It's my 5 year anniversary on Tumblr 🥳
Really??!

ellievsbear
Show & Tell
d e v o n
will byers stan first human second
occasionally subtle

Love Begins
Game of Thrones Daily

Kiana Khansmith
h
Jules of Nature

★
wallacepolsom
Aqua Utopia|海の底で記憶を紡ぐ
RMH
Claire Keane
No title available

oozey mess
Lint Roller? I Barely Know Her
Three Goblin Art
I'd rather be in outer space 🛸

seen from United States
seen from Canada
seen from United States
seen from United States
seen from United States

seen from Brazil

seen from T1

seen from United States
seen from United States

seen from Türkiye
seen from T1

seen from United States

seen from China
seen from United States

seen from France
seen from South Africa

seen from Malaysia

seen from Croatia

seen from United States

seen from United States
@boitoiityadi
It's my 5 year anniversary on Tumblr 🥳
Really??!
OTT: জী ফাইভ ডিরেক্টর: মনোজ মিশিগান অভিনয়ে: আবির চ্যাটার্জী, জয়া আহসান প্রমুখ জনরা: থ্রিলার, ড্রামা মূল ভাষা: বাংলা দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা
আমি জয় চ্যাটার্জী (U)
রিলিজ: ১৩ অক্টোবর, ২০১৭
OTT: জী ফাইভ
ডিরেক্টর: মনোজ মিশিগান
অভিনয়ে: আবির চ্যাটার্জী, জয়া আহসান প্রমুখ
জনরা: থ্রিলার, ড্রামা
মূল ভাষা: বাংলা
দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ৩৬ মি
IMDb রেটিং: ৭.৩ /১০
গল্প ঘুরেছে জয় চ্যাটার্জী নামক এক অহংকারী, আত্মকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে। জয় নিজেকে ছাড়া, নিজের স্বার্থ ছাড়া আর কিছুই বোঝে না। অন্যদের আবেগ, অনুভূতি, প্রয়োজন কোনোকিছুই পরোয়া করেনা। তার ডক্টর ফিয়ান্সেও তার এই স্বভাবের জন্য যথেষ্ট বিরক্ত কিন্তু তার শত চেষ্টার পরও জয়ের মধ্যে কোনো পরিবর্তন আসে না। এর পরই আশ্চর্য জনক ভাবে জয় নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। এ নিয়ে মিডিয়ায় সাড়া পড়ে যায়। আন্দাজ করা হয় যে জয় অপহৃত হয়েছে। পুলিশ রহস্যময় একজনকে সন্দেহকরে অপহরণকারী হিসেবে কিন্তু কিছুতেই তাকে ধরতে পারে না। এদিকে, জয় চ্যাটার্জীর জীবনে এমন এক অলৌকিক পরিবর্তন ঘটে যায় যার ফলে তার পরিচয় হয় কঠোর বাস্তবের সঙ্গে, সে নিজের স্বার্থপর, অমানবিক সত্বার সম্পর্কে জানতে পারে আর নানা রকম প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে তার দাম্ভিক, ব্যবসায়ী সত্বার বুক চিরে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে এক নতুন জয় চ্যাটার্জী যে শুধু নিজের জন্য বাঁচা ছাড়াও অন্যদের সুখ দুঃখে ওদের পাশে দাঁড়াতে জানে, অন্যদের জন্য বাঁচতে জানে।
মূলত কেন্দ্রীয় চরিত্রে-র সেলফ রিয়েলাইজেশন এর গল্প। ওই অলৌকিক টুইস্টটা গল্পে এক অন্য মাত্রা এনে দেয়। অভিনয় নিয়ে কিছু বলার নেই। জয় চ্যাটার্জীর এই বিবর্তনের গল্প দেখতে বেশ ভালই লাগে। সত্যি কি জয়কে কেউ অপহরণ করেছিল? কে সেই রহস্যময় ব্যক্তি যাকে পুলিশ সন্দেহ করেছিল? অবশেষে জয় কি ফিরে আসতে পারে তার জীবনে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে দেখে নিতে হবে , "আমি জয় চ্যাটার্জী" !
বিঃ দ্রঃ Contents/image(s) used here falls under the "Fair Use" as described Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research.
আ থার্সডে রিলিজ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ OTT: হটস্টার ডিরেক্টর: বেহজাদ খাম্বাটা অভিনয়ে: ইয়ামি গৌতম, নেহা ধুপিয়া, অতুল কুলকার্নি, কর্ণভির শর্
যাত্রী কৃপয়া ধ্যান দে (U/A) রিলিজ: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ OTT: আমাজন মিনি টিভি ডিরেক্টর: অভিনব সিং অভিনয়ে: শাহির শেখ, শ্রুতি বাসু প্রসাদ জনর
যাত্রী কৃপয়া ধ্যান দে (U/A)
রিলিজ: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
OTT: আমাজন মিনি টিভি
ডিরেক্টর: অভিনব সিং
অভিনয়ে: শাহির শেখ, শ্রুতি বাসু প্রসাদ
জনরা: শর্ট ফিল্ম, ড্রামা
মূল ভাষা: হিন্দি
দৈর্ঘ্য: ১৬ মি ১৬ সে
IMDb রেটিং: ৭.৮/১০
ওয়াও! মাত্র দুজন অ্যাক্টরস অভিনীত একটি শর্ট ফিল্ম। রকমারি লোকেশনের আতিশয্য ও শহুরে ট্র্যাফিক থেকে দূরে ধূধূ হাইওয়ে র ওপর, একটি গাড়ি দুটো যাত্রীকে নিয়ে চলেছে নিশ্চিন্তে, নির্বিঘ্নে ...! সুমিতের (শাহির) কাছে লিফট চায় একটি অজ্ঞাত পরিচয় মেয়ে নন্দিতা (শ্বেতা)। সুমিত তাকে লিফট দিয়েও দেয়। তারপর তাঁদের মধ্যে অতি স্বাভাবিক ভাবেই চলতে থাকে কথা বার্তা যা ক্রমশঃ একটি রহস্যময় ভুতুড়ে অবহের সৃষ্টি করতে থাকে ও দর্শকও সেটায় জড়িয়ে পড়তে থাকে .... শেষের ধাক্কাটা তো .... !!
