Jorasanko Thakur Bari, Rabindranath Tagore's birthplace, in Jorasanko, Kolkata, West Bengal, India
seen from Philippines
seen from United Kingdom
seen from Russia
seen from China
seen from Germany

seen from United States
seen from Norway

seen from United States

seen from Malaysia

seen from United States

seen from Malaysia
seen from United States
seen from United States

seen from India
seen from China

seen from Australia
seen from China
seen from Croatia

seen from Croatia
seen from Romania
Jorasanko Thakur Bari, Rabindranath Tagore's birthplace, in Jorasanko, Kolkata, West Bengal, India
'সমুখে শান্তি পারাবার, ভাসাও তরণী হে কর্ণধার'
<p><strong>কলকাতা:</strong> মৃত্যুর শোক তাঁকে স্পর্শ করেছে এক ভিন্ন আঙ্গিকে। ঠিক যেভাবে আগুনের প্রবল উত্তাপে লোহা নিজেকে আরও দৃঢ় করে তোলে। তাই ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’র জয়গান করে গিয়েছিলেন আজীবন। তাঁর জীবনে মৃত্যুর শোকযাত্রা তো কম আসেনি। মা-কে হারিয়েছিলেন অল্পবয়সে, এরপর নতুন বৌঠান কাদম্বরী, স্ত্রী মৃণালিনী দেবী, বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, কন্যা রেণুকা ও বেলা, কনিষ্ঠ পুত্র শমী- অশীতিপর বয়সে আঘাতের বাণ গ্রহণ…
View On WordPress
লকডাউনের মধ্যেও পঁচিশে বৈশাখ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে হাজির ভাইরাল রবীন্দ্রনাথ| look alike of rabindranath tagore visits Jorasanko Thakur Bari amidst lockdown | Kolkata
লকডাউনের মধ্যেও পঁচিশে বৈশাখ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে হাজির ভাইরাল রবীন্দ্রনাথ| look alike of rabindranath tagore visits Jorasanko Thakur Bari amidst lockdown | Kolkata
ছবিটা দেখলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু আদতে তিনি বিএসএনএলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী…
#কলকাতা: ছবিটা দেখলে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু আদতে তিনি বিএসএনএলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। হেদুয়ার এই বাসিন্দার নাম সোমনাথ ভদ্র। কয়েকবছর আগেই রবীন্দ্রনাথের মত দেখতে বলে বিএসএনএলের কর্মী সোমনাথ…
View On WordPress
|Rabindra nath tagores birth anniversary celebrated in a very different manner in Jorasanko Thakurbari | Kolkata
|Rabindra nath tagores birth anniversary celebrated in a very different manner in Jorasanko Thakurbari | Kolkata
শুক্রবারের ছবিটা দেখলে হয়তো বোঝা যাবে না যে ঠাকুরবাড়িতে ২৫ শে বৈশাখ পালিত হচ্ছে
#কলকাতা: নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করেই এবার ২৫ শে বৈশাখ কাটল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে।করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এবং লকডাউন এর জেরে এবার অনুরাগীদের ছাড়াই রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঠাকুরবাড়িতে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন। রীতি মেনেই শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের…
View On WordPress
আমার মৃতদেহর ওপর দিয়ে এই আইন প্রয়োগ করতে হবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/mamata-banerjee-leads-protest-rally-ambedkar-in-red-road-to-jorasanko/
আমার মৃতদেহর ওপর দিয়ে এই আইন প্রয়োগ করতে হবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
নিজস্ব সংবাদদাতা: আজ রেড রোডে আম্বেদকরের মূর্তিতে মালা এবং শ্রদ্ধা জানিয়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি-র প্রতিবাদে পথে নামেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল শুরুর আগে উপস্থিত সকলকেই শপথ বাক্য পড়ান তিনি। তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন হবে গণতান্ত্রিক পথে। আইন ভাঙা যাবে না। যাঁরা আন্দোলনের নামে গুন্ডামি করছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিবাদের নামে বিশৃঙ্খলা কোনওমতেই বরদাস্ত করবেন না। রেড রোড থেকে জোড়াসাঁকোর পথে যত এগিয়েছে মিছিল ততই আয়তনে বেড়েছে। রাস্তার দু’পাশে অপেক্ষারত বহু মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মিছিলে পা মিলিয়েছেন। বহুদিন পর কলকাতার মানুষ আজ দেখেছেন নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর আন্দোলনের সেই বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মানুষ যখনই স্বতঃস্ফূর্তভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের সঙ্গে রয়েছেন তখনই জিত হয়েছে তাঁর। এখন তিনি