WWE বনাম বাংলাদেশ
দেশ হচ্ছে একটি রিং। রাজনৈতিক দলগুলো হলো অভিনেতা প্লেয়ার। সিস্টেম হলো স্ক্রীপট। সরকার ও সরকারী আমলাগুলো হলো অথোরিটি। সরকার আবার প্লেয়ারও বটে। প্লেয়ারা দুভাগে বিভক্ত ১) ফেস বা হিরো ২) হীল বা ভিলেন। আর দেশের সব মানুষগুলো হলো দর্শক। সাংবাদিক, টিভি মিডিয়া ও সুশীল সমাজ হলো এন্টিফেস ও এন্টিহীল যারা প্লেয়ারদের বুস্টিং দিয়ে থাকে। আর সকল ঘটনাগুলো হলো রিয়েলিটি সো যা স্ক্রীপট অনুযায়ী ঘটতেছে। এভার WWE এর সাথে মিলানো যাক। বাংলাদেশ হলো রিং। আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামাত-শিবির এসব রাজনৈতিক দলগুলো অভিনেতা প্লেয়ার। ফেস বা হিরো ও হীল বা ভিলেন রাজনৈতিক প্লেয়ার, ওরা কারা সবাই চিনেন। আইন-আদালত, মামলা-মোকাদ্দমা হলো রাইটিং স্ক্রীপট যা অনুযায়ী সিরিয়ালি ঘটনা ঘটবে এবং ঘটনার রেজাল্ট হীল অথবা ফেসের পক্ষে যাবে। এখন বর্তমানের সকল ঘটনার রেজাল হীল বা ভিলেনের পক্ষে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ও আমলারা হলো অথরিটি যেমনটি মি. মেকমোহন, স্টীপেন্নি মেকমোহন,শেন মেকমোহন ও ট্রিপল এইচ। আবার বাংলাদেশ সরকার যেমনটি অথরিটির পার্ট আবার মি. মেকমোহন, স্টীপেন্নি মেকমোহন, শেন মেকমোহন ও ট্রিপল এইচ এর মতো প্লেয়ারও বটে। WWE অথোরিটি ও বাংলাদেশ সরকার দুই কারেক্টারের গিমিকে কি কোন মিল পাওয়া যায় কি? কি সুন্দর মিল। যারা অথরিটি তারা আবার প্লেয়ারও। বাংলাদেশের মানুষগুলো হলো WWE এর দর্শক যারা ফেসদেরকে তথা জনসিনা, ডেনিয়েল ব্রায়েনদেরকে যেভাবে ইয়েস ইয়েস বলে পজিটিভ রিভিউ দেয় ঠিক সেভাবে বাংলাদেশের পজিটিভ রাজনৈতিকদলগুলোকে ফেসবক ও ইউটিউভে আনলিমিটেড পজিটিভ রিভিউ দেয়। পক্ষান্তরে হীলদের বৃদ্ধাগুল নিচের দিকে নামিয়ে আবার বু.. দেয়। WWE অথরিটি যেমন হীল হিসেবে প্লেয়ার হয়ে বু.. পায় আবার বাংলাদেশ সরকারও হীল হিসেবে প্লেয়ার হয়ে বু... পায়। WWE এর রিং এ ঘটে ঘটনাগুলোর পূর্ববর্তী থেকে পরবর্তীর সিকুয়েন্স, রেজাল্ট কি হবে, কার পক্ষে আইন যাবে, নতুন ঘটনার সূত্রপাতের মাধ্যেমে পুরাতন ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যাবে, নতুন ঘটনার মুড নিবে ও পুরানকে ভুলে দর্শক নতুন ঘটনা উপভোগ করবে এসব যেমন আগে থেকে সাদাপাতায় স্ক্রীপট হিসেবে লিখে রাখা হয়, তেমনি বাংলাদেশ সংসদে পাস হওয়া বিল, আইন আদালতের বিভিন্ন ধারা, কিভাবে নতুন ঘটনার সুত্রপাত ঘটিয়ে পুরানকে ধামাচাপা দিবে, কাকে কিভাবে কেমনে কি করতে হবে, রেজাল্ট কার পক্ষে যাবে তা পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ক্রীপ করা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ সদ্য ঘটনা মেজর সিনহা