Dedicated to Goddess Siddheswari, one of the several forms of Goddess Kali, the Thanthania Kalibari, located on Bidhan Sarani, is considered one of the sacred sites
seen from United States

seen from Italy
seen from Syria
seen from China
seen from United States

seen from United States
seen from Russia

seen from United States
seen from United States

seen from United States
seen from Italy

seen from United States
seen from United States
seen from United Kingdom
seen from United States

seen from Italy
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from Yemen
Dedicated to Goddess Siddheswari, one of the several forms of Goddess Kali, the Thanthania Kalibari, located on Bidhan Sarani, is considered one of the sacred sites
ঠনঠনিয়ার মা সিদ্ধেশ্বরী কালী
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/goddess-siddheswari-kali-thanthania-kolkata/
ঠনঠনিয়ার মা সিদ্ধেশ্বরী কালী
নিজস্ব সংবাদদাতা: সেকালের কলকাতায় ঠনঠনিয়াতে ছিল ঘন হোগলার জঙ্গল। পাশ দিয়ে বয়ে যেত গঙ্গা। নির্জন, নিরিবিলি ঠনঠনিয়ার আশপাশে ঠ্যাঙাড়ে আর ডাকাত দলও নাকি ছিল। যাইহোক, জায়গাটি ভারী পছন্দ হয়েছিল তন্ত্রসাধক উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারীর। তিনি হোগলা বনের ভিতর পঞ্চমুণ্ডীর আসন বানালেন। শুরু করলেন মাতৃসাধনা। এই মন্ত্রসাধককে ভোরবেলা গঙ্গাস্নানে যাওয়ার সময় দেখতেন রামশঙ্কর বা শঙ্কর ঘোষ। তিনিও ছিলেন প্রচণ্ড মাতৃভক্ত। একদিন ওঁদের দু’জনের মধ্যে আলাপ-পরিচয়ও হল। সম্পর্কের বন্ধন তীব্র হল একসময়। উদয়নারায়ণ ভাবলেন আর হয়তো বেশিদিন নেই। মায়ের ভার এবার অন্য কারওর ওপর ন্যস্ত করতে হবে। তাঁর পছন্দ শঙ্করকে। তাঁর ওপরই ভার দিলেন মায়ের। শঙ্কর ঘোষ ছিলেন ধনী ব্যক্তি। প্রচুর অর্থের মালিক। কলকাতায় জনবসতি বাড়তে লাগল। ঠনঠনিয়ার হোগলার জঙ্গল সাফ হল একসময়। ১৭০৩-এ মায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা হল। ঠনঠনিয়ার সিদ্ধেশ্বরী কালী মায়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শঙ্কর ঘোষের নাম রয়ে গেল। কিংবদন্তি আছে, রামপ্রসাদ নাকি মায়ের মন্দিরে এসে গান শোনাতেন। ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায় দই-সন্দেশ দিয়ে সিদ্ধেশ্বরী কালী মায়ের পুজো করতেন নিয়মিত। ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেবও পুজো করতেন। মায়ের দর্শনেও আসতেন। শোনা যায়, তিনি কেশবচন্দ্র সেন-এর জন্য ডাব-চিনি দিয়ে মানত করেছিলেন। সেইথেকে ঠনঠনিয়ার মা সিদ্ধেশ্বরী কালীর কাছে ডাব-চিনি দিয়ে মানত করা শুরু হয়। এবং ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণও করেন। খুবই জাগ্রত ঠনঠনিয়ার মা সিদ্ধেশ্বরী কালী। ভোর চারটের হয় মায়ের মঙ্গলারতি। মিষ্টি ভোগ দিয়ে মায়ের পুজো শুরু। নৈবেদ্য থাকে চাল, ফল, মিষ্টির। ৬.৩০ মায়ের পুজো। অন্নভোগে থাকে ভাত, ডাল, ভাজা, তরকারি এবং মাছ। বেলা ১২.৩০-এ মন্দির বন্ধ হয়। আবার মন্দির খোলা হয় বিকেল তিনটে। পৌনে সাতটায় সন্ধ্যারতি হয় পুষ্পেশ্বর শিবের। সাতটায় সিদ্ধেশ্বরী কালী মায়ের সন্ধ্যারতি। রাতে ভোগ দিয়ে মন্দির বন্ধ হয়। ইংরেজি ও বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন, দীপান্বিতা অমাবস্যা, রটন্তী কালীপুজো, ফলহারিণী কালীপুজো, অম্বুবাচী-সহ প্রতি শনি-মঙ্গল এবং অমাবস্যায় প্রচুর ভক্তেরা আসেন মায়ের মন্দিরে। অম্বুবাচীর দিন মায়ের ভোগ বিতরণ করা হয় বিধবাদের মধ্যে। ঠনঠনিয়ার মা সিদ্ধেশ্বরী কালী খুবই জাগ্রত। ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন তিনি।