#Dua #prayer #business #help #helpfromAllah #halal #halalearnings #halalbusiness #Allahhelpme #faith #Islam
seen from Singapore

seen from T1

seen from Maldives

seen from United Kingdom
seen from Estonia
seen from United States

seen from T1

seen from T1
seen from T1
seen from Brazil
seen from China
seen from United States

seen from China
seen from Bangladesh
seen from Türkiye
seen from Malaysia
seen from China
seen from South Korea
seen from China
seen from China
#Dua #prayer #business #help #helpfromAllah #halal #halalearnings #halalbusiness #Allahhelpme #faith #Islam
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
"আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে" (أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ) এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহ-র ২১৪ নং আয়াতে বর্ণিত একটি মহান প্রতিশ্রুতি। চরম বিপদ, হতাশা বা সংকটের মুহূর্তে ঈমানদারদের ধৈর্য ধারণের জন্য এই বাণী সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখায়]। এই আয়াত অনুযায়ী, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে এবং তা খুবই নিকটে ।
মূল বিষয়সমূহ:
বিপদের সময় সান্ত্বনা: যখন মুমিনরা ভয় ও কঠিন সংকটের মুখোমুখি হয়, তখন এই আয়াত তাদের মনে করায় যে, সাহায্য আসার সময় হয়ে গেছে।
পরীক্ষা ও ধৈর্য: পূর্ববর্তী নবী ও ঈমানদাররাও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিলেন।
আস্থার জায়গা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রাখা এবং হতাশ না হওয়া হলো এই বাণীর মূল শিক্ষা।
সাহায্য লাভের উপায়: আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য পারস্পরিক কল্যাণকামিতা এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত সার: এটি একটি কুরআনী ঘোষণা যা মুমিনদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় খুবই কাছের ।
কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?
মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর সাহায্য পায়, যতক্ষণ তারা একে অপরের উপকারী থাকে। যখনই তারা পারস্পরিক কল্যাণকামিতার পরিবর্তে অকল্যাণ কামনায় লিপ্ত হয়ে যায়, যখনই তাদের মধ্যে তৈরি হয় খেয়ানতের পরিবেশ, তখনই আল্লাহতায়ালা সাহায্য উঠিয়ে নেন।
আল্লাহ কি আমার সমস্যায় সাহায্য করবেন?
তোমার দিনগুলো হয়তো এখন অন্ধকারে কাটছে এবং তোমার মনে হতে পারে যে তোমার জন্য আর কোন আশা নেই, কিন্তু আল্লাহ সবসময় তোমার জন্য একটা পথ করে দেবেন, তিনি সবসময় তোমার সাথে থাকবেন । যখন তুমি দুর্বল বোধ করবে তখন তার দিকে ফিরে যাও, তার সাথে কথা বলো এবং তার কাছে কান্নাকাটি করো। তোমার প্রভুর কাছে কান্নাকাটি করা এবং তাঁর কাছে নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়
আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী হওয়ার নিদর্শন কি কি?
তিনটি লক্ষণ যা রবের কাছ থেকে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে আল্লাহর মুখের হাসি, ইতিবাচক মনোভাব এবং স্বাস্থ্যের আকাঙ্ক্ষা । তারা ভালো প্রত্যাশা, ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ এবং তাকদীরে সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়
কিভাবে বুঝবো আল্লাহ আমাকে সাহায্য করছে কিনা?
