Get rid of this corrupt FIFA
Aqua Utopia|海の底で記憶を紡ぐ
YOU ARE THE REASON
let's talk about Bridgerton tea, my ask is open
NASA

if i look back, i am lost

★
KIROKAZE

No title available

PR's Tumblrdome
almost home
Today's Document
Lint Roller? I Barely Know Her
Claire Keane
Mike Driver
RMH

oozey mess
Stranger Things
$LAYYYTER
No title available

No title available
seen from United States
seen from United States
seen from China

seen from Norway
seen from Kenya
seen from United States
seen from Pakistan
seen from Kenya
seen from Indonesia
seen from United States
seen from Jamaica

seen from United States
seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from United States
seen from United States
@zowad
Get rid of this corrupt FIFA
লাঠির গুণ
বনের মধ্যে পড়ন্ত বিকাল। খরগোশ ও সজাঁরু, দুই বন্ধু, গল্প করতে করতে বাড়ি ফিরছিল।
এই সময় কিছু একটাতে হেঁাচট খেয়ে খরগোশ মহা বিরক্ত হয়ে এক লাথিতে তা পথ থেকে সরিয়ে দিল। সজাঁরু তা লক্ষ্য করছিল, দৌড়ে গিয়ে তা কুড়িয়ে এনে বলল, “বাহ, কি সুন্দর একটা লাঠি পেলাম, খুব তো উড়িয়ে দিচ্ছিলে, দেখো, এটা কত কাজে লাগে।” খরগোশ কিছু না বলে মুচকি হাসল। তারা আবার পথ চলা শুরু করল।
কিছুদূর পরে হঠাৎ দেখা গেল পথ শেষ, সামনে একটা উঁচু ধাপ। খরগোশ এক লাফে উপরে উঠে টিটকারির সুরে বলল, “সঁজারু ভায়া, তুমি তো আবার লাফাতে পার না। কি করবে? কোনও ঘুর পথ ধরে না হয় এসো, আমি বসি।” সজাঁরু কিছুই না বলে একটু ভাবল, তারপর লাঠিটির উপর ভর করে পোল—ভল্টের কায়দায় লাফ দিয়ে উপরে উঠে এল। খরগোশ অবাক। “দেখলে ফেলনা জিনিস কি কাজ লাগে। চল, সময় হলে আরও কাজ দেখবে।” সঁজারু বলল।
একটু পরে চলার পথে কিছু ফলের গাছের দেখা মিলল। খুব সুন্দর সুন্দর পাকা ফল হযেছে, ঘ্রাণে মৌ মৌ, খরগোশ অনেক লাফ—ঝাঁপ করল, কিন্তু নাগাল পেল না। এদিকে সজাঁরু তার লাঠিটিকেই ছঁুড়ে মারল ও এতে ঝরঝর করে অনেক ফল পড়ল। লাঠিটি লগির কায়দায় ব্যবহার করেও কিছু ফল পাড়ল। পেট ভরে খেয়ে তারা আবার এগুল। কিন্তু, একটু পর একটা পনির নালা তাদের পথ অঁাটকাল। খরগোশও তা লাফিয়ে পার হতে পারবে না বলে জানাল। কিন্তু সজাঁরু লাঠিটি সাঁকোর মতো করে পাতালো ও দুজনে তার উপর দিয়ে হেঁটে পার হল।
এদিকে অন্ধকার হয়ে এলে কয়েকটি শেয়াল এসে খরগোশের উপর হামলা করল। কাঁটার ভয়ে সজাঁরুর দিকে তারা এগুল না, কিন্তু তাই বলে সজাঁরু বসে রইল না। সে লাঠিটি নিয়ে দমাদম শেয়ালগুলিকে পেটাতে লাগল। এই অদ্ভুত অস্ত্রের আঘাতে বাবারে মারে বলে শেয়ালগুলি পালাল। খরগোশ বসে বসে হাঁপাচ্ছিল, কোথায়ও তেমন না লাগলেও ভয়েই সে আধমরা, ভাল করে হাঁটতে পারছিল না। সঁজারু তাকে লাঠিটি দিল, তা নিয়ে সে ঠুক ঠুক করে এগুল।
একটু পরে তারা খরগোশের বাড়ি পেঁৗছুলো, খরগোশের বউ বাচ্চারা খুব চিন্তা করছিল। খরগোশ তার বৌকে বলল, “এই দেখো, এই বন্ধু আমার জীবন বাঁচিয়েছে।” “আমি না, এই লাঠি।” সঁজারুর এই কথা শুনে খরগোশ পরিবারের সবাই হেসে উঠল ও এরপর খুব সমীহ সহকারে লাঠিটিতে হাতে নিয়ে দেখতে লাগল। তা দেখে সঁজারু বলল, “আপনাদের এই লাঠিটি আমি উপহার দিলাম।” সঁজারুর এই কথা শুনে বাচ্চারা খুশীতে হাততালি দিতে লাগল।
খরগোশের বৌ বলল, “ভাইয়া, তবে একটা শর্তে আপনার এই উপহার নেব, আপনাকে আজ খেয়ে যেতে হবে।” খরগোশ বলল, “না, শুধু খাওয়া নয়। রাতটাও থেকেই যাও। খেয়ে দেয়ে আমরা অনেক গল্প করব।” সঁজারু মুচকি হেসে রাজী হয়ে গেল।
