He created the world’s first welfare state, justifying it as a way to stop the socialists.
Society Takes Care of People to Prevent Radicalism and Violence
seen from Türkiye

seen from Maldives

seen from Türkiye
seen from Maldives
seen from China
seen from Italy
seen from Mexico
seen from Türkiye

seen from Türkiye

seen from China
seen from Singapore

seen from United States
seen from China
seen from Hong Kong SAR China
seen from United States

seen from T1
seen from China
seen from United States

seen from Malaysia
seen from China
He created the world’s first welfare state, justifying it as a way to stop the socialists.
Society Takes Care of People to Prevent Radicalism and Violence
This man (the statue, not me or the other dude in the pic) fought alongside the working class and helped create the Nationa Health Service. Something that benefits us all and saves countless lives regardless of financial background or ability. The NHS is being scuppered by a political ideology that wants to sell it off. New Labour started through the back door and the Tories are full on attacking it by making cuts to the NHS, underpaying and overworking the staff, underfunding and undersupporting medical education leading to a shortage of trained staff. Despite all this we still have the best healthcare system, with incredible dedicated people. Its something worth fighting for, and sticking up for. Chances are it brought you in to this world, make sure its still there to help you when you need it next. #nhs #aneurinbevan #healthcare #socialism #welfarestate #socialist #workingclass #cardiff #leftwing (at Aneurin Bevan Statue) https://www.instagram.com/p/BneY3l_FIwD/?utm_source=ig_tumblr_share&igshid=12u9ete2k2t1i
Globalization erodes both requirements. Trade globalization has led to the well-documented decline in the share of the middle class in most western countries and income polarization. With income polarization the rich realize that they are better off creating their own private systems because sharing the systems with those who are substantially poorer implies sizeable income transfers. This leads to “social separatism” of the rich, reflected in the growing importance of private health plans, private pensions, and private education. The bottom line is that a very unequal, or polarized, society cannot maintain an extensive welfare state.
The welfare state in the age of globalization
কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 https://www.youtube.com/watch?v=IX5TMG0nhTo https://www.youtube.com/watch?v=kJTSte3Jo0w https://www.youtube.com/watch?v=rSVfo10DIIA বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব। প্রচলিত ব্যবস্থায় সুবিধাভোগী এলিট শ্রেণি ও পুঁজিপতিরা তাদের স্বার্থহানির ভয়ে সংস্কারের পথে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে। ক্ষমতা ও সম্পদের সুষম বণ্টন, দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং আমূল পরিবর্তনের জন্য গণজাগরণ বা বিপ্লব অপরিহার্য।বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র অর্জন কঠিন হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:স্বার্থান্বেষী মহলের প্রতিরোধ: প্রচলিত কাঠামোর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী কখনই স্বেচ্ছায় তাদের সম্পদ ও ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে তারা সব ধরনের সংস্কার প্রস্তাব বা গণতান্ত্রিক উদ্যোগ ব্যর্থ করে দেয়।কাঠামোগত পরিবর্তন: কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সামাজিক সমতা, যা মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত সম্পদ ও ক্ষমতার Redistribution (পুনর্বণ্টন) ছাড়া সম্ভব নয়। এই আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য প্রচলিত আইনের সীমার বাইরে গিয়ে নতুন ভিত্তি স্থাপনের প্রয়োজন হয়।দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা: দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে এমনভাবে মিশে থাকে যে, কেবল নিয়মকানুনের পরিবর্তন বা সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তা দূর করা যায় না। এ জন্য একটি বড় ঝাঁকুনি বা গুণগত পরিবর্তনের (বিপ্লব) মাধ্যমে শাসনব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে হয়।জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও সচেতনতা থেকে যে গণ-অভ্যুত্থান তৈরি হয়, তা ছাড়া সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার (যেমন— অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা) ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো শক্তিশালী ভিত্তি পাওয়া যায় না।তবে বিপ্লবের মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলই যথেষ্ট নয়, এর পরের সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে✊⛓️💥🎯🚩
কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 https://www.youtube.com/watch?v=IX5TMG0nhTo https://www.youtube.com/watch?v=kJTSte3Jo0w https://www.youtube.com/watch?v=rSVfo10DIIA বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব। প্রচলিত ব্যবস্থায় সুবিধাভোগী এলিট শ্রেণি ও পুঁজিপতিরা তাদের স্বার্থহানির ভয়ে সংস্কারের পথে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে। ক্ষমতা ও সম্পদের সুষম বণ্টন, দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং আমূল পরিবর্তনের জন্য গণজাগরণ বা বিপ্লব অপরিহার্য।বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র অর্জন কঠিন হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:স্বার্থান্বেষী মহলের প্রতিরোধ: প্রচলিত কাঠামোর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী কখনই স্বেচ্ছায় তাদের সম্পদ ও ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে তারা সব ধরনের সংস্কার প্রস্তাব বা গণতান্ত্রিক উদ্যোগ ব্যর্থ করে দেয়।কাঠামোগত পরিবর্তন: কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সামাজিক সমতা, যা মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত সম্পদ ও ক্ষমতার Redistribution (পুনর্বণ্টন) ছাড়া সম্ভব নয়। এই আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য প্রচলিত আইনের সীমার বাইরে গিয়ে নতুন ভিত্তি স্থাপনের প্রয়োজন হয়।দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা: দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে এমনভাবে মিশে থাকে যে, কেবল নিয়মকানুনের পরিবর্তন বা সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তা দূর করা যায় না। এ জন্য একটি বড় ঝাঁকুনি বা গুণগত পরিবর্তনের (বিপ্লব) মাধ্যমে শাসনব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে হয়।জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও সচেতনতা থেকে যে গণ-অভ্যুত্থান তৈরি হয়, তা ছাড়া সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার (যেমন— অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা) ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো শক্তিশালী ভিত্তি পাওয়া যায় না।তবে বিপ্লবের মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলই যথেষ্ট নয়, এর পরের সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে✊⛓️💥🎯🚩
কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 https://www.youtube.com/watch?v=IX5TMG0nhTo https://www.youtube.com/watch?v=kJTSte3Jo0w https://www.youtube.com/watch?v=rSVfo10DIIA বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব। প্রচলিত ব্যবস্থায় সুবিধাভোগী এলিট শ্রেণি ও পুঁজিপতিরা তাদের স্বার্থহানির ভয়ে সংস্কারের পথে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে। ক্ষমতা ও সম্পদের সুষম বণ্টন, দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং আমূল পরিবর্তনের জন্য গণজাগরণ বা বিপ্লব অপরিহার্য।বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র অর্জন কঠিন হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:স্বার্থান্বেষী মহলের প্রতিরোধ: প্রচলিত কাঠামোর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী কখনই স্বেচ্ছায় তাদের সম্পদ ও ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে তারা সব ধরনের সংস্কার প্রস্তাব বা গণতান্ত্রিক উদ্যোগ ব্যর্থ করে দেয়।কাঠামোগত পরিবর্তন: কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সামাজিক সমতা, যা মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত সম্পদ ও ক্ষমতার Redistribution (পুনর্বণ্টন) ছাড়া সম্ভব নয়। এই আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য প্রচলিত আইনের সীমার বাইরে গিয়ে নতুন ভিত্তি স্থাপনের প্রয়োজন হয়।দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা: দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে এমনভাবে মিশে থাকে যে, কেবল নিয়মকানুনের পরিবর্তন বা সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তা দূর করা যায় না। এ জন্য একটি বড় ঝাঁকুনি বা গুণগত পরিবর্তনের (বিপ্লব) মাধ্যমে শাসনব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে হয়।জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও সচেতনতা থেকে যে গণ-অভ্যুত্থান তৈরি হয়, তা ছাড়া সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার (যেমন— অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা) ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো শক্তিশালী ভিত্তি পাওয়া যায় না।তবে বিপ্লবের মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলই যথেষ্ট নয়, এর পরের সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে✊⛓️💥🎯🚩
কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 https://www.youtube.com/watch?v=IX5TMG0nhTo https://www.youtube.com/watch?v=kJTSte3Jo0w https://www.youtube.com/watch?v=rSVfo10DIIA বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব। প্রচলিত ব্যবস্থায় সুবিধাভোগী এলিট শ্রেণি ও পুঁজিপতিরা তাদের স্বার্থহানির ভয়ে সংস্কারের পথে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে। ক্ষমতা ও সম্পদের সুষম বণ্টন, দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং আমূল পরিবর্তনের জন্য গণজাগরণ বা বিপ্লব অপরিহার্য।বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র অর্জন কঠিন হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:স্বার্থান্বেষী মহলের প্রতিরোধ: প্রচলিত কাঠামোর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী কখনই স্বেচ্ছায় তাদের সম্পদ ও ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে তারা সব ধরনের সংস্কার প্রস্তাব বা গণতান্ত্রিক উদ্যোগ ব্যর্থ করে দেয়।কাঠামোগত পরিবর্তন: কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সামাজিক সমতা, যা মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত সম্পদ ও ক্ষমতার Redistribution (পুনর্বণ্টন) ছাড়া সম্ভব নয়। এই আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য প্রচলিত আইনের সীমার বাইরে গিয়ে নতুন ভিত্তি স্থাপনের প্রয়োজন হয়।দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা: দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে এমনভাবে মিশে থাকে যে, কেবল নিয়মকানুনের পরিবর্তন বা সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তা দূর করা যায় না। এ জন্য একটি বড় ঝাঁকুনি বা গুণগত পরিবর্তনের (বিপ্লব) মাধ্যমে শাসনব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে হয়।জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও সচেতনতা থেকে যে গণ-অভ্যুত্থান তৈরি হয়, তা ছাড়া সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার (যেমন— অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা) ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো শক্তিশালী ভিত্তি পাওয়া যায় না।তবে বিপ্লবের মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলই যথেষ্ট নয়, এর পরের সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে✊⛓️💥🎯🚩
কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 https://www.youtube.com/watch?v=IX5TMG0nhTo https://www.youtube.com/watch?v=kJTSte3Jo0w https://www.youtube.com/watch?v=rSVfo10DIIA বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব। প্রচলিত ব্যবস্থায় সুবিধাভোগী এলিট শ্রেণি ও পুঁজিপতিরা তাদের স্বার্থহানির ভয়ে সংস্কারের পথে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে। ক্ষমতা ও সম্পদের সুষম বণ্টন, দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং আমূল পরিবর্তনের জন্য গণজাগরণ বা বিপ্লব অপরিহার্য।বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র অর্জন কঠিন হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:স্বার্থান্বেষী মহলের প্রতিরোধ: প্রচলিত কাঠামোর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী কখনই স্বেচ্ছায় তাদের সম্পদ ও ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে তারা সব ধরনের সংস্কার প্রস্তাব বা গণতান্ত্রিক উদ্যোগ ব্যর্থ করে দেয়।কাঠামোগত পরিবর্তন: কল্যাণ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি হলো সামাজিক সমতা, যা মুষ্টিমেয় মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত সম্পদ ও ক্ষমতার Redistribution (পুনর্বণ্টন) ছাড়া সম্ভব নয়। এই আমূল পরিবর্তন সাধনের জন্য প্রচলিত আইনের সীমার বাইরে গিয়ে নতুন ভিত্তি স্থাপনের প্রয়োজন হয়।দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা: দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে এমনভাবে মিশে থাকে যে, কেবল নিয়মকানুনের পরিবর্তন বা সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তা দূর করা যায় না। এ জন্য একটি বড় ঝাঁকুনি বা গুণগত পরিবর্তনের (বিপ্লব) মাধ্যমে শাসনব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে হয়।জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও সচেতনতা থেকে যে গণ-অভ্যুত্থান তৈরি হয়, তা ছাড়া সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার (যেমন— অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা) ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো শক্তিশালী ভিত্তি পাওয়া যায় না।তবে বিপ্লবের মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলই যথেষ্ট নয়, এর পরের সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
বিপ্লব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র গড়া সম্ভব না✊⛓️💥🎯🚩 কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ও শোষক কাঠামো ভেঙে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি, যা কেবল বিপ্লবের মাধ্যমেই সম্ভব✊⛓️💥🎯🚩 সঠিক দিকনির্দেশনা ও জবাবদিহিমূলক শাসনতন্ত্রই একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে✊⛓️💥🎯🚩