প্রভু আপনার প্রার্থনা শুনছেন এবং সাড়া দিচ্ছেন তা নির্ধারণ করার একটি প্রায়শই উপেক্ষা করা উপায় হল আশার এক ব্যাখ্যাতীত অনুভূতি । আমার মনে হয় আমরা সকলেই এক না এক সময়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। আপনি কোনও কিছুর জন্য প্রার্থনা করেন এবং, কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটার আগে, আপনি আরও আশাবাদী বোধ করেন।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপায়ঃ আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা । মুমিন ব্যক্তি যখনই বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখে এবং তাকদীরের ওপর বিশ্বাস রেখে তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তখনই আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়।
আল্লাহর সাহায্য লাভের বিশেষ উপায়সমূহ:
ইখলাস ও খাঁটি বিশ্বাস: সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা (ইখলাস) এবং একমাত্র তাঁর সাহায্যই যথেষ্ট—এই বিশ্বাস রাখা ।
সালাত ও ধৈর্য ধারণ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো" (সূরা বাকারা: ৪৫) ।
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার
:
বিপদ ও সঙ্কটে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য চাওয়ার দোয়া করা, যেমন—
‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’
]।
হালাল রিজিক ও তাকওয়া: হারাম উপার্জনকে বর্জন করা এবং আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম শর্ত ।
পরস্পর কল্যাণকামিতা: মানুষ যতক্ষণ একে অপরের উপকারে লিপ্ত থাকে, ততক্ষণ আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে ।
জান্নাতের গুপ্তধন পাঠ: প্রতিদিন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা আশ্রয় নেই) পাঠ করা ।
নবী-রাসূলগণের দোয়ার অনুসরণ: কঠিন সময়ে হযরত ইউনুস (আ.)-এর দোআ—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন’ পাঠ করা ।
সর্বোপরি, নিজের অক্ষমতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর সাহায্য অবশ্যই পাওয়া যায় ।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
"আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে" (أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ) এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহ-র ২১৪ নং আয়াতে বর্ণিত একটি মহান প্রতিশ্রুতি। চরম বিপদ, হতাশা বা সংকটের মুহূর্তে ঈমানদারদের ধৈর্য ধারণের জন্য এই বাণী সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখায়]। এই আয়াত অনুযায়ী, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে এবং তা খুবই নিকটে ।
মূল বিষয়সমূহ:
বিপদের সময় সান্ত্বনা: যখন মুমিনরা ভয় ও কঠিন সংকটের মুখোমুখি হয়, তখন এই আয়াত তাদের মনে করায় যে, সাহায্য আসার সময় হয়ে গেছে।
পরীক্ষা ও ধৈর্য: পূর্ববর্তী নবী ও ঈমানদাররাও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিলেন।
আস্থার জায়গা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রাখা এবং হতাশ না হওয়া হলো এই বাণীর মূল শিক্ষা।
সাহায্য লাভের উপায়: আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য পারস্পরিক কল্যাণকামিতা এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত সার: এটি একটি কুরআনী ঘোষণা যা মুমিনদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় খুবই কাছের ।
কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?
মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর সাহায্য পায়, যতক্ষণ তারা একে অপরের উপকারী থাকে। যখনই তারা পারস্পরিক কল্যাণকামিতার পরিবর্তে অকল্যাণ কামনায় লিপ্ত হয়ে যায়, যখনই তাদের মধ্যে তৈরি হয় খেয়ানতের পরিবেশ, তখনই আল্লাহতায়ালা সাহায্য উঠিয়ে নেন।
আল্লাহ কি আমার সমস্যায় সাহায্য করবেন?
তোমার দিনগুলো হয়তো এখন অন্ধকারে কাটছে এবং তোমার মনে হতে পারে যে তোমার জন্য আর কোন আশা নেই, কিন্তু আল্লাহ সবসময় তোমার জন্য একটা পথ করে দেবেন, তিনি সবসময় তোমার সাথে থাকবেন । যখন তুমি দুর্বল বোধ করবে তখন তার দিকে ফিরে যাও, তার সাথে কথা বলো এবং তার কাছে কান্নাকাটি করো। তোমার প্রভুর কাছে কান্নাকাটি করা এবং তাঁর কাছে নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়
আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী হওয়ার নিদর্শন কি কি?