সরকারে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে যখন তিনি লড়াই করছেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তখনও মানুষ এসে দাঁড়ালেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। যদিও মানুষ সবসময়ই তাঁর সঙ্গেই আছেন। রেড রোড থেকে জোড়াসাঁকো, কমবেশি সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে এসে যে-বক্তব্য তিনি রাখলেন তাতে বিরোধী নেত্রীর সেই লড়াকু মেজাজ এবং কথার ঝাঁজ পাওয়া গেল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে তিনি বলেন, “আমার মৃতদেহের ওপর দিয়ে এই আইন প্রয়োগ করতে হবে।” এনআরসি আর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে প্রথম থেকে যে-কথাগুলি তিনি বলে আসছিলেন সেই কথাগুলোই আর একবার বললেন পদযাত্রা শেষে সভায়। মঞ্চে ছিল রবীন্দ্রনাথের একটি ছবি। তিনি বললেন, “আমাদের পদযাত্রার শুরু রেড রোডে আম্বেদকরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আর শেষ হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদধূলিতে ধন্য জোড়াসাঁকোয়।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, সংবিধান রক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় ঐক্য এবং সম্প্রতির দুই পুরোধা মহাত্মা গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মেলানোর জন্য এই পথ বেছে নেওয়া হয় পদযাত্রার। তাই বি আর আম্বেদকেরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির ছোঁয়া লাগিয়ে চলে যায় এই পদযাত্রা। তিনি আগামী দু’দিনের পদযাত্রার সূচিও ঘোষণা করলেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী কাল পদযাত্রা শুরু বেলা একটায় এইট-বি বাসস্ট্যান্ড থেকে, শেষ ভবানীপুরে যদুবাবুর বাজারে। এবং পরশুদিন হাওড়া ময়দান থেকে শুরু পদযাত্রা শেষ ধর্মতলা ডোরিনা ক্রসিংয়ে।
জোড়াসাঁকোর মা ভবতারিণী
New Post has been published on https://sentoornetwork.com/jorasanko-bhbatarini-kali/
জোড়াসাঁকোর মা ভবতারিণী
নিজস্ব সংবাদদাতা: জোড়াসাঁকোর চিৎপুর রোডের ওপরই মা ভবতারিণী কালী মন্দির। এই রাস্তাই ছিল কালীঘাটে যাওয়ার পথ। সেকালে এ-রাস্তায় ডাকাত আর ঠ্যাঙাড়ে বাহিনীর আধিক্য ছিল। ডাকাতেরা হা-রে-রে-রে আওয়াজ তুলে ডাকাতিতে বেরোতো। আর ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী চুপচাপ থেকে তাদের কাজটা সমাধা করত। ডাকাতেরা রাতে ডাকাতি করলেও, ঠ্যাঙাড়েরা দিনেরবেলাতেই পাবড়া ছুড়ে মারত পথিকদের। তারা পড়ে গেলেই লুঠপাট চালাত। এই ঠ্যাঙাড়েরাই ছিল ঠগী নামে পরিচিত। জোড়াসাঁকোয় এক বটবৃক্ষের নীচে ছিল মায়ের অবস্থান। মায়ের সেবা করতেন এক ডাকাত-সর্দার। একদিন এই পথ ধরেই কালীঘাটে মাতৃ দর্শনে যাচ্ছিলেন শ্রীধর ভট্টাচার্য। ডাকাত আর ঠ্যাঙাড়ের ভয়ে ভীত শ্রীধর যাচ্ছিলেন মায়ের নামগান করতে করতে। ওই বটবৃক্ষের নীচে মায়ের থানে আসতেই ডাকাতের দল তাঁকে ঘিরে ধরে। হঠাৎই ডাকাতসর্দার বলা নেই কয়া নেই সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করে ভট্টাচার্য মহাশয়কে। আচমকা এই ঘটনায় শ্রীধর হলেন হতভম্ব! কথা শুরু করল ডাকাতসর্দার। বলল, “ঠাকুরমশাই, কাল রাতে একটা স্বপ্ন দেখলুম। মা আমাকে বলছেন, তোর তো বয়স হল। এবার আমার ভার এক সৎ ব্রাহ্মণের হাতে ছেড়ে দে। যার হাতে হাতে ছাড়বি সে কাল সকালে এ-পথে কালীঘাট যাবে মাতৃদর্শনে। ওর হাতেই আমার ছেড়ে দিবি। এই বলে মা চলে গেলেন।” শ্রীধর দেখলেন, ডাকাতসর্দার আর তার দলবলের চোখে জল। শ্রীধর বললেন, “তোমরা যখন বলছো। ঠিক আছে। তবে আমি কালীঘাট থেকে ফিরে আসি তারপর। কথামতো শ্রীধর তাই করলেন। তিনি ভার নিলেন ভবতারিণী মায়ের। একদিন মা ভবতারিণীকে প্রতিষ্ঠা করলেন মন্দিরে। বর্তমানে এই মন্দিরে ভক্ত সমাগম হয় প্রচুর। ভবতারিণী মায়ের নিত্যপুজোর সঙ্গে হোম হয়। নবরাত্রিতে দেবীর ন’টি রূপে পুজো হয়। সপ্তমী থেকে দশমী মায়ের অন্নভোগে থাকে— পঞ্চব্যঞ্জনের সঙ্গে ভাত, ডাল, মাছ এবং মাছের মুড়ো। অন্নভোগে মাছ দিতেই হবে। নইলে মায়ের অন্নভোগই হবে না। চৈত্রের নবরাত্রিতেও একই আয়োজন। দীপান্বিতা অমাবস্যায় কালীপুজোর পরদিন অন্নকূট হয়। ভক্তদের মায়ের ভোগের খিচুড়ি, লাবড়া, পায়েস দেওয়া হয়ে থাকে। মায়ের পুজো হয় ষোড়শোপচারে। মন্দিরের গর্ভগৃহ খোলে ভোর সাড়ে চারটেয়। দরজা খোলে সকাল সাতটায়। বন্ধ হয় বেলা সাড়ে বারোটায়। আবার বিকেলে খোলার পর সন্ধ্যারতি হয় সাড়ে সাতটায়। মায়ের শয়নারতি সাড়ে ন’টা থেকে পৌনে দশটা। তারপর মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়। মন্দিরে বলি হয় না। মায়ের মন্দিরে আছেন নারায়ণ। তাঁর জন্য আলাদা করে হয় নিরামিষ ভোগ। শিবের মন্দিরও আছে। জানা যায়, জোড়াসাঁকোর ভবতারিণী মা খুবই জাগ্রত।