বিচিত্র প্রাণি মৌমাছি
নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও পুরুষ মৌমাছি বংশরক্ষা করে। মৌমাছি মৃত্যুকে মোটেও ভয় পায় না। একজন মানুষকে মারতে হলে প্রায় ১১০০ হুলের বিষ প্রয়োজন, কিন্ত প্রয়োজনে তারা সেটাও করবে। আনুমানিক ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য ১১০০ মৌমাছিকে প্রায় ৯০ হাজার মাইল পথ ঘুরতে হয়, যা কিনা চাদের কক্ষপথের প্রায় তিনগুণ! ফুলের হিসাব করলে দেখা যায় ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ ফুলের পরাগরেণু স্পর্শ করতে হয়। তারপরও সবকিছু ঠিক থাকলে ভালো মৌসুমে একটা এভারেজ চাকে প্রায় ৫৫ কেজি মধু জমা হয়। এসব থেকে আমরা বুঝতে পারি মৌমাছি কি পরিমাণ পরিশ্রমী।
মৌমাছির তিন লিঙ্গ, রাণী, পুরুষ ও শ্রমিক। রাণী মৌমাছি শুধু খায় আর ডিম পারে! রাণী প্রতিদিন ১৫০০ থেকে ২৫০০ ডিম দেয়। পুরুষ মৌমাছির স্বভাব বেশ অদ্ভুত। এরা জীবনেও কোন কাজ করে না, এমনকি কর্মী মৌমাছিকে এদের খাবার পর্যন্ত মুখে তুলে দিতে হয়। এদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হলো রাণী মৌমাছির সাথে মিলিত হওয়া। প্রজনন মৌসুমে প্রতিদিন দুপুরবেলা চাকের সর্বাধিক সক্ষম পুরুষ মৌমাছিগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ভিড় জমায় যাকে বলা হয় পুরুষসভা! ঠিক একই সময়ে চাক থেকে রাণী মৌমাছি ঘুরতে বের হয়, যাকে বলা হয় “দি মিটিং ফ্লাইট”। রাণী মৌমাছি হঠাৎ করে ঢুকে পড়ে পুরুষসভা এলাকায়। সে এসেই এক বিশেষ ধরণের গন্ধ ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে শত শত পুরুষ মৌমাছি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এর পরপরই রাণী মৌমাছি উড়ন্ত অবস্থায় পছন্দমত পুরুষের সাথে মিলন করে। রাণী মৌমাছি একেবারে পর্যায়ক্রমে ১৮-২০টা পুরুষ মৌমাছির সাথে মিলিত হতে পারে! অদ্ভুত ব্যাপার হল, মিলনের সময় পুরুষ মৌমাছির এন্ডোফেরাস ভেঙ্গে যায় এবং তখনই মারা যায় পুরুষ মৌমাছিটি। মানে প্রতিটি পুরুষ মৌমাছি একধরনের ওয়ান-টাইম পুরুষ।
একটি মৌচাকে একটি মাত্র রাণী বা স্ত্রী মৌমাছি থাকে। রাণীকে কেন্দ্র করেই মৌচাক গড়ে ওঠে। যদি কোন ডিম থেকে স্ত্রী মৌমাছির জন্ম হয় সেই স্ত্রী শিশু মৌমাছিকে কর্মী মৌমাছিরা লুকিয়ে রাখে যেন রাণীর নজরে না আসে। রাণীর নজরে পড়লে ঐ স্ত্রী শিশু মৌমাছির নিশ্চিত মৃত্যু । শিশু রাণী মৌমাছিটি বড় হলে দুই রাণীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। এতে দুটি পথ খোলা থাকে । হয় যুদ্ধে একজনের মৃত্যু, যাতে মৌচাকের কর্তৃত্ব গ্রহণ করতে পারে, না হয় একজন পালিয়ে গিয়ে আলাদা মৌচাক গড়ে তুলবে।
অনাকাঙ্খিতভাবে যদি কোন রাণী মৌমাছি মারা যায় তবে সে খবর ১৫ মিনিটের মধ্যে সকল কর্মী মৌমাছি জানতে পারে এবং সম্মিলিতভাবে নতুন রাণী মৌমাছি তৈরি করার উদ্যোগ নেয়। আরো কিছু অদ্ভুত বিষয় রয়েছে, যেমন একটি শ্রমিক বা কর্মী মৌমাছি সারা জীবনে আধা চা চামচ মধু তৈরি করতে পারে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীতে মধু একমাত্র খাদ্য যা কখনোই পঁচে না!
আমি কয়েক বছর ঢাকাস্থ সুইজারল্যান্ড দূতাবাসে একটা সিনিয়র পদে কর্মরত ছিলাম। সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মহোদয় ও অন্যান্য ডিপ্লোম্যাটদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতাম, এবং প্রায়ই তাঁদের বাসার পার্টিতে যেতে হত। বেশ ভাল লাগত। অবশ্য এর আগেও, ও বলতে গেলে আমার সমগ্র কর্মজীবন বিদেশীদের সাথে কাজ করতে হয়েছিল। জাতিসংঘেও ছিলাম কয়েক বছর। যাহোক, আমার সুইস কলিগদের প্রসঙ্গে আবার ফিরে আসি। তাঁদের একটা প্রিয় খাবার ছিল আমাদের দেশের সামান্য দু-টাকা (তখন) দামের সিঙ্গারা।