তিনটি লক্ষণ যা রবের কাছ থেকে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে আল্লাহর মুখের হাসি, ইতিবাচক মনোভাব এবং স্বাস্থ্যের আকাঙ্ক্ষা । তারা ভালো প্রত্যাশা, ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ এবং তাকদীরে সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়
কিভাবে বুঝবো আল্লাহ আমাকে সাহায্য করছে কিনা?
প্রভু আপনার প্রার্থনা শুনছেন এবং সাড়া দিচ্ছেন তা নির্ধারণ করার একটি প্রায়শই উপেক্ষা করা উপায় হল আশার এক ব্যাখ্যাতীত অনুভূতি । আমার মনে হয় আমরা সকলেই এক না এক সময়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। আপনি কোনও কিছুর জন্য প্রার্থনা করেন এবং, কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটার আগে, আপনি আরও আশাবাদী বোধ করেন।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপায়ঃ আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা । মুমিন ব্যক্তি যখনই বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখে এবং তাকদীরের ওপর বিশ্বাস রেখে তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তখনই আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়।
আল্লাহর সাহায্য লাভের বিশেষ উপায়সমূহ:
ইখলাস ও খাঁটি বিশ্বাস: সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা (ইখলাস) এবং একমাত্র তাঁর সাহায্যই যথেষ্ট—এই বিশ্বাস রাখা ।
সালাত ও ধৈর্য ধারণ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো" (সূরা বাকারা: ৪৫) ।
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার
:
বিপদ ও সঙ্কটে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য চাওয়ার দোয়া করা, যেমন—
‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’
]।
হালাল রিজিক ও তাকওয়া: হারাম উপার্জনকে বর্জন করা এবং আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম শর্ত ।
পরস্পর কল্যাণকামিতা: মানুষ যতক্ষণ একে অপরের উপকারে লিপ্ত থাকে, ততক্ষণ আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে ।
জান্নাতের গুপ্তধন পাঠ: প্রতিদিন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা আশ্রয় নেই) পাঠ করা ।
নবী-রাসূলগণের দোয়ার অনুসরণ: কঠিন সময়ে হযরত ইউনুস (আ.)-এর দোআ—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন’ পাঠ করা ।
সর্বোপরি, নিজের অক্ষমতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর সাহায্য অবশ্যই পাওয়া যায় ।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
"আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে" (أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ) এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহ-র ২১৪ নং আয়াতে বর্ণিত একটি মহান প্রতিশ্রুতি। চরম বিপদ, হতাশা বা সংকটের মুহূর্তে ঈমানদারদের ধৈর্য ধারণের জন্য এই বাণী সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখায়]। এই আয়াত অনুযায়ী, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে এবং তা খুবই নিকটে ।
মূল বিষয়সমূহ:
বিপদের সময় সান্ত্বনা: যখন মুমিনরা ভয় ও কঠিন সংকটের মুখোমুখি হয়, তখন এই আয়াত তাদের মনে করায় যে, সাহায্য আসার সময় হয়ে গেছে।
পরীক্ষা ও ধৈর্য: পূর্ববর্তী নবী ও ঈমানদাররাও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিলেন।
আস্থার জায়গা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রাখা এবং হতাশ না হওয়া হলো এই বাণীর মূল শিক্ষা।
সাহায্য লাভের উপায়: আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য পারস্পরিক কল্যাণকামিতা এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত সার: এটি একটি কুরআনী ঘোষণা যা মুমিনদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় খুবই কাছের ।
কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?
মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর সাহায্য পায়, যতক্ষণ তারা একে অপরের উপকারী থাকে। যখনই তারা পারস্পরিক কল্যাণকামিতার পরিবর্তে অকল্যাণ কামনায় লিপ্ত হয়ে যায়, যখনই তাদের মধ্যে তৈরি হয় খেয়ানতের পরিবেশ, তখনই আল্লাহতায়ালা সাহায্য উঠিয়ে নেন।
আল্লাহ কি আমার সমস্যায় সাহায্য করবেন?
