abanerjeevisuals Gurudongmar at 5183m is one of the highest lakes in the world. More timelapses soon!
seen from Kazakhstan
seen from Netherlands
seen from United States

seen from Thailand

seen from Maldives
seen from United States

seen from Malaysia
seen from United States
seen from United States
seen from China
seen from United States
seen from Malaysia

seen from Malaysia

seen from Brazil

seen from Malaysia
seen from China
seen from United States

seen from United States
seen from Malaysia

seen from Türkiye
abanerjeevisuals Gurudongmar at 5183m is one of the highest lakes in the world. More timelapses soon!
Vlog - 12 | Trip to Sikkim | Part-1 | Gurudongmar | Rinkavi Vlogs | 2025
স্যর, আপনার চা
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/a-ghost-story-of-pradip-chotyopadhya/
স্যর, আপনার চা
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়
এই ঘটনা এই কিছুদিন আগের। আমি তখন সিকিমে বেড়াচ্ছি। রয়েছি লাচেনে। ওখান থেকে যাব গুরুডংমার। যাওয়ার আগের দিন লাচেনে ছিলাম। ফিরেও সেও একদিন লাচেনে থেকে তারপর গ্যাংটকে নামব। আমরা মোট ছ’জন ছিলাম। তিনটি পরিবার মিলে। লাচেনে ঘন মেঘ, দিনরাত বৃষ্টি আর কনকনে ঠান্ডা। আমরা উঠেছিলাম একটি বাঙালি হোমস্টেতে। ভদ্রলোক খুব ভাল। আমাদের যার পর নাই খাতিরযত্ন করেছিলেন। দুটো ফ্যামিলিকে দোতলায় দু’টি ঘর দিয়েছিলেন। আর আমাদের চারতলায় একটা নিরালা ঘর। আমরা যখন লাচেনে পৌঁচ্ছলাম তখন রাত ঠিক আটটা। ক্লান্ত ছিলাম সকলেই তাই যে যার ঘরে চলে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। চারিদিকে সুউচ্চ পাহাড়, পাহাড়ের গায়ে জঙ্গল আর খাপছাড়া খাপছাড়া মানুষের বসবাস। লাচেনকে যেন অন্য রূপ দিয়েছিল। অঝোরে বৃষ্টি আর ঠান্ডা ছিল বড় অন্তরায়। আমাদের সবাইকেই কেমন যেন জড়োসড়ো করে রেখেছিল। চারতলার ঘরে পৌঁচ্ছে বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বের হওয়ার পর স্ত্রী গেলেন বাথরুমে। এমন সময় দরজার বেল বাজল। আমি দরজা খুলতেই একজন কর্মী বললেন, স্যর, ম্যাডাম গরম জল চেয়ে এসেছিলেন খাবার জন্য। তার হাতের জগটা আমার দিকে এগিয়ে ধরল। আমি জগটা নিয়ে বললাম, আরও এক কাপ জমিয়ে চা খাওয়াতে পারো ভাই? ছেলেটি আমার মুখের দিকে চেয়ে হেসে বলল, ঠিক আছে। বলেই চলে গেল। বহুক্ষণ অপেক্ষা করার পরও চা আর আসেনি। আমরা ফ্রেশ হয়ে ঘরে বসেছিলাম। আমাদের এক সঙ্গী অনুপম এসে বলল চলুন দাদা, আর দেরি করে লাভ কি? আমরা খেয়ে নিই। কারণ, কাল ভোর সাড়ে চারটেয় বের হতে হবে। নইলে গুরুডংমারে অসুবিধা হতে পারে। একথা সত্যি। কারণ, সকাল এগারোটার