আমাদের অফিসে প্রতিদিন সকাল দশটার দিকে একটা টি টাইম ছিল। সেই টি টাইমে অবশ্যই সিঙ্গারা থাকত। প্রতিদিন কেউ না কেউ এটা পালাক্রমে আনাতেন, আর সবাই খেতাম। তখন দেখতাম সুইসরা এই সিঙ্গারা বেশ পছন্দ করে খাচ্ছেন। কারণ, এর ভিতর আলু বা সব্জি থাকে, এটা তাঁদের রুচির সাথে যেত।
তাঁরা সিঙ্গারা খান দেখে মাঝে মধ্যে আমরা মিষ্টিও অফার করতাম, কিন্ত তাঁরা মিষ্টি, মানে চমচম, রসগোল্লা, সন্দেশ, যাই হোক, সেগুলো মোটেও পছন্দ করতেন না, বলা চলে ছুঁয়েও দেখতেন না। এমনিতেই তাঁরা স্বাস্থ্য সচেতন, মিষ্টি খেতেন না। মিষ্ট দ্রব্যের মধ্যে শুধু কেকটা খেতেন। তাও সে কেক তৈরি হত তাঁদের বাসায়।
যাহোক, সিঙ্গারা তাঁদের এত পছন্দ হয়েছিল যে সুইস মহিলা কলিগরা এর রেসিপি শিখে অনেকে বাসায় বানানোর চেষ্টা করেছিলেন। বলতেন, সুইজারল্যান্ডে ফিরে এটা তাঁরা প্রমোট করবেন।
বেশ চমকপ্রদ নয় কি।
Every night you dream that you talk to a genie, when you wake up you can't remember what you wished for. One morning you wake up with a giant crab pincer replacing your right arm. What do you do?
I will try to wake up really hard.
নরখাদকের কাঁটাচামচ
এক ইংরেজ ভদ্রলোক বহুদূরের অচেনা এক দেশের রাজসভায় উপস্থিত হয়েছে। সেখানকার হবু রাজা এক সময় অক্সফোর্ডে লেখাপড়া করেছিল ও ঐ ইংরেজের সহপাঠি ছিল। সে এখন রাজা হবে, সেই অভিষেক অনুষ্ঠানে পুরোনো সহপাঠিকে নিমন্ত্রণ করে আনা হয়েছে এক জন রাজকীয় অতিথি হিসাবে। সেখানে ভদ্রলোক বেশ ভড়কে গেলেন। আলো-আঁধারিতে দ্রুম দ্রুম বাজনা বাজছে, নগ্নপ্রায় মানুষজন নৃত্য করছে, সবার পরণে কিম্ভুত পোশাক, সব মিলে বেশ গা ছমছমে পরিবেশ। তবে তাঁকে খুব সমাদার করে নব্য রাজার পাশে বসানো হল। তাঁরা খোশ-গল্প করতে লাগলেন। এমন সময় খাদ্য পানীয় পরিবেশন করা হল। পোড়া মাংসের গন্ধ পেয়ে ইংরেজ ভদ্রলোক সভয়ে লক্ষ্য করলেন নরমাংস পরিবেশিত হচ্ছে, আর তাঁর প্রাক্তন অক্সফোর্ডের সহপাঠিও তা খাচ্ছে। তিনি তাঁর অভিব্যক্তি লুকাতে পারলেন না, সখেদে বন্ধুকে বললেন, “ছিঃ তুমি না অক্সফোর্ডে পড়েছিলে, আর এখন কি না আদিম মানুষের মতো নরমাংস খাচ্ছ?” নব্য রাজা বিস্মিত হয়ে বলল, “কই, আদিম মানুষের মতো খাচ্ছি? দেখছ না আমি কাঁটা-চামচ ব্যবহার করছি? তোমাদের দেশ থেকেই তো শিখেছি।”
Infographic of the Week: The Benefits of Reading presented by the National Reading Campaign at Electric Literature. Carolyn Ross, a New Jersey high school teacher, discusses how to make reading more enjoyable for students.
We have learned to fly in the air like birds. We have learned to swim in the sea like fish. Now what's left is to learn to live on earth like humans.
My office lobby (Bays Edge-water building)
DITF 2016
Yesterday I visited Dhaka International Trade Fair (DITF) 2016. I found it as too much crowded, perhaps due to being holiday. The area is quite big, but there is no proper directional guides. So if one wants to have a quick exit, it is too difficult to find a way.
A "lie", which is believed by none, isn't a lie.
AMM Zowadul Karim Khan