ব্যস্ত শিডিউল থেকে মাত্র ষোলো মিনিট এই শর্ট ফিল্ম এ ব্যয় করলে সেটা ব্যর্থ হবে না! তবে আর দেরি কিসের? এক্ষুনি ঘুরে আসা যাক আমাজন শপিং অ্যাপ এর মিনি টিভি ট্যাব থেকে? ব্যাপারটা কিন্তু এখনও পুরোপুরি ফ্রী!
বান্টি অউর বাবলী ২.০ (U/A) রিলিজ: ১৯ নভেম্বর, ২০২১ OTT: নেটফ্লিক্স ডিরেক্টর: বরুণ ভি. শর্মা অভিনয়ে: রাণী মুখার্জি, সাইফ আলী খান, পঙ্কজ ত্রি
বান্টি অউর বাবলী ২.০ (U/A)
রিলিজ: ১৯ নভেম্বর, ২০২১
OTT: নেটফ্লিক্স
ডিরেক্টর: বরুণ ভি. শর্মা
অভিনয়ে: রাণী মুখার্জি, সাইফ আলী খান, পঙ্কজ ত্রিপাঠী, সিদ্ধান্ত চতুরবেদি, শর্বরী ওয়াঘ প্রমুখ
জনরা: ক্রাইম - কমেডি, ড্রামা
মূল ভাষা: হিন্দি
দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ১৮ মি
IMDb রেটিং: ৪.০ /১০
সালের বান্টি অউর বাবলি ছবির সিকোয়েল বান্টি অউর বাবলী ২.০ । তবে বাবলির চরিত্রটি বাদে ছবির সম্পূর্ণ কাস্টই বদলে গেছে, এতে পুরোনো অনুরাগীদের কিছুটা হলেও হতাশ লাগতে পারে। তবে গল্পের গতির সঙ্গে সঙ্গে সব নতুন চরিত্ররাও নিজেদের রোলে দিব্যি খাপ খেয়ে যায়। ২০০৫ এর বান্টি অউর বাবলির আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ডিসিপি দশরথ সিং এর চরিত্রটির বদলে দেখা যাবে আরেক চরিত্র ইন্সপেক্টর জাটায়ু সিং-কে (পঙ্কজ) কিন্তু "কাজরারে"-র মত কোনো আইটেম নাম্বারে তাঁকে নাচতে দেখতে চাইলে আশাহত হতে হবে!
এই গল্পের শুরু এক ফ্রড জুটি, ( সিদ্ধান্ত ও শর্বরী) যারা একের পর এক ফ্রড করে চলেছে কিংবদন্তি বান্টি আউর বাবলির নামে। এদিকে পুলিশ পাকড়াও করে প্রাক্তন, আসল বান্টি আর বাবলীকে অর্থাৎ দশ বছর ধরে ফ্রডবাজি ছেড়ে এক ছেলে নিয়ে পুরো দমে গৃহস্থ হয়ে যাওয়া রাকেশ (সাইফ) ও ভিম্মিকে (রাণী)। ফেক বান্টি আর বাবলীকে ধরার জন্য পুলিশকে সাহায্য করতে রাকেশ ও ভিম্মি রাজি হয়ে যায় ও তারপর শুরু হয় এই ছবির হাস্যরসে পরিপূর্ণ যাত্রা! নকল বান্টি আর বাবলী কি ধরা পড়বে আসল বান্টি আর বাবলির কাছে? নাকি নতুনরা পুরনোদের টেক্কা দেবে? শেষে কিন্তু একটা টুইস্ট আছে, কি সেটা? - বান্টি অউর বাবলী ২.০ দেখে নিলেই এসব কিছু জানতে পারা যাবে।
যাহোক, খারাপ লাগে না দু জোড়া বান্টি বাবলির অ্যাডভেঞ্চার দেখতে! তথাপি মাঝে সাঝে এই খেয়াল এসেই যায় মনে যে পুরনো স্টারকাস্টের সঙ্গে ব্যাপারটা কেমন হতো! কমেডি ও হাসতে হাসতে পেট ফাটার পর্যায়ের না হলেও বেশ মানানসই। কোথাও দর্শকদের জোর করে হাসানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে হয় না। মিউজিকটা সেরকম জমলো না! এখানটায় আবারও প্রথম ছবিটিই বাজিমাত করেছে! তবু টাইম পাস হিসেবে দেখে নেওয়াই যায় এ ছবি!
বিঃ দ্রঃ Contents/image(s) used here falls under the "Fair Use" as described Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research.
ভৌতিক অলৌকিক (হার্ড কভার) অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী ভাষা: বাংলা প্রকাশক: পত্রভারতি রিলিজ: জানুয়ারি ২০১৫ জনরা: রহস্য - রোমাঞ্চ, ভৌতিক, অলৌকিক প্রচ্ছদ ও অলংকরণ: সুদীপ্ত মণ্ডল পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১৬ মুল্য: ₹ ২০০/-
মোট আঠারোটি ভৌতিক, অলৌকিক সাই - ফাই ও অদ্ভুত গল্পের সংকলন বইটি। গল্পগুলোর কোনোটাই খুব একটা বড় নয়। এর মধ্যে অনিলিখা চরিত্রটির বলা গল্পের সংখ্যাই চারটি। লেখক রাতে না পড়ার জন্য সাবধান করলেও সেটার কোনো প্রয়োজন ছিল না কারণ সেরকম ভয়ানক কিছুই নেই কোনো গল্পে। সব বয়সের পাঠকই যেকোনো সময় গল্পগুলো পড়ে ফেলতে পারেন। নিচে সাংঘাতিক কোনো স্পয়লার না দিয়ে, প্রতিটি গল্পের একটু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো :
১. প্রতিশোধ
ট্রেন যাত্রীর ফাঁকা কামরায় এক প্রৌঢ়, দাম্ভিক আগন্তুক এসে বসে। রজতের সম্প্রতি লেখা একটা গল্পের জন্য আঁকা ছবিতে যে ভিলেন এর চেহারা সে এঁকেছে, লোকটির চেহারা হুবহু তার সঙ্গে মিলে যায়। যখন রজত কখনো লোকটিকে দেখেইনি, তবে এ কি ভাবে সম্ভব?
২. নিছক একটু ভয় দেখানো
ফাঁকা ফ্লাইট উঠে শান্তনু আবিষ্কার এক ভয়ে জড়ো হয়ে থাকা সহযাত্রী ভদ্রলোককে। লোকটি প্রথম প্লেনে চড়েছে আন্দাজ করে শান্তনু তার সঙ্গে মজা করে তাকে একটু ভয় দেখানোর লোভ সামলাতে পারে না তারপর ...
৩. ভুত মানেই চান্স
অফিসের ন'জন মিলে উড়িষ্যার কুলডিহা ফরেস্ট বাংলোয় এসে আড্ডা দিচ্ছিল। বিনা নিমন্ত্রণে এক আগন্তুক তাদের আড্ডায় যোগ দিয়ে "ভুত হওয়াটাও" কিভাবে "চান্স" এর ব্যাপার সেটা বোঝাতে একটা গল্প বলতে শুরু করে ...
৪. দিনটা খুব ইন্টারেস্টিং
