Reworked an older comic for our current times.
"Corona Countermeasure"
seen from United States
seen from Canada
seen from United States
seen from China

seen from Germany

seen from Malaysia
seen from China
seen from China

seen from Malaysia
seen from China
seen from United Kingdom

seen from United States

seen from Maldives
seen from Australia
seen from Finland
seen from Italy
seen from Netherlands
seen from Pakistan

seen from United Kingdom
seen from Russia
Reworked an older comic for our current times.
"Corona Countermeasure"
#SPA #supernatualpowerauthority #covid19 #coronacure #vaccines #covidvaccines #Supernaturalvaccines #supernatural Sunday, 27th of December 2020 Otakada content count 2,220,207 Blog link: https://www.otakada.org/a-command-has-gone-out-today-to-all-who-are-willing-and-obedient-manifest-my-supernatural-spiritual-power-and-authority-for-my-glory-in-the-earth-realm-change-of-guards-is-taking-place-day-88/ *A Command has gone out today to all who are willing and obedient - "Manifest My Supernatural Spiritual Power and Authority for My Glory in the Earth Realm"* - _Change of Guards is taking Place!_ Day 88 of 90 - 3 days left! Brethren, happy Sunday to you all in the name of Jesus Christ, Amen https://www.instagram.com/p/CJTYTh9p731/?igshid=vxe17urleuaf
The Amrit Life- Choose your favourite design. Place orders on www.theamritlife.com #coronacure #bestgifts #immunityboost #antiquecopper #theamritlife #welness #lifestyle #healthylifestyle #tamra https://www.instagram.com/p/CDG7cFADKen/?igshid=1n6kk37r3q1si
how can family and friends visit my home in CORONA VIRUS
click to read full article
মহামারী বা দূরারোগ্য ব্যধি থেকে পরিত্রাণের দোয়া
বিভিন্ন প্রতিরোধক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দূরারোগ্য ব্যধি কিংবা মহামারী থেকে একমাত্র আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়াটাই সর্বোত্তম পন্থা।
এমন পরিস্থিতিতে সব সময় এ দোয়াটি পড়ার অভ্যাস করা সমীচীন, যা রাসুল (সা) শিখিয়ে দিয়েছেন:
اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনুন ওয়াল ঝুজাম ওয়া মিন সায়্যিল আসক্বাম।’ -সূনানে আবু দাউদ, সূনানে তিরমিজি
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমি শ্বেত রোগ থেকে আশ্রয় চাই। মাতাল হয়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। কুষ্ঠু রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। আর দূরারোগ্য ব্যাধি (যেগুলোর নাম জানিনা) থেকে আপনার আশ্রয় চাই।’
তিরমিজিতে এসেছে, আরও একটি দোয়া পড়তে বলেছেন রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ وَ الْاَدْوَاءِ উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি, ওয়াল আদওয়ায়ি।’
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার কাছে খারাপ (নষ্ট-বাজে) চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং বাজে অসুস্থতা ও নতুন সৃষ্ট রোগ বালাই থেকে আশ্রয় চাই।’ _সূনানে তিরমিজি
করোনাসহ সংক্রামক ব্যাধি থেকে রক্ষা পাবার দোয়া
রোনার আক্রান্ত গোটা বিশ্ব। চীনের উহান শহরে প্রথম ধরা পড়া ভাইরাসটি একে একে বিশ্বের শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে বাংলাদেশেও। এরিমধ্যে দেড় লক্ষ মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে হু হু করে। নতুন এই রোগের ওষুধ আবিস্কার না হওয়ায় আরো বেশি আতঙ্কের ভুগছে মানুষ। নতুন নতুন সংক্রামক ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে বিশ্বনবির উপদেশ ও দোয়া গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছেন আলেমরা।
