মুসলিম শাসকদের সমালোচনা করা গিবাত ও পরনিন্দার অন্তর্ভুক্ত। শিরকের পর গিবাত ও পরনিন্দা সবচেয়ে মারাত্মক গুনাহ। ✍️শায়েখ সালেহ আল ফাওজান বইঃ মানহাজ প্রশ্নঃ ৪৮নং #ahle_design https://www.instagram.com/p/CWYd9ePvy_k/?utm_medium=tumblr

shark vs the universe
Three Goblin Art
Aqua Utopia|海の底で記憶を紡ぐ
NASA

祝日 / Permanent Vacation

JVL
Today's Document

izzy's playlists!
Acquired Stardust

oozey mess
RMH

@theartofmadeline
will byers stan first human second

No title available

No title available
Not today Justin

tannertan36

No title available

JBB: An Artblog!

Discoholic 🪩
seen from United States
seen from United States
seen from France

seen from China
seen from United States
seen from United States
seen from Poland

seen from Türkiye
seen from Belgium

seen from Germany
seen from Türkiye

seen from Israel
seen from United States
seen from Canada
seen from United States

seen from Denmark

seen from Singapore

seen from Canada
seen from Netherlands
seen from United States
@mdraselmondoll
মুসলিম শাসকদের সমালোচনা করা গিবাত ও পরনিন্দার অন্তর্ভুক্ত। শিরকের পর গিবাত ও পরনিন্দা সবচেয়ে মারাত্মক গুনাহ। ✍️শায়েখ সালেহ আল ফাওজান বইঃ মানহাজ প্রশ্নঃ ৪৮নং #ahle_design https://www.instagram.com/p/CWYd9ePvy_k/?utm_medium=tumblr
‘‘ঐ ব্যক্তির নাক ধূলায় ধুসরিত হোক যার কাছে রমযান মাস এসে চলে গেল অথচ তার পাপগুলো ক্ষমা করিয়ে নিতে পারল না।’’ (তিরমিযী : ৩৫৪৫) https://www.instagram.com/p/CN1laSajAqa/?igshid=qovs8kut1pon
আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা চট্টগ্রাম। সালাফী মাদরাসা গলি (প্রকাশ মুন বেকারী গলি) ,স্টিলমীল , পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম। 🛑দানশীল ভাই-বােনদের প্রতি আহ্বান🛑 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ প্রিয় সুধী, পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা (নির্মিতব্য) চট্টগ্রাম দ্বীন ইসলামের বিশুদ্ধ চর্চা, প্রচার ও প্রসারে ২০১৭ সাল হতে কাজ করে যাচ্ছে, ফালিল্লাহিলহামদ। দ্বীনি ইল্ম বিতরণ ও দায়ী ইলাল্লাহ তৈরী করার লক্ষ্যে নিয়ে ৬ শতাংশ জমির উপরে নির্মিত ৫ তলা ভবন। উক্ত ভবনে মহিলাদের জন্য পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা আবাসন এবং ছালাত আদায়ের পৃথক ব্যবস্থা আছে । ৫ম তলা ভবনের নির্মাণাধীন মহিলা মাদরাসার কাজ চলতেছে এবং ইতিমধ্যে ৪র্থ তলার ছাদের নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম বালক-বালিকা পৃথকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার কার্যক্রম চলতেছে এবং সামনে বৃহৎ পরিসরে আগানোর জন্যই আমাদের এই বৃহৎ পরিকল্পনা । আমাদের এখানে গরীব দুঃস্থ এবং ইয়াতিম মিসকিনদের শিক্ষার ব্যবস্থা আছে , এই সময়ে তাদের খরচ বহন করা এবং নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। এজন্য আমরা অনেকটা অর্থ সংকটেও পড়েছি। অতএব আমাদের অর্থ সংকট দূর করার জন্য আপনাদের কাছে আমাদের আরজ ও গুজার প্রিয় দানশীল ভাই ও বােনেরা, বিশুদ্ধ দ্বীন চর্চা ও এর প্রচার প্রসারে উক্ত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান বা মারকায (মসজিদ, মাদরাসা, দাওয়াহ সেন্টার, গ্রন্থাগার ইত্যাদি) নির্মাণে মাহে রামাযানে আপনার #সাদাকায়ে_জারিয়াহ এর একটি বৃহৎ অংশ #দান_করার আবেদন জানাচ্ছি। ছাদাকায়ে জারিয়ার এই অনন্য খাতে দান করে পরকালীন নাজাতের পথ সুগম করুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে উত্তম পুরস্কার দান করুন-আমীন। বিনীত, আপনার