জ্যোতিষে ঘোর অবিশ্বাসী সৌম্যকে একদিন হঠাৎ পঞ্চগণিতে গাড়ি থেকে নামতেই এক জ্যোতিষ গোছের লোক বলে যে তার ভবিষ্যত খুব ইন্টারেস্টিং তারপর ....
৫. শুধু কুড়ি মিনিট
জয়ন্ত জার্মানি থেকে দেশে ফিরছে দীর্ঘদিন পর। এয়ারপর্ট এ অপেক্ষা করা কালীন এক অদ্ভুত ব্যক্তি দাবি করে যে সে ভবিষ্যত থেকে এসেছে তাকে সাবধান করতে এসেছে কুড়ি মিনিটের মধ্যে হতে চলা এক বিপদ সম্পর্কে !
৬.নীলকুঠি তে কিছুক্ষণ
সুজিত পাগলাটে মানব মাঝির নৌকোয় চড়ে নীলকুঠির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তারপর থেকেই তার সঙ্গে ঘটতে থাকে কিছু অদ্ভুত ঘটনা ...
৭.তাজমহল
অদ্ভুত গল্প! কৌতুকপূর্ণ ও বটে! টাইম ট্র্যাভেল ও তাজমহল নির্মাণের মধ্যে অদ্ভুত একটা যোগসূত্র স্থাপন করা হয়েছে অনিলিখার বলা এই গল্পে!
৮. প্রতিবেশী
ভুতুড়ে গন্ধ নিয়ে গল্প এগিয়ে চলে তবে শেষটা হাস্যকর ভাবে চমকে দেয়!
৯. চশমা ও অপ্রস্তুত বাবু
অপ্রস্তুত বাবুর চশমা প্রীতি ও চশমা নেবার পর তার জীবনে আসা অদ্ভুত পরিবর্তনের গল্প।
১০. প্রফেসর ইয়াকোয়ার মৃত্যুরহস্য
অনিলিখার এক উদ্ভিদ বিশারদের সঙ্গে হওয়া অভিজ্ঞতার গল্প।
১১. নিধিরামে অপদস্থ
অঙ্কের শিক্ষক অপদস্থ বাবু এক গ্রামে চাকরি পেয়ে সেখানে যেতে যেতে বুঝতে পারেন যে ভুতুড়ে বলে সে গ্রামের ভারী বদনাম ...
১২. আধ ঘন্টার অভিনয়
অনিলিখার আরো এক অভিজ্ঞতার গল্প যেখানে তাকে কিছুক্ষণের জন্য এক বৃদ্ধার মৃত কন্যার অভিনয় করতে হয় ...
১৩. ঠিক বিচার
অনেক বছর পর স্টেশনে সুবীরের দেখা হয়ে যায় তার অংকের স্যারের ...
১৫. রাজাবাবু
মানিকবাবু কিছুদিন থেকে লক্ষ করছেন যে তাঁর চারদিকে লোকজন হঠাৎ করেই খুব ভালো হয়ে গেছে, কেউ না কেউ নিজে থেকেই এসে তাঁর প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে চলতে ফিরতে অথচ এঁদের কাউকেই মানিক বাবু চিনতে পারেন না ...
১৬. কম্পিউটারের অদ্ভুত তিন ভবিষ্যদবাণী
অতীত ভবিষ্যত বলা এক কম্পিউটার সফটওয়্যারের তিনটি অদ্ভুত ভবিষ্যতবাণী নিয়ে অনিলিখার ছাত্র জীবনে ঘটা এক ঘটনার গল্প।
১৭. পিছনে হাঁটা
কর্মসূত্রে অতিন ওয়েলস-এ একটি বাড়ি ভাড়া করে একা থাকে। সে বাড়িতেই পাওয়া একটি ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে ঘুমনোর পর থেকেই তার সঙ্গে কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে শুরু হয় ...
১৮. ৩৮ বিচউড স্ট্রিট
অফিসের কাজে ওয়েলস-এ একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে অভ্র। রাতে 'ঝুম-ঝুম-ঝুম'—শব্দটা বাগানের একটা দিক থেকে অন্য দিকে এগিয়ে যাওয়া প্রায়ই টের পেতে লাগলো সে তারপর ....
অবশেষে, ভৌতিক এর চেয়ে অলৌকিক ব্যাপার স্যপার এর প্রচুর্যই বেশি বইটিতে। একটু গম্ভীর ভুতুড়ে কিংবা ভয়ের গল্প পড়ার ইচ্ছে থাকলে এ বই হয়তো প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবে না কিন্তু টুক করে হালকা অলৌকিক ছোট গল্প পড়ার ইচ্ছে পূরণের জন্য বইটি মন্দ নয়!
বিঃ দ্রঃ Contents/image(s) used here falls under the "Fair Use" as described Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research.
আলিফ লায়লা (U/A ১৩+) টিভি চ্যানেল: দঙ্গল টিভি রিলিজ: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ OTT: ভুট (Voot) ডিরেক্টর: নিখিল সিন্হা অভিনয়ে: অঙ্কিত আরোরা (সুলতান শাহ্বাজ ও প্রতিটি গল্পের মেল লিড), শাইনি দোশি (সুলতানা সেহের ও প্রতিটি গল্পের ফিমেল লিড) প্রমুখ জনরা: ফ্যান্টাসি, ড্রামা, ভায়োলেন্স, সুপারন্যাচারাল সিজন: ১ এপিসোড সংখ্যা: ৩২ (২০+১২) এপিসোড দৈর্ঘ্য: ২০-২৪ মি (প্রায়) IMDb রেটিং:
"আলিফ লায়লা" নামটিতেই ছোট বেলার অনেক মজার স্মৃতি ভেসে ওঠে মনে। বিভিন্ন জিন, পরি , রাজা আদির অজানা জাদুই গল্পের সঙ্গে আলাদিন, আলিবাবা চল্লিশ চোর ও সিন্দাবাদ এর মত বিখ্যাত গল্পের চলচ্চিত্র রূপ দেখতে পারার মতন অভিনব ও উত্তেজনাপূর্ণ আর কিছু কি ছিল সেই সময়?একটা গল্প শেষ হবার আগেই পরের গল্প কোনটা হবে সেটা জানার আগ্রহ, নতুন গল্প শুরু হলে, আগামীতে কোন গল্প বলবে সুলতানা সে নিয়ে জল্পনা কল্পনা আর এর মাঝেই হঠাৎ করে আলিফ লায়লা অফ এয়ার হয়ে গেল সব জল্পনা - কল্পনা, আশা - আকাঙ্খা অন্ত করে! তবু মোট ৩০৩ এপিসোডের সে আলিফ লায়লা চলেছিল ১৯৯৩-১৯৯৭ পর্যন্ত। এও বা কম কিসে? তারপর থেকে বেশ কয়েকবারই বেশ কিছু টিভি চ্যানেলই আলিফ লায়লার সেই পুরোনো এপিসোড গুলো আবার দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। ইউটিউবে সার্চ করলেও যখন তখনই পুরনো স্মৃতি তাজা করার সুযোগ এসেছে। ব্যাপারটা এতো সহজলভ্য হওয়াতেই সম্ভবতঃ ধীরে ধীরে অতীতের আলিফ লায়লার মায়া কাটিয়ে মন বেরিয়ে এসে