তোমার দিনগুলো হয়তো এখন অন্ধকারে কাটছে এবং তোমার মনে হতে পারে যে তোমার জন্য আর কোন আশা নেই, কিন্তু আল্লাহ সবসময় তোমার জন্য একটা পথ করে দেবেন, তিনি সবসময় তোমার সাথে থাকবেন । যখন তুমি দুর্বল বোধ করবে তখন তার দিকে ফিরে যাও, তার সাথে কথা বলো এবং তার কাছে কান্নাকাটি করো। তোমার প্রভুর কাছে কান্নাকাটি করা এবং তাঁর কাছে নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়
আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী হওয়ার নিদর্শন কি কি?
তিনটি লক্ষণ যা রবের কাছ থেকে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে আল্লাহর মুখের হাসি, ইতিবাচক মনোভাব এবং স্বাস্থ্যের আকাঙ্ক্ষা । তারা ভালো প্রত্যাশা, ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ এবং তাকদীরে সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়
কিভাবে বুঝবো আল্লাহ আমাকে সাহায্য করছে কিনা?
প্রভু আপনার প্রার্থনা শুনছেন এবং সাড়া দিচ্ছেন তা নির্ধারণ করার একটি প্রায়শই উপেক্ষা করা উপায় হল আশার এক ব্যাখ্যাতীত অনুভূতি । আমার মনে হয় আমরা সকলেই এক না এক সময়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। আপনি কোনও কিছুর জন্য প্রার্থনা করেন এবং, কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটার আগে, আপনি আরও আশাবাদী বোধ করেন।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপায়ঃ আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা । মুমিন ব্যক্তি যখনই বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখে এবং তাকদীরের ওপর বিশ্বাস রেখে তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তখনই আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়।
আল্লাহর সাহায্য লাভের বিশেষ উপায়সমূহ:
ইখলাস ও খাঁটি বিশ্বাস: সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা (ইখলাস) এবং একমাত্র তাঁর সাহায্যই যথেষ্ট—এই বিশ্বাস রাখা ।
সালাত ও ধৈর্য ধারণ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো" (সূরা বাকারা: ৪৫) ।
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার
:
বিপদ ও সঙ্কটে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য চাওয়ার দোয়া করা, যেমন—
‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’
]।
হালাল রিজিক ও তাকওয়া: হারাম উপার্জনকে বর্জন করা এবং আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম শর্ত ।
পরস্পর কল্যাণকামিতা: মানুষ যতক্ষণ একে অপরের উপকারে লিপ্ত থাকে, ততক্ষণ আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে ।
জান্নাতের গুপ্তধন পাঠ: প্রতিদিন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা আশ্রয় নেই) পাঠ করা ।
নবী-রাসূলগণের দোয়ার অনুসরণ: কঠিন সময়ে হযরত ইউনুস (আ.)-এর দোআ—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন’ পাঠ করা ।
সর্বোপরি, নিজের অক্ষমতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর সাহায্য অবশ্যই পাওয়া যায় ।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
"আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে" (أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ) এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহ-র ২১৪ নং আয়াতে বর্ণিত একটি মহান প্রতিশ্রুতি। চরম বিপদ, হতাশা বা সংকটের মুহূর্তে ঈমানদারদের ধৈর্য ধারণের জন্য এই বাণী সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখায়]। এই আয়াত অনুযায়ী, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে এবং তা খুবই নিকটে ।
মূল বিষয়সমূহ:
বিপদের সময় সান্ত্বনা: যখন মুমিনরা ভয় ও কঠিন সংকটের মুখোমুখি হয়, তখন এই আয়াত তাদের মনে করায় যে, সাহায্য আসার সময় হয়ে গেছে।
পরীক্ষা ও ধৈর্য: পূর্ববর্তী নবী ও ঈমানদাররাও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিলেন।
আস্থার জায়গা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রাখা এবং হতাশ না হওয়া হলো এই বাণীর মূল শিক্ষা।
সাহায্য লাভের উপায়: আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য পারস্পরিক কল্যাণকামিতা এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত সার: এটি একটি কুরআনী ঘোষণা যা মুমিনদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় খুবই কাছের ।
কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?
মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর সাহায্য পায়, যতক্ষণ তারা একে অপরের উপকারী থাকে। যখনই তারা পারস্পরিক কল্যাণকামিতার পরিবর্তে অকল্যাণ কামনায় লিপ্ত হয়ে যায়, যখনই তাদের মধ্যে তৈরি হয় খেয়ানতের পরিবেশ, তখনই আল্লাহতায়ালা সাহায্য উঠিয়ে নেন।
আল্লাহ কি আমার সমস্যায় সাহায্য করবেন?
তোমার দিনগুলো হয়তো এখন অন্ধকারে কাটছে এবং তোমার মনে হতে পারে যে তোমার জন্য আর কোন আশা নেই, কিন্তু আল্লাহ সবসময় তোমার জন্য একটা পথ করে দেবেন, তিনি সবসময় তোমার সাথে থাকবেন । যখন তুমি দুর্বল বোধ করবে তখন তার দিকে ফিরে যাও, তার সাথে কথা বলো এবং তার কাছে কান্নাকাটি করো। তোমার প্রভুর কাছে কান্নাকাটি করা এবং তাঁর কাছে নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়
আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী হওয়ার নিদর্শন কি কি?
তিনটি লক্ষণ যা রবের কাছ থেকে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে আল্লাহর মুখের হাসি, ইতিবাচক মনোভাব এবং স্বাস্থ্যের আকাঙ্ক্ষা । তারা ভালো প্রত্যাশা, ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ এবং তাকদীরে সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়
কিভাবে বুঝবো আল্লাহ আমাকে সাহায্য করছে কিনা?
প্রভু আপনার প্রার্থনা শুনছেন এবং সাড়া দিচ্ছেন তা নির্ধারণ করার একটি প্রায়শই উপেক্ষা করা উপায় হল আশার এক ব্যাখ্যাতীত অনুভূতি । আমার মনে হয় আমরা সকলেই এক না এক সময়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। আপনি কোনও কিছুর জন্য প্রার্থনা করেন এবং, কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটার আগে, আপনি আরও আশাবাদী বোধ করেন।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপায়ঃ আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা । মুমিন ব্যক্তি যখনই বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখে এবং তাকদীরের ওপর বিশ্বাস রেখে তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তখনই আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়।
আল্লাহর সাহায্য লাভের বিশেষ উপায়সমূহ:
ইখলাস ও খাঁটি বিশ্বাস: সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা (ইখলাস) এবং একমাত্র তাঁর সাহায্যই যথেষ্ট—এই বিশ্বাস রাখা ।
সালাত ও ধৈর্য ধারণ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো" (সূরা বাকারা: ৪৫) ।
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার
:
বিপদ ও সঙ্কটে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য চাওয়ার দোয়া করা, যেমন—
‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’
]।
হালাল রিজিক ও তাকওয়া: হারাম উপার্জনকে বর্জন করা এবং আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম শর্ত ।
পরস্পর কল্যাণকামিতা: মানুষ যতক্ষণ একে অপরের উপকারে লিপ্ত থাকে, ততক্ষণ আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে ।
জান্নাতের গুপ্তধন পাঠ: প্রতিদিন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা আশ্রয় নেই) পাঠ করা ।
নবী-রাসূলগণের দোয়ার অনুসরণ: কঠিন সময়ে হযরত ইউনুস (আ.)-এর দোআ—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন’ পাঠ করা ।
সর্বোপরি, নিজের অক্ষমতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর সাহায্য অবশ্যই পাওয়া যায় ।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
"আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে" (أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ) এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহ-র ২১৪ নং আয়াতে বর্ণিত একটি মহান প্রতিশ্রুতি। চরম বিপদ, হতাশা বা সংকটের মুহূর্তে ঈমানদারদের ধৈর্য ধারণের জন্য এই বাণী সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখায়]। এই আয়াত অনুযায়ী, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে এবং তা খুবই নিকটে ।
মূল বিষয়সমূহ:
বিপদের সময় সান্ত্বনা: যখন মুমিনরা ভয় ও কঠিন সংকটের মুখোমুখি হয়, তখন এই আয়াত তাদের মনে করায় যে, সাহায্য আসার সময় হয়ে গেছে।
পরীক্ষা ও ধৈর্য: পূর্ববর্তী নবী ও ঈমানদাররাও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিলেন।
আস্থার জায়গা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রাখা এবং হতাশ না হওয়া হলো এই বাণীর মূল শিক্ষা।
সাহায্য লাভের উপায়: আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য পারস্পরিক কল্যাণকামিতা এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত সার: এটি একটি কুরআনী ঘোষণা যা মুমিনদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় খুবই কাছের ।
কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?
মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর সাহায্য পায়, যতক্ষণ তারা একে অপরের উপকারী থাকে। যখনই তারা পারস্পরিক কল্যাণকামিতার পরিবর্তে অকল্যাণ কামনায় লিপ্ত হয়ে যায়, যখনই তাদের মধ্যে তৈরি হয় খেয়ানতের পরিবেশ, তখনই আল্লাহতায়ালা সাহায্য উঠিয়ে নেন।
আল্লাহ কি আমার সমস্যায় সাহায্য করবেন?
তোমার দিনগুলো হয়তো এখন অন্ধকারে কাটছে এবং তোমার মনে হতে পারে যে তোমার জন্য আর কোন আশা নেই, কিন্তু আল্লাহ সবসময় তোমার জন্য একটা পথ করে দেবেন, তিনি সবসময় তোমার সাথে থাকবেন । যখন তুমি দুর্বল বোধ করবে তখন তার দিকে ফিরে যাও, তার সাথে কথা বলো এবং তার কাছে কান্নাকাটি করো। তোমার প্রভুর কাছে কান্নাকাটি করা এবং তাঁর কাছে নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়
আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী হওয়ার নিদর্শন কি কি?
তিনটি লক্ষণ যা রবের কাছ থেকে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে আল্লাহর মুখের হাসি, ইতিবাচক মনোভাব এবং স্বাস্থ্যের আকাঙ্ক্ষা । তারা ভালো প্রত্যাশা, ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ এবং তাকদীরে সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়
কিভাবে বুঝবো আল্লাহ আমাকে সাহায্য করছে কিনা?
প্রভু আপনার প্রার্থনা শুনছেন এবং সাড়া দিচ্ছেন তা নির্ধারণ করার একটি প্রায়শই উপেক্ষা করা উপায় হল আশার এক ব্যাখ্যাতীত অনুভূতি । আমার মনে হয় আমরা সকলেই এক না এক সময়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। আপনি কোনও কিছুর জন্য প্রার্থনা করেন এবং, কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটার আগে, আপনি আরও আশাবাদী বোধ করেন।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপায়ঃ আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা । মুমিন ব্যক্তি যখনই বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখে এবং তাকদীরের ওপর বিশ্বাস রেখে তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তখনই আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়।
আল্লাহর সাহায্য লাভের বিশেষ উপায়সমূহ:
ইখলাস ও খাঁটি বিশ্বাস: সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা (ইখলাস) এবং একমাত্র তাঁর সাহায্যই যথেষ্ট—এই বিশ্বাস রাখা ।
সালাত ও ধৈর্য ধারণ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো" (সূরা বাকারা: ৪৫) ।
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার
:
বিপদ ও সঙ্কটে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য চাওয়ার দোয়া করা, যেমন—
‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’
]।
হালাল রিজিক ও তাকওয়া: হারাম উপার্জনকে বর্জন করা এবং আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম শর্ত ।
পরস্পর কল্যাণকামিতা: মানুষ যতক্ষণ একে অপরের উপকারে লিপ্ত থাকে, ততক্ষণ আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে ।
জান্নাতের গুপ্তধন পাঠ: প্রতিদিন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা আশ্রয় নেই) পাঠ করা ।