মধ্যে স্বর্গীয় গুরুডংমার দর্শন সারতেই হবে। নইলে সকাল এগারোটা থেকেই প্রবল ঠান্ডা বাতাস শুরু হয়ে যায়। তার সঙ্গে উড়তে থাকে ছোট ছোট পাথরকুচি। মিলিটারি এগোরাটার পর থাকতেই দেয় না। অগত্যা আমরা নীচে নেমে সবাই মিলে ভাত, ডাল, একটা পাঁচমিশালি তরকারি আর চিকেন খেলাম। খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেটার সঙ্গে দেখা হলে বলব, চা তো দিলে না ভাই? কিন্তু একবারও তার সঙ্গে দেখা হল না। এ নিয়ে আর মাথা ঘামালাম না। রান্নাবান্না খারাপ নয় বলেই হয়তো মন ভাল হয়ে গিয়েছিল। খাওয়াদাওয়া করে দোতলায় এক সঙ্গীর ঘরে বসে খানিকক্ষণ আড্ডা মেরে আমরা চারতলায় আমাদের ঘরে চলে গেলাম। ঘরে দুটো বড় বড় জানলা রয়েছে। ঘন অন্ধকার, বৃষ্টিঝরা রাতে সুউচ্চ স্থানে পাহাড়ের অন্ধ রূপ দেখতেই জানলাটা একবার খুললাম। কিছুই দেখা গেল না। শুধু আদিম অন্ধকার পাহাড়কে নিজের করে জড়িয়ে রেখেছে। তার সঙ্গে চলছে বৃষ্টি আর ঠান্ডা ঝোড়ো বাতাস। ভিতর পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিচ্ছে। স্ত্রী বলল, জানলা বন্ধ করে দাও, ছেলেটার ঠান্ডা লেগে যাবে। বাধ্য হয়ে বন্ধ করে দিলাম। জিরো ওয়াটের বালব জ্বলছে ঘরে। হি হি ঠান্ডায় লেপ আর কম্বল একসঙ্গে চাপিয়ে আরাম করছিলাম। এমন সময় আলো নিভে গেল। খেতে খেতে শুনেছিলাম, যখন-তখন কারেন্ট চলে যেতে পারে। প্রথমটা একটু ভয় ভয় করলেও মোবাইলে ফুল চার্জ থাকায় টর্চটা জ্বেলে আবার লেপের তলায় ঢুকে পড়লাম। ইতিমধ্যে ছেলে আর স্ত্রী গভীর নিদ্রায় চলে গেছে। আমি একা একা শুয়ে ভাবছি, এখন যদি ভূমিকম্প হয় সবাই হয়তো এত উঁচু পাহাড় থেকে কোথায় তলিয়ে যাব। দিদিকে একবার ফোন করা যেতে পারে। তারপরই ভাবলাম থাক, রাত হয়ে গেছে ওদের বিরক্ত করে লাভ নেই। এই যা ওখানে মোবাইল কাজ করছিল। অগত্যা লেপ চাপা দিয়ে ঘুমাবার চেষ্টা করতে লাগলাম। অন্ধকার থাকতেই আবার গাড়ি নিয়ে চলে আসবে সিরিং ভুটিয়া। তাজা যুবক। গাড়ির ওপর কন্ট্রোল মুগ্ধ করে দেয় তেমনি সাবধানী। এই লাচেনেই ওর বাড়ি তাই রাতে পরিবারের কাছে চলে গিয়েছিল। যাওয়ার আগে বলে গিয়েছিল, আসব ঠিক সাড়ে চারটেয়। সুতরাং আর জেগে থেকে লাভ নেই, আলো আর এল না। মোবাইলের টর্চটাই জ্বেলে রাখলাম। এসব ভাবতে ভাবতেই যেন ঘুম চলে এসেছিল চোখে। এমন সময় দরজার বেল বাজল। আমি কে বলে উঠে গিয়ে দরজা খুলতেই একটা বয়কে দেখতে পেলাম। তবে সেই ছেলেটা নয়। আমার দিকে গরম চা এগিয়ে দিয়ে বলল ‘স্যর, আপনার চা।’ আমি হেসে চায়ের প্লেট সমেত চা-টা নিলাম। মারাত্মক ঠান্ডায় এই চা পাওয়া ভাগ্যেরই ব্যাপার বটে। দরজা বন্ধ করে দিয়ে বিছানায় পা তুলে বসে চায়ে চুমুক দিলাম। ভাবলাম, হয়তো প্রথম ছেলেটার মনে পড়তে আরেকজনকে দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে, লজ্জায় নিজে আসতে পারেনি। গাঢ় দুধের চা, জিভে লাগতেই স্বর্গীয় সুখ পেলাম। এমন সময় হঠাৎ করে আলো এসে গেল। মোবাইল টর্চটা নিভিয়ে আবার চায়ে চুমুক দিতে যাচ্ছি স্ত্রী লেপের তলা থেকে মুখ বাড়িয়ে বলল, এখন চা পেলে কোথায়! আমি বললাম, এই হোমস্টের একজন বয় দিয়ে গেল। স্ত্রী অবাক হয়ে বলল, খবরদার চা খাবে না। তুমি জানো, এখন ক’টা বাজে! আমি বললাম, না তো? স্ত্রী বলল, রাত পৌনে দুটো। এখন কেউ কি জেগে আছে হোমস্টেতে! সহসা আমার সারা শরীরে কেমন একটা হিমশীতল স্রোত বয়ে গেল। সত্যিই তো আমি যখন চা চেয়েছিলাম রাত তখন ন’টা হবে। সেই চা পেলাম রাত পৌনে দুটোয়! আমরা তো কখন খেয়েদেয়ে চলে এসেছি! এবার চা ভর্তি কাপটায় হাত দিতে ভয় লাগল। স্ত্রী বলল, দরজাটা দেখো ভাল করে বন্ধ আছে কিনা। খুব কষ্টে নেমে দরজাটা ধরে টান দিয়ে দেখলাম, ভিতর থেকে লক করেছি। আলো এসে গিয়েছিল এই ভাল। আমি ভয়ে ভয়ে কাপটা খাটের নীচে ঢুকিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়ার আগে মোবাইলটা হাতের কাছে রাখলাম। আবার লোডশেডিং হলেই টর্চটা জ্বেলে রাখব। এত রাতে আমায় কে চা দিল কাল জিগ্যেস করতেই হবে হোমস্টের মালিক মনাদাকে। যখন ঘুম ভাঙল তখন ঘড়িতে চারটে বাজতে দশ মিনিট বাকি। ধড়ফড় করে উঠে রেডি হয়ে স্ত্রীকে ডাকলাম। সবাই রেডি হয়ে মিট করে বেরিয়ে পড়লাম। সিরিং এসে গিয়েছিল। তাড়াহুড়োয় রাতদুপুরে কে চা দিয়েছিল জিগ্যেস করা হল না। ভাবলাম, ফিরে এসে করব। গুরুডংমারে পৌঁছনোর পর স্বর্গীয় প্রাকৃতিক রূপে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। রাশ রাশ বরফ পড়ে আছে পাহাড়ে, ভূমিতে। তার ওপর রোদ পড়ে নানা রঙের আঁকিবুকি তৈরি করেছে। ওদিকে সবুজ রঙা পাহাড়টা কেমন ঘন নীল হয়ে গেছে। অন্যদিকে রুখুসুখ পাহাড়ও কম যায় না। তার নেড়া রূপে অন্য মাধুর্য। সারা এলাকাটা অদ্ভুত রঙে, রূপে একাকার হয়ে আছে। এইসব ভয়াবহ জায়গায় নির্জনে এই স্বর্গ কেন তৈরি করে রেখেছেন ঈশ্বর তার ব্যাখ্যা পাওয়া মুশকিল। একটাও গাছপালা নেই তাই নিঃশ্বাসের কষ্ট শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবু রূপ দেখার লোভ ছাড়া যায় না। ওদিকে অতটা নীচে লেকের জল নীল হয়ে আছে। আকাশ, ভূমি, আশপাশ ঈশ্বরের হাতের ছোঁয়ার রূপ স্পষ্ট। কারওর ক্ষমতা নেই এড়িয়ে যাবার। সকলেই ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলাম। বেলা এগারোটা বাজলে আর থাকা যাবে না। সত্যিই তাই হল, কোথা থেকে তুমুল ঠান্ডা ঝোড়ো বাতাস গতিবেগ নিয়ে ধেয়ে আসতে লাগল। হি হি করে সবাইকে কাঁপিয়ে তুলল। নিঃশ্বাসের কষ্ট বাড়ছে। পা কেমন টলমল করছে। সম্ভবত মাথায় অক্সিজেনের অভাব ঘটছে। সিরিং তাড়াতাড়ি সবাইকে গাড়িতে তুলে স্টার্ট