(Joypurhat Tv)

seen from United States
seen from Canada
seen from Canada

seen from Singapore

seen from Russia
seen from United States
seen from United States

seen from Singapore
seen from United States

seen from United States
seen from United States
seen from Italy

seen from Vietnam
seen from Jordan

seen from United States
seen from Ecuador
seen from Türkiye
seen from United States
seen from Brazil

seen from Germany
(Joypurhat Tv)
(Joypurhat Tv)
মালদা, ২৪ জুন : বেহাল রাস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে স্থানীয় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের হাত
কোরোনা আক্রান্ত হয়ে রাজ্যের বিধায়কের মৃত্যু
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/corona-effects-mla-tomonesh-ghosh-passed-away/
কোরোনা আক্রান্ত হয়ে রাজ্যের বিধায়কের মৃত্যু
নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রায় এক মাস ধরে চলা লড়াই শেষে থামল। শেষ হল জীবনযুদ্ধ। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ফলতার তৃণমূল বিধায়ক তমোনাশ ঘোষের । বেশ কয়েকদিন ধরে বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন তিনি। গত তিনদিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ সংকটের দিকে এগিয়ে যায়। শেষে বুধবার সকালে ওই বেসরকারি হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয় । শুরু থেকেই পরিস্থিতি বেশ সঙ্কটজনক ছিল ফলতার বিধায়ক তামোনাশের। তিনি অসুস্থতাকে প্রথম দিকে গুরুত্ব দিতে চান নি কিন্তু পরিস্থিতি যখন গুরুতর হয়ে ওঠে তীক্ষ্ণ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর সেই কারণেই তাঁর রোগটি জটিল হয়ে উঠেছিল বলে সূত্রের খবর। দিনকয়েক আগে সাংবাদিক বৈঠকে ফলতার বিধায়কের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, রোগ যাতে কেউ না লুকিয়ে রাখেন। সমস্যা হলেই ডাক্তারের হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। তোমনাশ ঘোষের মৃত্যু তাঁর সেই বক্তব্যকে সত্যি করল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গীকে হারিয়ে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী। শোকপ্রকাশ করে বুধবার টুইটও করেন তিনি। বর্ষীয়ান রাজনীতিকের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক দলের অন্যান্যরাও।
ছবি : গুগুল
মালদা, ২০জুন : সরকারি আবাস যোজনার টাকা ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো নিয়ে গাফিলতির অভিযোগ উঠল তৃণমূল
আবার গারুলিয়া নিল তৃনমুল
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/trinomul-regains-garulia-hot-political-war-ahead/
আবার গারুলিয়া নিল তৃনমুল
বিশেষ প্রতিনিধি: পালা বদলে গেল।বি জে পির হাত থেকে উত্তর 24 পরগনার গরুলিয়া পুরসভা দখল করল তৃনমুল। আজ এই পালা বদলের পালা ঘটল।কোনও উত্তেজনা ছাড়াই।এর আগে বি জে পি এই পুরসভা তৃণমূলের হাত থেকে কেড়ে নিয়েছিল। তৃণমূলের বেশিরভাগ কাউন্সিলার বি জে পির পক্ষে চলে গিয়েছিলেন।এরপর কিছু দিন মাত্র পার হয়েছে। তাঁরা আবার উল্টে গিয়ে তৃণমূলে চলে এলেন। একদা তৃনমুল নেতা অর্জুন সিং এই বিষয়টি কে গুরুত্ত্ব দিতে চান নি।তাঁর কথায়, ওঁরা গুন্ডা বোমা এইসব দিয়ে ভয় দেখিয়ে এই পুরসভা নিলেন।আমরা অশান্তি চাই না। তাই আমাদের কাউন্সিলররা যান নি।সময় মত বুঝে নেব। তৃনমুল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রিসভার গুরুত্তপূর্ণ মন্ত্রী জ্যোতি প্রকাশ মল্লিক বলেছেন এই তো শুরু হল।এরপরে ভাটপাড়া পুরসভায় আমরা ক্ষমতা দখল করব। রাজনৈতিক পর্য্যবেক্ষরা এই এলাকার ঘটনার দিকে চোখ রাখছেন।বি জে পির নেতা মুকুল রায় ও অর্জুন সিংয়ের যৌথ উদ্যোগে এই এলাকাটা একটা রাজনৈতিক ল্যাবরেটরি হয়ে উঠেছে।দিল্লী পর্যন্ত এর প্রভাব পড়েছে। রাজ্যের পরের পুরভোটে কি হতে পারে সেটাই এখানে পরীক্ষার বিষয়।সোজা কথায়, তৃণমূলের কাউন্সিলর কি দামে কেনা যাবে তার একটা আন্দাজ পাবার চেষ্টা এটা। সূত্রের খবর ,কাল ভোটের ফলাফল বি জে পির পক্ষে যায় নি। তাই আজ বি জে পি আর আসরে নামে নি। কিন্তু তৃনমুল এই সুযোগ টা কাজে লাগিয়েছে। কালী ও জগধাত্রী পূজোর মাঝে ও পরেই আস্তে আস্তে রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হবে বলে বিভিন্ন মহলের ধারনা। এই পর্বে রাজ্যপালের ভূমিকার দিকেও নজর রাখতে হবে। মমতা রাজ্যপাল আপাত ভাব হবে কি না ভাইফোঁটা উপলক্ষ্য করে ,সেদিকে পর্যবেক্ষকরা নজর রাখছেন। তবে আবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এই দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদির কলকাতা সফরও খুব গুরুত্ব পাবে। প্রশ্ন উঠেছে, মমতা কি বাংলাদেশ কে তিস্তার জল কিছুটা দিয়ে মোদির মুখ রক্ষা করবেন? যদি তা না করেন তাহলে মোদির সঙ্গে লড়াই হবে খোলাখুলি। মমতা কোন রাস্তায় জগিং করবেন সেটা কারোর আন্দাজ নেই।তবে মোদি বা মমতা কেউই যে ছেড়ে কথা বলবেন না সেটা পরিস্কার লেখা হয়ে গেছে সব দেওয়ালে।