নবী-রাসূলগণের দোয়ার অনুসরণ: কঠিন সময়ে হযরত ইউনুস (আ.)-এর দোআ—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন’ পাঠ করা ।
সর্বোপরি, নিজের অক্ষমতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর সাহায্য অবশ্যই পাওয়া যায় ।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
"আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে" (أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ) এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহ-র ২১৪ নং আয়াতে বর্ণিত একটি মহান প্রতিশ্রুতি। চরম বিপদ, হতাশা বা সংকটের মুহূর্তে ঈমানদারদের ধৈর্য ধারণের জন্য এই বাণী সান্ত্বনা ও আশার আলো দেখায়]। এই আয়াত অনুযায়ী, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে এবং তা খুবই নিকটে ।
মূল বিষয়সমূহ:
বিপদের সময় সান্ত্বনা: যখন মুমিনরা ভয় ও কঠিন সংকটের মুখোমুখি হয়, তখন এই আয়াত তাদের মনে করায় যে, সাহায্য আসার সময় হয়ে গেছে।
পরীক্ষা ও ধৈর্য: পূর্ববর্তী নবী ও ঈমানদাররাও এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছিলেন।
আস্থার জায়গা:
আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রাখা এবং হতাশ না হওয়া হলো এই বাণীর মূল শিক্ষা।
সাহায্য লাভের উপায়: আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য পারস্পরিক কল্যাণকামিতা এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত সার: এটি একটি কুরআনী ঘোষণা যা মুমিনদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করে যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় খুবই কাছের ।
কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?
মানুষ ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর সাহায্য পায়, যতক্ষণ তারা একে অপরের উপকারী থাকে। যখনই তারা পারস্পরিক কল্যাণকামিতার পরিবর্তে অকল্যাণ কামনায় লিপ্ত হয়ে যায়, যখনই তাদের মধ্যে তৈরি হয় খেয়ানতের পরিবেশ, তখনই আল্লাহতায়ালা সাহায্য উঠিয়ে নেন।
আল্লাহ কি আমার সমস্যায় সাহায্য করবেন?
তোমার দিনগুলো হয়তো এখন অন্ধকারে কাটছে এবং তোমার মনে হতে পারে যে তোমার জন্য আর কোন আশা নেই, কিন্তু আল্লাহ সবসময় তোমার জন্য একটা পথ করে দেবেন, তিনি সবসময় তোমার সাথে থাকবেন । যখন তুমি দুর্বল বোধ করবে তখন তার দিকে ফিরে যাও, তার সাথে কথা বলো এবং তার কাছে কান্নাকাটি করো। তোমার প্রভুর কাছে কান্নাকাটি করা এবং তাঁর কাছে নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়া কোন লজ্জার বিষয় নয়
আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী হওয়ার নিদর্শন কি কি?
তিনটি লক্ষণ যা রবের কাছ থেকে স্বস্তির ইঙ্গিত দেয়, যার মধ্যে রয়েছে আল্লাহর মুখের হাসি, ইতিবাচক মনোভাব এবং স্বাস্থ্যের আকাঙ্ক্ষা । তারা ভালো প্রত্যাশা, ইসলামের কাছে আত্মসমর্পণ এবং তাকদীরে সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দেয়
কিভাবে বুঝবো আল্লাহ আমাকে সাহায্য করছে কিনা?
