নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের একটি সেভিংস স্কিম পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড। এই অ্যাকাউন্ট ব্যাংক বা পোস্ট অফিসে খোলা হয়। ১৫ বছরে এই অ্যাকাউন্ট ম্যাচিওর হয় এবং ৮০ সি ধারা অনুসারে এটি অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে ট্যাক্স বাঁচাতেও সাহায্য করে। এবার এই অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে নজর বুলিয়ে নেওয়া যাক:
১। মাত্র একশো টাকা জমা করে সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকের শাখায় (যাঁরা আইনতভাবে এই পরিষেবা দিতে সমর্থ) বা পোস্ট অফিসে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।কোনও চাকুরিজীবী বা স্বনিযুক্ত পেশায় থাকা ব্যক্তি এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এমনকী কোনও পিতা-মাতা বা অভিভাবক নাবালক বা নাবালিকাদের জন্যও এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।
২। প্রতি আর্থিক বছরে অ্যাকাউন্ট হোল্ডার ন্যূনতম পাঁচশো টাকা এবং অধিকতম দেড় লক্ষ টাকা রাখতে পারেন। প্রতি আর্থিক বছরে সর্বাধিক ১২টি কিস্তিতে টাকা দেওয়া যাবে। কিস্তি অনুযায়ী টাকা, আপনি দিতে ব্যর্থ হলে অাপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং সাবস্ক্রিপসনস
এরিয়ার্স সমেত ডিফল্ট ফিজ দিয়ে আপনি পুনরায় অ্যাকাউন্টটি অ্যাক্টিভেট করতে পারবেন।
৩। পিপিএফ অ্যাকাউন্টে সুদের হিসাব একটু ভিন্ন। মাসের পাঁচ তারিখ থেকে মাসের শেষ দিনের মধ্যে, অ্যাকাউন্টের লোয়েস্ট ব্যালেন্স অনুসারে হিসাব করা হয়। আপনি যদি নিজের আয় বাড়াতে চান মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে টাকা জমা দিন। সুদ বার্ষিক ভাবে চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে অর্থবর্ষের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ মার্চ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের খাতায় জমা হয়।
৪। অ্যাকাউন্ট ম্যাচিওর হওয়ার আগেই টাকা পয়সার দরকার পড়লে, অ্যাকাউন্ট খোলার সাত বছর পর থেকেই টাকা তোলা যাবে। সেক্ষেত্রে চতুর্থ বছরে অ্যাকাউন্টে উপস্থিত ব্যালান্সের পঞ্চাশ শতাংশ তোলা যাবে। অ্যাকাউন্ট ম্যাচিওর হওয়ার আগেই অ্যাকাউন্ট হোল্ডার মারা গেলে, অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাবে।
৫। আয়কর বাঁচানোর ক্ষেত্রেও এটি একটি সুবিধাজনক স্কিম।
৬। প্রয়োজন অনুসারে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে ঋণও নিতে পারেন। অ্যাকাউন্ট খোলার ৩ থেকে ৬ বছরের মধ্যে এই সুযোগ পাওয়া যায়।
৭। ১৫ বছর টাকা রাখার পরেও কেউ চাইলে ওই পিপিএফ অ্যাকাউন্টে ৫ বছরের জন্য টাকা জমাতে পারেন।