তৃণমূল নেতাদের রেয়াত করার দরকার নেই: দিলীপ ঘোষ
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/dilip-ghosh-comments-about-trinomul/
তৃণমূল নেতাদের রেয়াত করার দরকার নেই: দিলীপ ঘোষ
নিজস্ব সংবাদদাতা: তৃণমূলের নেতা, পুলিশকে মারুন, ফেলে দিন, দায়িত্ব আমার। ফের বিতর্কিত কথা বলে মুখ খুললেন বিজেপি সাংসদ এবং রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদার জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, চিদাম্বরম যদি দেশের অর্থমন্ত্রী হয়ে জেলে যেতে পারেন, তবে তৃণমূল নেতাদের রেয়াত করার দরকার নেই। জনসভায় আগত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, তৃণমূলদের এমন মার মারব যাতে বাড়ির বউ-বাচ্চাও চিনতে না- পারে। হাসপাতালে পাঠিয়ে দেব। শুধু এখানেই থামেননি তিনি, রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাঁর উপর বহুবার অত্যাচার হয়েছে, তিনি কিছু বলেননি কিন্তু বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অত্যাচার, তাঁদের চোখের জলের হিসেব কড়ায়গন্ডায় মিলিয়ে নেবেন। তাঁর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী জানালেন, খুবই দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য। এ যেন সেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করার প্রতিযোগিতা চলছে।
পিকে'র কড়া নজরে তৃণমূলের নেতারা
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/pk-monitaring-on-tmc-leaders/
পিকে'র কড়া নজরে তৃণমূলের নেতারা
নিজস্ব সংবাদদাতা: ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে ফাঁকি দিয়ে পার নেই তৃণমূল নেতাদের! সজাগ চোখে টিম-পিকে’র নজরে প্রত্যেকেই| ফাঁকি দিলেই পিকে স্যারের বাড়তি টাস্কের বোঝা তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়কদের ঘাড়ে। যদিও সেটা সকলের জন্য নয়। এখন পিকে টিমের আতসকাচের তলায় পড়ে দলের নির্দেশ যথাযথভাবে মানতে বাধ্য হচ্ছেন তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা। সূত্রের খবর, এই ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি অনেক ক্ষেত্রেই নমো নমো করে সেরেছেন তৃণমূলের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-বিধায়করা। আর সেই মন্ত্রী বা বিধায়ক তাঁর টাস্ক যথাযথভাবে করেছেন কি না সেটাও এলাকায় সার্ভে করিয়ে খোঁজ নিচ্ছে টিম-প্রশান্ত কিশোর। সেই সার্ভেতে ফাঁকি ধরা পড়তেই যা হওয়ার তাই হয়েছে। সেইসব তৃণমূল নেতাদের কপালে জুটছে দলের ‘শীর্ষ-নেতা’র বকুনি। তার সঙ্গে ফের আবার নতুন টাস্ক, বাড়ি বাড়ি যাও, থাকো-খাও। সেই তালিকায় রয়েছে তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী – বিধায়কদের নাম। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস , ইন্দ্রনীল সেন, লক্ষ্মীরতন শুক্লা , গৌতম দেব, তাপস রায়, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ থেকে শুরু করে দেবশ্রী রায়, নয়না ব্যানার্জী , বৈশালী ডালমিয়ার মত অনেকেই, তালিকা দীর্ঘ। এদের মধ্যেই কেউ কেউ এখনও কোনও কাজই শুরু করেননি, কেউ এবার গিয়ে ছবি তুলেছেন, নমো-নমো করে কাজ সেরে হয়েছেন পগারপার! নিজেদের সার্ভেতে এমনি অভিযোগ পেয়ে তাদের ফের নতুন করে, নতুন ঠিকানা ধরিয়ে কর্মসূচি অক্ষরে অক্ষরে পালনের নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো। ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্কপ্রসূত ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। তৃণমূল বিধায়কদের নিজের এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে বিলি করতে হবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জীর ফোন নম্বর সম্বলিত কার্ড, প্রতি বিধায়ককে নিজের এলাকায় ৪-৫ জন করে বিশিষ্টজনের বাড়িতে গিয়ে বুঝতে হবে তাদের মনোভাব এবং সব শেষ টাস্ক নিজের এলাকায় দলীয় কর্মী বা অন্য ভোটার এর বাড়ি গিয়ে খাওয়াদাওয়া করা এবং রাত কাটানো। আর প্রতিটি কর্মসূচি করতে হচ্ছে ফেসবুক লাইভ, ছবি এবং ভিডিও তুলে পাঠাতে হচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের অফিসে। বেশ কড়া মাস্টারের হাতে পড়েছেন তৃণমূল নেতারা। বুঝছেন তা হাড়ে হাড়ে।