প্রভু আপনার প্রার্থনা শুনছেন এবং সাড়া দিচ্ছেন তা নির্ধারণ করার একটি প্রায়শই উপেক্ষা করা উপায় হল আশার এক ব্যাখ্যাতীত অনুভূতি । আমার মনে হয় আমরা সকলেই এক না এক সময়ে এই অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। আপনি কোনও কিছুর জন্য প্রার্থনা করেন এবং, কোনও নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটার আগে, আপনি আরও আশাবাদী বোধ করেন।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপায়ঃ আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা । মুমিন ব্যক্তি যখনই বিপদ-আপদে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখে এবং তাকদীরের ওপর বিশ্বাস রেখে তাঁর নির্দেশ মেনে চলে, তখনই আল্লাহর সাহায্য নিশ্চিত হয়।
আল্লাহর সাহায্য লাভের বিশেষ উপায়সমূহ:
ইখলাস ও খাঁটি বিশ্বাস: সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা (ইখলাস) এবং একমাত্র তাঁর সাহায্যই যথেষ্ট—এই বিশ্বাস রাখা ।
সালাত ও ধৈর্য ধারণ: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো" (সূরা বাকারা: ৪৫) ।
বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার
:
বিপদ ও সঙ্কটে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং সাহায্য চাওয়ার দোয়া করা, যেমন—
‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’
]।
হালাল রিজিক ও তাকওয়া: হারাম উপার্জনকে বর্জন করা এবং আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম শর্ত ।
পরস্পর কল্যাণকামিতা: মানুষ যতক্ষণ একে অপরের উপকারে লিপ্ত থাকে, ততক্ষণ আল্লাহর সাহায্য তাদের সাথে থাকে ।
জান্নাতের গুপ্তধন পাঠ: প্রতিদিন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি বা আশ্রয় নেই) পাঠ করা ।
নবী-রাসূলগণের দোয়ার অনুসরণ: কঠিন সময়ে হযরত ইউনুস (আ.)-এর দোআ—‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমিন’ পাঠ করা ।
সর্বোপরি, নিজের অক্ষমতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর সাহায্য অবশ্যই পাওয়া যায় ।
আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার জন্য প্রধান উপায় হলো খাঁটি ঈমান, নিয়মিত সালাত, ধৈর্য ধারণ, হালাল রিজিক গ্রহণ এবং একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা
আল্লাহর সাহায্য খুব নিকটে
The sinner will find darkness in his heart, which he will feel just as he feels the darkness of night. So this darkness affects his heart as the physical darkness affects his vision. For obedience is light and disobedience is darkness. The stronger the darkness grows, the greater becomes his confusion, until he falls into innovation, misguidance, numbness of sin and other things that lead to doom. Without even realizing, like a blind man who goes out in the darkness of the night, walking alone. This darkness grows stronger until it covers the eyes, then it grows stronger until it covers the face, which appears dark and is seen by everyone. ‘Abd-Allaah ibn ‘Abbaas said: “Good deeds make the face light, give light to the heart, and bring about ample provision, physical strength and love in people’s hearts. Bad deeds make the face dark, give darkness to the heart, and bring about physical weakness, a lack of provision and hatred in people’s hearts.” Deprivation of worship and obedience. If sin brought no punishment other than that it prevents a person from doing an act of worship which is the opposite of sin, and cuts off access to other acts of worship, that would be bad enough. So the sin cuts off a third way and a fourth way and so on, and because of the sin he is cut off from many acts of worship, each of which would have been better for him than this world and everything in it. So he is like a man who eats food that is bound to cause a lengthy sickness, and thus he is deprived of many other foods that are better than that. And Allaah is the One (ﷻ) Whose help we seek. #HelpfromAllah #MercyofAllah #Tawbah #Repentance #CleansetheSoul #Itikaf #Mosque #Mumin #Muminah #muminun #Muslim #Muslimah #Muslimrevert #JannahAlFirdous #Ameen #Dailyreminder https://www.instagram.com/p/CCAbQVABxim/?igshid=leyihat74kp8