নিজস্ব সংবাদদাতা : শনিবার জিয়াগঞ্জ ও পুজোর সময় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে খুন-সন্ত্রাসের ঘটনা নিয়ে বিজেপি-র তরফে ধর্না কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। সেখানে মুকুলবাবু বলেন, “বাংলায় খুনের রাজনীতি করছে সরকার।” প্রাক্তন রেলমন্ত্রী আরও বলেন, “রাজ্য পুলিশ আর সিআইডি যে তদন্ত করছে, এ সব লোক দেখানো। মমতা বলে দিয়েছে কী করতে হবে। তদন্ত শেষ করে বলবে, নিহত বন্ধুপ্রকাশ পাল আরএসএস কর্মী ছিলেন না।”
এদিন ধর্নামঞ্চে জিয়াগঞ্জের ঘটনা নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষও। মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “পুজোর মধ্যে জিয়াগঞ্জ, নদিয়ার শান্তিপুর এবং চাপড়ায় আমাদের তিনজন কর্মী খুন হলেন। জিয়াগঞ্জের ঘটনা দেখে গোটা দেশ শিউরে উঠেছে। বাংলার মানুষকে যাতে এমন রক্তাক্ত দুর্গাপুজো আর দেখতে না হয়, সেই ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে।”
দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় খুনোখুনির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ রায় তাঁর সমালোচনা করেছে শাসকদল। দিলীপের প্রশ্ন, তবে কি রাজ্যপাল কি বলবেন তা বলার আগে রাজ্য সরকারের অনুমতি নিতে হবে?
বিজেপির অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূলের চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দুর্গাপুজোয় ঢাকঢোল পেটালেও সুবিধা করতে না পেরে এই সব কথা বলছে। নিহত শিক্ষকের সঙ্গে বিজেপির কোনও সংস্রব না থাকলেও ওরা দাবি করছে ওদের সদস্য। ঘটনার তদন্তের জন্য সরকার সিট গঠন করেছে।