#frompokharawithlove #flashback2018 #nepaldiaries #pokharadiaries #bucketlistadventures #travelgirl #travelstories #travelmoreworryless #traveladdict #travellife #traveljunkie #traveldiaries #travelholic #traveljournal #travelinspiration #travelislife : পোখারা এযাবৎকালে আমার পা রাখা শহরগুলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রিয় নিঃসন্দেহে। এমন ইন্টারন্যাশনাল ক্রাউডওয়ালা একটা শহর যেখানে প্রতিটা মানুষ নিজের মতো সময় কাটাচ্ছে, আনন্দ করছে, ধ্যান করছে, পাহাড়ে উঠছে, স্পা করাচ্ছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে, শপিং করছে, যার যা ইচ্ছা তা-ই করছে, কিন্তু কেউ অন্য কারো কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না। আর এই শহরে আমি মাত্র ২৪ ঘণ্টা থাকব শুনে যেই দুই ডজন নেপালী হোস্ট দুঃখ পাইসে তাদের দুঃখ দেখেই নিজেও ঠিক করে রাখসি যে এর পরে নেপাল গেলে অন্তত ১৫ দিন পোখারায় কাটব। তো পোখারায় নেপাল সফরের তৃতীয় দিনের শুরুটায় #bucketlist থেকে বাঞ্জি জাম্পিং টিক অফ করার জন্য সকাল ৮টায় হোস্টেলের কমপ্লিমেন্টারি নাস্তা না খেয়ে দৌড় দিয়ে রাস্তার ওই পাড়ের পিক আপ পয়েন্টে গিয়ে দেখি ব্যাক্কল কিসিমের কথাবার্তাঅলা বাটপার ট্যুর এজেন্ট কী নামে আমার বুকিং দিসে সেটা খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না, আর হ্লারপোহ্লা ফোনও ধরতেসে না। যাই হোক, সমস্যা সমাধান হতেই টিমমেট বেলজিয়ান সপ্তদশী বালককে বললাম, আমার জন্য অপেক্ষা করো, আমি ১০ মিনিটে আসতেসি। বলেই দৌড়ায়ে আবার হোস্টেলে ফিরে বললাম আমার নাস্তার বনরুটি প্যাক করে দাও, আর ডিম আর কফি এক্ষণ দাও, খেয়ে দৌড় দিব। নাকে-মুখে ডিম আর কফি টেনে আবার দৌড়ায়ে পিক আপ পয়েন্টে গিয়ে দেখি বেলজিয়ান বালকের সাথে আমার দেশী প্রতিবেশী দুই ভাই আমার টিমমেট। তারা দুইজনই আমার বাসার ১০০ গজের মধ্যে ক্যাম্পাসওয়ালা বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির সাবেক ছাত্র। তো এই তিন টিমমেটের সাথে বাঞ্জি জাম্পিং সেরে পিক-ড্রপ পয়েন্টে না ফিরেই আধা রাস্তায় নেমে প্যারাগ্লাইডিংয়ের জন্য গাড়িতে উঠতে গিয়ে সেই গাড়ি আমাকে যেখানে দাঁড়াতে বলল আমি মার্চপাস্ট করে তার দুই কিলোমিটার দূরে গিয়ে এক দোকানের নেপালী আন্টিকে আমার ফোন ধরায়ে দিয়ে আমার লোকেশান তাদের বুঝলাম। আরো আধা ঘণ্টা পরে তারা আমাকে খুঁজে বের করে প্যারাগ্লাইডিং পয়েন্টে নিয়ে কার্য সমাধা করে আবার পোখারা সিক্সে তাদের অফিসে ফেরত আনার পরে ওই অফিসশুদ্ধা থাকা ৮-১০ ছেলেপেলে আমি ওইদিনই রাতের বাসে কাঠমান্ডু ফিরব শুনে আরেক দফা হাহুতাশ করে উঠলে তাদের সমবেদনা জানায়ে আবার হোস্টেলের দিকে হাঁটার সময় নানী বা দাদীর কোলে থাকা এই মহাহাসিখুশি শিশুটি তার দিকে তাকায়ে আমার হাসির এমন দিলখোলা উত্তর দিলে তার এই ছবি দুইটা তোলা হয়। (at Pokhara-6, Lakeside) https://www.instagram.com/p/CQWZNr3sane/?utm_medium=tumblr