দ্বীনি ভাই হাফেয মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম খতিব ও ভাইস প্রিন্সিপাল। ইসলামী কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম। মোবাইলঃ 01943106676 🛑অর্থ প্রেরণের হিসাব নম্বর🛑 শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক (ওয়াশা মোড় ব্রাঞ্চ, চট্টগ্রাম) একাউন্ট নামঃ আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা চট্টগ্রাম হিসাব নং-3018-13100000063 বিকাশ নং- 01844-669189(পার্সোনাল) (at Chittagong) https://www.instagram.com/p/CNrdUgVDj_l/?igshid=15bkoyia94dal
আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা চট্টগ্রাম। সালাফী মাদরাসা গলি (প্রকাশ মুন বেকারী গলি) ,স্টিলমীল , পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম। 🛑দানশীল ভাই-বােনদের প্রতি আহ্বান🛑 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ প্রিয় সুধী, পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা (নির্মিতব্য) চট্টগ্রাম দ্বীন ইসলামের বিশুদ্ধ চর্চা, প্রচার ও প্রসারে ২০১৭ সাল হতে কাজ করে যাচ্ছে, ফালিল্লাহিলহামদ। দ্বীনি ইল্ম বিতরণ ও দায়ী ইলাল্লাহ তৈরী করার লক্ষ্যে নিয়ে ৬ শতাংশ জমির উপরে নির্মিত ৫ তলা ভবন। উক্ত ভবনে মহিলাদের জন্য পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা আবাসন এবং ছালাত আদায়ের পৃথক ব্যবস্থা আছে । ৫ম তলা ভবনের নির্মাণাধীন মহিলা মাদরাসার কাজ চলতেছে এবং ইতিমধ্যে ৪র্থ তলার ছাদের নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম বালক-বালিকা পৃথকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার কার্যক্রম চলতেছে এবং সামনে বৃহৎ পরিসরে আগানোর জন্যই আমাদের এই বৃহৎ পরিকল্পনা । আমাদের এখানে গরীব দুঃস্থ এবং ইয়াতিম মিসকিনদের শিক্ষার ব্যবস্থা আছে , এই সময়ে তাদের খরচ বহন করা এবং নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। এজন্য আমরা অনেকটা অর্থ সংকটেও পড়েছি। অতএব আমাদের অর্থ সংকট দূর করার জন্য আপনাদের কাছে আমাদের আরজ ও গুজার প্রিয় দানশীল ভাই ও বােনেরা, বিশুদ্ধ দ্বীন চর্চা ও এর প্রচার প্রসারে উক্ত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান বা মারকায (মসজিদ, মাদরাসা, দাওয়াহ সেন্টার, গ্রন্থাগার ইত্যাদি) নির্মাণে মাহে রামাযানে আপনার #সাদাকায়ে_জারিয়াহ এর একটি বৃহৎ অংশ #দান_করার আবেদন জানাচ্ছি। ছাদাকায়ে জারিয়ার এই অনন্য খাতে দান করে পরকালীন নাজাতের পথ সুগম করুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে উত্তম পুরস্কার দান করুন-আমীন। বিনীত, আপনার দ্বীনি ভাই হাফেয মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম খতিব ও ভাইস প্রিন্সিপাল। ইসলামী কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম। মোবাইলঃ 01943106676 🛑অর্থ প্রেরণের হিসাব নম্বর🛑 শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক (ওয়াশা মোড় ব্রাঞ্চ, চট্টগ্রাম) একাউন্ট নামঃ আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা চট্টগ্রাম হিসাব নং-3018-13100000063 বিকাশ নং- 01844-669189(পার্সোনাল) (at Chittagong) https://www.instagram.com/p/CNrdUgVDj_l/?igshid=15bkoyia94dal
