এখানে
তন্ত্রচূড়ামণিতে ৫১ পীঠের ৪৯ তম লাভপুরের ফুল্লরা, সতীর ঠোঁট পড়েছিল এখানে
[ad_1]
কমলাক্ষ ভট্টাচার্য: বড় সুন্দর এই যাত্রাপথ। বারবার মনে আসছে জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা। কত বছর আগে প্রয়াগের কুম্ভমেলায় এক সাধুবাবা বলেছিলেন, নিজের দেশকে ভাল ভাবে জানলেই ভগবানকে জানা হয়ে যায়। কোনও একটা বিশ্বাসে আটকে যাওয়াই মৃত্যু। দেখতে দেখতে আর ভাবতে ভাবতে পৌঁছে যাওয়া লাভপুর। হেমন্তের আলোয় ঝলমল করছে শক্তিপীঠ ফুল্লরা। চারদিক গাছপালায় ঘেরা। বেশ একটা ছায়াময় পরিবেশ। লোকালয় থেকে একটু দূরে।…
View On WordPress
বিজলিবাতি সহ্য করতে পারেন না সতীপীঠের দেবী, সকাল-সন্ধ্যায় প্রদীপের আলোয় তিনি তুষ্ট
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/goddess-of-satipith-does-not-tolerate-electric-light/
বিজলিবাতি সহ্য করতে পারেন না সতীপীঠের দেবী, সকাল-সন্ধ্যায় প্রদীপের আলোয় তিনি তুষ্ট
বিজলিবাতি সহ্য করতে পারেন না সতীপীঠের দেবী, সকাল-সন্ধ্যায় প্রদীপের আলোয় তিনি তুষ্ট
মোহন গঙ্গোপাধ্যায়
সতীপীঠ আছে। দেবালয়ও আছে। এর স্থাপত্য বিরাজমান এবং এর পিছনে পৌরাণিক কাহিনিও লুকিয়ে আছে। অথচ একটিমাত্র প্রশ্ন কিংবা কৌতূহল আজও এলাকার মানুষের মনে ঘুরে বেড়ায়। তাহল সতীর দেবালয়ে যতবার বালব বা টিউব লাইটের আলো লাগানো হয়েছে ঠিক ততবারই ক্ষণিকের সময় পার হয়নি, নিভে গেছে। কিন্তু প্রদীপের আলো কখনও নিভে যায় না। অন্ধকার দেবালয়ে আজও দেবীর দর্শন পেতে প্রদীপের আলোই ভরসা। উল্লেখ্য, এই সতীপীঠটি হল হুগলির খানাকুলের ঘণ্টেশ্বর তলায়। কথিত, ৫১ সতীপীঠের রত্নাবলী একটি পীঠ। হুগলির খানাকুলের রত্নাকর নদীর ধারে সতীর দক্ষিণ কাঁধ পড়েছিল। যদিও রত্নাকর নদী এখন মজে গেছে। দেবী দুর্গা এখানে কুমারী এবং শিব ভৈরবরূপে পূজিত হয়ে আসছেন। দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন। অন্ধকার দেবালয়ে দেবীর দর্শন পান। এখানকার পুরোহিত জানান, দেবীর ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বালালেই সঙ্গেসঙ্গে নিভে যায়। এখনও তা ঘটে। প্রদীপের আলোয় থাকতে ভালবাসেন দেবী। এমনকী বছরের একটা দিন দীপাবলিতে ইচ্ছে থাকলেও আলোয় সাজানো যায় না। মা তুষ্ট নন। অথচ পাশেই ঘণ্টেশ্বর মন্দির। বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত। চৈত্র সংক্রান্তিতে মন্দির ও এলাকা চোখ জুড়ানো আলোর রোশনাই। অথচ সতীমায়ের মন্দির তখন অন্ধকারে ঢাকা। ভক্তদের আক্ষেপ কালীঘাট, কামাখ্যা, তারাপীঠের মতো স্থানে তো মা সর্বক্ষণ আলোয় উদ্ভাসিত। দু’চোখ ভরে এখানে মায়ের দর্শন পান ভক্তরা। বিপরীত চিত্র খানাকুলে। এখানে কেবল দেবালয়ে কান পাতলে ভক্তদের একটাই আবদার শোনা যায়, তাহল মা তোমার মুখটা উজ্জ্বল আলোয় দেখতে চাই একবার।
৫১ পীঠের একটি কঙ্কালীতলা
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/satipith-kankalitala/
৫১ পীঠের একটি কঙ্কালীতলা
নিজস্ব প্রতিনিধি: বোলপুর থেকে ন’কিমি দূরে কোপাই নদীর ধারে কঙ্কালীতলা। এটি সতীপীঠ। প্রাচীনকালে জায়গাটির পরিচিতি ছিল কাঞ্চি নামে। এখানে দক্ষযজ্ঞের সময় সতীর কাঁকাল পড়েছিল, তাই জায়গাটির নাম হয়েছে কঙ্কালীতলা। ভারতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’-এ উল্লেখ রয়েছে কঙ্কালীতলার। এই পীঠের দেবী গর্ভদেবী হিসেবেও প্রসিদ্ধ। ভৈরব রুরু নামে পূজিত হন। দেবীর মন্দির লাগোয়া একটি কুণ্ড রয়েছে। ওই কুণ্ডের মধ্যেই আছে দেবীর শরীরের অংশ। সেইসব প্রস্তরখণ্ড অর্থাৎ যেগুলি দেবীর শরীরের অংশ বলেই মনে করা হয়। সেগুলি প্রতি ২০ বছর অন্তর কুণ্ড থেকে তুলে পুজো করা হয়। তারপর আবার প্রস্তরখণ্ডগুলি জলে ডুবিয়ে রাখা হয়। কিংবদন্তি আছে, কঙ্কালীতলার কুণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যোগ আছে বেনারসের মণিকর্ণিকা ঘাটের। কঙ্কালীতলার সতীপীঠের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু অলৌকিক ঘটনা। অত্যন্ত জাগ্রত এই মন্দিরে কোনও বিগ্রহ বা প্রতিমা পুজো হয় না। সারা বছর ধরে প্রতি অমাবস্যায় হাজার হাজার ভক্ত ভিড় করেন মন্দিরে। কেউ এসে মানত করেন, কেউ-বা মনস্কামনা পূর্ণ হলে দেবীকে জানিয়ে যান। এখানে কিংবদন্তি আছে, দেবীর কাঁকল এক কুণ্ডের মধ্যে গোপনে গুপ্ত অবস্থায় রেখে গেছিলেন শিব। চৈত্রসংক্রান্তির দিন মায়ের আবির্ভাব। তাই এইদিন বিশেষ পুজো এবং উৎসব। মেলা বসে। লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থী ভিড় করেন কঙ্কালীতলার মন্দিরে।