কর্মব্যস্ত জীবনে অন্যান্য নতুন নতুন মনোরঞ্জক উপকরণে ব্যস্ত হতে পেরেছে। এরই মধ্যে একদিন দঙ্গল টিভির ইউটিউব চ্যানেলে আবার এক নতুন আলিফ লায়লার দেখা মিলল। সময়টা ২০২০। দেখা মাত্রই পুরনো নস্টালজিয়া আবার জেগে উঠলো সঙ্গে জেগে উঠলো অনেক প্রশ্নও। শো-টা কেমন হবে? আগেরটার মতই নাকি অন্য রকম? কোন কোন গল্প কিভাবে দেখানো হবে ... ইত্যাদি। আর সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে নতুন আলিফ লায়লার নিয়মিত দর্শক হয়ে নিরাশ হতে হলো না। যদিও দূরদর্শনের আলিফ লায়লা-র সঙ্গে তুলনাটা খুব স্বাভাবিক ভাবে এসেই যায় মনে তথাপি, তুলনাটা না করাটাই বোধ হয় ভালো কারণ এই শোতে মেকার্স বেশ কিছু নতুন এক্সপেরিমেন্ট করেছেন। এই শো-তে আনা পরিবর্তনগুলো বেশ প্রশংসাযোগ্যও বটে! বিশেষ করে, এক ম্যাজিকাল বই এর সাহায্যে প্রতিটি গল্পেই সুলতান শাহ্বাজ এর সেই গল্পের দুনিয়াতে প্রবেশ ও গল্পের মূল চরিত্রদের রূপে তাদের অভিজ্ঞতা অর্জন করার ব্যাপারটা যেমন অভিনব তেমনি যুক্তিসঙ্গত মনে হয়। শুধু সুলতান-ই নয়, সুলতানা সেহেরকেও প্রতিটি গল্পের লেডি প্রটাগনিস্ট এর চরিত্রে দেখা যাবে। ব্যাপারটা সবার কাছে পছন্দ নাও হতে পারে তবে দেখতে মন্দ লাগবে না নিশ্চযই। যাহোক, দুর্ভাগ্যবশত বিশ্ব জুড়ে করোনা-র প্রকোপে লক ডাউন হলো ও অনেক টিভি শোর সঙ্গে আলিফ লায়লার শুটিংও মাঝপথেই বন্ধ হয়ে গেলো এবং পুনরায় শো-টি শুরু হবার আশাও ক্ষীণ হতে হতে শেষ হয়ে গেল। তবে যে কটা এপিসোড ইন্টারনেটে উপলব্ধ সেগুলো চাইলে এখনও দেখা যেতে পারে। ভুট (Voot)- এ সম্প্রতি মোট বত্রিশ (৩২) এপিসোড এর এই শোটি অ্যাড হয়েছে, যাতে বারোটি (১২) এক্সট্রা এপিসোড ও রয়েছে যেগুলো সম্ভবত টিভিতে এয়ার হয়নি। তাই আগে যারা শো-টি দেখেছেন তাঁরাও শুটিং হয়ে যাওয়া অবশিষ্ট বারোটি এপিসোড ফ্রীতে দেখে নেওয়ার জন্য ঘুরে আসতে পারেন voot থেকে। শোতে থাকা গল্পগুলো হচ্ছে : ১ আলিবাবা চাল্লিশ চোর ২ বাগদাদ কা চোর ৩ প্রিন্সেস ফিত্রেজ অ্যান্ড ফিশারমেন ৪ ডায়ন হীনা ৫ বিউটি এণ্ড দ্য বিস্ট ৬ আলাদিন তবে সাবধান বাণী: শেষের গল্পটিতো (আলাদিন) বটেই শো-টিও অসমাপ্ত অবস্থায়ই বন্ধ হয়েছে। অসমাপ্ত সিরিয়ালের গল্প দেখে হাপিত্যেশ করার জন্য প্রস্তুত থাকলেই আলিফ লায়লার এই রিমেকটা দেখতে শুরু করা ভালো !
বিঃ দ্রঃ Contents/image(s) used here falls under the "Fair Use" as described Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research.
সত্যমেব জয়তে ২ (U/A , ১৩+) প্রাথমিক রিলিজ: ২৫ নভেম্বর, ২০২১ OTT: আমাজন প্রাইম ডিরেক্টর: মিলাপ জাভেরি অভিনয়ে: জন আব্রাহাম, দিব্যা খোসলা কুমার, অনুপ সোনি, প্রমুখ জনরা: অ্যাকশন, ড্রামা, থ্রিলার ভাষা: হিন্দি দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ১৮ মি IMDb রেটিং: ৪.৯/১০ দুই আইডেন্টিক্যাল যমজ ভাই সত্য ও জয় (জন ও জন) নিজের নিজের স্টাইলে তাদের বাবার (জন) লেগেসিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে সিনেমায়। গল্পে উঠে এসেছে যত রকম ভাবা যায় প্রায় সবরকম করাপশন আর সেসবের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে সত্য ও জয়। এঁদের একজন পুলিশ অফিসার ও অন্যজন নেতা। দুজনেই নিজেদের মতো করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে পারস্পরিক বোঝাপড়ায় দুভাই জনসমক্ষে নেতা ও পুলিশ হবার সঙ্গে সঙ্গে অলক্ষে, পার্ট টাইম হুডেড সুপারহিরো হয়ে অন্যায়কারীর পরলোকের টিকিট কাটার ব্যবস্থা করে। রাজনীতিতে করাপশন, ডাক্তারদের অবহেলায়, চিকিৎসার অভাবে পেশেন্ট ও তাদের পরিজনদের দুর্গতি, ছোটদের ওপর অত্যাচার করে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামানো, কৃষক বিদ্রোহ, নারী নির্যাতন আর সঙ্গে মা - বাবার সঙ্গে ছেলেদের আবেগিক সম্পর্ক, বাবার হত্যাকারীর প্রতি ছেলেদের প্রতিশোধ - কি নেই এই সিনেমায়? ক্লাইম্যাক্স-এ একটি দৃশ্য ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট যুগের "মাদার ইন্ডিয়া" ছবির কথা মনে করিয়ে দেয়! একসাথে অত কিছুর সমাহারে যেন কোনো কিছুতেই ভালো করে ফোকাস করা গেলো না। গল্প সেরকম জোরদার মনে হয়নি। মহান পিতার লেগেসি ছেলেরা কিভাবে এগিয়ে নিয়ে গেলো বিশেষ করে তাই দেখানো হলো সিনেমায়। দিভ্যার চরিত্রটিকে যথেষ্ট স্বাধীনচেতা, স্বনির্ভর ও নৈতিকতাবাদি মহিলা হিসেবে দেখানো হয়েছে যা দিব্যার ফ্যান দের পাওনা! যদিও, নায়কের বিপরীতে একজন নায়িকা থাকতেই হবে এবং নায়িকার চরিত্রটিকেও কতটা ওজনদার হিসেবে দেখাতে হবে ভেবেই যেন এই চরিত্রের আবির্ভাব এবং নির্মাণ বলে মনে হয়। এ্যতো বছর পর সত্য এবং জয়ের মার কোমা থেকে বের হয়ে ছেলেদের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার দৃশ্যেও ছেলেদের রিঅ্যাকশন ঠিক ন্যাচারাল মনে হলো না। নোরার "কুসু কুসু" - ও যেন তেমন জমলো না। অ্যাকশন প্রেমী ও ফ্যানরা দেখতেই পারে তবে তুলনা মূলক ভাবে বলতে গেলে প্রথম "সত্য মেব জয়তে" - র ধরে কাছেও ঘেঁষতে পারেনি নতুন "সত্য মেব জয়তে ২" ! বেস্ট অফ লাক দর্শকবৃন্দ!