❤️আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ,❤️ সম্মানিত দ্বীনি ভাই ও বোনেরা, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা একটি অলাভজনক দ্বীনি প্রতিষ্ঠান। আপনাদের দান-সাদাকা ও যাকাতের অর্থে চলে এই প্রতিষ্ঠান। ৮ জন শিক্ষক -শিক্ষিকা ২ জন কর্মচারীর বেতন প্রতি মাসে প্রায় ১ লক্ষ ব্যয় হয়। প্রতিষ্ঠানে রয়েছে গরীব মিসকিন ছাত্র-ছাত্রী যারা সম্পূর্ণ ফ্রী-তে লেখাপড়া করে। এবং এয়াতিম-মিসকিনদের খোরাকি বাবদ প্রতি মাসে প্রায় ৭০/৮০ হাজার ব্যয় হচ্ছে । এমতাবস্থায় আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনাদের যাকাত ও সাদাকা প্রদানের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাকতে সহায়তা করুন। 🛑 বিনীত: 🛑 হাফেয মুহাম্মদ শেখ সাদী সহ-সভাপতি ইসলামী কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম ০১৭১৫-৮৮০৮৬৬ 🛑 সার্বিক সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 🛑 >>বিকাশ পার্সোনাল<< ০১৮৪৪-৬৬৯১৮৯ 🛑 শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক 🛑 ওয়াশা মোড় ব্রাঞ্চ, চট্টগ্রাম একাউন্ট নাম: আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদরাসা চট্টগ্রাম। একাউন্ট নাম্বার: ৩০১৮-১৩১০০০০০০৬৩ । আপনারা চাইলে এটি কপি করে শেয়ার করতে পারবেন । প্রচারের জন্য HD picture link :- https://drive.google.com/file/d/1GgZ7C0GOlmPyJdQx8Y_v85bHt2fgmtu2/view?usp=drivesdk https://www.instagram.com/p/CNhGd8cD1vr/?igshid=1t023d86hi92q
#প্রশ্ন : আহলেহাদীছ আন্দোলন-এর কর্মপদ্ধতি কী? উত্তর : আহলেহাদীছ আন্দোলন-এর কর্মপদ্ধতি হ’ল দু’টি (১) আল্লাহর পথে দা‘ওয়াত (২) আল্লাহ বিরোধীদের সাথে জিহাদ। এই জিহাদ হবে জান, মাল, সময়, শ্রম, কথা, কলম ও সংগঠন তথা সর্বাত্মকভাবে বৈধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে। এক কথায় আহলেহাদীছ আন্দোলন-এর কর্মপদ্ধতি হ’ল দু’টি : দা‘ওয়াত ও জিহাদ। আসুন পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি। প্রচারের জন্য HD picture link ~ https://drive.google.com/file/d/1FNz-LjmgNuS-TFR51fRFqZ0cIqT_wIeN/view?usp=drivesdk https://www.instagram.com/p/CNc8R_XjiQh/?igshid=jw0ami8jwipj
ভাবা যায় 🤐🤐🤐🪓🪓 ওই সব মুজাহিদ গুলার জন্য এক বালতি আফসোস । আজান হয়ে যায় মাগার সলাতের খবর নাই , রাস্তা দিয়ে হেঁটে হেঁটে বিড়ি খেয়ে মানুষকে কষ্ট দেয় । আবার এই ছেলেটাই রাস্ট্রে দীন কায়েম করতে চায়, সেটাও আবার গনতান্ত্রিক পন্থায় 🤣🤣🪓🪓 https://www.instagram.com/p/CNXucJYjViN/?igshid=nxf9me3mkz57
আহলেহাদীছ মসজিদে হামলা : ইসলামী লেবাসে হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন মাসিক আত-তাহরীক : মূলপাতা > ফেব্রুয়ারী ২০২১ > প্রবন্ধ সমুহ https://at-tahreek.com/article_details/7631 দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের উত্তর পতেঙ্গায় স্টিলমিল বাযার সংলগ্ন মুন বেকারী গলিতে জনাব আব্দুশ শাকূর কর্তৃক দানকৃত জমিতে ২০১৩ সালে বায়তুর রহমান আহলেহাদীছ জামে মসজিদ ও ২০১৭ সালে আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আশপাশের সকল মসজিদই মাযহাব ও পীর পন্থীদের দ্বারা পরিচালিত। সঙ্গত কারণেই তাদের একচ্ছত্র বিদ‘আতী রাজত্বে ভাটা পড়ুক সেটা তারা কখনো কামনা করেনি। যেকোন মূল্যে ছহীহ আক্বীদার এই মারকায বন্ধ করাই যেন তাদের ব্রত। একের পর এক প্রতিবন্ধকতা চলতেই থাকে। অবশেষে ১৫ই অক্টোবর’১৭ পাঠের অনুপযোগী ছিন্ন কুরআন পানিতে ফেলাকে ইস্যু করে মাযহাব, পীর ও মাযারপন্থীরা একাট্টা হয়ে আহলেহাদীছ মসজিদ দখলের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। থানায় সালিশ বসলে সেখানে আহলেহাদীছ বিরোধী প্রায় দুই তিন হাযার লোক জড়ো করা হয়। একপ্রকার থানা ঘেরাও এর মত পরিস্থিতি। থানা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সালিশ বৈঠক থেকেই অন্যায়ভাবে মসজিদের জমিদাতা জনাব আব্দুশ শাকূর, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি ডা. শামীম আহসান ও ইমাম মুহাম্মাদ রফীকুল ইসলামসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে এবং পরদিন কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। এতেও তারা ক্ষান্ত হয়নি। রাস্তার মোড়ে মোড়ে আহলেহাদীছ বিরোধী ব্যানার, ফ্যাস্টুন টাঙ্গানো হয়। অতঃপর ২০শে অক্টোবর জুম‘আর ছালাতের পর পীর ও মাযার পন্থীদের প্রায় পাঁচ হাযার লোক আহলেহাদীছ বিরোধী বিশাল মিছিলে অবতীর্ণ হয়। এ সময় আহলেহাদীছ বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান, প্ল্যাকার্ড, ফ্যাস্টুন প্রদর্শন ছাড়াও হাযার হাযার লিফলেট বিতরণ করা হয়। কিন্তু মহান আল্লাহর অশেষ কৃপায় তাদের সকল ষড়যন্ত্র নস্যাত হয়। সরাসরি কেন্দ্রের নামে রেজিঃকৃত উক্ত জমিতে তারা দখলদারী কায়েম করতে ব্যর্থ হয়। সেই সাথে কারান্তরীণ দায়িত্বশীলগণও কিছুদিন পর মুক্তি লাভ করেন। ফালিল্লাহিল হাম্দ। তবে এখনো সেখানে বিদ‘আতী মৌলভীদের চাপে ও প্রশাসনের পরামর্শে মাইকে আযান দেওয়া বন্ধ আছে। আল্লাহ চাইলে এই প্রতিবন্ধকতাও দ্রুত কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। https://www.instagram.com/p/CNRlbicjPyj/?igshid=5t4wgseluspr
মাসিক যেলা ইজতেমা ও জুমার খুতবা মেহমান:- শায়েখ আব্দুল ওয়াদুদ, আরবী শিক্ষক ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা। ইজতেমার বিষয়:- তাকওয়া অর্জনের উপায়, স্থান:- বাইতুর রহমান আহলে হাদিস জামে মসজিদ কমপ্লেক্স স্টীলমীল ইস্টার্ন কেবল গেইটের বিপরীতে, মুন বেকারীর গলি, প্রকাশ রহমআলী সওদাগর গলি, পতেঙ্গা চট্রগ্রাম। বি দ্রঃ মা-বোনেরাও ইজতেমায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। প্রচারের জন্য HD picture link :- https://drive.google.com/file/d/193OnrjaAhUS8QvZD5A0EoCRMjZrP1BhV/view?usp=drivesdk https://www.instagram.com/p/CMgS4Msja5z/?igshid=6epd8h3vpiho
সমাজ বিপ্লবের ধারা তিনটি। ১. মূল তাওহীদকে উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে প্রথমে সমাজের আক্বীদা সংশোধনে ব্রতী হওয়া এবং নির্ভেজাল ইসলামের দিকে ফিরে যাওয়া- যা পবিত্র কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ হ’তে উৎসারিত। ২. ঈমান ও আমলের বৈপরীত্য দূর করা। এজন্য বাস্তব অনুভূতি নিয়ে কুরআন ও হাদীছ অধ্যয়ন করা। ৩- জাহেলিয়াতের সঙ্গে সর্বতোভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করা। অতএব জাহেলিয়াতের অনুসারী ব্যক্তি যদি নিজের বাপ-ভাই-সন্তান বা আত্মীয়-স্বজনও হয়, তথাপি তাদের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আল্লাহর কঠোর নির্দেশ পাঠ করুন সূরায়ে মুজাদালাহর শেষ আয়াতে। বর্ণিত তিনদফা কর্মপন্থাকেই আমরা ইসলামী সমাজ বিপ্লবের তিনটি ধারা হিসাবে গণ্য করতে চাই। 📖:- বই: সমাজ বিপ্লবের ধারা। ✒️ :- লেখক : প্রফসের ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব হাফিঃ (আমির আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ) https://www.instagram.com/p/CLhT8HoDMvC/?igshid=3a1zocg66krx
হে মুকাল্লিদ সন্ত্রাসীরা মনে রেখো ছাকিব ভাই এর এই উক্তিটি । 😊😊 . . . . . . https://www.instagram.com/p/CLUiilojWM-/?igshid=1wvxsnnyjpqo6
ইসলামী সমাজ বিপ্লবের আবশ্যিক পূর্বশর্ত (الشرائط اللازمة للثورة الاجتماعية الإسلامية) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সমস্যা সমূহের গোড়া ধরেই টান দিলেন এবং স্থায়ী সমাজ বিপ্লবের লক্ষ্যে আক্বীদা পরিবর্তনের আন্দোলন শুরু করলেন। সমাজের বিভিন্ন স্তরে গুটিকয়েক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রভু যেভাবে স্বাধীন মানুষকে নিজেদের গোলামে পরিণত করেছিল, সেই ছিনতাইকৃত সার্বভৌম ক্ষমতা নিরংকুশভাবে তিনি কেবলমাত্র আল্লাহর নিকট সোপর্দ করার আহবান জানালেন। ঘোষণা করলেন- لا اله الا الله ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’। ‘আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই’। আল্লাহর গোলামীর অধীনে সকল মানুষ স্বাধীন। সকল মানুষের অধিকার সমান। বলা বাহুল্য লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহর এই কালেমা সেদিন কেবল শ্লোগান মাত্র ছিল না। বরং এ ছিল সর্বাত্মক সমাজ বিপ্লবের উদাত্ত ঘোষণা। আরবরা আল্লাহ্কে জীবন-মৃত্যুর মালিক হিসাবে, সন্তানদাতা হিসাবে, রূযিদাতা হিসাবে মানতো। অনেকে আখেরাতে জওয়াবদিহিতায় বিশ্বাসী ছিল। কিন্তু জীবনের সর্বক্ষেত্রে ঐ একই হেদায়াতের জ্যোতিধারা থেকে আলো নিতে হবে, এ কথা তারা মানতে রাযী ছিল না। তারা ভাবতো এসব ক্ষেত্রে আমরাই ইলাহ। তারা এসকল ক্ষেত্রের সার্বভৌম ক্ষমতা আল্লাহর নিকট সোপর্দ করতে সম্মত হ’ল না। ফলে শুরু হ’ল ইসলাম ও জাহেলিয়াতের সরাসরি দ্বন্দ্ব। জাহেলিয়াতের শিখন্ডীরা আল্লাহর নবী (ছাঃ)- কে নেতৃত্বের টোপ দিল। অর্থ-সম্পদের লোভ দেখাল। আরও অন্যান্য লোভনীয় প্রস্তাব দিল। কিন্তু তিনি টললেন না। সমস্ত নিন্দা-অপবাদ ও বাধার ঝঞ্ঝাবাত সহ্য করে দৃঢ় হিমাদ্রির ন্যায় তিনি সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আক্বীদা সংশোধনের আন্দোলন চালাতে থাকলেন। ফলে দীর্ঘ তের বৎসরের মাক্কী জীবনে তৈরী হ’লেন এমন কিছু মর্দে মুজাহিদ তাযা সৈনিক, যারা সমাজ পরিবর্তনের কঠিন জিহাদে প্রত্যয়দৃঢ় সংকল্প নিয়ে দাঁড়িয়ে যেতে পারেন। যারা শুধু রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সাময়িক কোন সমস্যা নিয়ে নয় বরং সর্বাত্মক সমাজ বিপ্লবের চূড়ান্ত লক্ষ্যে ধীর অথচ দৃঢ় পদে এগিয়ে যেতে পারেন। ফলাফল সবারই জানা আছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাদানী জীবনে এবং তাঁর ইন্তেকালের পরে খেলাফতে রাশেদার স্বর্ণ যুগে যে অনুপম রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, দুনিয়ার ইতিহাসে তার কোন তুলনা নেই। উপরের সংক্ষিপ্ত আলোচনায় একথা বুঝা গেল যে, ইসলামী সমাজ বিপ্লবের আবশ্যিক পূর্বশর্ত হ’ল দু’টি।- ১. প্রথমে আক্বীদায় বিপ্লব আনা ২. নির্ভেজাল তাওহীদী আক্বীদায় বিশ্বাসী নিবেদিতপ্রাণ বিপ্লবী কর্মীদের একটি জামা‘আত গঠন করা। 📖 সমাজ বিপ্লবের ধারা পৃষ্ঠা ১১ ও ১২ । ✒️ প্রফেসর ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব হাফিঃ। https://www.instagram.com/p/CLTy3WwDfpm/?igshid=1c99hg604pk9o
শায়খ আব্দুর রায্যাক বিন ইউসুফের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণ নিঃসন্দেহে একটি নিন্দনীয় ঘটনা। যেভাবে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে আক্রমণকারীরা কেবল তীব্র আক্রোশ বা বিদ্বেষের বশবর্তীই নয়, বরং তারা রীতিমত হন্তাকারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। দিনে দিনে দ্বীনের ছহীহ দাওয়াত যত ছড়িয়ে পড়ছে, বিরোধী শক্তি ততই যেন অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে দেশের বেশ কয়েকটি যেলায় আহলেহাদীছ মসজিদ ও মাদরাসা ভাঙচুর হওয়ার ঘটনা পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। লা-মাযহাবী প্রতিরোধের জন্য সেমিনার, ওয়াজ মাহফিলে লাগামহীন বিষোদগারও কম হচ্ছে না। বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আহলেহাদীছদের প্রতিরোধে আলাদা বিভাগ পর্যন্ত খোলা হয়েছে। এখন আরো আগ বাড়িয়ে তা সরাসরি হত্যা প্রচেষ্টায় রুপান্তরিত হল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাতিলের এই ধারাবাহিক অপতৎপরতা থেকে হক্বপন্থীদেরকে হেফাযত করুন এবং এর বিনিময়ে ইহকালে ও পরকালে তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন। এই ঘটনা থেকে আমরা বুঝতে পারি হক্ব প্রতিষ্ঠার শ্বাপদসংকুল পথে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা কতটা প্রয়োজন। শয়তানী ওয়াসওয়াসা আমাদের বহু ভাইকে আজ বিচ্ছিন্নতাবাদী করে তুলেছে। কিন্তু আমরা আশাবাদী এই ঘটনা তাদেরকে নতুনভাবে শিক্ষাগ্রহণ করাবে এবং নিজেদের আত্মঘাতি তৎপরতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবাবে। সেই সাথে আমরা নিশ্চিত যে এই হামলার ঘটনা হক্বের দাওয়াতকে কোনক্রমেই রুদ্ধ করতে পারবে না। কেননা হকের গতি উজান স্রোতের মত। যতই তা বাধাগ্রস্ত হয়, ততই তা গতিপ্রাপ্ত হয়। ইনশাআল্লাহ সিলেটের মাটিতে এর মাধ্যমে হক্বের দাওয়াত আরো বেশী শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। শিরক ও বিদআতের শিকড় দূর্বল হয়ে পড়বে। বাতিলের রক্তচক্ষুতে এর কোনই ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাংলার যমীনকে হক্বের দাওয়াতের জন্য কবুল করে নিন এবং আমাদেরকে বাতিলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের এই সমাজ সংস্কার আন্দোলনকে দেশের সর্বত্র দূর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন! আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং শায়খসহ তাঁর সফরসঙ্গীদের সুস্থতা কামনা করছি। সেই সাথে প্রশাসন যেন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ভূমিকা গ্রহণ করে এবং দেশের অন্যত্রও বিরোধীশক্তির অপতৎপরতার ব্যাপারে কড়া নজরদারি রাখে, সে ব্যাপারে জোর দাবী জানাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে বাতিলের আক্রমণ থেকে হেফাযত করুন এবং বাংলার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে হকের দাওয়াত পৌঁছানোর তাওফীক দান করুন। আমীন! - ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ https://www.instagram.com/p/CLSGtdzjlPw/?igshid=1c0mneg6x7nkg
শায়খ আব্দুর রায্যাক বিন ইউসুফের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণ নিঃসন্দেহে একটি নিন্দনীয় ঘটনা। যেভাবে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে আক্রমণকারীরা কেবল তীব্র আক্রোশ বা বিদ্বেষের বশবর্তীই নয়, বরং তারা রীতিমত হন্তাকারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। দিনে দিনে দ্বীনের ছহীহ দাওয়াত যত ছড়িয়ে পড়ছে, বিরোধী শক্তি ততই যেন অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে দেশের বেশ কয়েকটি যেলায় আহলেহাদীছ মসজিদ ও মাদরাসা ভাঙচুর হওয়ার ঘটনা পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। লা-মাযহাবী প্রতিরোধের জন্য সেমিনার, ওয়াজ মাহফিলে লাগামহীন বিষোদগারও কম হচ্ছে না। বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আহলেহাদীছদের প্রতিরোধে আলাদা বিভাগ পর্যন্ত খোলা হয়েছে। এখন আরো আগ বাড়িয়ে তা সরাসরি হত্যা প্রচেষ্টায় রুপান্তরিত হল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাতিলের এই ধারাবাহিক অপতৎপরতা থেকে হক্বপন্থীদেরকে হেফাযত করুন এবং এর বিনিময়ে ইহকালে ও পরকালে তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন। এই ঘটনা থেকে আমরা বুঝতে পারি হক্ব প্রতিষ্ঠার শ্বাপদসংকুল পথে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা কতটা প্রয়োজন। শয়তানী ওয়াসওয়াসা আমাদের বহু ভাইকে আজ বিচ্ছিন্নতাবাদী করে তুলেছে। কিন্তু আমরা আশাবাদী এই ঘটনা তাদেরকে নতুনভাবে শিক্ষাগ্রহণ করাবে এবং নিজেদের আত্মঘাতি তৎপরতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবাবে। সেই সাথে আমরা নিশ্চিত যে এই হামলার ঘটনা হক্বের দাওয়াতকে কোনক্রমেই রুদ্ধ করতে পারবে না। কেননা হকের গতি উজান স্রোতের মত। যতই তা বাধাগ্রস্ত হয়, ততই তা গতিপ্রাপ্ত হয়। ইনশাআল্লাহ সিলেটের মাটিতে এর মাধ্যমে হক্বের দাওয়াত আরো বেশী শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। শিরক ও বিদআতের শিকড় দূর্বল হয়ে পড়বে। বাতিলের রক্তচক্ষুতে এর কোনই ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাংলার যমীনকে হক্বের দাওয়াতের জন্য কবুল করে নিন এবং আমাদেরকে বাতিলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের এই সমাজ সংস্কার আন্দোলনকে দেশের সর্বত্র দূর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন! আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং শায়খসহ তাঁর সফরসঙ্গীদের সুস্থতা কামনা করছি। সেই সাথে প্রশাসন যেন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ভূমিকা গ্রহণ করে এবং দেশের অন্যত্রও বিরোধীশক্তির অপতৎপরতার ব্যাপারে কড়া নজরদারি রাখে, সে ব্যাপারে জোর দাবী জানাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে বাতিলের আক্রমণ থেকে হেফাযত করুন এবং বাংলার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে হকের দাওয়াত পৌঁছানোর তাওফীক দান করুন। আমীন! - ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ https://www.instagram.com/p/CLSGtdzjlPw/?igshid=1c0mneg6x7nkg
শায়খ আব্দুর রায্যাক বিন ইউসুফের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণ নিঃসন্দেহে একটি নিন্দনীয় ঘটনা। যেভাবে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে আক্রমণকারীরা কেবল তীব্র আক্রোশ বা বিদ্বেষের বশবর্তীই নয়, বরং তারা রীতিমত হন্তাকারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। দিনে দিনে দ্বীনের ছহীহ দাওয়াত যত ছড়িয়ে পড়ছে, বিরোধী শক্তি ততই যেন অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে দেশের বেশ কয়েকটি যেলায় আহলেহাদীছ মসজিদ ও মাদরাসা ভাঙচুর হওয়ার ঘটনা পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। লা-মাযহাবী প্রতিরোধের জন্য সেমিনার, ওয়াজ মাহফিলে লাগামহীন বিষোদগারও কম হচ্ছে না। বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আহলেহাদীছদের প্রতিরোধে আলাদা বিভাগ পর্যন্ত খোলা হয়েছে। এখন আরো আগ বাড়িয়ে তা সরাসরি হত্যা প্রচেষ্টায় রুপান্তরিত হল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাতিলের এই ধারাবাহিক অপতৎপরতা থেকে হক্বপন্থীদেরকে হেফাযত করুন এবং এর বিনিময়ে ইহকালে ও পরকালে তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন। এই ঘটনা থেকে আমরা বুঝতে পারি হক্ব প্রতিষ্ঠার শ্বাপদসংকুল পথে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা কতটা প্রয়োজন। শয়তানী ওয়াসওয়াসা আমাদের বহু ভাইকে আজ বিচ্ছিন্নতাবাদী করে তুলেছে। কিন্তু আমরা আশাবাদী এই ঘটনা তাদেরকে নতুনভাবে শিক্ষাগ্রহণ করাবে এবং নিজেদের আত্মঘাতি তৎপরতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবাবে। সেই সাথে আমরা নিশ্চিত যে এই হামলার ঘটনা হক্বের দাওয়াতকে কোনক্রমেই রুদ্ধ করতে পারবে না। কেননা হকের গতি উজান স্রোতের মত। যতই তা বাধাগ্রস্ত হয়, ততই তা গতিপ্রাপ্ত হয়। ইনশাআল্লাহ সিলেটের মাটিতে এর মাধ্যমে হক্বের দাওয়াত আরো বেশী শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। শিরক ও বিদআতের শিকড় দূর্বল হয়ে পড়বে। বাতিলের রক্তচক্ষুতে এর কোনই ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাংলার যমীনকে হক্বের দাওয়াতের জন্য কবুল করে নিন এবং আমাদেরকে বাতিলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের এই সমাজ সংস্কার আন্দোলনকে দেশের সর্বত্র দূর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন! আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং শায়খসহ তাঁর সফরসঙ্গীদের সুস্থতা কামনা করছি। সেই সাথে