সংক্রামক রোগ-ব্যাধি ও মহামারী দেখা দিলে তা থেকে আশ্রয় লাভে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা এবং ধৈর্যধারণ করতে বলেছেন বিশ্বনবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বিশেষ করে দুটি দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন তিনি। আর তাহলো- اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ (আবু দাউদ, তিরমিজি) উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাচি ওয়াল জুনুন ওয়াল ঝুজাম ওয়া মিন সায়্যিয়িল আসক্বাম। অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমি শ্বেত রোগ থেকে আশ্রয় চাই। মাতাল হয়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। কুষ্ঠু রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। আর (নাম না জানা) দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে আপনার আশ্রয় চাই। اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ وَ الْاَدْوَاءِ (তিরমিজি) উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি, ওয়াল আদওয়ায়ি। অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে খারাপ চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং অসুস্থতা ও নতুন সৃষ্ট রোগ বালাই থেকে আশ্রয় চাই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন কোনো এলাকায় মহামারি (সংক্রামক ব্যাধি) ছড়িয়ে পড়ে তখন যদি তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। আর যদি তোমরা বাইরে থাকো তাহলে তোমরা আক্রান্ত এলাকায় যাবে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)
করোনাসহ সংক্রামক ব্যাধি থেকে রক্ষা পাবার দোয়া
নতুন নতুন সংক্রামক ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে বিশ্বনবী বিশ্বনবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপদেশ ও দোয়া গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছেন আলেমরা। সংক্রামক রোগ-ব্যাধি ও মহামারী দেখা দিলে তা থেকে আশ্রয় লাভে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা এবং ধৈর্যধারণ করতে বলেছেন বিশ্বনবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বিশেষ করে দুটি দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে বলেছেন তিনি। আর তাহলো- اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَ الْجُنُوْنِ وَ الْجُذَامِ وَمِنْ سَىِّءِ الْاَسْقَامِ(আবু দাউদ, তিরমিজি)উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাচি ওয়াল জুনুন ওয়াল ঝুজাম ওয়া মিন সায়্যিয়িল আসক্বাম।অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমি শ্বেত রোগ থেকে আশ্রয় চাই। মাতাল হয়ে যাওয়া থেকে আশ্রয় চাই। কুষ্ঠু রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাই। আর (নাম না জানা) দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে আপনার আশ্রয় চাই।اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ وَ الْاَدْوَاءِ(তিরমিজি)উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাক্বি ওয়াল আ’মালি ওয়াল আহওয়ায়ি, ওয়াল আদওয়ায়ি।অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে খারাপ চরিত্র, অন্যায় কাজ ও কুপ্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং অসুস্থতা ও নতুন সৃষ্ট রোগ বালাই থেকে আশ্রয় চাই।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন কোনো এলাকায় মহামারি (সংক্রামক ব্যাধি) ছড়িয়ে পড়ে তখন যদি তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। আর যদি তোমরা বাইরে থাকো তাহলে তোমরা আক্রান্ত এলাকায় যাবে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)
করোনা মহামারী চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুনঃ
করোনার প্রাদুর্ভাবে বদলে গেছে বিশ্ব। পাল্টে গেছে মানুষের জীবনধারা। ভাইরাস থেকে সুরক্ষায় বিশ্বের প্রায় সব দেশের মানুষকে কাটাতে হচ্ছে ঘরবন্দী জীবন। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি শিশুসহ সব বয়সী মানুষের জীবনযাপনে করণীয় ইতিবাচক কিছু পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেগুলো চিত্রের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রথম আলোতে তুলে ধরা হয়েছে। এ আয়োজনের দশম দিন পূর্ণ হলো আজ শনিবার। এ উপলক্ষে আমাদের এই ছবির গল্প।
করোনা সারবে কালিজিরায়
মদিনায় গবেষণা
করোনা সারবে কালিজিরায়
করোনাভাইরাসে নাস্তানাবুদ এখন পুরো বিশ্ব। করোনা রোগীদের ওষুধ ও টিকা আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে কাজ করছেন গবেষকরা। তবে প্রাকৃতিক দাওয়াইয়ে করোনার চিকিৎসা করা গেলে সেটা যেমন হবে সহজলভ্য, তেমনি খরচও থাকবে হাতের নাগালে। আর প্রাকৃতিকভাবে চিকিৎসা করা গেলে বিশ্ববাসীর কাছে তা পৌঁছে যাবে দ্রুত।
সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সফলভাবে চিকিৎসা করেছেন তাঁরা। এ জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কালিজিরা, যা হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো চিকিৎসা পদ্ধতি। ওই দলের গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে মার্কিন জার্নাল পাবলিক হেলথ রিসার্চে। মুসলিম ইংক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালিজিরা হলো সর্বরোগের ওষুধ। তবে বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেসা করেছেন, বিষ কী? রাসুল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু।
গবেষণাপত্রে উল্লেখ রয়েছে, কালিজিরা ব্যবহারের ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। টিস্যু সুরক্ষিত থাকে, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয় না এবং ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কালিজিরা হলো রাসুল (সা.)-এর দেখানো চিকিৎসা উপকরণ। এটা বীজ আকারে কিংবা গুঁড়া করেও খাওয়া যায়। এ ছাড়া খাবারের সঙ্গে কিংবা জুস আকারেও খাওয়া যায়। অনেকেই কালিজিরার তেল খায়।
কালিজিরার রয়েছে নানা গুণ। এতে রয়েছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস ও কার্বোহাইড্রেট।
গবেষকদের দাবি, কালিজিরা ব্যবহারের ফলে মারাত্মক সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়, ফুসফুসের সমস্যা ধীরে ধীরে সেরে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুস এবং শ্বাসনালি ভালো রাখতে কালিজিরা দারুণ কাজের। যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে, কালিজিরা ব্যবহারে তারাও আরোগ্য লাভ করে। শ্বাসযন্ত্রে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে কালিজিরা অব্যর্থ ওষুধ। অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতেও কালিজিরা কার্যকর। ভাইরাল হেপাটাইটিস সি-তে আক্রান্ত রোগীও কালিজিরা ব্যবহারে উপকার পায়। এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত রোগীদের জন্যও কালিজিরা উপকারী।
করোনা আক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তুলতে গবেষকদের পরামর্শ : দুই গ্রাম কালিজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল ও এক চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এটা খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খাওয়া যেতে পারে। লেবু খেতে পারলে ভালো হয়। এভাবে প্রতিদিন একবার করে খেতে হবে। করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই খেতে হবে।
গবেষকরা আরো বলছেন, রোগী আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হলে প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার এভাবে খেতে হবে। আর পরে মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে।
রোগীর যদি কাশি বেশি হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে কালিজিরা ও লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নিতে পারে। অথবা কালিজিরা ও চামেলি পানিতে গরম করেও বাষ্প টেনে নিতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, যদি রোগীর অক্সিজেনের অভাব হয় তাহলে এক চামচ কালিজিরা, এক চামচ চামেলি ও এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।
জানা গেছে, সৌদি আরবের তাইবাহ ইউনিভার্সিটির মেডিসিন অনুষদের ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার মেডিসন বিভাগের গবেষকরা এ নিয়ে গবেষণা করেছেন।
গবেষকদের একজন ডা. সালেহ মুহাম্মদ বলেন, কালিজিরা ও চামেলি করোনা সংক্রমণ বন্ধ করে দিতে সক্ষম। যেসব করোনা রোগীকে তাইবাহ ইউনিভার্সিটির এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তাদের সবাই আল্লাহর রহমতে সেরে উঠছে। তারা নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।
করোনাভাইরাসে নাস্তানাবুদ এখন পুরো বিশ্ব। করোনা রোগীদের ওষুধ ও টিকা আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে কাজ করছেন
মদিনায় গবেষণা
করোনা সারবে কালিজিরায়