করে দিল। আমরা শুধু নয় প্রায় সব গাড়িই ফিরে চলেছে। পিছনে পড়ে রইল স্বর্গীয় রূপ। ফিরে ফিরে দেখেও আশ মেটে না। কেন যে ভয়াবহতা যেখানে সেখানেই ঈশ্বর স্বর্গ তৈরি করে রাখেন কে জানে! এবার লাচেনে ফেরার পালা। ঠিক তখনই মনে পড়ে গেল, চায়ের কথাটা। ফিরে হোমস্টরে’র মালিক মনাদাকে জিগ্যেস করতেই হবে। আসার পথে ঝামেলা। একটা খাদ্য বোঝাই মিলিটারি ট্রাক ব্রেক ফেল করে খাদে পড়তে পড়তে বেঁচে গেছে। রাস্তা বন্ধ, অঝরে বৃষ্টি ঝরছে। ক্রমে সন্ধ্যা নেমে আসছে। ফগ ঢেকে দিচ্ছে চারিদিক। কোনটা খাদ, কোনটা রাস্তা বোঝা মুশকিল। ওই ট্রাক সরাতে মিলিটারিকে খবর পাঠানো হয়েছে। মারাত্মক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রায় তিনঘণ্টায় সরানো হল ট্রাক। এবার এগিয়ে চলেছে গাড়ি। সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি। পেটে ছুঁচোয় ডন মারছে। হোমস্টে’তে পৌঁচ্ছেই মনাদাকে সবাই বললাম, কিছু খাবার ব্যবস্থা করুন। মনাদা বললেন, আপনাদের দুপুরের খাবার রয়েছে। আমরা বললাম নাহ, ওই খাবার খাব না। মনাদা পকোড়া ভেজে পাঠালেন। আমাদের কাছে মুড়ির প্যাকেট, চানাচুর, বাদাম ছিল। মেখে খাওয়া শুরু করলাম। মনাদা গাঢ় দুধের চা নিজের হাতেই নিয়ে এলেন। চায়ে চুমুক দিয়ে বললাম মনাদা, রাত পৌনে দুটোর সময় যে আমায় চা দিয়েছিল সেই ছেলেটি কে! মনাদা বলল আসি দাদা, পরে কথা হবে। স্ত্রী বলল, চলে গেলে হবে না, বলতে হবে মনাদা। আমরা সবাই হাঁ করে মনাদার মুখের দিকে চেয়ে আছি। মনদা একটু সময় নিয়ে বললেন, ওই ছেলেটার নাম ছিল বিন। আমার হোমস্টের প্রথম কর্মী। ছেলেটি ঘরে ঘরে চা দিত, যারা থাকতেন তাদের কথা শুনত। এই লাচেন থেকে কিছুটা দূরে এক পাহাড়ি গাঁয়ে থাকত। একদিন ঘরে ফেরার সময় একটা অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায়। শুধু ও নয়, আরও দু’জনও। আপনি কি কারওর সঙ্গে চা চেয়েছিলেন? আমি বললাম, আপনার ওই চোখ ছোট মতো বয়টির সঙ্গে। মনাদা বললেন, সে কি চা দিয়েছিল আপনাকে? আমি বললাম, না। মনাদা বললেন, ছেলেটি কানে একটু খাটো আছে, শোনেনি হয়তো। আমার বলে দেওয়া উচিত ছিল আপনাদের। কেউ চা না দিলেই বিনের আবির্ভাব হয়। ভয় পাবেন না, কোনও ক্ষতি ও করে না আর দেখাও দেবে না। ওর কাজ মিটে গেছে। সত্যি কথা বলতে কি এই কথা শোনার পর সারারাত আমরা কেউ ঘুমাতে পারিনি, সকালের অপেক্ষায় ছিলাম সকলেই। পরের দিনের সকাল একেবারে বোদ ঝলমলে হয়ে এল। আমরা সবাই নামচি হয়ে গ্যাংটকে ফিরতে লাগলাম। রয়ে গেল স্বর্গীয় স্মৃতির সঙ্গে এই ভয়ার্ত স্মৃতিটিও।
