বিবিএ মানে হচ্ছে ব্যাচেলর ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, অর্থাৎ, এই পুরো কোর্স জুড়ে শিখানো হবে, কিভাবে বিজনেস শুরু করতে হয়, কিভাবে বিজনেস রান করতে হয়, বিজনেসের বাধা গুলো কি কি, সেগুলো কিভাবে কাটাতে হবে সেগুলো। এই জিনিস আমরা শিখি পূর্বের ব্যাচগুলোতে তারা জিপিএ ৪ এ ৪ বা পোনে চার পেয়েছে তাদের কাছ থেকে। শুধুমাত্র বই মুখস্ত করে, কোন দিন কোন প্রকারের বিজনেসের সাথে যাদের সম্পৃক্ততা নেই, তারাই আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু। সেই বিবিএ শেষ করে, বিজনেস করা দূরে থাক, চাকরি জুটাতেই হিমশিম খেতে হয়। একটা বিবিএ ডিগ্রি কিনতে/ অর্জন করতে/ জোগাড় করতে/ পেতে প্রায় ৫ বছরের মতো সময় ও ৫-১৫ লক্ষ বা তার চেয়ে বেশি খরচ হয়, তথাপি এই সনদ না পারছে কাউকে বিজনেস শিখাতে না পারছে একটা জব নিশ্চিত করতে। এটার কোন ব্যাখ্যা ডিগ্রি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আপনাকে দিবে না। এরপর আসে এমবিএ। এটার মানে হলো মাস্টার ইন বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। অর্থাৎ বিজনেস করতে করতে বেশামাল অবস্থা, এখন একটু উচ্চতর জ্ঞান দরকার, তাদের জন্যে এমবিএ। তার মানে ৫-৭ বছর বিজনেসের সাথে সম্পৃক্ত থাকার পর আসে এমবিএর প্রশ্ন। তবে, আমাদের মধ্যে একবারে দুটো ডিগ্রি কিনে নিলে বাজারে বেশি দাম পাওয়া যেতে পারে, এই ভুল ধারনা থাকায়, আমরা নতুন করে, জমি জিরাত বেচে, ধার দেনা করে এই ডিগ্রীটি কিনতে/ অর্জন করতে/ জোগাড় করতে/ পেতে ব্যাকুল হয়ে যাই। আর ইভিনিং এমবিএ এর নামে যে ডিগ্রী বিজনেস চলে, তাতে একজন নতুন চাকুরিজীবীর প্রথম ২-৩ বছরের মোট বেতনের ৭০-৮০ শতাংশের বেশি চলে যায়, এর খরচ মেটাতে গিয়ে। ফলে তার কোন সঞ্চয় হয় না, এবং সারাজীবনের জন্যে সে পঙ্গুত্বের দিকে যেতে থাকে। বিবিএ এবং এমবিএ দুটি সনদ কিনতে কিনতে বয়স হয়ে যায় ৩০। পারিবারিক ভাবে তখন লোক দেখানো একটা বিয়ের চাপ চলে আসে। সেটা ফুটানি মেরে করতে গেলে লাগবে লোন। সেটা ব্যাংক থেকে নিতে গেলে দিতে হবে সুদ। ৩-৪ বছরের চাকরির সব টাকা তো এমবিএ কিনতেই শেষ। আর এভাবেই বিবিএ এমবিএ ধারী মানুষ জীবনে আর কিছু করতে পারে না। He He 😂😂😂 #BBA #national_university #confused https://www.instagram.com/p/CP7p6sgLJDj/?utm_medium=tumblr