ধামাচাপা পড়ে গিয়েছে এবং দর্শক সিলেট এমসি কলেজের ধর্ষণের ঘটনাটি উপভোগ করতেছে। WWE তে যেমন দর্শক স্ক্রীপট বুঝেনা। তেমনি বাংলাদেশের পাবলিক তথা দর্শকও স্ক্রীপট বুঝেননা বা বুঝবেনা। তবে WWE সকল দর্শক জানে WWE এটি আসলে খেলা নয়, এটি জাস্ট বিনোদন এবং WWE মানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইডথ এন্টারটেইনমেন্ট এটা আমেরিকার পাবলিক + সরকার সবাই সজ্ঞানে ও স্বমস্তিস্কে জানে, মানে ও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে দর্শক স্ক্রীপট কি হবে তা বুঝবেনা, বিনোদনটা ঠিক এখানেই। বাংলাদেশে পাবলিক তথা দর্শক স্ক্রীপট অনুযায়ী কি হবে সেটা বুঝবেনা তবে জানে যে পরিকল্পিত। আর ফেসবক ও ইউটিউভে লিখে তেনাফাটা করে পেলাটাই হলো বিনোদন। তাড়াতাড়ি করে নতুন ঘটনা, ক্যাশ টাকায় এমবি ঢুকিয়ে দু'চারটা কমেন্ট দেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি, হইহই... হাহ! এটি আরেক সুন্দর বিনোদন। WWE এর অভিনেতা তথা খেলোয়াড় দ্যা মিজ এর মিজ টিভি হলো বাংলাদেশের টিভি পর্দা। দ্যা মিজ সব সময় হলুদ বা এন্টি ফেস হিসেবে প্রেজেন্টেশন করে ও কিসিঞ্জারি লাগাতে দ্রুত ওস্তাদ, তেমনি বাংলাদেশের টিভি পর্দাগুলোও রাতের ১২টায় হলুদ শো শুরু করে এবং যা দেখায়। একে বলে এন্টি ফেস। WWE অভিনেতাদের মাইক স্কীল যেমন অর্জিনালী ভীত তৈরি করার ট্রু স্কীল, ঠিক তেমন চটুল বা না হারার মত গর্জিয়াছলি বাংলাদেশোর টিভি মিডিয়াতে রাজনৈতিক খেলোয়াড়রা কথা বলাও একটি ভীত তৈরি করার মাইক স্কীল। এন্টিফেস সুশীল সমাজও হয়। যেমন ব্রকলেজনারের দালাল পল হেই ম্যান যেমন সুশীল কথা বলে লেড়া লাগাতে ওস্তাদ, তেমন বাংলাদেশের সুশীল সমাজ কিছু এমন আছে। আবার WWE প্লেয়ারদের কেউ বা কিছু হঠাৎ করে পুরোনো শত্রুতার জেদ ধরে অথবা উপকারের কথা মনে করে বা ভালো মানুষকে বাঁচানোর আভিপ্রায়, রিং এ খেলা চলাকালীন সময়ে যেমন ফেস পক্ষে এসে ফেসকে বাঁচানোর জন্যে দৌড়ে এসে যদি ফেসকে বাঁচায়, তাহলে একে বলা হয় এন্টি হীল কারেক্টার, পক্ষান্তরে ফেসের বিপক্ষে যে যায় তাকে বলা হয় এন্টি ফেস। ঠিক এমনটি বাংলাদেশের রিং এ কিছু রাজনৈতিক পয়দালুটানোর দল রয়েছে যারা এন্টি ফেস ও এন্টি হীলের ভূমিকা পালন করে। অবশেষে..... WWE কেন রিয়েলিটি সো কিন্তু রিয়েল না হয়েও। কারণ এখানে পত্যেকটি মুভ পাবলিকের সামনে সরাসরি পদর্শন করা হয়, যেমন জন সিনার পাইভ নকল সাপল, রেনডি ওর্তেন এর আরকেও, রকের রক বাটম, গ্লোডবার্গের স্পীয়ার, রোমান রিইনস এর সুপারম্যান পনস, আনডার টেকারের টুমভস্টোন পাইল ড্রাইভ এভাবে বিভিন্নজনের চোকস্লাম, পাওয়ারস্লাম, ডিডিটি, পেডিগ্রি, সিসটার আবগলি, জার্মান সুপ্লেক্স,











