Aww~ Yoo Joonghyuk is genuinely worried for his hubby 🥰 (Another post, another proof of joongdok)
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from Bulgaria
seen from Peru
seen from Tunisia
seen from China
seen from Brazil

seen from China

seen from Hong Kong SAR China
seen from New Zealand
seen from China
seen from China

seen from United States
seen from Japan
seen from India
seen from United States
seen from Poland

seen from Russia
seen from Brazil
Aww~ Yoo Joonghyuk is genuinely worried for his hubby 🥰 (Another post, another proof of joongdok)
*Jerome reaching the afterlife for the second time*
Jerome: Hey, demons! It's ya boy!
🤣 ah yes- nothing stranger than to see your own corpse yet your still alive. That's the second death for you 😂.
SKYWARP?!?!?!
*I repeatedly slap his face*
...... x-x
SKYWARP!?
.... x-x..
Skywarp?
.... x-x
tommy keeps murdering tubbo :(
রাজ্যে করোনার বলি এক মহিলা, মৃত্যু বেড়ে ২
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/corona-death-toll-reach-to-2-in-wb/
রাজ্যে করোনার বলি এক মহিলা, মৃত্যু বেড়ে ২
:বিশেষ সংবাদদাতা : রাজ্যে করোনা ভাইরাসের আক্রমণে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এবার এক মহিলা মারা গেলেন উত্তরবঙ্গে। বাড়ি কালিম্পঙে। গতকাল রাত দুটোয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। কালিম্পংয়ের গরুবাথান ব্লকের বাসিন্দা ৪৫ বছরের মহিলা কর্মসূত্রে চেন্নাইতে থাকতেন । দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার আগে গত মঙ্গলবার তিনি চেন্নাই থেকে ফিরেছিলেন বাড়িতে। পরদিন তাঁর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। বুকে ব্যথা ক্রমশ তীব্র হওয়ায় প্রথমে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান তিনি। সেখান থেকে তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় উত্তরবঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। গত শনিবার রাতে রক্তপরীক্ষার রিপোর্টে জানা যায়, তিনি করোনায় আক্রান্ত। আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয় তাঁকে। রবিবার দুপুর পর্যন্ত ওষুধে সাড়া দিচ্ছিলেন কালিম্পংয়ের ওই মহিলা। কিন্তু সন্ধে হতেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রাত ২টো নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। তাঁকে নিয়ে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই। এর অগে দমদমের ৫৭ বছরের এক রেলকর্মীর মৃত্যু হয় সল্টলেকের হাসপাতালে। মহিলার শরীরে করোনা ভাইরাসের কোনও লক্ষণই দেখতে পাননি চিকিৎসকরা। তাঁর গলার লালা সংগ্রহ করে নমুনা পাঠানো হয় নাইসেডে। শনিবার পরীক্ষার রিপোর্টে ওই মহিলা করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। মহিলার শরীরের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার অন্য কোনও উপসর্গ না থাকায় রিপোর্ট দেখে কিছুটা হতবাক হন ডাক্তাররাও। তাঁর মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, তাঁর মেয়ের শরীরে কোনও ভাইরাস নেই। এই সময়ে মৃত মহিলা কার সংস্পর্শে এসেছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে রবিবারই নতুন করে রাজ্যের তিনজনের শরীরে মিলেছে ভাইরাস। তাঁর মধ্যে একজন আলিপুর কমান্ড হাসপাতালের চিকিৎসক। তিনি সম্প্রতি দিল্লি থেকে ফেরেন। অন্য দুজনের বাড়ি বরানগর এবং শেওড়াফুলিতে। রাজ্যে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২১।