— من وجد الله فمن فقد ومن فقد الله فمن وجد —
He who has found Allah, what has he lost?
And he who has lost Allah, what has he found?
seen from China
seen from United Kingdom
seen from Türkiye
seen from Ukraine
seen from Germany
seen from China
seen from Taiwan
seen from United Kingdom

seen from United States

seen from United Kingdom
seen from United States
seen from Singapore
seen from China
seen from China
seen from Netherlands
seen from China
seen from Nepal

seen from Malaysia
seen from Singapore

seen from Singapore
— من وجد الله فمن فقد ومن فقد الله فمن وجد —
He who has found Allah, what has he lost?
And he who has lost Allah, what has he found?
জিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄 https://www.youtube.com/watch?v=sXwAtK73QL0 https://www.youtube.com/watch?v=T9LNGfR271U https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ৪ জিকির সবসময় আল্লাহর জিকির করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ঘুম থেকে ওঠার পর আবার ঘুমানো পর্যন্ত একজন মুমিনের জবানে জিকির লেগে থাকে। আল্লাহর যেকোনো ধরনের আনুগত্য ও ইবাদত, আল্লাহর নাম ও তাঁর গুণাবলীর উচ্চারণ, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা সবগুলোই আল্লাহর জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত তাসবিহগুলোও জিকির হিসেবে গণ্য।
আল্লাহর জিকিরকে বলা হয় সব ইবাদতের রুহ। যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল তাদেরকে মৃতব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন নবীজি (স.)। আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যারা আল্লাহর জিকির করে এবং যারা আল্লাহর জিকির করে না, তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭) পবিত্র কোরআনে জিকিরবিমুখ ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত। আর তাকে কেয়ামতের দিন উঠাব অন্ধ করে।’ (সুরা ত্বহা: ১২৪)
বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে ফজিলতপূর্ণ অনেক জিকিরের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জিকির আল্লাহর বেশি প্রিয়। সেগুলো হলো— ১. سُبْحَانَ الله উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহ’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহাপবিত্র’। ২. اَلْحَمْدُ للهِ উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থ: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর’। ৩. لَا اِلَهَ اِلَّا الله উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থ: ‘আল্লাহ ব্যাতিত কোন ইলাহ নাই’। ৪. اَللهُ اَكْبَر উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর’। অর্থ: ‘আল্লাহ মহান’। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কালাম চারটি। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। এগুলোর যেকোনোটি দিয়ে তুমি শুরু করো, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ (মুসলিম: ৫৪১৬)
জিকিরগুলো একসঙ্গে মিলিয়েও পড়া যায়। যেমন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর। আবার আলাদা আলাদা করেও পড়া যায়। আগপিছ করেও পড়া যায়।
অন্য হাদিসে নবীজি (স.) বলেছেন, ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৯৫)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ বাক্যগুলো বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। যিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄
জিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄 https://www.youtube.com/watch?v=sXwAtK73QL0 https://www.youtube.com/watch?v=T9LNGfR271U https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ৪ জিকির সবসময় আল্লাহর জিকির করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ঘুম থেকে ওঠার পর আবার ঘুমানো পর্যন্ত একজন মুমিনের জবানে জিকির লেগে থাকে। আল্লাহর যেকোনো ধরনের আনুগত্য ও ইবাদত, আল্লাহর নাম ও তাঁর গুণাবলীর উচ্চারণ, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা সবগুলোই আল্লাহর জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত তাসবিহগুলোও জিকির হিসেবে গণ্য।
আল্লাহর জিকিরকে বলা হয় সব ইবাদতের রুহ। যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল তাদেরকে মৃতব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন নবীজি (স.)। আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যারা আল্লাহর জিকির করে এবং যারা আল্লাহর জিকির করে না, তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭) পবিত্র কোরআনে জিকিরবিমুখ ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত। আর তাকে কেয়ামতের দিন উঠাব অন্ধ করে।’ (সুরা ত্বহা: ১২৪)
বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে ফজিলতপূর্ণ অনেক জিকিরের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জিকির আল্লাহর বেশি প্রিয়। সেগুলো হলো— ১. سُبْحَانَ الله উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহ’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহাপবিত্র’। ২. اَلْحَمْدُ للهِ উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থ: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর’। ৩. لَا اِلَهَ اِلَّا الله উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থ: ‘আল্লাহ ব্যাতিত কোন ইলাহ নাই’। ৪. اَللهُ اَكْبَر উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর’। অর্থ: ‘আল্লাহ মহান’। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কালাম চারটি। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। এগুলোর যেকোনোটি দিয়ে তুমি শুরু করো, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ (মুসলিম: ৫৪১৬)
জিকিরগুলো একসঙ্গে মিলিয়েও পড়া যায়। যেমন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর। আবার আলাদা আলাদা করেও পড়া যায়। আগপিছ করেও পড়া যায়।
অন্য হাদিসে নবীজি (স.) বলেছেন, ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৯৫)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ বাক্যগুলো বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। যিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄
জিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄 https://www.youtube.com/watch?v=sXwAtK73QL0 https://www.youtube.com/watch?v=T9LNGfR271U https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ৪ জিকির সবসময় আল্লাহর জিকির করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ঘুম থেকে ওঠার পর আবার ঘুমানো পর্যন্ত একজন মুমিনের জবানে জিকির লেগে থাকে। আল্লাহর যেকোনো ধরনের আনুগত্য ও ইবাদত, আল্লাহর নাম ও তাঁর গুণাবলীর উচ্চারণ, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা সবগুলোই আল্লাহর জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত তাসবিহগুলোও জিকির হিসেবে গণ্য।
আল্লাহর জিকিরকে বলা হয় সব ইবাদতের রুহ। যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল তাদেরকে মৃতব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন নবীজি (স.)। আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যারা আল্লাহর জিকির করে এবং যারা আল্লাহর জিকির করে না, তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭) পবিত্র কোরআনে জিকিরবিমুখ ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত। আর তাকে কেয়ামতের দিন উঠাব অন্ধ করে।’ (সুরা ত্বহা: ১২৪)
বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে ফজিলতপূর্ণ অনেক জিকিরের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জিকির আল্লাহর বেশি প্রিয়। সেগুলো হলো— ১. سُبْحَانَ الله উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহ’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহাপবিত্র’। ২. اَلْحَمْدُ للهِ উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থ: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর’। ৩. لَا اِلَهَ اِلَّا الله উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থ: ‘আল্লাহ ব্যাতিত কোন ইলাহ নাই’। ৪. اَللهُ اَكْبَر উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর’। অর্থ: ‘আল্লাহ মহান’। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কালাম চারটি। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। এগুলোর যেকোনোটি দিয়ে তুমি শুরু করো, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ (মুসলিম: ৫৪১৬)
জিকিরগুলো একসঙ্গে মিলিয়েও পড়া যায়। যেমন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর। আবার আলাদা আলাদা করেও পড়া যায়। আগপিছ করেও পড়া যায়।
অন্য হাদিসে নবীজি (স.) বলেছেন, ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৯৫)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ বাক্যগুলো বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। যিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄
জিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄 https://www.youtube.com/watch?v=sXwAtK73QL0 https://www.youtube.com/watch?v=T9LNGfR271U https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ৪ জিকির সবসময় আল্লাহর জিকির করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ঘুম থেকে ওঠার পর আবার ঘুমানো পর্যন্ত একজন মুমিনের জবানে জিকির লেগে থাকে। আল্লাহর যেকোনো ধরনের আনুগত্য ও ইবাদত, আল্লাহর নাম ও তাঁর গুণাবলীর উচ্চারণ, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা সবগুলোই আল্লাহর জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত তাসবিহগুলোও জিকির হিসেবে গণ্য।
আল্লাহর জিকিরকে বলা হয় সব ইবাদতের রুহ। যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল তাদেরকে মৃতব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন নবীজি (স.)। আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যারা আল্লাহর জিকির করে এবং যারা আল্লাহর জিকির করে না, তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭) পবিত্র কোরআনে জিকিরবিমুখ ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত। আর তাকে কেয়ামতের দিন উঠাব অন্ধ করে।’ (সুরা ত্বহা: ১২৪)
বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে ফজিলতপূর্ণ অনেক জিকিরের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জিকির আল্লাহর বেশি প্রিয়। সেগুলো হলো— ১. سُبْحَانَ الله উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহ’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহাপবিত্র’। ২. اَلْحَمْدُ للهِ উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থ: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর’। ৩. لَا اِلَهَ اِلَّا الله উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থ: ‘আল্লাহ ব্যাতিত কোন ইলাহ নাই’। ৪. اَللهُ اَكْبَر উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর’। অর্থ: ‘আল্লাহ মহান’। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কালাম চারটি। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। এগুলোর যেকোনোটি দিয়ে তুমি শুরু করো, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ (মুসলিম: ৫৪১৬)
জিকিরগুলো একসঙ্গে মিলিয়েও পড়া যায়। যেমন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর। আবার আলাদা আলাদা করেও পড়া যায়। আগপিছ করেও পড়া যায়।
অন্য হাদিসে নবীজি (স.) বলেছেন, ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৯৫)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ বাক্যগুলো বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। যিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄
জিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄 https://www.youtube.com/watch?v=sXwAtK73QL0 https://www.youtube.com/watch?v=T9LNGfR271U https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ৪ জিকির সবসময় আল্লাহর জিকির করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ঘুম থেকে ওঠার পর আবার ঘুমানো পর্যন্ত একজন মুমিনের জবানে জিকির লেগে থাকে। আল্লাহর যেকোনো ধরনের আনুগত্য ও ইবাদত, আল্লাহর নাম ও তাঁর গুণাবলীর উচ্চারণ, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা সবগুলোই আল্লাহর জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত তাসবিহগুলোও জিকির হিসেবে গণ্য।
আল্লাহর জিকিরকে বলা হয় সব ইবাদতের রুহ। যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল তাদেরকে মৃতব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন নবীজি (স.)। আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যারা আল্লাহর জিকির করে এবং যারা আল্লাহর জিকির করে না, তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭) পবিত্র কোরআনে জিকিরবিমুখ ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত। আর তাকে কেয়ামতের দিন উঠাব অন্ধ করে।’ (সুরা ত্বহা: ১২৪)
বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে ফজিলতপূর্ণ অনেক জিকিরের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জিকির আল্লাহর বেশি প্রিয়। সেগুলো হলো— ১. سُبْحَانَ الله উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহ’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহাপবিত্র’। ২. اَلْحَمْدُ للهِ উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থ: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর’। ৩. لَا اِلَهَ اِلَّا الله উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থ: ‘আল্লাহ ব্যাতিত কোন ইলাহ নাই’। ৪. اَللهُ اَكْبَر উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর’। অর্থ: ‘আল্লাহ মহান’। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কালাম চারটি। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। এগুলোর যেকোনোটি দিয়ে তুমি শুরু করো, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ (মুসলিম: ৫৪১৬)
জিকিরগুলো একসঙ্গে মিলিয়েও পড়া যায়। যেমন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর। আবার আলাদা আলাদা করেও পড়া যায়। আগপিছ করেও পড়া যায়।
অন্য হাদিসে নবীজি (স.) বলেছেন, ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৯৫)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ বাক্যগুলো বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। যিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄
জিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄 https://www.youtube.com/watch?v=sXwAtK73QL0 https://www.youtube.com/watch?v=T9LNGfR271U https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় ৪ জিকির সবসময় আল্লাহর জিকির করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ঘুম থেকে ওঠার পর আবার ঘুমানো পর্যন্ত একজন মুমিনের জবানে জিকির লেগে থাকে। আল্লাহর যেকোনো ধরনের আনুগত্য ও ইবাদত, আল্লাহর নাম ও তাঁর গুণাবলীর উচ্চারণ, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় আলোচনা সবগুলোই আল্লাহর জিকিরের অন্তর্ভুক্ত। কোরআন-হাদিসে বর্ণিত তাসবিহগুলোও জিকির হিসেবে গণ্য।
