বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিন
ইসলামিক ক্যালেন্ডারের 12 তম এবং শেষ মাস জুল হিজ্জার প্রথম দশ দিন মুসলমানদের জন্য বছরের সেরা দশ দিন হিসাবে বিবেচিত।
পবিত্র কোরআনের বেশ কয়েকটি আয়াত এবং হাদিসে জুল হিজ্জার গুরুত্ব এবং এর প্রথম 10 দিনকে বছরের সবচেয়ে পবিত্র দিন হিসাবে জোর দেয়। মহাবিশ্বের স্রষ্টা হিসাবে এবং তার বাইরে, যখন আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) কোন কিছুর শপথ করেন, তখন তা নির্দেশ করে যে তারা তাঁর সৃষ্টি হিসাবে আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং মহান উপকারী।
জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনে কি করবেন?
আপনি যতটা পারেন পবিত্র কোরআন পড়ুন, যদিও তা প্রতিদিন কুরআনের কয়েকটি আয়াত হয়। আপনার উপাসনা এবং ভাল কাজগুলি বৃদ্ধি করার জন্য আপনি দিনের বেলায় অনেকগুলি অতিরিক্ত আমল করতে পারেন। আমাদের সমস্ত অন্যায়ের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে এই আশীর্বাদপূর্ণ দিনগুলি ব্যবহার করুন। এই বরকতময় দিনগুলিতে যতটা সম্ভব দান সদকা করুন।
ইসলামে যে চারটি মাস আল্লাহ পবিত্র ও সম্মানিত করেছেন তার একটি হল জিলহজ্জ মাস। আর এ মাসের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ সময় হল জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশক।
আল্লাহ বলেন,"শপথ ভোরবেলার, শপথ দশ রাত্রির।" (সূরা ফজর ৮৯ : ১-২)
এই দশদিনের (যুল হিজ্জা) চেয়ে এমন কোন দিন নেই যেখানে নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়। (আল-বুখারী)
যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের ১০টি আমল: (১) এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা। ( সহীহ মুসলিম - ৪৯৫৭) (২) এই মাসের প্রথম নয় দিন রোজা রাখা, বিশেষত আরাফার দিন। ( সুনানে ইবনে মাজাহ - ৯৫৩০) (৩) বেশি বেশি নফল ইবাদত করা। ( সহীহ বুখারী - ( ৬৫০২) (৪) আন্তরিকভাবে তওবা করা। ( সূরা আত তাহরীম - ৮) (৫) বেশি পরিমাণে আল্লাহর জিকির করা। ( সূরা আল হাজ্জ - ২৮) (৬) সামর্থ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা। ( সূরা আলে ইমরান - ৯৭) (৭) সামর্থ্যবান হলে কুরবানী করা। ( সূরা আল কাউসার - ২) (৮) বেশি পরিমাণে তাকবীর পাঠ করা। ( সহীহ বুখারী, ঈদ অধ্যায়) (৯) যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। ( সূরা শামস - ১০) (১০) সামর্থ্যবান হলে বেশি বেশি সদকা করা। ( সূরা আল ইমরান - ৯২)
https://www.youtube.com/watch?v=Ny7rvCfDqks https://www.youtube.com/watch?v=agmKjIzK79c https://www.youtube.com/watch?v=aMrMQP68Ikc https://www.youtube.com/watch?v=1Y73c-2CPow https://www.youtube.com/watch?v=7uWYAq2GyeE&t=156s