বিঃ দ্রঃ Contents/image(s) used here falls under the "Fair Use" as described Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research.
সূর্যবংশি (U/A , ১৬+) রিলিজ: ৫ নভেম্বর, ২০২১ OTT: নেটফ্লিক্স ডিরেক্টর: রোহিত শেট্টি অভিনয়ে: অক্ষয় কুমার, ক্যাটরিনা কাইফ, জ্যাকি শ্রফ, জাভেদ জাফরি, রণবীর সিং (অতিথি), অজয় দেবগন (অতিথি) প্রমুখ জনরা: অ্যাকশন, ড্রামা দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ২৫ মি IMDb রেটিং: ৬.৫/১০
৯৩ র মুম্বাই বম্ব ব্লাস্ট থেকে শুরু গল্পের। তারপর সে ব্লাস্টের সঙ্গে জড়িত অনেকেই কিভাবে দেশে বিদেশে, ছদ্ম পরিচয়ে লুকিয়ে থেকে আবার নতুন ভাবে ব্লাস্টের প্ল্যানিং চালায় আর অফিসার বীর সুর্যবংশি (অক্ষয়) ও তার টীম কিভাবে সেই প্ল্যান বিফল করার চেষ্টা চালায় মূলত গল্পটা নিয়েই। এই অভিযানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সূর্যবংশির ব্যক্তিগত জীবন যার কিছু কিছু ঝলক দেখা যায় মাঝে মাঝে।
শেষের ত্রিশ মিনিটে একে একে এন্ট্রি হয় সিম্বা (রণবীর) ও বাজিরাও সিংহাম (অজয়) এর। তো ট্রেলার দেখে যদি এই ধারণা হয় যে সূর্যবংশিতে তিন নায়কের কেরামতি সমানে সমানে দেখা যাবে - তবে শেষটায় হতাশ হতে হতে পারে। গোটা সিনেমায় ফোকাসে কেবল সূর্যবংশীই থাকছেন! দুটো গানের কোনোটিই আনকোরা নতুন নয় তাতো সর্বজন বিদিত। তবে সেগুলো দেখতে দেখতে পুরনো ভার্সনের সঙ্গে তুলনাটাও সম্ভবত স্বাভাবিক ভাবেই এসে যাবে। বাদবাকি মোটামুটি একরকম টাইমপাস হয়ে যাবে এ ছবি দেখলে।
বিঃ দ্রঃ Contents/image(s) used here falls under the "Fair Use" as described Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research.
আত্রঙ্গী রে (U/A , ১৩+) রিলিজ: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১ ডিজনী প্লাস হটস্টার ডিরেক্টর: আনন্দ এল. রাই অভিনয়ে: সারা আলী খান (রিংকু), ধনুষ (বিশু), অক্ষয় কুমার (সাজ্জাদ) প্রমুখ জনরা: রোমান্স, ড্রামা, কমেডি ... দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ৩০ মি IMDb রেটিং: ৬.৮/১০
গল্পের শুরুটা হয় বিহারে। বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া রিংকুকে ধরে ওর সাথে বিশুর (আগে থেকেই অন্য প্রেমিকার সাথে এনগেজড!) জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। তারপর, বর - কনে দুজনেই দিল্লি পৌঁছে নিজের নিজের পথ দেখবে বলে ঠিক করে। কিন্তু ঘটনার পাকে চক্রে দুজনের সঙ্গ হয়ে যায় দীর্ঘদিনব্যাপী। এরই মাঝে এন্ট্রি হয় রহস্যময় চরিত্র সাজ্জাদ এর, আর বিশু জড়িয়ে পড়ে রিংকুর জীবনের এক জটিল গোলকধাঁধায়। সেখান থেকেই নিজেকে ও রিংকুকে বের করার জন্যই চলতে থাকে ধনুষ অ্যান্ড টীম এর নানান প্রচেষ্টা গোটা সিনেমা জুড়ে। ধনুষ অ্যান্ড টীম এর এই প্রচেষ্টা অবশেষে সফল হয় এক্কেবারে সিনেমার শেষে। সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের কাছেও সাজ্জাদের ধাঁধা থেকে সম্পূর্ণ রূপে পর্দা উঠে যায়। অভিনয়েও সকলেই পরিণত। সারা যেভাবে রিংকুর চরিত্রটির বাচনভঙ্গি, হাব - ভাব প্রাণবন্ত করে ফুটিয়ে তুলেছেন, তার প্রশংসা না করলেই নয়। নতুনত্বের কিছুটা হলেও ছোঁয়া দেওয়ার জন্য নির্মাতাদের ধন্যবাদ জানাতেই হয়। বোরিং বা একঘেয়ে লাগেনা যদিও আরো কিছু একটা পাওয়ার প্রত্যাশা যেন থেকেই যায় শেষ অবধি। খুউউউব ভালো লাগলো বলতে না পারলেও, ' মন্দ লাগে না ' - এমনটি তো বলাই যায় এই ছবির বিষয়ে! বিশেষ পাওনা হিসেবে "হায় চকাচক" এর গ্যারান্টিতো রইলোই!
{অ্যানাবেল রাঠৌর (হিন্দি) / অ্যানাবেল সেথুপথি} (তামিল) (U) রিলিজ: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ডিজনি+হটস্টার ডিরেক্টর: দীপক সুন্দররাজন অভিনয়ে: বিজয় সেথুপথি, তাপসী পান্নু প্রমুখ জনরা: হরর কমেডি, ড্রামা দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ১৫ মি IMDb রেটিং: ৩.১০/১০