আল্লাহর জিকিরকে বলা হয় সব ইবাদতের রুহ। যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল তাদেরকে মৃতব্যক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন নবীজি (স.)। আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যারা আল্লাহর জিকির করে এবং যারা আল্লাহর জিকির করে না, তাদের দৃষ্টান্ত জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭) পবিত্র কোরআনে জিকিরবিমুখ ব্যক্তি সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আমার স্মরণে বিমুখ থাকবে, অবশ্যই তার জীবনযাপন হবে সংকুচিত। আর তাকে কেয়ামতের দিন উঠাব অন্ধ করে।’ (সুরা ত্বহা: ১২৪)
বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে ফজিলতপূর্ণ অনেক জিকিরের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জিকির আল্লাহর বেশি প্রিয়। সেগুলো হলো— ১. سُبْحَانَ الله উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহ’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহাপবিত্র’। ২. اَلْحَمْدُ للهِ উচ্চারণ: ‘আলহামদুলিল্লাহ’ অর্থ: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর’। ৩. لَا اِلَهَ اِلَّا الله উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থ: ‘আল্লাহ ব্যাতিত কোন ইলাহ নাই’। ৪. اَللهُ اَكْبَر উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর’। অর্থ: ‘আল্লাহ মহান’। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কালাম চারটি। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার। এগুলোর যেকোনোটি দিয়ে তুমি শুরু করো, তাতে কোনো ক্ষতি নেই।’ (মুসলিম: ৫৪১৬)
জিকিরগুলো একসঙ্গে মিলিয়েও পড়া যায়। যেমন- সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর। আবার আলাদা আলাদা করেও পড়া যায়। আগপিছ করেও পড়া যায়।
অন্য হাদিসে নবীজি (স.) বলেছেন, ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৯৫)
আল্লাহ তাআলা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ বাক্যগুলো বেশি বেশি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। যিকির ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত💖যার মধ্যে আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করার পবিত্র বাক্য, প্রার্থনা বা আল্লাহর নাম বারবার পাঠ করা অন্তর্ভুক্ত🔄
Dhikir A foundational act of worship in Islam💖 involving the repetitive recitation of sacred phrases https://www.youtube.com/watch?v=NbDvYWP7DEk https://www.youtube.com/watch?v=P8EIBksC0MA https://www.youtube.com/watch?v=L3eege2CeJs https://www.youtube.com/watch?v=iPxR6un-RdQ
Ways to Declare the Greatness of Allah Declaring the greatness of Allah is the most vital act of worship in Islam, known as dhikr. It is done through spoken remembrance, Declaring the greatness of Allah is the most vital act of worship in Islam, known as dhikr. It is done through spoken remembrance, deep contemplation of His creation, and a life of humble submission.The primary ways to declare His greatness and majesty include:1. Spoken Remembrances (Dhikr)Allahu Akbar (Allah is the Greatest): Declaring that no matter how big your problems are, Allah is greater than them all.Subhan Allah (Glory be to Allah): Declaring that Allah is perfect and free from any imperfection or weakness.Alhamdulillah (Praise be to Allah): Expressing gratitude and praise for His majesty, recognizing all blessings come from Him.La ilaha illallah (There is no god but Allah): The core declaration of faith, establishing that nothing in existence is worthy of worship except Him.2. Reciting and Living by the QuranRecitation: Regularly reading the Quran, as it is the direct, uncreated speech of Allah.Reflection (Tadabbur): Pausing to understand the meaning behind His verses, His names, and His attributes.Applying Guidance: Making your daily decisions align with His commandments and avoiding His prohibitions out of reverence for His greatness.3. Pondering His CreationObserving the Universe: Contemplating the vastness of the heavens, the complexity of nature, and the miracle of life. Recognizing that Allah designed everything with a divine purpose.Personal Blessings: Reflecting on how Allah continuously provides, protects, and sustains every individual.4. Through Prayer (Salah) and WorshipTransitions: The frequent repetition of Allahu Akbar during prayers (moving between standing, bowing, and prostrating) physically and spiritually humbles the believer.The Adhan: Pausing daily worldly activities when the call to prayer is heard, prioritizing the meeting with the Greatest.By internalizing that Allah is the Most Great, a believer finds that all worldly difficulties become easier and reliance on Him deepens.
Declare the greatness of Allah Dhikir: A foundational act of worship in Islam, involving the repetitive recitation of sacred phrases, supplications, or the names of Allah. Dhikir A foundational act of worship in Islam💖involving the repetitive recitation of sacred phrases🔄