প্রশাসন যেন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ভূমিকা গ্রহণ করে এবং দেশের অন্যত্রও বিরোধীশক্তির অপতৎপরতার ব্যাপারে কড়া নজরদারি রাখে, সে ব্যাপারে জোর দাবী জানাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে বাতিলের আক্রমণ থেকে হেফাযত করুন এবং বাংলার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে হকের দাওয়াত পৌঁছানোর তাওফীক দান করুন। আমীন! - ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ https://www.instagram.com/p/CLSGtdzjlPw/?igshid=1c0mneg6x7nkg
শায়খ আব্দুর রায্যাক বিন ইউসুফের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণ নিঃসন্দেহে একটি নিন্দনীয় ঘটনা। যেভাবে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে আক্রমণকারীরা কেবল তীব্র আক্রোশ বা বিদ্বেষের বশবর্তীই নয়, বরং তারা রীতিমত হন্তাকারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। দিনে দিনে দ্বীনের ছহীহ দাওয়াত যত ছড়িয়ে পড়ছে, বিরোধী শক্তি ততই যেন অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে দেশের বেশ কয়েকটি যেলায় আহলেহাদীছ মসজিদ ও মাদরাসা ভাঙচুর হওয়ার ঘটনা পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। লা-মাযহাবী প্রতিরোধের জন্য সেমিনার, ওয়াজ মাহফিলে লাগামহীন বিষোদগারও কম হচ্ছে না। বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আহলেহাদীছদের প্রতিরোধে আলাদা বিভাগ পর্যন্ত খোলা হয়েছে। এখন আরো আগ বাড়িয়ে তা সরাসরি হত্যা প্রচেষ্টায় রুপান্তরিত হল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাতিলের এই ধারাবাহিক অপতৎপরতা থেকে হক্বপন্থীদেরকে হেফাযত করুন এবং এর বিনিময়ে ইহকালে ও পরকালে তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন। এই ঘটনা থেকে আমরা বুঝতে পারি হক্ব প্রতিষ্ঠার শ্বাপদসংকুল পথে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা কতটা প্রয়োজন। শয়তানী ওয়াসওয়াসা আমাদের বহু ভাইকে আজ বিচ্ছিন্নতাবাদী করে তুলেছে। কিন্তু আমরা আশাবাদী এই ঘটনা তাদেরকে নতুনভাবে শিক্ষাগ্রহণ করাবে এবং নিজেদের আত্মঘাতি তৎপরতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবাবে। সেই সাথে আমরা নিশ্চিত যে এই হামলার ঘটনা হক্বের দাওয়াতকে কোনক্রমেই রুদ্ধ করতে পারবে না। কেননা হকের গতি উজান স্রোতের মত। যতই তা বাধাগ্রস্ত হয়, ততই তা গতিপ্রাপ্ত হয়। ইনশাআল্লাহ সিলেটের মাটিতে এর মাধ্যমে হক্বের দাওয়াত আরো বেশী শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। শিরক ও বিদআতের শিকড় দূর্বল হয়ে পড়বে। বাতিলের রক্তচক্ষুতে এর কোনই ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বাংলার যমীনকে হক্বের দাওয়াতের জন্য কবুল করে নিন এবং আমাদেরকে বাতিলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের এই সমাজ সংস্কার আন্দোলনকে দেশের সর্বত্র দূর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন! আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং শায়খসহ তাঁর সফরসঙ্গীদের সুস্থতা কামনা করছি। সেই সাথে প্রশাসন যেন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ভূমিকা গ্রহণ করে এবং দেশের অন্যত্রও বিরোধীশক্তির অপতৎপরতার ব্যাপারে কড়া নজরদারি রাখে, সে ব্যাপারে জোর দাবী জানাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে বাতিলের আক্রমণ থেকে হেফাযত করুন এবং বাংলার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে হকের দাওয়াত পৌঁছানোর তাওফীক দান করুন। আমীন! - ড. আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ https://www.instagram.com/p/CLSGtdzjlPw/?igshid=1c0mneg6x7nkg