মূল তামিল ভাষার "অ্যানাবেল সেথুপথি" র হিন্দি ডাবড্ ভার্সন হচ্ছে "অ্যানাবেল রাঠৌর"। তাপসী পন্নুর আসল আওয়াজ শুনে অভ্যস্তেরা এই হিন্দি ভার্সন এ সেটাকে একটু মিস করতে পারেন! মুভির ট্রেলার যতটা মজাদার লেগেছিল, মুভিটি দেখে ততটাই হতাশ লাগলো! গল্পে তেমন কোনো বিশেষত্ব নেই। কমেডিও মনে দাগ কাটতে পারেনি। এক ঘর ভর্তি রঙচঙে ভুত ও ওদের সবার ঐক পাগলামি মিলেও যেন আবহ সেভাবে জমাতে ব্যর্থ হলো! ভুত, প্রতিশোধ, পুনর্জন্ম, কমেডি - কি নেই এই ছবিতে? কিন্তু এত কিছু সত্বেও দুঘন্টার ওপর বসে এই সিনেমা "উপভোগ" করাটা একটু কষ্টকর! গল্পে দেখানো হয় এক ঠগ পরিবার পাকে চক্রে এক খানদানি ভুতুড়ে প্রাসাদে সাফাই করার কাজ পেয়ে সেখানে এসে ওঠে। এই প্রসাদকেই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বললেও ভুল হবে না কারণ গল্পটা পুরোটাই এই প্রসাদের জন্য, এই প্রসাদকে ঘিরে, এই প্রসাদের মধ্যেই! যাহোক, তারপর ভূতে মানুষে লুকোচুরি - ধাপ্পা খেলা। নায়িকার পূর্বজন্মের গল্পের প্রকাশ্যে আসা ও শেষে .... থাক নাহয় সেটা। শেষে খুব বেশি প্রশ্ন মনে ঘুরঘুর না করলেও পার্ট টু নিয়ে আবার ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদায় জানায় অ্যানাবেল এর গল্প! সেটার জন্য বেস্ট অফ লাক নির্মাতাদের আর আর একটা বেস্ট অফ লাক "অ্যানাবেল রাঠৌর" এর দর্শকদের !
পাতালকোট, দীপিকা মজুমদার প্রকাশক: বুক ফার্ম (ডিসেম্বর ২০২০) জনরা: রহস্য - রোমাঞ্চ, ভৌতিক, হরর পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮৮ মুল্য: ₹ ২৫০/- মুখ্য চরিত্র: {পূরবী, বাদশা, দেবকান্তি, অনিকেত} - (বন্ধু, সহকর্মী), অনন্য , সাধন বৈরাগী, সারিকা ও মৌলীনা (কলেজ গার্লস), বাবুলাল (স্থানীয় রাধুনী, কর্মচারী), অনন্ত প্রমুখ। ঐতিহাসিক চরিত্র: অকৈতভ,পদ্মযামিনী, কনভ, বরুনি, প্রভা প্রমুখ।
চার বন্ধু - পূরবী, বাদশা, দেবকান্তি, অনিকেত অতিলৌকিক, ভৌতিক ঘটনা বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল "রহস্য শিকারি" চালায়। সেই চ্যানেলের কন্টেন্ট এর জন্যই অনন্যর প্রস্তাবে তার সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের পাতালকোটের উদ্দেশ্যে রওনা হয় পূরবীদের টীম। ওদের এই ট্রিপে বিনা নিমন্ত্রণে উড়ে এসে জুড়ে বসে সারিকা ও মৌলীনা। পরে এদের সঙ্গে যুক্ত হয় একে একে সাধন বৈরাগী, বাবুলাল, অনন্ত। পাতালকোটের কুখ্যাত রহস্যময় ভুতুড়ে বাড়িতে এরা কি কি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়? অনন্য ই বা কেন রহস্য শিকারি টিমকে পাতালকোট এর সন্ধান দেয়? সেই ভুতুড়ে বাড়ির রহস্যই বা কি? সেই রহস্য উদঘাটন করে কি এরা সবাই প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবে? গল্প প্রধানত দুটি সময়কালে বিভক্ত। তন্ত্র - ইতিহাস - পুরাণ - রহস্য - ভুত ...!!! এতকিছুর অতি সাবলীল ভাবে মেলবন্ধন ঘটেছে "পাতালকোট" এ, তবু কোথাও গল্প ঘেঁটে যায়নি! ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বিবরণও কোথাও প্রয়োজনাতিরিক্ত বলে লাগেনি। কিছু জটিল দৃশ্যের বিবরণও লেখিকার কলমে অতি সহজ, সুন্দর ও সাবলীল ভাবে প্রকাশ পেয়েছে যে না পড়লে ভাবাই যায় না যে এরকমও হতে পারে! ভৌতিক, তান্ত্রিক, অলৌকিক - ব্যাপারগুলোও গল্পে থাকলেও গল্পটির যথেষ্ট নিজস্বতা আছে। এ গল্প মোটেও বাজার চলতি একঘেয়ে ভুতুড়ে গল্প নয়। ভূতের নাম গুলোর (যেমন বজ্রবেতাল) মতই ভূত ও ভূতের ক্ষমতা প্রদর্শনের মধ্যেও যথেষ্ট উনিকনেস রয়েছে। সাধন বৈরাগীর চরিত্র প্রথম দিকটায় অভিক সরকারের কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ চরিত্রটির কথা মনে করিয়ে দেয় কিন্তু গল্প এগোনোর সাথে সাথে দেখা যায় এই চরিত্রটি সেভাবে আত্মপ্রকাশ করার সুযোগ গল্পেরএই প্রথম ইনস্টলমেন্ট এ অন্ততঃ পায়নি! বাকি, চরিত্রদের মধ্যে .... পদ্মযামিনী ছাড়া আর কারো চরিত্র বর্ণনায় খুব একটা চেষ্টা করা হয়েছে বলে মনে হলো না! আর সেটার অভাবও সেরকম ভাবে মনে হয়নি। চরিত্রগঠনের চাইতে প্রকৃতি চিত্রণ ও আবহ তৈরিতে সম্ভবতঃ একটু বেশি জোর দেওয়া হয়েছে যার প্রভাবে সহজেই পাতালকোট এর জঙ্গল যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে পাঠকের সম্মুখে! মোট কথা, একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করে উঠতে ইচ্ছে না করাটাই স্বাভাবিক! গল্পের মাঝে কয়েকটা ঝকঝকে স্কেচও বেশ নজর কাড়া! তবে গল্প এখানেই শেষ হয়নি। শেষে স্পষ্ট ভাবে জানানো আছে গল্পের শেষ পরিণতি জানতে এই সিরিজ এর আগামী বইটির অপেক্ষা করে থাকতে হবে! তবে কি পাতালকোট ডুওলজি নাকি ট্রিলজি? যদি গল্পের পরবর্তী অংশ জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে কোনো অসুবিধে না থাকে তবে নিঃসন্দেহে পড়ে নেওয়া যায় "পাতালকোট"!
ধামাকা (U/A , ১৩+) রিলিজ: ১৯ নভেম্বর, ২০২১ নেটফ্লিক্স ডিরেক্টর: রাম মাধভানি অভিনয়ে: কার্তিক আরয়ান (অর্জুন পাঠক), ম্রুণাল ঠাকুর (সৌম্যা মেহরা পাঠক), অমৃতা সুভাষ ( চ্যানেলের বস), ভিকাস কুমার (পুলিশ) প্রমুখ জনরা: অ্যাকশন, ড্রামা, থ্রিলার দৈর্ঘ্য: ১ ঘণ্টা ৪৩ মি IMDb রেটিং: ৯.৭/১০