The tranquil landscape with the melting ice on the peak is sure to melt your heart indeed. . . Sikkim Backpacking Trips are Live! DM us to Know More! . . #Sikkim #wanderontravelcommunity #wanderon . . #sikkim #sikkimdiaries #sikkimtourism #sikkimadventures #sikkimgram #travelrealindia #pursuitofportaits #portrait_ig #yourshot_india #travelphotography #indiatravel #incredibleindia #travel #Gangtok #gangtokdiaries #Igers #travelpic #Gurudongmar #Gurudongmarlake #roamtheplanet #travellingthroughtheworld #travelmore #beautifuldestinations
Enjoy the little things in life, for one day you may look back and realize they were the big things. #travel #tridibiker #trip #gurudongmar #northsikkim #mountainbiking #sikkimtourism #sikkimdiaries #sikkimtour #royalenfield #biketrip #biketour #Pawan #youtuber #channel #longdistancemotorcycling #incredibleindia #gurudongmarlake #tsolhamolake #highaltitude #highestlakeofindia #highestmotorableroadintheworld (at Gurudongmar Lake) https://www.instagram.com/p/B0yt_h5HjmO/?igshid=1e3a5q1fznrz8
Waiting for Lunch #travel #tridibiker #trip #gurudongmar #trip #royalenfield #instatravel #instagood #indiantravelvlogger #indiantravelblogger #india_gram #motovlogger #indiatheater #instatravel (at Singtam) https://www.instagram.com/p/BxZdUmgnhh2/?utm_source=ig_tumblr_share&igshid=afrfmdebcqqv
We love it when people tell us they loved Oxygize and the way it help them acclimatize. Travelling to higher altitude this summer?Don’t let headaches and acute mountain sickness spoil your vacay! Carry Oxygize portable oxygen canister as your personal oxygen bar wherever you go and stay acclimated always. Happy vacay,Happy you☺️ #oxygize#gurudongmar #thangu #acclimatize #mountainsickness #altitudesickness #altitude #summer #vacay #vacaymode #vacayvibes #mountainsarecalling #roadtrip #northeast_india #sikkim (at Thangu Valley) https://www.instagram.com/p/BxJ34ISg9Pm/?utm_source=ig_tumblr_share&igshid=oecpi7p8saic
Reposted.. A breath of freedom, snow and snow to cover the mountains * * * #Nakedwolves #nakedwolvesnorthbengal #gurudongmar #highaltitude #color #AwesomePlace #awesomemountains #himalaya #Snow #kmhoe #clouds☃️🌞❄ #Mountains #beautiful #MaKeLifeARide #roadtrip #offroad #Adventure #livetoride #lovetoride #happy #smile #peace #pulsarns200 #bajaj #ridesikkim #bikersofindia (at Gurudongmar Lake) https://www.instagram.com/p/BwOdygch-0Y/?utm_source=ig_tumblr_share&igshid=bdwlqsfaj5l3