‘অশ্লীলতা’ শব্দের আরবি প্রতিশব্দ হিসেবে পবিত্র কোরআনে ‘ফাহশা’ ও ‘ফাহেশা’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। অভিধান মতে, অশ্লীলতা মানে কুৎসিত, জঘন্য, অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও কদর্য রুচি। সাধারণভাবে বলা যায়, লজ্জাহীনতা, রুচিহীনতা, অসুন্দর, অশোভন—এসবের সামষ্টিক রূপই হলো অশ্লীলতা।
অশ্লীল কাজ সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধ। কারো গোপনীয় চরিত্র বা স্থিরচিত্র প্রকাশ করাও জঘন্যতম অশ্লীল কাজ। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার পছন্দ করে, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।’ (সুরা : নুর, আয়াত : ১৯)
রাসুলুল্লাহ (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন যে কিয়ামতের পূর্বক্ষণে নগ্নতা ও অশ্লীলতার ব্যাপক প্রচার ঘটবে। হাদিস শরিফে এসেছে, নিশ্চয়ই এসব কিয়ামতের আলামত যে একসময় কৃপণতা ও অশ্লীলতা প্রকাশ পাবে। খিয়ানতকারীকে আমানতদার মনে করা হবে। আমানতদারকে খিয়ানতকারী মনে করা হবে। নারীদের নতুন নতুন পোশাকের উদ্ভব ঘটবে, যেগুলো পরিধান করে নারীরা বস্ত্রাবৃত হয়েও নগ্ন থাকবে। নিকৃষ্ট লোকেরা অভিজাত লোকদের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে। (তাবরানি আওসাত, হাদিস : ৭৪৮৯)
মহান আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সকল ধরনের পাপ থেকে রক্ষা করুন। আমীন।