২০১৩ য় মুক্তিপ্রাপ্ত সাউথ কোরিয়ান মুভি "দ্য টেরর লাইভ" এর ওপর অধারিত ধামাকা, ফোকাস করে মিডিয়া তথা নিউজ চ্যানেল গুলোর পেছনের এক বিকৃত, অমানবিক দিকের ওপর যাতে দর্শকও নিজেদের প্রশ্ন করতে বাধ্য হবে সত্যিই আজকাল নিউজ চ্যানেল গুলোয় পরিবেশিত নিউজ কতটা বিশ্বাসযোগ্য! ট্রেইলার দেখে এই সিনেমা দেখতে ইন্টারেস্টেড হয়ে বাস্তবে তা দেখার পর সত্যি মনে হবে ঘন্টা দুইয়ের স্ক্রীন টাইম ব্যর্থ হয়নি। শুরুর উত্তেজনা গল্প এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে একই গতিতে এগিয়েছে বা বেড়েছে কিন্তু কম হয়নি! বোর হওয়ার কথা সিনেমা চলা কালীন মনেও আসে না! কি এমন ছিল এই গল্পে? প্রায় পুরোটা গল্পের দৃশ্যপট ই একই নিউজ চ্যানেলের স্টুডিও বা সেট অথচ সেটাও যে এভাবে দর্শককে বেঁধে রাখতে পারে তা এ ছবি না দেখলে বোধহয় ভাবা যায়না আজকাল! সত্যি বলতে, গল্প মারকাটারি কিছুই নয় কিন্তু এর উপস্থাপনা দর্শককে শুরু থেকেই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ফেলে। তাই ট্রেইলারে গল্প সম্পর্কে যা ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার বেশি জানিয়ে সিনেমাটার উপভোগ্যতা কমিয়ে আর কাজ নেই! সম্ভবত অনেকের জন্যই ২০২১ এর সবচেয়ে সেরা সিনেমা হতে চলেছে এটি। তবে আর দেরি কিসের? তৈরি হয়ে যান এক অন্যরকম এবং রিফ্রেশিং মুভি জার্নির জন্য!
রশ্মি রকেট (U/A , ১৩+) রিলিজ: ১৫ অক্টোবর, ২০২১ জি ফাইভ ডিরেক্টর: আকর্ষ খুরানা অভিনয়ে: তাপসী পান্নু (রশ্মি), সুপ্রিয়া পাঠক (ভানুবেন), প্রিয়াংশু পৈন্যুলি (গগন), অভিষেক ব্যানার্জী (ঈশিত মেহতা), সুপ্রিয়া পিলগাওনকর (জজ সভিতা), বরুণ বাডোলা (দিলীপ চোপড়া) প্রমুখ জনরা: স্পোর্টস ড্রামা, দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ৯ মি IMDb রেটিং: ৭.৭/১০
এটা কোনো বায়োপিক না হলেও এখানে মহিলা অ্যাথলিটদের সম্মুখীন হতে হওয়া "জেন্ডার টেস্ট" নামক এক বাস্তব সমস্যার ওপর ফোকাস করা হয়েছে। প্রত্যেকের অভিনয়ই যথাযথ। আলাদা করে অবশ্যই বলতে হয় তাপসী, প্রিয়াংশু ও অভিষেক এর কথা। চরিত্রের সঙ্গে মানানসই ভাবে এঁরা যেভাবে নিজেদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন ও বাচন ভংগিতে পরিবর্তন এনেছেন তা প্রশংসাযোগ্য। গেম অ্যাসোসিয়েশন এর অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে রশ্মিকে জেন্ডার টেস্ট নামক বিভীষিকার সম্মুখীন হতে হয়। এর ফলস্বরূপ তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় জাতীয়/আন্তর্জাতিক স্তরে দৌড়োনোর অধিকার। সঙ্গীদের প্ররোচনামূলক টিটকিরি, মিডিয়ার অমানবিক ব্যবহার ও চরম অপমান - এসবকিছু রশ্মিকে বিধ্বস্ত করে ফেলে। প্রথমে হার মেনে নিলেও অবশেষে রশ্মি তার মা ভানুবেন, হাজব্যান্ড গগন ও উকিল ঈশিত এর ভরসা ও চেষ্টায় জেন্ডার টেস্ট এর বিরুদ্ধে সকল মহিলা অ্যাথলিটদের হয়ে কেস ফাইল করে। গল্প যথেষ্ট গতিশীল। অযথা অপ্রয়োজনীয় দৃশ্যাবলীর ও নাচ - গানের সমাহারও ঘটানো হয়নি সিনেমায়। একমাত্র নাচ - গান কম্বো, "ঘনি কুল ছোরি" ও পরিস্থিতির সঙ্গে বেশ মানানসই ও রিফ্রেশিং। অবশেষে রশ্মির গল্প কি মোড় নেয়? রশ্মির পথে আর কি কি বাধা আসে, সেসব অতিক্রম করে রশ্মি কি কেস জিততে পারে? - এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে দেখতে হবে "রশ্মি রকেট"।
দ্য পাওয়ার (U/A , ১৩+) রিলিজ: ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ জি ফাইভ ডিরেক্টর: মহেশ মঞ্জরেকর অভিনয়ে: মহেশ মঞ্জরেকর, বিদ্যুৎ জামওয়াল, শ্রুতি হাসান, যীশু সেনগুপ্ত প্রমুখ জনরা: অ্যাকশন, ক্রাইম, ড্রামা দৈর্ঘ্য: ২ ঘণ্টা ৩৩ মি IMDb রেটিং: ৫.৮/১০
একটি অ্যাকশন সিনেমা যার অনুপ্রেরণা ১৯৭২ র ক্লাসিক অ্যাকশন ছবি "দ্য গডফাদার"। গল্প গড়ে উঠেছে একটি ক্রিমিনাল ডন পরিবারকে ঘিরে। কালীদাস ঠাকুর, মি. ডন (মহেশ) তার ছেলে পুলে সমেত বিশাল পরিবার নিয়ে নিজের কার্যভার সামলান। তার ছেলেরাও এই প্রফেশনের সঙ্গে যুক্ত। একবার একটি গোলাগুলির ঘটনায় তার ছেলে দেবীদাস ঠাকুর ( বিদ্যুৎ) এতটাই শকড হয় যে ডক্টরের পরামর্শে তাকে দেশের বাইরে পাঠাতে হয় ছোটবেলায়। আশ্চর্য লাগে যখন সেই ছেলেই বড় হয়ে বাড়ি পৌঁছেই হঠাৎ করে তাদের বিজনেস এর কর্তা - ধর্তা - বিধাতা হয়ে পড়ে! ট্রেনড এক্সপার্ট এর মত ফাইটিং করা থেকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এক এক সিদ্ধান্ত নেওয়া - সবই সে করে অনায়াসে! যাকগে, কালীদাসের ওপর প্রতিপক্ষ গ্যাং এর এক প্রাণঘাতী হামলার পর তাঁর এক পরম বিশ্বস্ত সহকর্মীর কন্যে পরির সঙ্গে দেবীদাসের প্রেম ও বিয়ে ভেস্তে যায়, তাদেরই পরিবারের এক সদস্যের ক্ষমতার লোভে সৃষ্টি করা একের পর এক মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং এর জন্য। পরি প্রতিজ্ঞা নেয় ঠাকুর পরিবারকে সমূলে ধ্বংস করার। গল্পে ইউনিক কিছু নেই। অ্যাকশনের দৃশ্যগুলোতেও সুপার হিউম্যান স্ট্রেংথ এর খুব হাস্যকর প্রদর্শন করা হয়নি। গল্পের শেষটা জানতে অ্যাকশন লভাররা চট করে জি ফাইভে গিয়ে দেখে নিতে পারেন "দ্য পাওয়ার"।