করোনাভাইরাসে নাস্তানাবুদ এখন পুরো বিশ্ব। করোনা রোগীদের ওষুধ ও টিকা আবিষ্কারের জন্য হন্যে হয়ে কাজ করছেন গবেষকরা। তবে প্রাকৃতিক দাওয়াইয়ে করোনার চিকিৎসা করা গেলে সেটা যেমন হবে সহজলভ্য, তেমনি খরচও থাকবে হাতের নাগালে। আর প্রাকৃতিকভাবে চিকিৎসা করা গেলে বিশ্ববাসীর কাছে তা পৌঁছে যাবে দ্রুত।
সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সফলভাবে চিকিৎসা করেছেন তাঁরা। এ জন্য ব্যবহার করা হয়েছে কালিজিরা, যা হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো চিকিৎসা পদ্ধতি। ওই দলের গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে মার্কিন জার্নাল পাবলিক হেলথ রিসার্চে। মুসলিম ইংক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালিজিরা হলো সর্বরোগের ওষুধ। তবে বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেসা করেছেন, বিষ কী? রাসুল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু।
গবেষণাপত্রে উল্লেখ রয়েছে, কালিজিরা ব্যবহারের ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। টিস্যু সুরক্ষিত থাকে, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয় না এবং ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কালিজিরা হলো রাসুল (সা.)-এর দেখানো চিকিৎসা উপকরণ। এটা বীজ আকারে কিংবা গুঁড়া করেও খাওয়া যায়। এ ছাড়া খাবারের সঙ্গে কিংবা জুস আকারেও খাওয়া যায়। অনেকেই কালিজিরার তেল খায়।
কালিজিরার রয়েছে নানা গুণ। এতে রয়েছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস ও কার্বোহাইড্রেট।
গবেষকদের দাবি, কালিজিরা ব্যবহারের ফলে মারাত্মক সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়, ফুসফুসের সমস্যা ধীরে ধীরে সেরে যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুস এবং শ্বাসনালি ভালো রাখতে কালিজিরা দারুণ কাজের। যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে, কালিজিরা ব্যবহারে তারাও আরোগ্য লাভ করে। শ্বাসযন্ত্রে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে কালিজিরা অব্যর্থ ওষুধ। অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতেও কালিজিরা কার্যকর। ভাইরাল হেপাটাইটিস সি-তে আক্রান্ত রোগীও কালিজিরা ব্যবহারে উপকার পায়। এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত রোগীদের জন্যও কালিজিরা উপকারী।
করোনা আক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তুলতে গবেষকদের পরামর্শ : দুই গ্রাম কালিজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল ও এক চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এটা খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খাওয়া যেতে পারে। লেবু খেতে পারলে ভালো হয়। এভাবে প্রতিদিন একবার করে খেতে হবে। করোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই খেতে হবে।
গবেষকরা আরো বলছেন, রোগী আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হলে প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার এভাবে খেতে হবে। আর পরে মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে।
রোগীর যদি কাশি বেশি হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে কালিজিরা ও লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে ধোঁয়া নাক দিয়ে টেনে নিতে পারে। অথবা কালিজিরা ও চামেলি পানিতে গরম করেও বাষ্প টেনে নিতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, যদি রোগীর অক্সিজেনের অভাব হয় তাহলে এক চামচ কালিজিরা, এক চামচ চামেলি ও এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।
জানা গেছে, সৌদি আরবের তাইবাহ ইউনিভার্সিটির মেডিসিন অনুষদের ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার মেডিসন বিভাগের গবেষকরা এ নিয়ে গবেষণা করেছেন।
গবেষকদের একজন ডা. সালেহ মুহাম্মদ বলেন, কালিজিরা ও চামেলি করোনা সংক্রমণ বন্ধ করে দিতে সক্ষম। যেসব করোনা রোগীকে তাইবাহ ইউনিভার্সিটির এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তাদের সবাই আল্লাহর রহমতে সেরে উঠছে। তারা নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। এই পদ্ধতিতে রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।
সূত্র : মুসলিম ইংক, আমেরিকান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ রিসার্চ।