আফত-এ-ইশক (U/A , ১৬+) রিলিজ: ২৯ অক্টোবর, ২০২১ জি ফাইভ অরিজিনালস ডিরেক্টর: ইন্দ্রজিৎ নাট্টোজি অভিনয়ে: নেহা শর্মা, ইল্লা অরুণ, নামিত দাস, দীপক ডোব্রিয়াল প্রমুখ জনরা: অতিলৌকিক/ ডার্ক কমেডি থ্রিলার দৈর্ঘ্য: ১ ঘণ্টা ৫৪ মি IMDb রেটিং: ৪.৬/১০
বেশ অন্যধরনের সিনেমা। এটা ২০১৫ এর হাঙ্গেরিয়ান মুভি "লিজা দ্য ফক্স ফেয়ারি" - র অফিসিয়াল হিন্দি রিমেক। ত্রিশ বছরের লাল্লো (নেহা) বহুজির (ইলা) কেয়ার টেকার এর কাজ করে। বহুজীর মৃত্যুর পর লাল্লো উত্তরাধিকারী হয়ে বসে তার মালকিন এর বাড়ির আর তার জীবন আমূল পাল্টে যায়। ভালোবাসার খোঁজে লাল্লো মরিয়া হয়ে চেষ্টা করতে থাকে। এসবের মধ্যেই লাল্লো তার ভুত বন্ধুর (নমিত) সঙ্গে উদ্ধার করে একটি বই যাতে আছে লাল পরির আখ্যান। সে বই পড়ার পর থেকেই লাল্লোর ধারণা হতে থাকে যে তার ওপর এক অভিশাপ রয়েছে যার ফলে যেই তার কাছাকাছি আসে বা তার প্রতি স্নেহশীল হয়ে পড়ে তার মৃত্যু হয়ে যায় ঠিক গল্পের লাল পরির প্রেমিকদের মতই। এর পর লাল্লোর ধারণা দিনদিন আরো পাকা হয়ে যায় যখন তার চারিদিকে একের পর এক মৃত্যু হতে থাকে। পুলিশ এই সব রহস্যময় মৃত্যুর সন্দর্ভে লাল্লোকে সন্দেহ করে এবং এর তদন্তের ভার পড়ে বিক্রমের (দীপক) ওপর। সত্যি কি লাল্লো অভিশপ্ত? কেউ কি লাল্লোকে ফ্রেম করছে? নাকি লাল্লোই খুনগুলো করছে? তদন্তকারীই যখন লাল্লোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে পড়েন তখন তার তদন্তই বা কি মোড় নেয়? সেরকম আহামরি কিছু না হলেও বিষয় বৈচিত্রের জন্য এ সিনেমা একবার নিশ্চয় দেখা যায়।
সিন্ডারেলা রিলিজ: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ আমাজন প্রাইম ডিরেক্টর: কে কেনন অভিনয়: ক্যামিলা কেবেল্লো, ইডিনা মেঞ্জেল, মেনি ড্রাইভার, নিকোলাস গলিটজিন, বিলি পরর্টার, পিয়ার্স ব্রসনান, তালুল্লাহ গ্রিভ, বেভারলি নাইট, ডক ব্রাউন প্রমুখ। জনরা: জুকবক্স মিউজিক্যাল/ ফেয়ারিটেল ড্রামা দৈর্ঘ্য: ১ ঘণ্টা ৫৩ মি IMDb রেটিং: ৪.২/১০
একটি রূপকথার মডার্ন মিউজিক্যাল ভার্শন বলা যেতে পারে এটিকে। সিন্ডারেলা র মূল গল্পটিকে যথাসম্ভব অবিকৃত ভাবে রেখেই, যুগোপযোগী করার জন্য কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে যা যথেষ্ট মানানসই এবং প্রশংসাযোগ্যও বটে। ফেয়ারী গড মাদার এর পরিবর্তে দেখা যাবে ফ্যাবুলাস গড মাদারকে। এই চরিত্রটির সঙ্গে করা এক্সপেরিমেন্টটা একটু দুঃসাহসিক হলেও প্রকৃত গল্পের ফেয়ারী গড মাদার এর জন্য মন নস্টালজিক হলে হতেও পারে! সিন্ডারেলা -র গল্প সকলেরই জানা। এখানে এলা (ক্যামিলা), তার বিমাতা (ইডিনা) ও দুই সৎ বোনের অনুকম্পায় বাড়ির বেসমেন্টে আশ্রিত হয়ে অবহেলিত হয়ে বেগার খাটে। তবে এসবের কোনো কিছুই এলাকে স্বপ্ন দেখা থেকে ও সেই স্বপ্ন পূরণের পথে সোৎসাহে এগিয়ে যাওয়া থেকে আটকে রাখতে পারে না। গল্পে এলার ডিজাইনার ড্রেস তৈরি করে সফল ভাবে বিজনেস করার সপ্নের ওপরই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। সিনেমায় জোর দেওয়া হয়েছে ফেমিনিসম ও উওমান এম্পাওয়ারমেন্ট এর ওপরও। এলা বুঝিয়ে দিয়েছে যে রাজপুত্রকে (নিকোলাস) বিয়ে করে সেটল হওয়ার চেয়েও মহৎ উদ্দ্যেশ্য তার জীবনে আছে। সে তার বেসমেন্টের কয়েদ থেকে বেরিয়ে আবারও রাজপ্রাসাদের কয়েদি হতে চায় না, চায় তার ডিজাইনার হবার স্বপ্ন পূরণ করতে, দেশ - বিদেশ ভ্রমন করতে। বার বার নিজেদের অধিকার সম্পর্কে মৃদু ভাবে হলেও, সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং রাণী (মেনি) ও রাজকন্যে গোয়েন (তালুল্লাহ)। অবশেষে, কট্টরপন্থী রাজার মত বদল করে, প্রাচীন অর্থডক্স ভাবধারা ও ঐতিহ্য ভঙ্গ করে এই গল্পের হ্যাপী এন্ডিং যেন পুরোনোকে ঝেড়ে ফেলে নতুনকে অভিন্দন জানানোর জন্যই আহ্বান করেছে সবাইকে। তথাকথিত রূপকথার গল্পের আরো একটি যুগোপযোগী মর্ডানাইজড ভার্সন অপেক্ষা করে আছে, এর কিছু চেনা কিছু অচেনা ধাঁচের অভিনব মিউজিক্যাল জার্নিতে দর্শককে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে। যারা ফেয়ারিটেল ভালোবাসে, তাদের মনে অন্তত এক নস্টালজিক, মৃদু ভালোলাগার স্পর্শ দিতে সক্ষম হবে কে কেনন এর সিন্ডারেলা!